Home Blog Page 17

ধর্মপাশায় বিক্ষুদ্ধ কৃষকদের বাঁধার মুখে সরকারি সহায়তা বিতরণ কার্যক্রম বন্ধ

0

ধর্মপাশা – মধ্যনগর প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে মানবিক সহায়তার তালিকা থেকে বাদপড়া বিক্ষুব্ধ কৃষকদের হট্টগোল ও বাঁধার মুখে ওই ইউনিয়নে বোরো আবাদে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য সরকারী বরাদ্দ পাওয়া মানবিক সহায়তা বিতরণ কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েও তালিকায় নাম না থাকায় এ নিয়ে কৃষকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী হাওরে বোরো আবাদে ক্ষতিগ্রস্ত ৮৫৭জন কৃষকের প্রত্যেককে ১৫কেজি চাল ও ৩ হাজার টাকা করে বিতরণের জন্য উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের মানবিক সহায়তা প্রদানে সুবিধাভোগীদের তালিকা তৈরি করা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে ওই ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত ৮৫৭জন কৃষকের মধ্যে মানবিক সহায়তা বিতরণের প্রস্ততি নেওয়া হয়। এ সময় তালিকায় না থাকা ৫ শতাধিক ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক সেখানে জড়ো হয়ে চিৎকার চেচামেচি শুরু করে মানবিক সহায়তা বিতরণ কাজে বাঁধা দিলে এই কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বাধ্য হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন কৃষক জানান, তালিকা তৈরি করা নিয়ে নয়ছয় করা হয়েছে। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। যার কোনো ক্ষতি হয়নি এমন অনেক কৃষককে এই তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা পূণরায় তৈরি করার দাবি জানিয়ে আমরা এই বিতরণে বাঁধা দিয়েছি।
পাইকুরাটি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক ইকবাল জানান, আমাদের ইউনিয়নে যে ওয়ার্ডে প্রয়োজন ৩০০জন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের নাম তালিকায় থাকার কথা সেখানে নাম দিতে হয়েছে ৫০জন কৃষকের। চাহিদার তুলনায় প্রাপ্ত বরাদ্দ অনুযায়ী ৮৫৭জন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। যা সংখ্যায় খুবই কম। বঞ্চিত কৃষকেরা হট্টগোল করায় ও মানবিক সহায়তা বিতরণে বাঁধা দেওয়ার কারণে বিতরণ কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জনি রায় বলেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে মানবিক সহায়তা বিতরণে বাছাই কমিটি বরাদ্দের বিপরীতে ৮৫৭জন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের নাম চূড়ান্ত করেছেন। কৃষকদের হট্টগোলের কারণে পাইকুরাটি ইউনিয়নে আপাতত মানবিক সহায়তা বিতরণ বন্ধ রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী সময়ে ওই ইউনিয়নে মানবিক সহায়তা বিতরণের তারিখ নির্ধারণ করা হবে।

রামিসা হত্যা : মামলার রায় রোববার

0

আধুনিক ডেস্ক ::

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয়েছে। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত আগামী ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে বিচারক মাসরুর সালেকীন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে আসেন। এরপর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু যুক্তিতর্ক শুরু করেন। বেলা ১টা ৩৬ মিনিটে উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত এই আদেশ দেন।

সকাল ৯টার দিকে কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয় প্রধান আসামি সোহেল রানাকে। পরে বেলা ১১টা ২৪ মিনিটে তাকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। আসামি স্বপ্না আক্তারকে আদালতে হাজির করা হয় বেলা ১১টা ৩৯ মিনিটে। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী পিটার গোমেজ জানান আসামি স্বপ্না আক্তার অসুস্থ থাকায় তিনি হাসপাতাল থেকে এসেছেন।

গত ১৯ মে পল্লবীর একটি ভবনের ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করা হয়। ফ্ল্যাটটির বাসিন্দা আসামি সোহেল ঘটনার পর বাসার শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। বাসা থেকে তার স্ত্রীকে তখনই আটক করা হয়। আর সেদিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন। এই মামলায় ১ জুন সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এ মামলায় ২ জুন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন শিশুটির মা–বাবাসহ ১০ জন।

যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

0

আধুনিক ডেস্ক ::

আবদুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৪ জুন) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে রয়েছেন— ১. সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ২. সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল কবীর পল ৩. সহ-সভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়া ৪. সহ-সভাপতি কামাল আনোয়ার আহাম্মদ ৫. সহ-সভাপতি মাহফুজুর রহমান মাহফুজ ৬. সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম দুলাল ৭. সহ-সভাপতি শাহ আলম চৌধুরী ৮. সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান ৯. সহ-সভাপতি সাব্বির আহমেদ দিপু ১০. সহ-সভাপতি আবদুল জব্বার খান ১১. সহ-সভাপতি খন্দকার এনামুল হক এনাম ১২. সহ-সভাপতি শরীফ উদ্দীন জুয়েল ১৩. সহ-সভাপতি ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ ১৪. সহ-সভাপতি রফিক আহমেদ ডলার ১৫. সহ-সভাপতি সাইদ ইকবাল মাহমুদ টিটু ১৬. সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ফিরোজ আবদুল্লাহ ১৭. সহ-সভাপতি মাহমুদুস সালেহীন ১৮. সহ-সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক ১৯. সহ-সভাপতি জাকির হোসেন উজ্জল ২০. সহ-সভাপতি এইচ এম তসলিম উদ্দিন ২১. সহ-সভাপতি নাজমুল আলম নাজু ২২. সহ-সভাপতি মো. আনোয়ারুল হক ২৩. সহ-সভাপতি আবু সাঈদ আহমেদ (যুক্তরাষ্ট্র) ২৪. সহ-সভাপতি রহিম উদ্দিন (যুক্তরাজ্য) ২৫. সহ-সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ মুন্না ২৬. সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম টিটু ২৭. সহ-সভাপতি ডা. লোহানী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ২৮. সহ-সভাপতি মঞ্জুরুল আজিম সুমন ২৯. সহ-সভাপতি আজিজুর রহমান আকন্দ ৩০. সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেল (দপ্তরের দায়িত্বে)।
৩১. সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন ৩২. ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন তারেক ৩৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান ৩৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম সোহাগ ৩৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু আতিক আল হাসান মিন্টু ৩৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ নাসির উদ্দিন রুমন ৩৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কফিল উদ্দিন ভূইয়া ৩৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈনুদ্দীন রুবেল ৩৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম মিলন ৪০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এজমল হোসেন পাইলট ৪১. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইখতিয়ার রহমান কবির ৪২. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম নয়ন ৪৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুল মিরাজ ৪৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিঞা মোহাম্মদ রাসেল ৪৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল করিম সরকার ৪৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক ৪৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা ৪৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল মনসুর খান দীপক ৪৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আল আশরাফ মামুন ৫০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব খান ৫১. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জোহা সুমন ৫২. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারেক উজ জামান তারেক ৫৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শোয়াইব খন্দকার ৫৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুর রহমান বাবু ৫৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ ৫৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুল ওয়াহাব ৫৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশীদ হিরো (সৌদি আরব) ৫৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম তমাল আহমেদ ৫৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম ৬০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া (দপ্তরের দায়িত্বে)।

৬১. সহ সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন লিমন ৬২. সহ সাধারণ সম্পাদক মাসুদ খান পারভেজ ৬৩. সহ সাধারণ সম্পাদক এন এম আব্দুল্লাহ উজ্জল ৬৪. সহ সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ ৬৫. সহ সাধারণ সম্পাদক গিয়াসউদ্দিন মামুন ৬৬. সহ সাধারণ সম্পাদক মামুন হোসেন ভূইয়া ৬৭. সহ সাধারণ সম্পাদক রাহাদুল আলম খান ৬৮. সহ সাধারণ সম্পাদক রুহুল ইসলাম মনি ৬৯. সহ সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান ৭০. সহ সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক পাভেল ৭১. সহ সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মাইনউদ্দিন খোকন ৭২. সহ সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন চয়ন ৭৩. সহ সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান পলাশ ৭৪. সহ সাধারণ সম্পাদক আরিফুল হক আরিফ ৭৫. সহ সাধারণ সম্পাদক প্রকৌ: কামরুল হাসান খান সাইফুল ৭৬. সহ সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান ৭৭. সহ সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির সেলিম ৭৮. সহ সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান ভূইয়া সবুজ ৭৯. সহ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মেহেদী হাসান জুয়েল ৮০. সহ সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদুল হক ৮১. সহ সাধারণ সম্পাদক সাহাবুদ্দিন মুন্না ৮২. সহ সাধারণ সম্পাদক সামসুল আলম রানা ৮৩. সহ সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার সিদ্দিকী।

৮৪. সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান জুয়েল ৮৫. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ গাফফার ৮৬. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ ফারুকী হীরা ৮৭. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান সুমন ৮৮. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব ৮৯. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল আলম ৯০. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন সরকার শাওন ৯১. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান শামীম ৯২. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি ৯৩. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুর রহমান সোহেল ৯৪. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুল ইসলাম ৯৫. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার রিয়াজ ৯৬. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রাশেদুল ইসলাম রিপন ৯৭. প্রচার সম্পাদক আল মেহেদী তালুকদার ৯৮. সহ প্রচার সম্পাদক তারেকুর রহমান ৯৯. সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক আশরাফ জালাল খান মনন ১০০. সহ সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক সাইদুর রহমান সোহেল ১০১. তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আমিনুর রহমান আমিন ১০২. কোষাধ্যক্ষ রোকনুজ্জামান রোকন।

১০৩. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মুর্তজা কামাল মোস্তাক ১০৪. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. ইউনুস আলী রবি ১০৫. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ ১০৬. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. তানভীর হাসান সোহেল ১০৭. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. গাজী মো. মাসকুরুল আলম সৌরভ ১০৮. কৃষি বিষয়ক সম্পাদক কৃষিবিদ সানোয়ার আলম ১০৯. সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল আলম ফকির লিঙ্কন ১১০. শ্রম বিষয়ক সম্পাদক পার্থ দেব মন্ডল ১১১. শিল্প বিষয়ক সম্পাদক কারীমুল হাই নাঈম ১১২. যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক সাজিদ হাসান বাবু ১১৩. ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন জনি ১১৪. সহ ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মো. মেজবাহউদ্দিন মেজু ১১৫. পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম রুমন ১১৬. গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মহিন উদ্দিন রাজু ১১৭. সহ গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সাইদুর রহমান রয়েল ১১৮. বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বাপ্পী ১১৯. সহ বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম ১২০. ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান ১২১. ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান নান্নু ১২২. ত্রাণ ও পুর্নবাসন বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মাহমুদ ১২৩. সহ ত্রাণ ও পুর্নবাসন বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস মজুমদার ১২৪. সহ-গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার মাহবুবুর রহমান মাহী ১২৫. সহ জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক মো. বেলাল হোসেন ১২৬. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক কে এস এম মুসাব্বির শাফী ১২৭. তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইমরান আহমেদ প্রিন্স ১২৮. মৎস্য ও পশুপালন বিষয়ক সম্পাদক শাহজাহান রনি।

১২৯. স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. গালিব হাসান ১৩০. স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. বেলাল হোসেন নাজিম ১৩১. সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মাহমুদুল হাসান খান সুমন ১৩২. সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. আল মামুন হাসান খান এমিল ১৩৩. সহ কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক মো. জাহিদ হাসান ১৩৪. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক খায়রুজ্জামান লিঙ্কন (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা) ১৩৫. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এ আর মামুন খান (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) ১৩৬. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম মুরাদ (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) ১৩৭. মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. মাহবুবুল আলম আকতার ১৩৮. প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আরাফাত বিল্লাহ খান ১৩৯. পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক হেদায়েত হোসেন ভূইয়া ১৪০. সহ পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক রাশেদ আল আমিন শুভ।

১৪১. সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) আমিনুল ইসলাম খান ১৪২. সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) মাহবুব শিকদার ১৪৩. সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) মহসীন বিশ্বাস ১৪৪. সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) জহিরুল ইসলাম বিপ্লব ১৪৫. সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) রাজিব আহসান চৌধুরী পাপ্পু ১৪৬. সদস্য আব্দুল্লাহ আল কাফি শাহেদ ১৪৭. সদস্য নাজিম উদ্দিন মিঠু ১৪৮. সদস্য মাহমুদুল করিম সজল ১৪৯. সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ শাহীন ১৫০. সদস্য মো. এমরান হোসেন শাহীন ১৫১. সদস্য ফখরুল বিন খালেক।

বিদ্যুতের দাম বাড়ল ১৬.৬৮ শতাংশ

0

আধুনিক ডেস্ক ::

তাড়াহুড়া করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাড়ানো হলো বিদ্যুতের দাম। পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ হারে বাড়ানো হয়েছে। আর গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ ও সঞ্চালন চার্জ ২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন দাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এতে বলা হয়, বিভিন্ন ধাপের (স্লাব) গ্রাহকদের মধ্যে সবচেয়ে কম ১৫ শতাংশ ও সর্বোচ্চ ১৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ দাম বাড়ানো হয়েছে এবার। নতুন এ দাম জুন থেকেই কার্যকর হচ্ছে।

তাড়াহুড়া করে মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, কোনো চাপ ছিল না। বাজেট মাথায় রেখে দ্রুত করা হয়েছে। আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দাম বাড়ানোর ফলে মানুষের ব্যয় বাড়বে, তবে অর্থনৈতিক মূল্যায়ন করা হয়নি। এটা করার সুযোগ আছে।

সরকারি-বেসরকারি সব বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে চুক্তি অনুসারে নির্ধারিত দামে বিদ্যুৎ কিনে নেয় পিডিবি। এরপর তারা উৎপাদন খরচের চেয়ে কিছুটা কমে সরকার নির্ধারিত পাইকারি দামে ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার কাছে বিক্রি করে। ঘাটতি মেটাতে পিডিবি সরকারের কাছ থেকে ভর্তুকি নেয়, তবে বিতরণ সংস্থাগুলো কোনো ভর্তুকি পায় না। তারা খুচরা দামে ভোক্তার কাছে বিদ্যুৎ বিক্রি করে কোম্পানি চালায়।

বিইআরসির আদেশ বলছে, পাইকারিতে বর্তমান দাম ৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে গড় দাম ৮ টাকা ৩৯ পয়সা করা হয়েছে। আর খুচরা পর্যায়ে প্রতি ইউনিটের গড় দাম ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা। অন্যদিকে সঞ্চালন খরচ (গড়) ইউনিট প্রতি ৩১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে প্রায় ৩৯ পয়সা করা হয়েছে।

বিদ্যুতের একমাত্র সঞ্চালন কোম্পানি পিজিসিবি (পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি), প্রতি ইউনিটে যথাক্রমে ৩০ ও ৩১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪৮ ও ৪৯ পয়সা করার আবেদন করেছিল।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) পাইকারি পর্যায়ে ইউনিট প্রতি ১ দশমিক ২০ টাকা (১৭ শতাংশ) থেকে ১ দশমিক ৫০ টাকা (২১ শতাংশ) দাম বাড়ানোর আবেদন করে। মূল্যবৃদ্ধির আবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বিদ্যুতের সম্ভাব্য উৎপাদন খরচ পড়বে প্রায় ১ লাখ ৪৩ হাজার ১০৮ কোটি টাকা। প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম পড়বে ১২ দশমিক ৯১ টাকার মতো। গত ২০ ও ২১ মে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গণশুনানি করে বিইআরসি।

সবশেষ ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি নির্বাহী আদেশে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম সাড়ে ৮ শতাংশ বাড়ানো হয়। একই সঙ্গে পাইকারি দর ৬ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ৫ শতাংশ বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়।

রিট খারিজ, ৭ জুনই বিসিবি নির্বাচন

0

আধুনিক স্পোর্টস ::
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান অ্যাডহক কমিটির চলমান প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং ২০২৬ সালের পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন নিয়ে দায়ের করা একটি রিট পিটিশন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। উচ্চ আদালতের এই আদেশের ফলে বিসিবির বর্তমান কার্যপরিচালনা এবং আসন্ন নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে আর কোনো আইনি প্রতিবন্ধকতা রইল না। ফলে বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন ৭ জুন যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন বিসিবির আইনজীবী মাহিন এম রহমান। বুধবার বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশনের ওপর পুনরায় শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে মঙ্গলবার (২ জুন) মামলাটির আংশিক শুনানি শেষে আদালত পরবর্তী শুনানির জন্য ৩ জুন তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন।

বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বিভাগের দ্বৈত বেঞ্চে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে রিট পিটিশনটি খারিজ করা হয়। আদালতের এ সিদ্ধান্তের ফলে সংশ্লিষ্ট রিটের কারণে বিসিবির চলমান প্রশাসনিক কার্যক্রম কিংবা ২০২৬ সালের পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে আর কোনো আইনগত প্রতিবন্ধকতা রইল না। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল। অন্যদিকে বিসিবির পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন ব্যারিস্টার মাহিন এম. রহমান।  

আদালত সূত্রে জানা গেছে, বিসিবির বর্তমান অ্যাডহক কমিটি এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এর আগেও আরও তিনটি পৃথক রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছিল। পূর্ববর্তী সেসব মামলাতেও উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর হাইকোর্ট বিসিবির কার্যক্রমে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করেননি।

এর আগে গত ১৮ মে বিসিবি নির্বাচনের জন্য কাউন্সিলর মনোনয়ন চেয়ে বিভিন্ন ক্লাবের কাছে পাঠানো নোটিশ প্রত্যাহারের দাবিতে ছয়জন কাউন্সিলর হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। রিটে বিবাদী করা হয় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের চেয়ারম্যান, বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি, বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং বান্দরবান, খুলনা, লক্ষ্মীপুর, ফরিদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসকদের।

লন্ডন যাওয়ার স্বপ্নে সিলেট এসেছিলেন, এরপর পথে পথেই ৫৫ বছর

0

আধুনিক ডেস্ক ::

তরুণ বয়সে উন্নত জীবনের আশায় লন্ডন যাওয়ার স্বপ্ন নিয়ে ঘর ছেড়েছিলেন ইসাক মিয়া। স্বপ্ন পূরণে জমি বিক্রির টাকা নিয়ে সিলেট আসেন তিনি। সেখানে দালালের খপ্পরে পড়ে তার আর লন্ডন যাওয়া হয়ে ওঠেনি। স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ায় বাড়িতেও ফেরা হয়নি। এরপর পথে পথে কেটে গেছে জীবন। ইসাক মিয়ার বর্তমান বয়স ৮০ বছর ছুঁইছুঁই। জীবনের পড়ন্ত বেলায় অনেকটা মানসিক ভারসাম্যহীন এই বৃদ্ধকে খুঁজে পেয়েছেন স্বজনরা। সামাজিক মাধ্যমে তাঁর সন্ধান পেয়ে গতকাল মঙ্গলবার কুষ্টিয়ার কুমারখালী রেলস্টেশনে ছুটে আসেন ভাগনে ও ভাতিজা। দুপুরে ওই বৃদ্ধকে তাদের হাতে তুলে দেয় উপজেলা প্রশাসন।

ইসাক মিয়ার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামে। মৃত সাদ মিয়ার সাত সন্তানের মধ্যে ইসাক সবার ছোট। মহান মুক্তিযুদ্ধের পরপর বিদেশ যাওয়ার স্বপ্নে জমি বিক্রি করে ৭৫ হাজার টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরে রোগশোকে কাতর হয়ে সম্প্রতি কুমারখালী রেলস্টেশনে অবস্থান করছিলেন। তার অবস্থা দেখে চিকিৎসা ও খাবারের ব্যবস্থা করেন স্থানীয়রা। এরপর একটি জাতীয় দৈনিকের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ভিডিওর সূত্রে তার খোঁজ পান স্বজনরা। কুমারখালীতে আসেন ভাগনে বাচ্চু মিয়া (৬০) ও হাজী সাজাহান মিয়া (৬৫) এবং ভাতিজা তাহের মিয়া (৩৫)।
গতকাল কুমারখালী রেলস্টেশনে দেখা গেছে, বয়সের ভারে অনেকটা নুইয়ে পড়েছে ইসাকের শরীর। অসুস্থ শরীর নিয়ে কখনও বসছেন চেয়ারে, কখনওবা মেঝেতে শুয়ে পড়ছেন। তাঁকে পেয়ে আবেগাপ্লুত স্বজনরা। ভাঙা ভাঙা কণ্ঠে ইসাক মিয়া বলেন, ‘বিদেশ যাওয়ার লাইগা জাগাজমি সব বেইচা দিয়া সিলেট গেছলাম। দালালে টেহা মাইরা দিছে। পাগলের মতো পথে পথে ঘুরছি। আজ ভাগনে নিতে আইছে। বাড়ি যামু। ভাল লাগছে।’

তার ভাগনে বাচ্চু মিয়া জানান, তার মায়েরা সাত ভাই-বোন। তারা হলেন কালা মিয়া, ধলা মিয়া, ইসাক মিয়া, জজ বানু, কালেস্টার বানু, বালেস্টার বানু ও মালেস্টার বানু। তাঁর ছোট মামা ইসাক মিয়ার লন্ডনে যাওয়ার স্বপ্ন ছিল। সেজন্য সাত ভাই-বোন মিলে প্রায় ৫৫ বছর আগে দুই বিঘা জমি ও ৪০ শতাংশ বসতভিটা ৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেছিলেন। সেই টাকা নিয়ে মামা বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হন। তাঁর ভাষ্য, ইসাক মিয়া ছাড়া তাঁর আর কোনো ভাই-বোন বেঁচে নেই।

আরেক ভাগনে সাজাহান মিয়ার ভাষ্য, সপ্তাহখানেক আগে অনলাইনে এক ভিডিওতে দেখা যায় কুমারখালী স্টেশনে তাঁর মামা ইসাক। তিনি গ্রামের নাম ও তাঁর বাবা-ভাইদের নাম বলছেন। পরে স্থানীয় সাংবাদিক মনোয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁকে নিতে এসেছেন। তাঁর বাড়িতে কেউ নেই। তারাই তাঁর চিকিৎসা করাবেন এবং যতদিন বাঁচেন আদরযত্নে রাখবেন। ভাতিজা তাহের মিয়া বলেন, ‘বাবার মুখে চাচার অনেক গল্প শুনতাম। এত দিন পরে চাচাকে ফিরে পাব তা কল্পনাও করিনি। বাবা বেঁচে থাকলে অনেক খুশি হতেন।’

ব্যবসায়ী আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, প্রায় ২৬ দিন আগে কুমারখালী স্টেশনের পাশে অচেতন অবস্থায় পড়েছিলেন ইসাক মিয়া। প্রথমে সবাই ভেবেছিলেন মৃত। তবে উদ্ধার করে চিকিৎসা দেওয়ার পর কথা বলা শুরু করেন।

কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আখতার বলেন, প্রায় ৫৫ বছর পথে পথে ঘুরে গণমাধ্যমের কল্যাণে ইসাক মিয়া বাড়িতে ফিরছেন। যাচাই-বাছাইয়ের পর তাঁকে স্বজনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর নতুন শুল্কের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

0

আধুনিক ডেস্ক ::

জোরপূর্বক শ্রমে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর নতুন শুল্কারোপের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, জোরপূর্বক শ্রমের মাধ্যমে তৈরি পণ্য মার্কিন বাণিজ্যকে বাধাগ্রস্ত করছে। তাই এমন প্রস্তাব দেওয়া হয়। ট্রাম্প প্রশাসন স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ৬০ দেশ থেকে আমদানির ওপর ১০ থেকে সাড়ে ১২ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্কারোপের প্রস্তাব দিয়েছে। খবর রয়টার্সের।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন মঙ্গলবার ৬০ দেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্কারোপের প্রস্তাব করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এসব অর্থনীতি জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের বাণিজ্য রোধে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে এবং এই ব্যর্থতা যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যকে বাধাগ্রস্ত করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির (ইউএসটিআর) কার্যালয়ের এই প্রস্তাব সেকশন ৩০১-এর অধীনে পরিচালিত অন্যায্য বাণিজ্যচর্চা তদন্তের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত। ট্রাম্প প্রশাসন জরুরি ক্ষমতার আওতায় আরোপিত শুল্কব্যবস্থা পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে। গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের এক রায়ে এসব শুল্ক বাতিল হয়ে যায়।

ইউএসটিআর জানিয়েছে, জোরপূর্বক শ্রম-সংক্রান্ত তদন্তের ভিত্তিতে কানাডা, ইকুয়েডর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো, পাকিস্তান, আর্জেন্টিনা, বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, এল সালভাদর, গুয়াতেমালা, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান ও যুক্তরাজ্য থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্কারোপ করা হবে। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, তদন্তের আওতায় থাকা বাকি ৪৫ দেশের ওপর ১২ দশমিক ৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্কারোপ করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদারদের জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্য আমদানি বন্ধে ব্যর্থতা গ্রহণযোগ্য নয়। এর ফলে এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে মার্কিন শ্রমিকদের বৈশ্বিক বাজারে অসম প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।’

ইউএসটিআর জানিয়েছে, তারা একটি নতুন বস্ত্রব্যবস্থা (টেক্সটাইল মেকানিজম) প্রস্তাব করেছে। এর আওতায় নির্দিষ্ট পরিমাণ পোশাক ও বস্ত্রপণ্য কম শুল্কহারে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ পাবে। তবে এ ক্ষেত্রে শুল্কহার কত হবে এবং আমদানির পরিমাণ কত হবে, তা এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

এ ঘোষণা এমন এক সময় এল, যখন আগামী ২৪ জুলাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আরোপি সর্বজনীন অস্থায়ী ১০ শতাংশ শুল্কের মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসন চলতি বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি এই অস্থায়ী শুল্ক আরোপ করেছিল। একই দিনে সুপ্রিম কোর্ট আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইনের অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ক বাতিল করে দেয়।

এর আগে, গত সোমবার ইউএসটিআর ব্রাজিলের ডিজিটাল বাণিজ্যনীতি এবং অগ্রাধিকারমূলক শুল্কব্যবস্থা নিয়ে সেকশন ৩০১ তদন্তের ফল হিসেবে দেশটির বহু পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্কারোপের প্রস্তাব দেয়। বাণিজ্য সংস্থাটি শিগগিরই আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সেকশন ৩০১ তদন্তের ফল প্রকাশ করবে বলেও আশা করা হচ্ছে। ওই তদন্তে চীনসহ ১৬টি বাণিজ্য অংশীদার দেশের অতিরিক্ত শিল্প উৎপাদন সক্ষমতা (এক্সেস ইন্ডাস্ট্রিয়াল ক্যাপাসিটি) বৃদ্ধির বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়েছে।

জোরপূর্বক শ্রম-সংক্রান্ত তদন্তের সিদ্ধান্তে ইউএসটিআর জানিয়েছে, কয়েকটি পণ্যকে নতুন শুল্কের আওতার বাইরে রাখা হবে। এর মধ্যে রয়েছে জ্বালানি, বিরল মৃত্তিকা খনিজ (রেয়ার আর্থস) ও কিছু অন্যান্য ধাতু, গরুর মাংস, কফি, নির্দিষ্ট কিছু ফল ও সবজি, ওষুধ, জৈব রাসায়নিক পদার্থ (অর্গানিক কেমিক্যালস) এবং উড়োজাহাজের যন্ত্রাংশ। ইউএসটিআর আরও জানিয়েছে, প্রস্তাবিত শুল্ক এবং অন্যান্য প্রতিকারমূলক ব্যবস্থার বিষয়ে ৬ জুলাই পর্যন্ত জনমত গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে একটি গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে ৭ জুলাই।

সিলেটে চীনের অর্থায়নে নির্মিত হচ্ছে ১ হাজার শয্যার হাসপাতাল

0

আধুনিক রিপোর্ট ::

চীনের অর্থায়নে সিলেটে নির্মিত হতে যাচ্ছে ১ হাজার শয্যার হাসপাতাল। সিলেট-৪ আসনের আওতাধীন এলাকা অর্থাৎ কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট বা জৈন্তাপুর উপজেলার কোথাও হাসপাতালটি নির্মিত হবে। বুধবার চীনা বিনিয়োগকারীদের নিয়ে হাসপাতালটির জন্য সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করবেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। বুধবার সকাল ১০টা ধেকে ১২ পর্যন্ত তারা হাসপাতালের জন্য জায়গা ঘুরে দেখবেন।
হাসপাতালের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শনের আগে সিলেট সার্কিট হাউজে চীনা বিনিয়োগকারী ও সংশ্লিষ্টদের নিয়ে হাসপাতাল নির্মাণ বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা করবেন মন্ত্রী আরিফুল হক

বিশ্বম্ভরপুরে পুসাবের নবীন বরণ ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা

0

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি:

পাবলিক ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বিশ্বম্ভরপুর (পুসাব)-এর উদ্যোগে ত্রয়োদশ ঈদ পুনর্মিলন, নবীন বরণ ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৩০ মে) সকাল ১০টায় বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

পুসাবের দ্বাদশ কার্যনির্বাহী পর্ষদের সভাপতি মানিক চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মাদ বাবরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মা এগ্রো ফার্মার স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ নুরুল আলম সাগর, সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক আব্দুল হালিম, শিক্ষানবিশ আইনজীবী মোহন মিয়া বাচ্চু, মুরারিচাঁদ কলেজের সহকারী অধ্যাপক শামীমূল হাসান এবং সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শাহেলী পারভীন দীপা এবং পুসাবের প্রতিষ্ঠাতাকালীন সভাপতি আবদুল্লাহ আল নোমান।

দিনব্যাপী এই আয়োজনে সংগঠনের সাবেক ও বর্তমান সদস্যদের মিলনমেলার পাশাপাশি নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ এবং এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এছাড়া ৮ম পুসাব বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের পুরস্কৃত করার পাশাপাশি গত এক বছরে বিভিন্ন চাকরিতে মনোনীত সদস্যদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। একই সাথে পুসাবের বার্ষিক প্রকাশনা ‘সায়র’-এর ত্রয়োদশ সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন এবং নতুন কার্যনির্বাহী পর্ষদ গঠন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, “পুসাব দীর্ঘ সময় ধরে নিজস্ব স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখে বিশ্বম্ভরপুরের শিক্ষার মানোন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এলাকার সমাজ ও শিক্ষার উন্নয়নে পুসাবের এই ইতিবাচক কর্মকাণ্ড সত্যিই প্রশংসনীয়।”

আয়োজনে অন্যান্যের মধ্যে পুসাবের সাবেক সভাপতি হোসাইন আহমেদ, সোহাগ আহমেদ, শহীদুল্লাহ কায়সার, নাজমুল হাসান, নুরুল আমিন, নুসরাত জাহান জেরিন এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক আরাফ আহমদ, নজরুল ইসলাম, মাহবুবুর রহমান মাসুম, জাহিদ আমিন নিয়াজ, ইমতিয়াজ আহমদ, তরিকুল ইসলাম রুমান ও মেজবাহ উদ্দিনসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী: শাবিপ্রবির উপাচার্যের শ্রদ্ধা নিবেদন এবং রুহের মাগফিরাত কামনা

0

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি:

বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা ও রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি), উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম।

শনিবার (৩০ মে) দুপুরে রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কালাম আহমদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন ক্ষণজন্মা রাষ্ট্রনায়ক। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চে তাঁর ঐতিহাসিক স্বাধীনতার ঘোষণা দিকভ্রান্ত জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার অনন্য প্রেরণা জুগিয়েছিল। স্বাধীনতার পর দেশের চরম সংকটের মুহূর্তে সিপাহি-জনতার সম্মিলিত বিপ্লবের মাধ্যমে তিনি রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে জাতিকে একতাবদ্ধ করেন। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব, সততা ও কর্মনিষ্ঠা বাংলাদেশকে একটি আত্মনির্ভরশীল এবং মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত করেছিল।”

শহীদ জিয়ার অবদান স্মরণ করে উপাচার্য আরও বলেন, “তিনি শুধু একজন সফল রাষ্ট্রনায়কই ছিলেন না, বরং ছিলেন একজন দূরদর্শী সংস্কারক। ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’ দর্শনের মাধ্যমে তিনি এদেশের সর্বস্তরের মানুষকে একটি সুদৃঢ় জাতীয় ঐক্যের সূত্রে গেঁথেছিলেন। তাঁর হাত ধরেই বাংলাদেশে কৃষি, শিল্প, শিক্ষা এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থানে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হয়েছিল।”

১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া এই নেতার আদর্শ ও দেশপ্রেম এদেশের কোটি মানুষের হৃদয়ে চিরকাল অম্লান থাকবে উল্লেখ করে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। একই সাথে তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

উল্লেখ্য, বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্রীষ্মকালীন ও পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ছুটি চলমান থাকায় ১০ জুন (বুধবার) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মিনি অডিটোরিয়ামে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং যোহর নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে এক বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হবে।