Home Blog Page 16

শাবিপ্রবিতে ওয়েভ ফাউন্ডেশন ও ডিডব্লিউ একাডেমির বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

0

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি:

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের সাথে ‘ওয়েভ ফাউন্ডেশন’ ও জার্মানভিত্তিক উন্নয়ন সংস্থা ‘ডিডব্লিউ একাডেমি’র এক বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ সেন্টারের কনফারেন্স হলে এই সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. জায়েদা শারমিন, নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সঞ্জয় কৃষ্ণ বিশ্বাস, ওয়েভ ফাউন্ডেশনের প্রজেক্ট ম্যানেজার জুলিয়েট রোজেটি, রিসার্চ অ্যান্ড ডকুমেন্টেশন স্পেশালিস্ট সাজ্জাদুল করিম এবং কমিউনিকেশন অ্যান্ড স্টেকহোল্ডার এনগেজমেন্ট অফিসার মো. সাইফুর রহমান।

মতবিনিময় সভায় “লাউড অ্যান্ড ক্লিয়ার: এমপাওয়ারিং ইয়ুথ ভয়েসেস ২.০” প্রকল্পের পরিচিতি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্তকরণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

এ সময় পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম তথ্য যাচাইয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, তরুণদের মধ্যে ফ্যাক্ট-চেকিং দক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারলে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে গুজব প্রতিরোধে বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব।

ওয়েভ ফাউন্ডেশনের প্রজেক্ট ম্যানেজার জুলিয়েট রোজেটি বলেন, “এই প্রকল্প তরুণদের কণ্ঠস্বরকে শক্তিশালী করতে কাজ করছে। আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো গবেষণা ও তথ্যভিত্তিক আলোচনার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। আপনাদের স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতায় আগামী দিনের পথচলা আরও ফলপ্রসূ হবে।”

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই কার্যক্রমটি ওয়েভ ফাউন্ডেশন এবং ডিডব্লিউ একাডেমির যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত হচ্ছে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এবং জার্মান সরকারের যৌথ অর্থায়নে বাস্তবায়িত এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য মিডিয়া ও তথ্য সাক্ষরতা, ডিজিটাল নিরাপত্তা ও গঠনমূলক সংলাপ সম্পর্কে তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নীতিনির্ধারণী আলোচনায় তাদেরকে সম্পৃক্ত করা।

‘লাউড অ্যান্ড ক্লিয়ার’ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, স্থানীয় সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশন (সিএসও) এবং আঞ্চলিক গণমাধ্যমের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে একটি বিশেষ বুট ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে নির্বাচিত অংশগ্রহণকারীরা নিবিড় প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবেন।

আকস্মিক হল পরিদর্শনে শাবিপ্রবির নবনিযুক্ত উপাচার্য

0

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি:

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলসমূহ আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করেছেন।

বুধবার(১০ জুন) রাত সাড়ে ৯টায় শুরু হওয়া এই পরিদর্শনে তিনি শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধা এবং হলের সার্বিক পরিবেশ সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেন।

পরিদর্শনের শুরুতে তিনি শাহপরান হলে যান। সেখানে হলের সার্বিক পরিবেশ, আবাসন ব্যবস্থা, পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পরে তিনি সৈয়দ মুজতবা আলী হল পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা, চাহিদা ও পরামর্শ শোনেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে উপাচার্য বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে স্থাপিত বড় পর্দা (জায়ান্ট স্ক্রিন) ঘুরে দেখেন। শিক্ষার্থীরা যাতে একসঙ্গে খেলা উপভোগ করতে পারে, সে লক্ষ্যে গৃহীত প্রস্তুতি ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম বলেন, “শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও শিক্ষাবান্ধব আবাসিক পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের সহশিক্ষা ও বিনোদনমূলক কার্যক্রমের প্রতিও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সমান গুরুত্ব দিয়ে থাকে।”

এসময় উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট হলের প্রভোস্ট, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ।

জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে শাবিপ্রবিতে কুরআন খতম ও দু’আ মাহফিল অনুষ্ঠিত

0

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি:

মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কুরআন খতম ও দু’আ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) এশা’র নামাজ শেষে কেন্দ্রীয় মসজিদে কুরআন খতম ও দু’আ মাহফিল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় ।

এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম, শাহাদাৎ বার্ষিকী উদযাপন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রশিদ অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার ও উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব কালাম আহমদ চৌধুরীসহ একাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মকর্তাবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন এদেশের ক্রান্তিকালের ত্রাণকর্তা। আজকের এই দিনে আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।”

উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং তাঁদের কনিষ্ঠ পুত্র মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর রুহের মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন।

এছাড়া তিনি বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে উপস্থিত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

নাসিরনগরে জেলা প্রশাসকের সাথে কর্মকর্তা ও গর্ণমান্য ব্যক্তিবর্গদের সাথে মতবিনিময়

0

নাসিরনগর প্রতিনিধি:

নাসিরনগর উপজেলা আইন শৃঙ্খলা, বাল্যবিবাহ, মাদক এবং গুজব প্রতিরোধ বিষয়ে উপজেলা পর্যায়ে কর্মকর্তা এবং গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের সাথে মতবিনিময় করেন জেলা প্রশাসক মো: আবুসাইদ।

উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মঙ্গলবার (৯জুন) বিকেলে উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা , বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যমকর্মী, শিক্ষক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীনা নাছরিন এর সভাপতিত্বে সভার শুরুতে অতিথিদের পরিচয় পর্ব শেষে, উপজেলার আইন শৃঙ্খলা, বাল্যবিবাহ, মাদক বিরোধী এবং গুজব প্রতিরোধ বিষয়ে বক্তব্য রাখেন, থানার অফিসার ইনচার্জ মো: শাহিনুর ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান হোসেন, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা শাহিনুল আরিফিন,উপজেলা নির্বাচন কর্মকতা সাদ্দাম হোসেন, নাসিরনগর সরকারি কলেজে অধ্যক্ষ মো: রমজান আলী, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কেএম বশির উদ্দিন তুহিন,বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদির, জামায়াতে আমীর অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, প্রেসক্লাব সভাপতি মো: আছমত আলী, সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক সবুজ, সদর ইউপি চেয়াম্যান পুুতুল রাণী দাস, দুনীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন ভুইয়া, পুজা উদযাপন ফ্রান্টের আহবায়ক পিষুস আচার্য্য প্রমুখ।

প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক বলেন, মাদক বিষয়টি আপনার পারিবারিক ও সামাজিক ভাবে বাঁধা না দেন তাহলে আমদের পক্ষে, আমার এইটা দায়িত্ব অস্বীকার করছি না তবে আমদের পক্ষে নির্মুল করা সম্ভব হবে না।তারা আগে ছিলেন দশ জন আপনার চুপ করে আছেন, এখন একশ জন এখনও চুপকরে আছেন,আগামীতে এক হাজার হবে তখন আর পারবেনা। তখন আপনাক মানবেনা, আপনার নাতি খাবে, ছেলে খাবে সবাই খাবে। কারণ বিষয়টা সাধারণ ভাবে নিয়ে নিয়েছে। এক সময় মাদকের নামও শুনতেনা খুব দামী মাদক ছিল এই গুলা এখন কমন হয়ে গেছে। মাদক কারবারীরাও তাদের মাদক পাচারের কৌশল পাল্টাচ্ছে। এদের প্রতিরোধ করতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করত হবে।

মেয়েদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গার্ল গাইডসের ভূমিকা অনবদ্য: মশিউর রহমান

0

আধুনিক ডেস্ক:

সিলেট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মো: মশিউর রহমান বলেছেন, দেশের মেয়েদের যোগ্য ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার পেছনে বাংলাদেশ গার্ল গাইডস্ এসোসিয়েশনের অবদান অনন্য। নিয়মিত প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি হলদে পাখি এই গাইডিং কার্যক্রম ছাত্রীদের জীবনদক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে। স্কুলের পড়াশোনার পাশাপাশি এই কার্যক্রম তাদের জীবনকে সুন্দরভাবে গড়তে শেখায়।

তিনি আরো বলেন, সিলেট অঞ্চলে প্রাথমিক স্তরে ‘হলদে পাখি’ কার্যক্রমের সম্প্রসারণ ঘটানো হলে তা আমাদের ছাত্রীদের ভেতর লুকিয়ে থাকা নেতৃত্বগুণ ও নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে আরও বেশি সহায়ক হবে। ১৯৭৩ সালের সরকারি ৩১ নম্বর আইন দ্বারা যাত্রা শুরু করা এই প্রতিষ্ঠানটি মেয়েদের আত্মউন্নয়নের এক অনন্য পাঠশালা।

সোমবার (৮ জুন) সকাল ১০টায় সিলেট নগরীর পূর্ব জিন্দাবাজারস্থ একটি অভিজাত হোটেলের মিলনায়তনে সিলেট, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা অঞ্চলে হলদে পাখি কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিজ্ঞ পাখি ও প্রাথমিক শিক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে আয়োজিত সম্মেলনে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে এবং বাংলাদেশ গার্ল গাইডস্ এসোসিয়েশনের জাতীয় কার্যালয়ের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ গার্ল গাইডস্ এসোসিয়েশনের জাতীয় ও প্রশিক্ষণ কমিশনার এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের গ্রেড-১ কর্মকর্তা (অব.) কাজী জেবুন্নেছা বেগমের সভাপতিত্বে ও ওয়ারেন্ট গাইডার পূর্ণিমা রানী দাসের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন গার্ল গাইডস্ এসোসিয়েশন সিলেট অঞ্চলের আঞ্চলিক কমিশনার বাবলী পুরকায়স্থ এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ডেপুটি জাতীয় কমিশনার (প্রোগ্রাম) প্রফেসর ড. ইয়াসমিন আহমেদ।

এছাড়াও অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগীয় উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) এ. কে. এম সাইফুল হাসান, চট্টগ্রাম অঞ্চলের আঞ্চলিক কমিশনার বীনা প্রভা চাকমা।

উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাখাওয়াত এরশেদ, বাংলাদেশ গার্ল গাইডস্ এসোসিয়েশন সিলেট অঞ্চলের জেলা কোষাধ্যক্ষ শামীমা আক্তার নেভী, ট্রেইনার শিরীন গুলসান আরা, সদস্য রোকসানা আক্তার তুলি, শারমিন সুলতানা, শিপ্রা দে এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হলদে পাখি কার্যক্রম সম্প্রসারণে করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন গার্ল গাইডস্ এসোসিয়েশনের হলদে পাখি কমিশনার বেলা রানী সরকার। দিনব্যাপী এই সম্মেলনে সিলেট, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের আওতাধীন বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে আগত প্রায় ২৩০ জন প্রতিনিধি অংশ নেন। দিনব্যাপী এই সফল সম্মেলনের সমাপ্তিতে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বাংলাদেশ গার্ল গাইডস্ এসোসিয়েশন কুমিল্লা অঞ্চলের আঞ্চলিক কমিশনার পাপড়ী বসু।

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের সঙ্গে শাবিপ্রবি উপাচার্যের সৌজন্যে সাক্ষাৎ

0

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি:

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নগর ভবনে প্রশাসকের কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকের শুরুতে শাবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম এবং সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী পরস্পরের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং একে অপরকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

সাক্ষাৎকালে শাবিপ্রবির শিক্ষা ও গবেষণাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এ সময় শাবিপ্রবি উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ধারাবাহিক সহযোগিতা কামনা করেন। একইসঙ্গে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ রাস্তা সংস্কারের কাজ দ্রুত শুরু করার তাগিদ দেন।

শাবিপ্রবি উপাচার্যকে নগর ভবনে স্বাগত জানিয়ে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সিলেটসহ সারা দেশের একটি অন্যতম শীর্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের সার্বিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে সিটি কর্পোরেশন সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের রাস্তা সংস্কারের বিষয়ে সিসিক প্রশাসক আশ্বস্ত করে বলেন, সরকারি বিধি মোতাবেক অতি শীঘ্রই শাবিপ্রবির অভ্যন্তরীণ রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু করা হবে।

শাবিপ্রবিতে ‘হিট’ প্রকল্পের আওতায় অ্যাডভান্সড রিসার্চ মেথডোলজি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি উদ্বোধন

0

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি:

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) বাংলাদেশ সরকারের ‘উচ্চশিক্ষা ত্বরান্বিতকরণ ও রূপান্তর‘(হিট) প্রকল্পের আওতায় শিক্ষার্থীদের জন্য ‘ট্রেনিং অন অ্যাডভান্সড রিসার্চ মেথডোলজি’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

সোমবার (৮ জুন) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের ৪০২২ নম্বর কক্ষে এই উদ্বোধনী সেশন অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন লোক প্রশাসন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. ফাতেমা খাতুন, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ও অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন ও অধ্যাপক ড. আনোয়ার বেগম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “নতুন কিছু করতে হলে গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। বাংলাদেশ সরকার যে মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে ‘হিট’ প্রজেক্ট চালু করেছে, তার যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।”

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে উপাচার্য আরও বলেন, মোবাইল ফোনে অতিরিক্ত সময় ব্যয় না করে সময়কে উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহার করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাই পড়াশোনায় মনোযোগী হয়ে পরিবারের সম্মান বৃদ্ধি করতে হবে। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন সচেষ্ট রয়েছে উল্লেখ করে সবাইকে নিজস্ব জায়গায় সচেতন থাকার আহ্বান জানান। একই সাথে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভালো কাজগুলো ইতিবাচকভাবে সবার সামনে তুলে ধরার জন্য আহ্বান জানান।

শাবিপ্রবির নবনিযুক্ত উপাচার্যকে রেজিস্ট্রার দপ্তরের ফুলেল শুভেচ্ছা

0

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি:

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলামকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।

রবিবার (৭ জুন) বেলা ৩টায় রেজিস্ট্রার সৈয়দ ছলিম মোহাম্মদ আব্দুল কাদিরের নেতৃত্বে উপাচার্য কার্যালয়ে এই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

শুভেচ্ছা গ্রহণকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও অগ্রগতির লক্ষ্যে সবাইকে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে।”

কাজের গতিশীলতা ও সততার স্বীকৃতি হিসেবে প্রতি বছর ‘বেস্ট কর্মকর্তা’ পুরস্কার প্রদানের ঘোষণা দেন তিনি।

উপাচার্য আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম আইন অনুযায়ী পরিচালিত হবে।” টিম ওয়ার্কের মাধ্যমে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি আশ্বস্ত করেন যে, শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রমোশন সংক্রান্ত সকল বিষয় আইন মোতাবেক সম্পন্ন করা হবে।

শুভেচ্ছা বিনিময়কালে আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার কালাম আহমদ চৌধুরী, আ ফ ম মিফতাউল হক, মো. নাজিম উদ্দিন খান, মো. সুফিয়ান চৌধুরী, আতাউর রহমান, সাবিহা ইয়াসমিন, মো. নাজমুল হক এবং মো. ফয়সল আহমদসহ দপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

রামিসা হত্যা : ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড

0

আধুনিক ডেস্ক ::

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় রায় ঘোষণা করলেন আদালত। রায়ে আসামি সোহেল রানা ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। আসামির জবানবন্দি, তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য ও চিকিৎসকের প্রতিবেদন অনুযায়ী আসামি সোহেল রানা দোষী প্রমাণিত হয়েছেন বলে পর্যালোচনায় আদালত জানান। অপরাধে সব ধরনের সহযোগিতা করায় তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারও একই অপরাধে অপরাধী বলে আদালত জানিয়েছেন। রোববার বেলা ১১টায় ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এজলাসে আসেন। এরপর তিনি এই মামলার রায় পড়া শুরু করেন। বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে রায় ঘোষণা করেন।

আদালত রায়ের পর্যালোচনায় আরও জানান, এই মামলায় চিকিৎসকের সাক্ষ্য ও তথ্যে প্রমানিত হয় যে, ওই শিশুকে ধর্ষণ ও তার পরে হত্যা করা হয়। এ ছাড়া সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতকারী পুলিশের সাক্ষ্যেও বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। ১ নম্বর থেকে ১৬ নম্বর সাক্ষীর সাক্ষ্য থেকে উঠে আসে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার পর আসামি সোহেল রানা গ্রিল কেটে পালিয়ে যান। এ সময় আরেক আসামি স্বপ্না আক্তার ওই ফ্ল্যাটেই ছিলেন। হত্যা ও ধর্ষণকাজে বাধা না দিয়ে তিনি অপরাধে সহযোগিতা করেন। ফলে আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার একই অপরাধে অপরাধী।

রায় পর্যালোচনায় আদালত আরও বলেছেন, সব সাক্ষ্য ও তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে এটা প্রমানিত যে, সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টার মধ্যে আসামি সোহেল রানা ওই শিশুকে ধর্ষণ করে এবং হত্যা করে। আদালত আসামি সোহেল রানার জবানবন্দিও উল্লেখ করেন। জবানবন্দিতে তিনি শিশুটিকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেন।
এই মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে ও আরেক আসামি স্বপ্না আক্তারকে সকাল ৮ টা ৩০ মিনিটে প্রিজন ভ্যান থেকে পুলিশি নিরাপত্তায় নামিয়ে হাজতখানায় রাখা হয়। এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয় গত বৃহস্পতিবার। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। শিশুটি ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয় গত ১৯ মে। সে হিসাবে ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় রায় ঘোষণা হলো।

ঘটনার দিন (১৯ মে) যে সময় পল্লবীর একটি ভবনের ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করা হয়, তার আগেই ফ্ল্যাটটির বাসিন্দা আসামি সোহেল শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। বাসা থেকে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে তখনই আটক করা হয়। পরে ওই দিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন। ২০ মে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার। এ মামলায় ১ জুন সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এরপর চার্জগঠন, সাক্ষ্য গ্রহণ, আত্মপক্ষ সমর্থন ও যুক্তিতর্ক শেষে রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত।

মধ্যনগরে ভ্রাম্যমান আদালতে কারেন্ট জাল ধ্বংস ও ভূয়া দন্ত চিকিৎসককে কারাদণ্ড

0

ধর্মপাশা -মধ্যনগর প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর বাজার এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ এবং তিনজনকে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে একজনকে এক মাসের কারাদন্ড প্রদান করা হয়।

শনিবার (৬ জুন) বিকেলে মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় ঘোষ-এর নেতৃত্বে মধ্যনগর বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযান চলাকালে হেলমেট ও বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া মোটরসাইকেল চালানোর দায়ে সড়ক পরিবহন আইনে শাকিল মিয়া নামে এক মোটরসাইকেল চালককে ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও বিধিবিধান প্রতিপালনে অনিয়মের অভিযোগে ‘সাকিব ডেন্টাল কেয়ার’-এর মালিক মো. মোখশেদ আলমকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই অভিযানে ভুয়া দন্ত চিকিৎসক মো. সফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

এ সময় সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী পরিবেশের ওপর কারেন্ট জালের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবহিত করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার ও বিক্রি থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে জব্দকৃত জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।

অভিযান শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় ঘোষ বলেন, মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়নের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ, সড়ক শৃঙ্খলা নিশ্চিতকরণ এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আইনগত কার্যক্রম তদারকিতে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।