কমলগঞ্জ প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজার ও শ্রীমঙ্গলে ১৭ জুন বুধবার প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে বন্ধ থাকবে জেলার ৯২টি চা বাগান। চা শ্রমিকদের বুধবারের কাজ সাপ্তাহিক বন্ধের দিন রোববার আদায় করা হবে। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেল ৫টায় কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী (হাজী মুজিব) এতথ্য জানান।
জানা যায়, বুধবার মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ও মৌলভীবাজার সদরে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে চা শ্রমিকেরা যাতে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারেন এজন্য বাগান গুলো বুধবার বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে শ্রমিকেরা বুধবার বন্ধ পেলেও পরবর্তী রোববার কাজ করতে হবে।
চা বাগান ম্যানেজমেন্ট ও চা শ্রমিক নেতৃবৃন্দরা জানান, প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় অংশগ্রহেন উৎসুক চা শ্রমিকদের জন্য চা বাগানগুলো বুধবার বন্ধ থাকবে। বুধবারের পরিবর্তে শ্রমিকেরা রোববার কাজ করবেন। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে শ্রীমঙ্গল ও মৌলভীবাজারে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে মুজিবুর রহমান চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শ্রীমঙ্গল সফর ও জনসভাকে কেন্দ্র করে দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। জনসভাকে সফল ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ক্ষমতা গ্রহণের চার মাসের মাথায় প্রধানমন্ত্রী শ্রীমঙ্গলে আসছেন। তাই এ জনসভা শুধু একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা প্রদানের একটি উপলক্ষ্য। এতে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ জনসভায় অংশগ্রহণ করবেন বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, জনসভায় আগত সকল মানুষের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি জনসভা সফল করতে বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
মুজিব আরও বলেন, জনসভাকে কেন্দ্র করে শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। নেতাকর্মীরা ঘরে ঘরে গিয়ে জনগণকে জনসভায় অংশগ্রহণের জন্য উদ্বুদ্ধ করছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, এই জনসভা মৌলভীবাজার জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি স্মরণীয় ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হবে।


