Homeজাতীয়সংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীন আর...

সংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীন আর নেই

চলে গেলেন লোকসংগীতের বরেণ্যশিল্পী ফরিদা পারভীন। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা ১৫ মিনিটে তিনি মারা গেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৭১। তিনি স্বামী এবং ৪ সন্তান রেখে গেছেন। দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন ফরিদা পারভীন। কিছুদিন ধরে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে, সপ্তাহে দুই দিন তাঁকে ডায়ালাইসিস করাতে হয়। নিয়মিত ডায়ালাইসিসের অংশ হিসেবে ২ সেপ্টেম্বর মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় তাঁকে। কিন্তু ডায়ালাইসিসের পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। তখন চিকিৎসক তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর পরামর্শ দেন। এর পর থেকে তিনি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত বুধবার অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।অবশেষে চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে তিনি চলে যান না–ফেরার দেশে।

১৯৫৪ সালে ৩১ ডিসেম্বর নাটোরের সিংড়া থানায় জন্ম নেওয়া ফরিদা পারভীন গানে গানে কাটিয়েছেন ৫৫ বছর। ১৪ বছর বয়সে ১৯৬৮ সালে ফরিদা পারভীনের পেশাদার সংগীতজীবন শুরু হয়। এরপর পার হতে হয় অনেক চড়াই-উতরাই। পারিবারিক সূত্রেই গানের ভুবনে আসা। গানের প্রতি বাবার টান ছিল বেশি। দাদিও গান করতেন। বাবার চাকরির সুবাদে বিভিন্ন জেলায় যেতে হয়েছে তাঁকে।

শৈশবে যখন মাগুরায় ছিলেন, তখন ওস্তাদ কমল চক্রবর্তীর কাছে সংগীতের হাতেখড়ি হয়। এরপর নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তালিম থেকে দূরে থাকেননি। নানা ধরনের গান করলেও শিল্পীজীবনে পরিচিতি, জনপ্রিয়তা, অগণিত মানুষের ভালোবাসা মূলত লালন সাঁইয়ের গান গেয়ে। যখন থেকে লালনের গান গাওয়া শুরু হয়েছিল, তারপর আর থেমে থাকেননি।

শুরুতে নজরুলসংগীত, পরে আধুনিক গান দিয়ে ফরিদা পারভীনের যাত্রা শুরু হলেও জীবনের বেশির ভাগ সময় কেটেছে লালন সাঁইয়ের গান গেয়ে। এ প্রসঙ্গে ফরিদা পারভীন বলেছিলেন, ‘নাটকীয় ঘটনার মধ্য দিয়ে এটা ঘটে। কুষ্টিয়ায় স্থানীয় এক হোমিও চিকিৎসক আমার গানের বেশ মুগ্ধ শ্রোতা ছিলেন। কিন্তু কেন জানি, তিনি আমার কণ্ঠে লালনগীতি শুনতে চাইতেন। তাঁর মনে হতো, লালনের গান আমার কণ্ঠে বেশি ভালো লাগবে। তাই হঠাৎ করেই আমাকে একদিন লালন ফকিরের গান শেখার পরামর্শ দেন। কিন্তু শুরুতে লালনের গান গাইতে চাইনি। আমার এই অনীহা দেখে বাবা আমাকে অনেক বুঝিয়ে গান শেখার জন্য রাজি করান। বলেন, “ভালো না লাগলে গাইবি না।” এই শর্তে রাজি হই এবং লালনসংগীতের পুরোধা ব্যক্তিত্ব মকছেদ আলী সাঁইয়ের কাছে তালিম নেওয়া শুরু করি। “সত্য বল সুপথে চল ওরে আমার মন”, লালনের বিখ্যাত গানটি শিখি। একই বছর দোলপূর্ণিমা উৎসবে গানটি গাইলে শ্রোতারা আমাকে লালনের আরও একটি গান গাইতে অনুরোধ করেন। তখন আমি গান গাইতে অসম্মতি জানাই। শ্রোতাদের বলি, “আমি একটি গান গাইতে শিখেছি। এটাই ভালোভাবে গাইতে চাই।” এ গানই আমার নতুন পথের দিশা হয়েছিল। এরপর ধীরে ধীরে বুঝতে শিখি, কী আছে লালনের গানে। তাঁর গানে মিশে থাকা আধ্যাত্মিক কথা ও দর্শন আমাকে ভাবিয়ে তোলে। এ পর্যায়ে অনুভব করি, লালন তাঁর সৃষ্টির মধ্য দিয়ে অনবদ্য এক স্রষ্টা হয়ে উঠেছেন। এটা বোঝার পর লালনের গান ছাড়া অন্য কিছু ভাবতেই পারি না।’

৫৫ বছরের সংগীতজীবনে ফরিদা পারভীনের অনেক স্মরণীয় স্মৃতি আছে। সে রকম একটি ঘটনার কথা এভাবেই বলেছিলেন, ‘১৯৭৩ সাল। বিভিন্ন আখড়া থেকে বাউলশিল্পীদের ঢাকায় এনে লালনের গান রেকর্ডের পরিকল্পনা করেন ওস্তাদ মকছেদ আলী সাঁই। তিনি তৎকালীন রেডিওর ট্রান্সক্রিপশনে কর্মরত ছিলেন। তাঁর আমন্ত্রণে ঢাকায় রেডিওতে আসি। এ সময় স্টুডিওতে উপস্থিত ছিলেন আবদুল হামিদ চৌধুরী, কমল দাশগুপ্ত, সমর দাস, কাদের জমিলির মতো বিশিষ্ট সংগীতজ্ঞেরা। খুব ভয় হয়েছিল। তাঁদের সামনে আমাকে গাইতে হলো। ১৫ মিনিটের একক সংগীতানুষ্ঠান করে তাঁদের প্রশংসা পেয়েছিলাম। এটিই আমার অন্যতম স্মরণীয় স্মৃতি।’
ফরিদা পারভীন দীর্ঘদিন কুষ্টিয়া শহরে বসে লালনসংগীতের চর্চা করেছেন। নাটোরের সিংড়ায় জন্ম নেওয়া ফরিদা পারভীন ছোটবেলায় ছিলেন চঞ্চল প্রকৃতির। প্রায় সারাক্ষণ তিনি দৌড়ঝাঁপ আর খেলাধুলা করে বেড়াতেন। তাঁর দাদা ও নানার বাড়ির মাঝখানে ছিল একটি নদ। আত্রাইয়ের সেই শাখা নদের নাম ছিল গুর। ওই নদ পার হয়ে অধিকাংশ দিন তরুণী ফরিদা দাদার বাড়ি থেকে নানার বাড়ি যেতেন। নানার বাড়ির পাশে ছিল বিরাট একটা বিল। ছোটবেলায় খেলার সঙ্গী মামাতো ভাই–বোনদের সঙ্গে মিলে শাপলা তুলতে যেতেন সেই বিলে।
ছোটবেলা থেকেই ফরিদা পারভীনের ভালো লাগত সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের গান। তখন তিনি বুঝতেনও না যে তিনিই সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। কিন্তু রেডিও ছেড়ে দিয়ে তাঁর গান শুনতেন। ফরিদা পারভীনের বেড়ে ওঠাটা একেবারে নিরবচ্ছিন্নভাবে গ্রামে নয়। কারণ, তাঁর বাবা মেডিকেলে চাকরি করতেন আর তাঁর চাকরির বদলির সুবাদে বিভিন্ন সময়ে পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে ফরিদাকেও বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়েছে। এ কারণে ফরিদার বেড়ে ওঠাতে বিভিন্ন জায়গার ছাপ পড়েছে। ফরিদা পারভীনের স্কুলজীবন কেটেছে বিভিন্ন শহরে। তবে তাঁর স্কুলজীবনের শুরুটা মাগুরায়। একাধিক স্কুলে পড়াশোনা শেষে তিনি কুষ্টিয়ার মীর মশাররফ হোসেন বালিকা বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন। ১৯৭৪ সালে কুষ্টিয়া গার্লস কলেজ থেকে এইচএসসি এবং একই কলেজ থেকে স্নাতক শেষ করেন।
ফরিদা পারভীনের গানের হাতেখড়ি মাগুরা জেলায়। সেটা ১৯৫৭-৫৮ সালের কথা, তখন তিনি মাত্র চার-পাঁচ বছরের মেয়ে। সে সময় মাগুরায় তাঁকে গানে হাতেখড়ি দিয়েছিলেন ওস্তাদ কমল চক্রবর্তী। এরপর যেখানেই তিনি থেকেছেন, সেখানেই বিভিন্নজনের কাছে গানের তালিম নিয়েছেন। স্বরলিপি দিয়ে নজরুলের গান হারমোনিয়ামে ও কণ্ঠে তোলার কাজটি তিনি ওস্তাদ মীর মোজাফফর আলীর কাছেই প্রথম শেখেন। ১৯৬৮ সালে তিনি রাজশাহী বেতারের তালিকাভুক্ত নজরুলসংগীতশিল্পী নির্বাচিত হন। বাংলাদেশ স্বাধীনের পর লালন সাঁইজির গানের সঙ্গে ফরিদার পারভীনের যোগাযোগ, তখন তিনি কুষ্টিয়াতে থাকতেন। সেখানে তাঁদের পারিবারিক বন্ধু ছিলেন মোকছেদ আলী সাঁই। ১৯৭৩ সালে ফরিদা পারভীন তাঁর কাছেই ‘সত্য বল সুপথে চল’ গান শেখার মাধ্যমে লালন সাঁইজির গানের তালিম নেন। মোকছেদ আলী সাঁইয়ের মৃত্যুর পর খোদা বক্স সাঁই, ব্রজেন দাস, বেহাল সাঁই, ইয়াছিন সাঁই ও করিম সাঁইয়ের কাছে লালনসংগীতের তালিম নেন।

স্বাধীনতার পর ফরিদা পারভীন ঢাকায় চলে আসেন। তাঁর গাওয়া গান দিয়ে ট্রান্সক্রিপশন সার্ভিস শুরু হলো। মোকছেদ আলী সাঁই স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে ছিলেন। তিনি ফরিদা পারভীনকে ঢাকায় কিছু লালনের গান গাইতে বলেন। তাঁর অনুরোধে তিনি তখন ‘খাঁচার ভিতর’, ‘বাড়ির কাছে আরশি নগর’ গানগুলো গাইলেন। তখন তিনি কুষ্টিয়া থেকে এসে মোকছেদ আলী সাঁইয়ের কাছে লালনের গান শিখে ট্রান্সক্রিপশনে রেকর্ডিং করতে থাকেন। ফরিদা পারভীনের প্রথম স্বামী প্রখ্যাত গীতিকার ও কণ্ঠশিল্পী আবু জাফর। তাঁর সেই সংসারে রয়েছে তিন ছেলে ও এক মেয়ে; জিহান ফারিয়া, ইমাম নিমেরি উপল, ইমাম নাহিল সুমন ও ইমাম নোমানি রাব্বি।
লালন সাঁইজির গানের বাণী ও সুরকে জনপ্রিয় করার ক্ষেত্রে ফরিদা পারভীনের অবদান সর্বজনস্বীকৃত। শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বদরবারেও তিনি লালন সাঁইয়ের বাণী ও সুরকে প্রচারের কাজে নিয়েজিত ছিলেন। জাপান, সুইডেন, ডেনমার্ক, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ আরও বহু দেশে লালনসংগীত পরিবেশন করেছেন। লালনসংগীতে অবদানের জন্য ১৯৮৭ সালে বাংলাদেশ সরকারের একুশে পদক পান ফরিদা পারভীন। এর বাইরে ১৯৯৩ সালে ‘অন্ধ প্রেম’ চলচ্চিত্রে ব্যবহৃত ‘নিন্দার কাঁটা’ গানটির জন্য শ্রেষ্ঠ সংগীতশিল্পী (নারী) হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। তিনি ২০০৮ সালে জাপানের ফুকুওয়াকা পুরস্কার লাভ করেন। লালনশিল্পী হিসেবেই সুপরিচিত হন, তাঁর কণ্ঠে বেশ কটি আধুনিক ও দেশের গান জনপ্রিয় হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘তোমরা ভুলে গেছ মল্লিকাদির নাম’, ‘এই পদ্মা এই মেঘনা’ ইত্যাদি।

spot_img

Most Popular

আরও পড়ুন

শাবিতে শিক্ষার্থীদের জন্য প্রথমবারের মতো আর প্রোগ্রামিংয়ের উপর প্রশিক্ষণ

শাবি প্রতিনিধি: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো শিক্ষার্থীদের জন্য সপ্তাহব্যাপী...

‎বাংলা একাডেমি ও শাবিপ্রবি বাংলা বিভাগের যৌথ সেমিনার সম্পন্ন‎

‎শাবিপ্রবি প্রতিনিধি: ‎‎শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) বাংলা বিভাগ এবং বাংলা...

সিলেটের জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার

আধুনিক রিপোর্ট :: সিলেটের আলোচিত জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করেছে সরকার।...

বাংলা একাডেমির যৌথ উদ্যোগে শাবিপ্রবির বাংলা বিভাগে প্রথম সেমিনার আগামীকাল

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) বাংলা বিভাগ প্রতিষ্ঠার পর...

spot_img

পড়ুন

শাবিতে শিক্ষার্থীদের জন্য প্রথমবারের মতো আর প্রোগ্রামিংয়ের উপর প্রশিক্ষণ

শাবি প্রতিনিধি: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো শিক্ষার্থীদের জন্য সপ্তাহব্যাপী আর প্রোগ্রামিং-এর উপর প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কেন্দ্রের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণ গবেষণাভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়নে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সোমবার (২২ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কেন্দ্রের কনফারেন্স কক্ষে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা...

‎বাংলা একাডেমি ও শাবিপ্রবি বাংলা বিভাগের যৌথ সেমিনার সম্পন্ন‎

‎শাবিপ্রবি প্রতিনিধি: ‎‎শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) বাংলা বিভাগ এবং বাংলা একাডেমির যৌথ উদ্যোগে দিনব্যাপী এক সাহিত্য সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিভাগটি প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথমবারের মতো বাংলা একাডেমির সহায়তায় সিলেটের দুই কৃতি সন্তান 'সৈয়দ মুজতবা আলী ও ফজল শাহাবুদ্দীনের জীবন ও সাহিত্যকর্ম' শীর্ষক এ সেমিনারের আয়োজন করা...

সিলেটের জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার

আধুনিক রিপোর্ট :: সিলেটের আলোচিত জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করেছে সরকার। রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে সিলেটের জেলা প্রশাসক পদ থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে। সম্প্রতি সিলেটের হজরত শাহজালাল ও শাহপরানের (রাহ.) মাজারের আয়-ব্যয়ের হিসাব পর্যালোচনার উদ্যোগ নিয়ে ব্যপক আলোচনায়...

বাংলা একাডেমির যৌথ উদ্যোগে শাবিপ্রবির বাংলা বিভাগে প্রথম সেমিনার আগামীকাল

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) বাংলা বিভাগ প্রতিষ্ঠার পর প্রথমবারের মতো যৌথ সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে সোমবার (২২ জুন) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মিনি অডিটোরিয়ামে । বাংলা বিভাগ এবং বাংলা একাডেমির যৌথ উদ্যোগে 'সৈয়দ মুজতবা আলী ও ফজল শাহাবুদ্দীনের জীবন ও সাহিত্যকর্ম'-এর ওপর এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। রবিবার...

মধ্যনগরে ধর্ষণ মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ৩

ধর্মপাশা -মধ্যনগর প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলায় পৃথক বিশেষ অভিযানে ধর্ষণ মামলার এক আসামিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মো. মুন্না (২০),শফিকুল ইসলাম (১৮) ও মো. ইমরান আহমেদ (২৪)। বৃহস্পতিবার মধ্যনগর থানা পুলিশ উপজেলার চামরদানী ও বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। পুলিশ সূত্রে জানা...

শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন, সভাপতি সোহেল তালুকদার, সম্পাদক হোসাইন আহমদ

শান্তিগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে সোহেল তালুকদারকে সভাপতি ও হোসাইন আহমদকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৯ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) রাত ৯টায় শান্তিগঞ্জ বাজারস্থ এফআইভিডিবি’র হলরুমে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের মতামতের ভিত্তিতে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়। নবগঠিত কমিটির অন্য...

ছাতকে স্ত্রী হত্যার ঘটনায় স্বামী গ্রেপ্তার

ছাতক প্রতিনিধিঃ ছাতক উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে আছিয়া বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী আমির আলীকে (৪৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নিহত আছিয়া বেগম উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ-সৈয়দেরগাঁও ইউনিয়নের আলমপুর গ্রামের মৃত উস্তার আলীর মেয়ে। অভিযুক্ত আমির আলী শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাগলা ইউনিয়নের পূর্বপাড়া গ্রামের ছোরাব...

‎শাবিপ্রবিতে স্নাতক প্রথম বর্ষের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত: র‍্যাগিংয়ে জিরো টলারেন্সের ঘোষণা‎

‎শাবিপ্রবি প্রতিনিধি: ‎‎শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষ প্রথম সেমিস্টারের নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।‎‎ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও...

শাহজালাল ইউনিভার্সিটি স্কুল অ্যান্ড কলেজে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(শাবিপ্রবি) অঙ্গপ্রতিষ্ঠান শাহজালাল ইউনিভার্সিটি স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও এইচএসসি-২০২৬ পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের মিনি অডিটোরিয়োমে পুরস্কার বিতরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল...

শাবিপ্রবির সৈয়দ মুজতবা আলী হলে স্বেচ্ছায় রক্তদান ও থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠিত

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(শাবিপ্রবি) সৈয়দ মুজতবা আলী হলে বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উপলক্ষে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি ও থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার (১৭ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় হল প্রশাসনের উদ্যোগে এবং মুজিব জাহান রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি...

উপকূল রক্ষায় গবেষণার আহ্বান শাবিপ্রবি উপাচার্যের

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি: উপকূল রক্ষায় গবেষণার আহ্বান জানিয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের আয়োজনে দুই দিনব্যাপী ‘ইন্টারন্যাশনাল সিম্পোজিয়াম অন কোস্ট, ক্লাইমেট অ্যান্ড কমিউনিটি’ উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। উপাচার্য বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন আর দূরবর্তী...

শাবিপ্রবিতে প্রক্টোরিয়াল বডির র‍্যাগিংবিরোধী আবেগঘন ক্যাম্পেইন ও প্রশাসনের কঠোর সতর্কতা

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ প্রথম সেমিস্টারে ভর্তি হওয়া নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য র‍্যাগিংমুক্ত ও নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত করতে একযোগে নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও প্রক্টর অফিস। বুধবার (১৭ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ক্যাম্পাস ও ক্যাম্পাসের বাইরে র‍্যাগিংয়ের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত...