Home Blog Page 39

স্বপ্ন থেকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে: এআই প্রতিযোগিতায় শাবিপ্রবির চার শিক্ষার্থী

0

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি:

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে ব্যবহার করে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষের জীবন সহজ করার স্বপ্ন নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পা রাখছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল তরুণ শিক্ষার্থী। উজবেকিস্তানে আয়োজিত ‘এআই ইন হেল্থ কেয়ার হ্যাকাথন-২০২৬’-এ অংশ নিতে মনোনীত হয়েছে শাবিপ্রবির দল ‘ভিশন এআই’। আগামী ২৬ থেকে ২৮ মার্চ দেশটির রাজধানী তাসখন্দের ‘সেন্ট্রাল এশিয়ান ইউনিভার্সিটিতে’ এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

জানা যায়, এই হ্যাকাথনে অংশগ্রহণকারী ৪ সদস্যের দলটির নেতৃত্বে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান। দলের অন্য সদস্যরা হলেন- পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সিরাতুল ইসলাম, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের মোল্লা ওমর হামজা ও রেহানুল বারী। দলটির মেন্টর হিসেবে দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন ইইই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. রাসেদুজ্জামান।

অংশগ্রহণকারী জানান, ‘ভিশন এআই’ দলের উদ্ভাবিত স্মার্ট গ্লাসটি ক্যামেরা ও সেন্সরের মাধ্যমে আশপাশের বস্তু ও বাধা শনাক্ত করতে সক্ষম। এটি রিয়েল-টাইম অডিও নির্দেশনার মাধ্যমে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জানাবে সামনে কোনো বাধা আছে কি না বা কোন পথটি নিরাপদ। ফলে একজন ব্যবহারকারী অন্যের সাহায্য ছাড়াই স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারবেন এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে আসবে।

টিম লিডার মেহেদী হাসান বলেন, আমাদের লক্ষ্য শুধু অংশগ্রহণ নয় বরং এমন একটি এআই সমাধান তৈরি করা, যা মানুষের জীবনে সরাসরি ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এটি কেবল একটি প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন হবে না বরং সমাজের একটি বড় অংশের জন্য কার্যকর সহায়ক প্রযুক্তি তৈরির প্রচেষ্টা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের পাশাপাশি আজারবাইজান, রাশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, কাজাখস্তান, তুরস্ক, চীন, শ্রীলঙ্কা ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা অংশ নেবেন। ফলে বৈশ্বিক পরিসরে নিজেদের দক্ষতা তুলে ধরার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি হবে মনে করছেন দলের সদস্যরা।

হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণে দুর্নীতি অনিয়ম জিরো টলারেন্সে নিয়ে আসবো পানিসম্পদ মন্ত্রী

0

ধর্মপাশা – মধ্যনগর প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় আজ শুক্রবার দুপুরে চন্দ্রসোনারতাল হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। পরিদর্শন কালে পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, এখন থেকে বর্তমান বিএনপি সরকার ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণ কাজে সর্বোচ্চ সর্তক অবস্থানে রয়েছে। হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ গুলোতে কেউ যেন দুর্নীতি করতে না পারে, এজন্য বাঁধ নির্মাণ কাজে কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না।
বাঁধ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বিগত সময়ে হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণে অনেক দুর্নীতি অনিয়ম হয়েছে। এটা যাতে ভবিষ্যতে না হয় সেই জন্য আমরা জিরো টলারেন্সে নিয়ে আসার চেষ্টা করছি।
মন্ত্রী আরো বলেন আমরা পাহারাদারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধের প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে কাজ করবো। প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক এ হাওরাঞ্চলের মানুষ ও কৃষকদের খোঁজ খবর রাখছেন। তাঁর নির্দেশে আজকে আমি হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ পরিদর্শনে এসেছি। হাওরের ফসল রক্ষায় বাঁধ খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। এ প্রকল্পটি পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় সরাসরি তদারকি করে। ফলে বাঁধ নির্মাণ যাতে প্রতি বছর সুন্দর ও দুর্নীতিমুক্ত হয় সেই দিকে সরকারের সবচেয়ে বেশি নজরদারি থাকবে এবং সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন মিলন, সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল, সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কয়ছর আহমদ, সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুল, সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার, স্থানীয় বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জৈন্তাপুরে বালুবাহী ট্রাকের ধাক্কায় এএসআই নিহত, চালক-হেলপার আটক

0

মুরাদ হাসান, জৈন্তাপুর প্রতিনিধি:

সিলেটের জৈন্তাপুরে দায়িত্ব পালনকালে বালুবাহী ট্রাকের ধাক্কায় পুলিশের এক উপ-সহকারী পরিদর্শক (এএসআই) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও এক এএসআই আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর ট্রাকের চালক ও হেলপারকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২৭ ফেব্রুয়ারি দুপুর আনুমানিক ২টা ১৫ মিনিটে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। জৈন্তাপুর মডেল থানায় কর্মরত এএসআই সোহেল রানা-২ ও এএসআই আতিকুর রহমান থানার বিভিন্ন তদন্ত কার্যক্রম, গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযানের উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেলযোগে ৪নং দরবস্ত ইউনিয়নের দিকে রওয়ানা হন।

পথে জৈন্তাপুর থানাধীন ৪নং দরবস্ত ইউনিয়নের টেংরা বারাইকান্দি এলাকায় এসএসকেএস ক্লিনিকের বিপরীত পাশে অবস্থিত সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে পৌঁছালে জাফলং থেকে সিলেটগামী একটি বালুবাহী ট্রাক (রেজি: চট্ট মেট্রো-ট-১২-০৯৯২) পেছন দিক থেকে তাদের মোটরসাইকেলে সজোরে ধাক্কা দেয়।

এতে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে এএসআই আতিকুর রহমান গুরুতর আহত হন এবং এএসআই সোহেল রানা-২ সামান্য আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত)সহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক এএসআই আতিকুর রহমানের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন বিকাল ৫টার দিকে এএসআই আতিকুর রহমান মারা যান।

নিহত এএসআই আতিকুর রহমানের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর থানার গড়বিশুদিয়া গ্রামে। তিনি মোঃ সামছুল হকের ছেলে।
এ ঘটনায় জড়িত ট্রাকচালক মঞ্জুর হোসেন (৪১) ও হেলপার ফয়সাল (২১)-কে ট্রাকসহ আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা যথাক্রমে ফেনীর দাগনভূঞা ও ফেনী সদর থানার বাসিন্দা।

এ বিষয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা বলেন, ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

শাবিপ্রবি মৌসাস’র সভাপতি শাহীন, সম্পাদক ইমন

0

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৌলভীবাজার স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন অব সাস্ট (মৌসাস) এর ২০২৬-২০২৭ সেশনের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন সমাজকর্ম বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আলী আব্বাস শাহীন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন একই বিভাগ ও শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো: মোজাহিদুল ইসলাম ইমন।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারী) সন্ধায় সংগঠনটির পক্ষ থেকে প্রেরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জনানো হয়।

কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আলী সুমন, ইমামা জান্নাত, সৈয়দা রুকসানা, যুগ্ম সম্পাদক এম. মহসিন, কোষাধ্যক্ষ শাহাদাত হোসেন, সহকারী কোষাধ্যক্ষ মো. জাহিদুর রহমান অনি, সাংস্কৃতিক সম্পাদক সৌরভ নন্দি স্বপ্নিল, সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক প্রিয়ম দে ও রাতুল দাস, ওয়েলফেয়ার সম্পাদক জিয়াউর রহমান, সহকারী ওয়েলফেয়ার সম্পাদক অর্নভ দে, সাংগঠনিক সম্পাদক এবিএম সাঈদ মাহমুদ সাদ, সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক অমিত বৈদ্য, জয় বিশ্বাস শুভ, দেবাংশু শেখর দাস ও অরিজিত পাল সৌভিক।

দপ্তর সম্পাদক মাহির আসিফ খান, সহ-দপ্তর সম্পাদক অভিমন্য বৈদ্য ও এমডি মোশারফ, স্পোর্টস সেক্রেটারি শাহাদত হোসাইন নাবিল, অ্যাসিস্ট্যান্ট স্পোর্টস সেক্রেটারি ফুজায়েল আহমেদ ও বিবেক সিং, পাবলিকেশন সেক্রেটারি ফারহানা নাহার রিয়া, সহকারী পাবলিকেশন সেক্রেটারি তাহমিনা আক্তার মীম ও বিবেক ঋষি, এডুকেশন অ্যাফেয়ার্স সেক্রেটারি জাকির আহমেদ, অ্যাসিস্ট্যান্ট এডুকেশন অ্যাফেয়ার্স সেক্রেটারি মনসুর আহমেদ ও জিয়াউর রহমান, নারী বিষয়ক সম্পাদক আবিদা সুলতানা এবং সহকারী নারী বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ারা ইয়াসমিন নির্বাচিত হয়েছেন।

এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন নাওমি, সৃজন রয়, সুব্রত, রাজিব, প্রিয়ম, তৌহিদ ও সৌরভ।

ধর্মপাশায় এক বর্গাচাষীকে মিথ্যে মামলায় জরানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন

0

ধর্মপাশা – মধ্যনগর প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলাদীন জয়শ্রী ইউনিয়নে শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে লক্ষ্মণখলা গ্রামবাসীর ব্যানারে স্থানীয় বাজার সংলগ্ন সড়কে এক মানববদ্ধ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
লক্ষ্মণখলা গ্রামের সাইফুল ইসলাম চৌধুরী নামে এক প্রভাবশালী ব্যক্তি কর্তৃক এক বর্গাচাষী পরিবারের ওপর চাঁদাবাজী মামলা দায়েরের প্রতিবাদে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয় ।
ধর্মপাশা থালা ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, জয়শ্রী ইউনিয়নের বাখরপুর গ্রামের সাইফুল ইসলাম চৌধুরী লক্ষ্মণখলা গ্রামের বর্গাচাষী রইছ মিয়াসহ তার পরিবারের পাঁচ জনের বিরুদ্ধে গত বুধবার ধর্মাপাশা থানায় একটি চাঁদাবাজী মামলা দায়ের করে। এজাহার ভুক্ত আসামিরা হলেন,রইছ মিয়া, খায়ের মিয়া, রইছ মিয়ার ছেলে রাফি মিয়া, রইছ মিয়ার বড় ভাই বাচ্চু মিয়ার ছেলে মানিক মিয়া ও মালেক মিয়ার ছেলে খায়রুল।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ইউপি সদস্য বায়েজিদ তালুকদার, রহিছ মিয়া, খায়েয়ের স্ত্রী শেলী আক্তার, রাকিব আহমেদ, শামীম আহমেদ, হেলাল উদ্দিন।
ভুক্তভোগী পরিবারসহ লক্ষ্মণখলা গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার ২শতাধিক মানুষ মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাইফুল ইসলাম প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ায় নিরীহ মানুষকে বিভিন্ন সময় মামলা দিয়ে হয়রানি করে। লক্ষ্মণখলা গ্রামের সামনে অন্যের জমি বর্গা নিয়ে বোরো ধান চাষাবাদ করেছেন রইছ মিয়া। গেল ১৯ ফেব্রুয়ারি সাইফুল ইসলামের গরু কর্তৃক রইছ মিয়ার ক্ষেতের ফসল খাওয়াকে কেন্দ্র করে উভয়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব বাধে। এর জেরে মঙ্গলবার রাত একটার দিকে রইছ মিয়ার ছোট ভাই খায়ের মিয়াকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করে সাইফুল ইসলামের লোকজন। ওই মামলাকে মিথ্যা বানোয়াট দাবি করেন বক্তারা।
জানতে চাইলে সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, আমার লোকজন খায়েরকে ধরে পুলিশে ধরিয়ে দেয় নি। মামলা করার পর পুলিশ খায়েরকে গ্রেপ্তার করেছে।
এ বিষয়ে ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সহিদ উল্যা মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বাদী হয়ে গত বুধবারে পাঁচজনকে আসামি করে একটি চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেছেন।

শাবি প্রেসক্লাবের নতুন সভাপতি নোমান, সাধারণ সম্পাদক নুর আলম

0

শাবি প্রতিনিধি:

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব’র ২১তম কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন- ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক প্রথম আলোর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি নোমান ফয়সাল ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম’র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি নুর আলম।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল এগারোটা থেকে দুপুর সাড়ে বারোটা পর্যন্ত শাবি প্রেসক্লাব কার্যালয়ে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বিকাল সাড়ে পাঁচটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাজেদুল করিমের উপস্থিতিতে প্রেসক্লাব কার্যালয়ে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. ইফতেখার আহমেদ।

কমিটিতে নির্বাচিত অন্য সদস্যরা হলেন সহ-সভাপতি সৈকত মাহাবুব (বাংলাদেশ বুলেটিন), যুগ্ম সম্পাদক সাগর হোসেন শুভ্র (দৈনিক ইত্তেফাক), কোষাধ্যক্ষ সাগর হোসেন জাহিদ (জাগো নিউজ২৪), দপ্তর সম্পাদক মো. মোফাজ্জল হক (বাংলাদেশ প্রতিদিন)।

এছাড়া কার্যকরী সদস্য-১, কার্যকরী সদস্য-২, কার্যকরী সদস্য-৩ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন যথাক্রমে মো. ইকবাল হোসাইন (দৈনিক নয়া দিগন্ত), মাঈন উদ্দিন (দৈনিক আমার দেশ) এবং নাদির আহমেদ (দৈনিক জনকণ্ঠ)।

এছাড়াও ফলাফল ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এম. সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম, ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম, নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ইফতেখার রহমান ও অধ্যাপক ড. ফাহমিদা আক্তার, প্রক্টর অধ্যাপক মো. মোখলেসুর রহমান, আইকিউএসির পরিচালক অধ্যাপক ড. সালমা আক্তার, অধ্যাপক ড. শাহ মো. আতিকুল হক, অধ্যাপক ড. খালিদুর রহমান, অধ্যাপক ড. মো. মুরাদ, অধ্যাপক মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, শাবি প্রেসক্লাবের সদ্য সাবেক সভাপতি জুবায়েদুল হক রবিন ও সাধারণ সম্পাদক নাঈম আহমদ শুভ, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যবৃন্দ প্রমুখ। ফলাফল ঘোষণা শেষে নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে শুভেচ্ছা জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের, উপ-উপাচার্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

শাবিপ্রবির পিএমই বিভাগে শিক্ষক নিয়োগে ‘অনিয়ম’: সিদ্ধান্ত না আসায় ক্লাস-পরীক্ষায় ফিরছেন না শিক্ষার্থীরা

0

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পেট্রোলিয়াম এন্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং(পিএমই)বিভাগে যোগ্যতা পূরণ না করে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগে শিক্ষার্থীরা ১৭ দিন ধরে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করছেন।

শিক্ষার্থীদের দাবি, ওই শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল করে দ্রুত বিষয়টি সামাধান করা হোক। সিদ্ধান্ত না পর্যন্ত তারা ক্লাস-পরীক্ষায় ফিরবেন না বলে জানান তারা ।

এ বিষয়ে বিভাগটির অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি তানজিদ রহমান অপূর্ব বলেন, “১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলাম। কিন্তু প্রশাসন বরাবরের মতই আমাদের হতাশ করে যাচ্ছে। তারা আমাদের প্রতিবার কথা দিয়ে যায় নিয়োগ বাতিল হবে; কিন্তু কোনো এক দৈব্যশক্তির কারণে তার নিয়োগ বাতিল করা হয় না। প্রশাসন এই বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত না নিলে আমরা বিভাগের শিক্ষার্থীরা আর ক্লাসে ফিরব না। আমাদের একটাই দাবি, এই অবৈধ নিয়োগ বাতিল করতে হবে।”

নিয়োগ পাওয়া যে শিক্ষককে নিয়ে শিক্ষার্থীদের আপত্তি, তার নাম তাজবিউল ইসলাম। তিনি ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি-শিবপুর থেকে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন।

সেখানে স্নাতকে তার সিজিপিও ৭.৩৫। কিন্তু স্নাতকের সিজিপিএ ৭.৩৫-কে বাংলাদেশে প্রচলিত পদ্ধতি সিজিপিএ ৪-এ রূপান্তর করলে তা ৩.২১ হয় ।

জানা যায়, ২০২৪ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীর যোগ্যতা হিসেবে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তরে সর্বনিম্ন ৩.৫০ সিজিপিএ চাওয়া হয়। কিন্তু তাজবিউল ইসলামের আবেদনের যোগ্যতা না থাকলেও তাকে মৌখিক পরীক্ষার কার্ড দেওয়া হয়।

তিনি ওই বছরের জুনে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগপত্র পান। কিন্তু শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের মুখে তিনি ক্লাসে পাঠদানে অংশ নিতে পারেননি। যদিও তিনি শিক্ষক হিসেবে বেতন-ভাতা পান।

এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ৮ অক্টোরব তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তাতে এই শিক্ষকের অনিয়মের বিষয়টি প্রমাণিত হয়। এরপর কেন তাজবিউলের বেতন-ভাতা বন্ধ করে চাকরিচ্যুত করা হবে না, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে কারণ দর্শানোর সুপারিশ করে ওই তদন্ত কমিটি।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩৫তম সিন্ডিকেট সভায় তাজবিউলের বেতন-ভাতা বন্ধ করে চাকরিচ্যুত করা হবে কি-না, এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন উপদেষ্টার মন্তব্য চাওয়া হয়।

কিন্তু সিন্ডিকেট সভা মন্তব্য চাওয়ার পরও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আইন উপদেষ্টার মন্তব্য নেয়নি বলে অভিযোগ পিএমই বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন উপদেষ্টা তাজউদ্দিন বলেন, “আমার কাছে মন্তব্য চাওয়া হয়েছে কিনা বা আমি দিয়েছি কিনা, ফাইল দেখা ছাড়া বলতে পারব না। ফাইল দেখে বলতে হবে।”

এদিকে নিয়োগের দেড় বছর পর চাকরিতে যোগদানে বিরত রাখায় তাজবিউল চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি হাই কোর্টে রিট করেন। রিটের কপি নিয়ে তিনি ২ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন। এরপর পিএমই বিভাগের শিক্ষার্থীরা ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে সব ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দেন। পাশাপাশি তারা আন্দোলনের ঘোষণাও দেন।

পিএমই বিভাগের প্রধান অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বলেন, “যে শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ভিসি ফরিদের আমলে, তা সম্পূর্ণ অনিয়ম করে হয়েছে। ওই প্রার্থীর নূন্যতম যোগ্যতাই নাই আবেদনের। তারপরও তাকে নিয়োগে দিয়েছে। আমি সবসময় শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির পক্ষে।

“আমাদের বিভাগে শিক্ষকের খুবই সংকট। তার উপর অনিয়ম করে এ শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ নিয়োগ বাতিলের দাবিতে আমাদের শিক্ষার্থীরা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনসহ নানা আন্দোলন-কর্মসূচি পালন করেছে। এখনও বিভাগে শিক্ষার্থীরা ক্লাস-পরীক্ষা ফিরছে না।”

তিনি আরো বলেন, “তাজবিউল হাই কোর্টে রিট করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন রিট খারিজে আপিল করেছে। আগামী সপ্তাহে সেটা চেম্বার আদালতে উঠবে বলে প্রশাসন বলেছে।”

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সাজেদুল করিম বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে রিট খারিজ করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পিএমই বিভাগীয় প্রধানের পছন্দমত উকিল দিয়েই এটা করা হচ্ছে।”

এ বিষয়ে জানতে তাজবিউল ইসলামকে মোবাইলে একাধিক ফোন দিলেও তিনি ধরেননি।

দীর্ঘদিন ধরে অযত্ন-অবহেলায় শাবির প্রথম শহীদ মিনার

0

অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া অথবা সংস্কারের দাবি শিক্ষার্থীদের

শাবি প্রতিনিধি:

একুশ এলে যে প্রাঙ্গণে ভোরের আলো ফোটার আগেই জড়ো হতো শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা, যে বেদিতে ফুল দিয়ে জানানো হতো ভাষাশহীদদের প্রতি অগাধ ভালোবাসা সেই শহীদ মিনারটি পড়ে আছে আজ নীরবতায়। ১৯৯২ সালে ছোট-বড় তিনটি স্তম্ভের সমন্বয়ে নির্মিত হয় শাহাজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(শাবিপ্রবি) অস্থায়ী শহীদ মিনারটি।

সরজমিন দেখা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শহীদ মিনারটি অসংরক্ষিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। কেউ সবচেয়ে ছোট স্তম্ভের উপর দাড়িয়ে আছে, কেউ সাইকেল রাখছে কেউবা উপরে বসে রয়েছেন। বড় স্তম্ভ দুটিতে ঘাস ও শেওলার উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

সবচেয়ে ছোট স্তম্ভের উপর বসে থাকা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ২০২৪-২০২৫ সেশনের এক শিক্ষার্থীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শহীদ মিনার, তা তিনি আগে জানতেন না । কখনো তিনি এ বিষয়ে অবগত হওয়ার সুযোগ পাননি । ১০১টি সিঁড়িবিশিষ্ট শহীদ মিনার থাকায় পুরাতন শহীদ মিনার সংরক্ষণের কথা প্রশাসন ভুলে গেছেন বলে অভিযোগ জানান তিনি।

কর্তৃপক্ষের কাছে মিনারটি সংস্কার কিংবা অপসারনের দাবি জানিয়ে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী কাজী মোহাম্মদ আতাহার উদ্দিন বলেন, ‘স্মৃতির প্রথম মিনারটি ওভাবে জরাজীর্ণ অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকার বিষয়টি আমাদের বিবেকে বাধে। এটি যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শহীদ মিনার, সেটিই জানেন না ক্যাম্পাসের অনেকেই। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে প্রশাসনকে স্মৃতির মিনারটির প্রতি দৃষ্টি দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি ।

ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদের মাঝে আফিয়া ইবনাত নিশার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন , ব্যতিক্রম ধর্মী গঠনের করণে প্রথমবার দেখে বুঝার উপায় নেই যে এটি শহীদ মিনার। সকলের দৃষ্টি টিলার উপরের দৃষ্টিনন্দন শহীদ মিনারটির দিকে, জরাজীর্ণ অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকা মিনারের দিকে নয়। ভাষা শহীদদের সম্মানে কর্তৃপক্ষ মিনারটির দ্রুত সংস্কার করা উচিত বলে তিনি মনে করি ।

বিষয়টি জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এম. সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরীকে একাধিকবার কল দিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি।

তবে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম বলেন, শিক্ষার্থীরা যে সংস্কারের কথা বলতেছে—এটা আমি মনে করি তারা সঠিক বলতেছে। সংস্কার এতদিন যে করা হয় নাই, এটা আসলে ঠিক হয় নাই যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শহীদ মিনার। শহীদ মিনারটি সংস্কারের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সহ ইঞ্জিনিয়ারিং দপ্তরে আলোচনা করে কি করা যায় সেই অনুযায়ী দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া আশ্বাস দেন তিনি।

শাবিতে ‘নির্বাচন, ভোট আচরণ ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া’ গবেষণার লক্ষ্যে ইলেকশন ল্যাবের উদ্বোধন

0

শাবি প্রতিনিধি:

দেশে প্রথমবারের মতো শুধুমাত্র নির্বাচনভিত্তিক গবেষণার উদ্দেশ্যে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(শাবিপ্রবি) পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের উদ্যোগে ‘ইলেকশন ল্যাব’র উদ্বোধন করা হয়েছে। নির্বাচন, ভোট আচরণ ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে পদ্ধতিগত ও প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনার লক্ষ্যে এ ল্যাব কাজ করবে।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১ টায় সামাজিক বিজ্ঞান ভবনের ৫০৪ নম্বর কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এম. সারওয়ারউদ্দিন চৌধুরী আনুষ্ঠানিকভাবে এই ল্যাবের উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড এ এম সরওয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ইলেকশন ল্যাবের যাত্রা শুরু হচ্ছে এর মাধ্যমে শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা ইলেকশনের ডাটা কালেকশন, পর্যালোচনা করে উপকৃত হবে।

এসময় তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে বলেন, এবছরের নির্বাচন অন্যান্য নির্বাচনের থেকে তুলনামূলক ভালো হয়েছে। এই ইলেকশন ল্যাব দেশের পরবর্তী ইলেকশন গুলো আরো ভালো করার জন্য ভূমিকা রাখবে বলে আশা করি।

ইলেকশন ল্যাব উদ্বোধন সভার সভাপতি ও পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. আশরাফুর রহমান বলেন, ‘বিভাগে প্রথমবারের মত ল্যাব উদ্বোধন একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ। শিক্ষার্থীরা তাদের নিজেদের গবেষণা ও বিশ্লেষণী দক্ষতা বাড়াতে পারবে’

ইলেকশন ল্যাবের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সাহাবুল হক বলেন, “এই ল্যাবের লক্ষ্য হলো নির্বাচনসংক্রান্ত তথ্য ও উপাত্তের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে নির্ভরযোগ্য গবেষণা ফলাফল উপস্থাপন করা এবং গণতান্ত্রিক চর্চাকে সমৃদ্ধ করা।”

জানা যায় , গত ১ ফেব্রুয়ারি বিভাগের এক সভায় ইলেকশন ল্যাব গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর আগে বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে বিভিন্ন নির্বাচনী আসনে জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা, প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণ, আসনভিত্তিক ফলাফল মূল্যায়ন এবং ভোটিং পদ্ধতি নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। এসব কার্যক্রমকে সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনার লক্ষ্যে ইলেকশন ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা হয়। উন্নয়ন ও নাগরিক প্রতিষ্ঠান ‘ইমপ্যাক্ট ইনিশিয়েটিভ’-এর সহযোগিতাও এতে যুক্ত রয়েছে।

ইলেকশন ল্যাবটি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একটি সমন্বিত একাডেমিক প্ল্যাটফর্ম, যার লক্ষ্য বাংলাদেশে ভোট ও নির্বাচনসংক্রান্ত সময়োপযোগী, নির্ভুল এবং গবেষণাভিত্তিক পরিসংখ্যান, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণমূলক অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করা। জরিপের তথ্য, নির্বাচনের ফলাফল এবং অন্যান্য প্রায়োগিক উপাত্ত বিশ্লেষণের মাধ্যমে এ ল্যাব গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করবে। একই সঙ্গে কঠোর একাডেমিক মান বজায় রেখে সাধারণ পাঠকের জন্য সহজবোধ্য প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে প্রমাণভিত্তিক নীতিনির্ধারণে অবদান রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন। সভাপতিত্ব করেন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ আশরাফুর রহমান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইলেকশন ল্যাবের অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. জায়েদা শারমিন ও প্রফেসর ড. মো. নজরুল ইসলাম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সঞ্চলনা করেন ইলেকশন ল্যাবের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সাহাবুল হক। এসময় বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড.ফাহামিদা আক্তার, সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. এমদাদুল হক, সহযোগী অধ্যাপক ড. হাজেরা আক্তারসহ বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা নির্বাচনের ফলাফল, ভোটের প্রবণতা, রাজনৈতিক তাৎপর্য এবং সামগ্রিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন।

এসময় বক্তারা বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলে বেশিরভাগ আসনে জামায়াতের তুলনায় বিএনপি বেশি আসন লাভ করেছে মূলত তাদের সারাদেশব্যাপী সাংগঠনিক শক্তি, শক্তিশালী তৃণমূল নেটওয়ার্ক এবং গ্রামীণ এলাকায় দৃঢ় উপস্থিতির কারণে। সংখ্যালঘু ভোট এবং সাবেক আওয়ামী লীগ সমর্থকদের একটি অংশের সমর্থনও বিএনপির পক্ষে গেছে, পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের বয়ান ব্যবহার তাদের বিস্তৃত রাজনৈতিক বৈধতা জোরদার করেছে। তবে কিছু অঞ্চলে, বিশেষত শহরাঞ্চল এবং পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব সীমান্ত এলাকায় জামায়াত তুলনামূলকভাবে ভালো ফল করেছে। তাদের জোট জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা কার্যকরভাবে কাজে লাগিয়েছে, বিশেষ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির ছয়টি জয়ের মাধ্যমে। ভারতবিরোধী বক্তব্য, সীমান্ত হত্যা ইস্যু এবং বিভিন্ন আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীদের কারণে ভোট বিভাজনও জামায়াতের স্থানীয় সাফল্যকে সহায়তা করেছে। নির্বাচনী ফলাফলে দুই-তৃতীয়াংশ আসন বেশি জয়ী হওয়ায় সংসদে দুর্বল বিরোধী দল হিসেবে জামায়াত অংশগ্রহণ করবে আর পাশাপাশি বড় মেজরিটির জন্য বিএনপি সহজে আইন পাশ করা থেকে শুরু করে একচ্ছত্র স্বৈরাচারী সরকার হিসেবে উপনীত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এআই ইমপ্যাক্ট সামিট: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে যৌথ ভবিষ্যৎ নির্মাণ

0

অনিরুদ্ধ দাস:

বিশ্ব এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর যুগে প্রবেশ করেছে—এর ব্যবহার আমরা চারপাশেই দেখতে পাচ্ছি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) বলতে বোঝায় এমন যন্ত্রগত সক্ষমতা, যার মাধ্যমে সাধারণত মানুষের বুদ্ধিমত্তা প্রয়োজন হয়—এমন কাজ যন্ত্র নিজে সম্পাদন করতে পারে। এআই কেবল দ্রুততর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতেই সহায়ক হবে না, বরং আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রায় সব ক্ষেত্রেই প্রভাব ফেলবে। এআইয়ের মতো উদীয়মান প্রযুক্তিতে যুগান্তকারী অগ্রগতির ফলে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সূচনা হয়েছে। পূর্ববর্তী শিল্পবিপ্লবগুলোর মতোই এই বিপ্লবের সম্ভাবনা রয়েছে বিশ্বব্যাপী আয় বৃদ্ধি এবং মানুষের জীবনমান উন্নত করার। তবে একই সঙ্গে আশঙ্কা রয়েছে—এটি বৈষম্য বাড়াতে পারে, শ্রমবাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে এবং এআইয়ের অনৈতিক ব্যবহারের ঝুঁকি ইতোমধ্যেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এআইয়ের সম্ভাবনাকে দায়িত্বশীল ও ন্যায়সঙ্গতভাবে কাজে লাগানোর লক্ষ্যে একাধিক বহুপাক্ষিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জি–২০ এআই নীতিমালা, জাতিসংঘ ও গ্লোবাল পার্টনারশিপ অন এআই (GPAI)-এর এআই সংক্রান্ত প্রস্তাব, আফ্রিকান ডিক্লারেশন অন এআই এবং হামবুর্গ ডিক্লারেশন অন রেসপনসিবল এআই। এসব উদ্যোগ প্রমাণ করে যে, এআইয়ের রূপান্তরমূলক প্রভাব সীমান্ত অতিক্রম করে বৈশ্বিক সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজন তৈরি করেছে। যুক্তরাজ্যের এআই সেফটি সামিট, এআই সিওল সামিট, ফ্রান্স এআই অ্যাকশন সামিট এবং গ্লোবাল এআই সামিট অন আফ্রিকার মতো আন্তর্জাতিক ফোরামগুলোর ধারাবাহিকতায় ভারত ২০২৬ সালের ১৬–২০ ফেব্রুয়ারি নয়াদিল্লিতে আয়োজন করতে যাচ্ছে এআই ইমপ্যাক্ট সামিট।

এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬:
ভারত বিশ্ববাসীকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এ অংশ নিতে—যা গ্লোবাল সাউথে আয়োজিত সবচেয়ে বড় এআই সম্মেলনগুলোর একটি হতে যাচ্ছে। পাঁচ দিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে নীতি নির্ধারণ, গবেষণা, শিল্পখাত এবং জনসম্পৃক্ততা – সবকিছুকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। সামিটটি বিদ্যমান বহুপাক্ষিক উদ্যোগগুলোকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি নতুন অগ্রাধিকার, কার্যকর ফলাফল এবং সহযোগিতামূলক কাঠামো এগিয়ে নেবে। এর লক্ষ্য হলো এমন একটি ভবিষ্যৎ পথনকশা তৈরি করা, যেখানে এআইয়ের রূপান্তরমূলক শক্তি মানবকল্যাণে ব্যবহৃত হবে, অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করবে, সামাজিক উন্নয়নকে উৎসাহিত করবে এবং মানুষকেন্দ্রিক উদ্ভাবনের মাধ্যমে আমাদের গ্রহকে সুরক্ষা দেবে। একই সঙ্গে সামিটটি গ্লোবাল সাউথের কণ্ঠকে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরবে, যাতে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও সুযোগ কেবল কয়েকটি অঞ্চলে সীমাবদ্ধ না থেকে বিশ্বজুড়ে সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
এই সামিটে ১০০টিরও বেশি দেশের অংশগ্রহণ প্রত্যাশিত—যার মধ্যে প্রায় ২০ জন সরকারপ্রধান, ৫০ জনের বেশি মন্ত্রী এবং শীর্ষস্থানীয় বৈশ্বিক ও ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের ৪০ জনের বেশি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা থাকবেন। পাশাপাশি সাতটিরও বেশি বিষয়ভিত্তিক প্যাভিলিয়নে ৪০০-এর বেশি প্রদর্শক (এক্সিবিটর) অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে

ভারতের এআই যাত্রা:
ভারত এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-চালিত এক নতুন যুগের দ্বারপ্রান্তে, যেখানে প্রযুক্তি মানুষের জীবন বদলে দিচ্ছে এবং দেশের অগ্রযাত্রাকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করছে। এআই আর শুধু গবেষণাগার বা বড় করপোরেশনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটি সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়ানো থেকে শুরু করে কৃষকদের ফসল সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করা – এআই দৈনন্দিন জীবনকে করছে আরও সহজ, বুদ্ধিদীপ্ত ও সংযুক্ত। এটি ব্যক্তিকেন্দ্রিক শিক্ষার মাধ্যমে শ্রেণিকক্ষকে রূপান্তরিত করছে, শহরকে করছে আরও পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ এবং দ্রুত ও তথ্যভিত্তিক শাসনের মাধ্যমে জনসেবার মান উন্নত করছে।
ভারত সরকারের নীতি-পরিকল্পনা বিষয়ক প্রধান থিঙ্ক ট্যাংক নীতি আয়োগের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এআই ভারতের ৪৯ কোটি অনানুষ্ঠানিক (ইনফরমাল) শ্রমিককে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তির সুযোগ বাড়িয়ে ক্ষমতায়িত করতে পারে। এআই-চালিত সরঞ্জাম উৎপাদনশীলতা ও স্থিতিস্থাপকতা বাড়াতে পারে—যাঁরা ভারতের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, প্রযুক্তি সামাজিক ও অর্থনৈতিক গভীর বিভাজন দূর করতে পারে এবং এআইয়ের সুফল যেন প্রতিটি নাগরিকের কাছে পৌঁছায় তা নিশ্চিত করতে পারে। অন্তর্ভুক্তিমূলক এআই ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার পথে ভারতের অগ্রগতি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও পাচ্ছে। স্ট্যানফোর্ড এআই ইনডেক্স এআই দক্ষতা, সক্ষমতা ও নীতিমালার দিক থেকে ভারতকে শীর্ষ চারটি দেশের মধ্যে স্থান দিয়েছে। জাতীয় উদ্যোগ ও বৈশ্বিক সহযোগিতার মাধ্যমে ভারতে এআই বাস্তব সমস্যা সমাধান, জনসেবা উন্নয়ন এবং সুযোগকে আরও সহজলভ্য করতে ব্যবহৃত হচ্ছে।

গ্রহ, মানুষ ও অগ্রগতির জন্য এআই:
ভারত আয়োজিত এআই ইমপ্যাক্ট সামিটের ভিত্তি তিনটি স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে—গ্রহ (প্ল্যানেট), মানুষ (পিপল) ও অগ্রগতি (প্রগ্রেস)। ‘মানুষ’ স্তম্ভটি নিশ্চিত করে যে, এআই মানবকেন্দ্রিক থাকবে, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে সম্মান করবে, মর্যাদা রক্ষা করবে এবং নকশা ও প্রয়োগে অন্তর্ভুক্তিকে প্রাধান্য দেবে। ‘গ্রহ’ স্তম্ভটি পরিবেশ সুরক্ষা ও বৈশ্বিক স্থায়িত্ব জোরদারে দায়িত্বশীল উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করে। আর ‘অগ্রগতি’ স্তম্ভটি এআইকে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির ইঞ্জিন হিসেবে কল্পনা করে—যেখানে এর সুফল বৈশ্বিক উন্নয়ন অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে এবং সুযোগের ন্যায্য প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করবে।
ভারতে আয়োজিত এআই ইমপ্যাক্ট সামিট কেবল বিশ্বনেতৃত্বের সমাবেশ নয়; এটি এআইয়ের ইতিবাচক প্রভাব বিস্তারের একটি দৃঢ় অঙ্গীকার। এই তিনটি স্তম্ভের মাধ্যমে বৈশ্বিক সম্প্রদায় এমন বাস্তব পথনির্দেশ তৈরি করবে, যাতে এআই গ্রহের সেবা করে, সব মানুষকে ক্ষমতায়িত করে এবং প্রতিটি দেশের জন্য অগ্রগতি ত্বরান্বিত করে।
বাংলাদেশ গ্লোবাল সাউথের অন্যান্য দেশের মতোই, উদীয়মান এআই শক্তিকে কাজে লাগিয়ে নিজস্ব প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে পারে। বাংলাদেশ ইউনেস্কোর ১৯৩টি সদস্য দেশের একটি, যারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নৈতিকতা বিষয়ক ইউনেস্কোর সুপারিশ গ্রহণ করেছে—যাতে এআই ন্যায়সঙ্গত, টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ফলাফল নিশ্চিত করে। এআইয়ের এই নতুন যুগের সূচনালগ্নে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায়, এআই ইমপ্যাক্ট সামিট হতে পারে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ—যার মাধ্যমে দেশটি এআই অর্থনীতিতে নিজের অবস্থান নির্ধারণ করে জনগণকে ক্ষমতায়িত করতে এবং আগামীর কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জন করতে পারবে।

অনিরুদ্ধ দাস
সহকারী হাইকমিশনার,
ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন, সিলেট