Home Blog Page 9

ঈদ শুভেচ্ছা জানালেন বোগলা বাজার ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম জুয়েল

দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি:

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীসহ দোয়ারাবাজার উপজেলার সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বোগলা বাজার ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, ঈদ মুসলিম উম্মাহর জন্য আনন্দ, ত্যাগ ও ভ্রাতৃত্ববোধের এক মহিমান্বিত বার্তা নিয়ে আসে। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর এই ঈদ আমাদের মাঝে সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করে।

তিনি আরও বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে ঈদের আনন্দ সবাই মিলে ভাগাভাগি করে নেওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, তিনি বোগলা বাজার ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন জড়িত। তিনি সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক, দোয়ারাবাজার উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে একাধিক মামলার আসামী হন এবং কারাবরণসহ নানাভাবে হয়রানির শিকার হয়েছেন।

শেষে তিনি সকলের সুস্বাস্থ্য, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা—“ঈদ মোবারক” জানান।

দোয়ারাবাজারে ধান ক্ষেত থেকে ৭ বছরের শিশুর লাশ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য

মাসুদ রানা সোহাগ, দোয়ারাবাজার:

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় ধান ক্ষেত থেকে আব্দুল্লাহ আল মামুন (৭) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার হওয়ায় পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে শোক, আতঙ্ক ও ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।

বুধবার (১৮ মার্চ) বিকাল আনুমানিক ৪টা ৩০ মিনিটে উপজেলার ৪নং মান্নারগাঁও ইউনিয়নের গোপালপুর (শ্রীনাথপুর) গ্রামের নুরুল আমিনের ধান ক্ষেত থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত আব্দুল্লাহ আল মামুন একই গ্রামের হাফেজ মাওলানা মোস্তাক আহমদের ছেলে। ঘটনার দিন দুপুর আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে সে বাড়ির সামনে সহপাঠীদের সঙ্গে খেলতে বের হয়। এরপর থেকে সে আর বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
দুপুর ২টার দিকে খেলার মাঠে গিয়ে তাকে না পেয়ে আশপাশে তল্লাশি চালানো হয়। দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর বিকাল আনুমানিক ৪টা ৩০ মিনিটে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পাওয়া যায়, নুরুল আমিনের ধান ক্ষেতে একটি শিশুর মরদেহ পড়ে আছে। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি আব্দুল্লাহ আল মামুনের বলে শনাক্ত করেন।

ঘটনার সংবাদ পেয়ে দোয়ারাবাজার থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিদর্শন করে। এসময় পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শামছ উদ্দিন খান এবং সহকারী পুলিশ সুপার (ছাতক সার্কেল) শেখ মো. মুরসালিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। উপস্থিত ছিলেন এসআই মনিরুল ইসলাম ও এসআই মোহন রায়সহ পুলিশের একটি টিম।

পুলিশ জানিয়েছে, সুরতহাল প্রতিবেদনের সময় শিশুটির মাথার পেছনে, ঘাড়ে ও পিঠে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা ঘটনাটিকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ের জন্য মরদেহ সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং জনমনে চরম উদ্বেগ বিরাজ করছে। দোয়ারাবাজার থানায় এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পুলিশ ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত জোরদার করেছে।

জৈন্তাপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় কৃষি কর্মকর্তা নিহত

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি:

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোঃ আবু সুফিয়ান মোল্লা (৬০) নামের এক কৃষি কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।

বুধবার (১৮ মার্চ) বিকাল আনুমানিক ৪টার দিকে উপজেলার সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের পানিছড়া তুন্দুর এলাকায় হাবিবনগর চা বাগান বাংলোর সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সিলেটগামী একটি ট্রাক ও চা বাগানের একটি পাওয়ার টিলারের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই আবু সুফিয়ান মোল্লা নিহত হন।

নিহত আবু সুফিয়ান মোল্লা কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার কংশনগর গ্রামের মৃত সৈয়দ আহমদ মোল্লার পুত্র। তিনি হাবিবনগর চা বাগানে এগ্রিকালচার ডেভেলপমেন্ট অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
খবর পেয়ে তামাবিল হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ সঞ্জয় চক্রবর্তীসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে।

এ বিষয়ে তামাবিল হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ সঞ্জয় চক্রবর্তী জানান, দুর্ঘটনার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সিলেটের জৈন্তাপুরে ধানক্ষেত থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় শোকের ছায়া

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি:

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলা এলাকায় ধানক্ষেত থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত যুবকের নাম শাহাদাৎ (২১)। তিনি উপজেলার ২নং জৈন্তাপুর ইউনিয়নের আমবাড়ী গ্রামের হেলাল মোল্লার পুত্র।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৮ মার্চ) সকাল প্রায় ৯টার দিকে উপজেলার কেন্দ্রী হাওর এলাকার একটি বিলসংলগ্ন ধানক্ষেতে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তারা পুলিশকে খবর দিলে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় স্থানীয়দের অনেকেই মরদেহটি শাহাদাতের বলে শনাক্ত করেন।

মরদেহের পরনে ছিল আকাশি রঙের টি-শার্ট ও সবুজ রঙের থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্ট। তার গলায় একটি কালো রঙের ক্রসবেল্ট ব্যাগ ঝুলানো ছিল। মরদেহের মাথার সামনে একটি বাঁশের লাঠি পড়ে থাকতে দেখা যায়। তবে প্রাথমিকভাবে শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। পরিবারের সদস্যদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।

জৈন্তাপুর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা জানান, খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এ পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এটি স্বাভাবিক মৃত্যু নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এদিকে, হঠাৎ এমন মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রহস্য উদঘাটনে প্রশাসনের দ্রুত তদন্ত দাবি করেছেন এলাকাবাসী।

ঈদের আগেই জৈন্তাপুরে নতুন প্রশাসক? দৌড়ঝাঁপে নবীন-প্রবীণ নেতারা, তুঙ্গে জল্পনা

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি:

সীমান্তবর্তী জনপদ জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক শূন্যতা পূরণে বইছে পরিবর্তনের হাওয়া। সবকিছু ঠিক থাকলে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগেই জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগের জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

সম্ভাব্য এই নিয়োগকে ঘিরে স্থানীয় রাজনীতি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে চায়ের আড্ডা, সবখানেই এখন একটাই আলোচনা, কে হচ্ছেন জৈন্তাপুরের পরবর্তী প্রশাসক।

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক দায়িত্ব অর্পণের লক্ষ্যে দলীয় হাইকমান্ড একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রস্তুত করেছে। গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তৈরি এ তালিকায় রয়েছেন স্থানীয় রাজনীতির অভিজ্ঞ ও প্রভাবশালী কয়েকজন নেতা।

আলোচনায় থাকা সম্ভাব্যদের মধ্যে রয়েছেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক বৃহত্তর ফতেপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন, বর্তমান উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ, সাবেক উপজেলা বিএনপি সভাপতি ও দরবস্ত ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এনায়েত উল্লাহ, সাবেক উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক চিকনাগুল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবিএম জাকারিয়া, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহিবুল হক মুহিব।

এছাড়াও বর্তমান উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাফিজ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও দরবস্ত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাহারুল আলম বাহার, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও নিজপাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইন্তাজ আলী, সাবেক ছাত্রনেতা ও ব্যবসায়ী ইলিয়াছ উদ্দীন লিপু এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল সিলেট জেলা শাখার সদস্য সচিব আলতাফ হোসেন বিলালের নামও আলোচনায় রয়েছে।

তালিকায় থাকা নেতাদের মধ্যে যেমন দীর্ঘদিনের রাজপথ কাঁপানো অভিজ্ঞ প্রবীণ রাজনীতিবিদ রয়েছেন, তেমনি আধুনিক ও গতিশীল নেতৃত্বের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনায় আছেন কয়েকজন নবীন মুখও। ফলে জৈন্তাপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে এক ধরনের স্নায়ুযুদ্ধ।

সূত্র জানায়, এবারের প্রশাসক নিয়োগে প্রার্থীর অতীত রাজনৈতিক ভূমিকা, দলীয় আনুগত্য, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রতিটি সম্ভাব্য প্রার্থীর সামাজিক অবস্থান, এলাকায় প্রভাব ও বিগত দিনের কর্মকাণ্ড নিয়ে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন নীতি-নির্ধারকদের কাছে পাঠানো হয়েছে। কোনো ধরনের নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশনাও রয়েছে।

প্রশাসক নিয়োগের সম্ভাব্য খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই জৈন্তাপুরে তৈরি হয়েছে নির্বাচনী আমেজ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও সমর্থকদের পোস্ট, মতামত ও বিশ্লেষণে সরগরম রাজনৈতিক অঙ্গন।

সচেতন মহলের মতে, জৈন্তাপুরের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সচল রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে একজন দক্ষ, সৎ ও জনবান্ধব প্রশাসকের বিকল্প নেই। কেউ কেউ মনে করছেন অভিজ্ঞ নেতৃত্বই এগিয়ে থাকবে, আবার অনেকের মতে পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে আসতে পারেন কোনো নতুন মুখ।

উপজেলার এক দায়িত্বশীল নেতা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জানান, ইতোমধ্যে ৫ থেকে ৬ জন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতার নাম নিয়ে দলীয় পর্যায়ে আলোচনা চলছে। শেষ পর্যন্ত যিনি যোগ্য বিবেচিত হবেন এবং দলীয় হাইকমান্ড যাকে মনোনীত করবে, তিনিই উপজেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পাবেন।

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাফিজ বলেন, বিএনপি পরিবারের পরীক্ষিত, ত্যাগী ও দায়িত্বশীল নেতাদের প্রোফাইল দলীয় হাইকমান্ড এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে রয়েছে।হাইকমান্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে, আমরা সবাই তাকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।

তিনি আরও জানান, সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও সরকারের শ্রম ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী কারও কাছ থেকে আলাদা করে কোনো নামের তালিকা চাননি। সংশ্লিষ্ট নেতাদের প্রোফাইল তার কাছে আগে থেকেই রয়েছে। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে গত ১৫ মার্চ স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, খুব শিগগিরই উপজেলা পরিষদগুলোতেও প্রশাসক নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে। ঈদের পর পর্যায়ক্রমে পৌরসভাগুলোতেও প্রশাসক নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের আগস্টে দেশের ৪৯৩টি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ৬০টি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং ৩২৩টি পৌরসভার মেয়রকে অপসারণ করে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়।

স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে জারি করা পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়।
চূড়ান্ত ঘোষণার অপেক্ষা প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো ইঙ্গিত দিয়েছে, ঈদের আগেই যেকোনো সময় জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগের চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।

শেষ মুহূর্তের এই প্রতিযোগিতায় কে এগিয়ে থাকবেন, তা জানতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে পুরো জৈন্তাপুরবাসী।

তামাবিল স্থল বন্দরে রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ, পোর্ট-কাস্টম ও অসাধু চক্রের খপ্পরে সরকার হারাচ্ছে বিপুল রাজস্ব

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি:

সিলেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থল বন্দর তামাবিলে দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী, পোর্ট ও কাস্টমসের অসাধু কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক সুবিধাভোগীদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা যায়, ৪ থেকে ৫টি সিএনএফ এজেন্টের সহযোগিতায় তামাবিল পোর্ট, কাস্টমসের কিছু কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি ও অসাধু ব্যবসায়ীরা একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। তাদের মাধ্যমে কৌশলে কারপাস (কার্গো পাস) জালিয়াতির মাধ্যমে ঘোষণাকৃত পণ্যের অতিরিক্ত পণ্য ক্লিয়ারেন্স করা হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, ঘোষণার অতিরিক্ত পণ্য ছাড় করাতে পোর্ট কর্তৃপক্ষ প্রতি চালানে ৩৬০ টাকা এবং কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ৮৫০ টাকা করে সুবিধা নিচ্ছে। ফলে সরকারের নির্ধারিত রাজস্ব আদায় না হয়ে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে একটি অসাধু চক্র।

তামাবিল স্থল বন্দরের একাধিক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সাধারণত ৫ টনের ছোট ট্রাকে ১৪ থেকে ১৫ টন পর্যন্ত পণ্য পরিবহন করা হয়। একইভাবে ১২ টনের ট্রাকে ২০ থেকে ২২ টন পণ্য পরিবহন করা হচ্ছে। সিএনএফ এজেন্টদের নির্দিষ্ট কিছু সদস্যের সহযোগিতায় কারপাসে কারচুপি করে এই অতিরিক্ত পণ্য সহজেই ছাড় করা হয়।

তারা আরও বলেন, অতিরিক্ত পণ্য প্রতি চালানে প্রায় ১ হাজার ২১০ টাকা আদায়ের মাধ্যমে পোর্ট ও কাস্টমসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা স্থানীয় রাজনৈতিক সুবিধাভোগী ও অসাধু ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা করছেন। এতে করে সরকার বছরে কয়েকশ কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে বলে দাবি করেন তারা।
ব্যবসায়ীরা আরও জানান, সরকারের উচ্চপর্যায়ের কোনো নিরীক্ষা বা তদন্ত দল সরেজমিনে তদন্ত করলে তামাবিল স্থল বন্দরের এই অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তামাবিল পোর্ট কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ ধরনের কোনো বিষয় আমার জানা নেই। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।

অন্যদিকে তামাবিল কাস্টমস সুপার শ্রাবানা বলেন, এ ধরনের কোনো অভিযোগ আমাদের জানা নেই। তবে বিষয়টি আমরা যাচাই করে দেখছি।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে তামাবিল স্থল বন্দরে রাজস্ব ফাঁকির এই প্রবণতা আরও বাড়তে পারে।

‎জৈন্তাপুরে এনসিপির দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি: ‎

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জৈন্তাপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎রবিবার (১৫ মার্চ) বিকেলে জৈন্তাপুর উপজেলার হরিপুর বাজারস্থ তারু মিয়ার রেস্টুরেন্টে এ দোয়া ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। ‎‎

জৈন্তাপুর উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক মো. জাকারিয়া লাদেনের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা সদস্য সচিব মন্তাজ আলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা এনসিপির সদস্য সচিব কামরুল আরিফ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কামরুল আরিফ বলেন, “পরিবারকেন্দ্রিক রাজনীতি আমরা চাই না। আন্দোলন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এনসিপির জন্ম হয়েছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে এ জাতি আপনাদের মেনে নেবে না।”‎‎

এছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিফজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক সামছুল ইসলাম, সদস্য রাসেল উল আলম, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব মুস্তাফিজুর রহমান, অর্থ সম্পাদক সাদী জামাল, সদস্য মর্তুজ আলী এবং কানাইঘাট উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক আব্দুর রহমানা প্রমুখ। ‎‎

এ সময় দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, সমর্থক ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। ইফতার পূর্বে দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

দুর্নীতি করলে ঠিকানা হবে জেলখানা — সরকারি কর্মকর্তাদের হুঁশিয়ারি বিভাগীয় কমিশনারের‎

দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি:‎‎

দুর্নীতি ও ঘুষের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে সিলেট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী বলেছেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যদি দুর্নীতি করেন, তাহলে তাদের ঠিকানা হবে জেলখানা। এখন থেকে কোনো ধরনের ঘুষ ও দুর্নীতি সহ্য করা হবে না।‎‎

রবিবার (১৫ মার্চ) সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুধীজনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার অরুপ রতন সিংহ এর সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও নৈতিকতা প্রতিষ্ঠার জন্য সবাইকে সিরাতুল মুস্তাকিম বা সৎ ও ন্যায়ের পথে চলতে হবে। ধর্মীয় মূল্যবোধ ও মানবিক গুণাবলি মানুষকে সঠিক পথে পরিচালিত করে। তাই প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিজ নিজ দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে হবে।‎‎

তিনি আরও বলেন, পরিবর্তন আনতে হলে সকল দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। অতীতে যা হয়েছে তা ভুলে গিয়ে নতুনভাবে কাজ শুরু করতে হবে। সরকারি চাকরিতে থেকে কেউ যদি জনগণের অধিকার নষ্ট করে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।

‎‎এছাড়াও তিনি উল্লেখ করেন, বিগত সরকারের আমলে একজন মৃত ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে সরকারের বিপুল অর্থ ব্যয় করা হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা যেন আর না ঘটে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

‎সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুনজিত কুমার চন্দ, দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ তরিকুল ইসলাম তালুকদারসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুধীজন।‎

সভায় বক্তারা সরকারি সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সততা, জবাবদিহিতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ

মধ্যনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ধর্মপাশা – মধ্যনগর প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় মধ্যনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

মধ্যনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল আউয়াল মিজবাহের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আল আমীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে কুরআন তেলাওয়াত করেন মধ্যনগর মাদানিয়া কওমী মাদ্রাসার ছাত্র জোনায়েদ মিয়া।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি আব্দুল কাদির, সহ-সভাপতি এম. এম. এ. রেজা পহেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুরঞ্জন সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক সানোয়ার হোসেন খোকা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক খসরুজ্জামান কবীর, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক জয়নাল আবেদিন জহিরুল, সহ-কোষাধ্যক্ষ মনোয়ার হোসেন মুন্না, শিহাব মিয়া।

অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মধ্যনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ কে এম সাহাবুদ্দিন শাহীন। উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবে হায়াত, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম মজনু, যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল বাসার, উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. কামাল হোসেন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইদুর রহমান জিয়া, দিশারী শিক্ষা একাডেমির প্রধান শিক্ষক মৌজা আলী তালুকদার এবং উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান।

ইফতার পূর্বে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপস্থিত অতিথি ও সাংবাদিকরা একসঙ্গে ইফতার করেন।

ধর্মপাশায় বৃষ্টিতে স্বস্তি, প্রাণ ফিরে পেল বোরো আবাদ

ধর্মপাশা – মধ্যনগর প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা ও মধ্যানগর উপজেলায় গত শুক্রবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যায় প্রায় ৩ ঘণ্টাব্যাপী বৃষ্টিতে বোরো ধানের জমিতে পানির সংকট অনেকটাই কমে গেছে। এতে প্রাণ ফিরে পেয়েছে চলতি মৌসুমের বোরো আবাদ।

দীর্ঘদিনের খরার পর এক পশলা বৃষ্টিতে স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন ধর্মপাশা ও মধ্যনগর  উপজেলার কৃষকেরা। দীর্ঘ প্রায় ৮-৯মাস উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত না হওয়ায় বোরো ধানের জমিতে পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছিল। ফলে বাধ্য হয়ে কৃষকদের গভীর নলকূপের মাধ্যমে সেচ দিতে হচ্ছিল। এসব নলকূপ বিদ্যুৎ বা ডিজেলচালিত ইঞ্জিনে পরিচালিত হওয়ায় লোডশেডিং ও জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্যের কারণে সেচ ব্যয়ও বেড়ে যায়। এতে অনেক কৃষকই আর্থিক চাপের মধ্যে পড়েছিলেন।

স্থানীয় কৃষকেরা জানান,শুক্রবার সন্ধ্যার বৃষ্টিতে জমিতে আর্দ্রতা বেড়েছে এবং ধানের গাছ নতুন করে সজীবতা ফিরে পেয়েছে একই সঙ্গে বাতাসে জমে থাকা ধুলাবালিও ধুয়ে যাওয়ায় পরিবেশ কিছুটা স্বস্তিদায়ক হয়ে উঠেছে। 

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এ সময়ের বৃষ্টি বোরো ধানের জন্য বেশ উপকারী। এতে ধানে পোকামাকড়ের আক্রমণ তুলনামূলক কম হয় এবং জমিতে সার ও কীটনাশকের ব্যবহারও কম লাগে। ফলে উৎপাদন খরচ কমে এবং ভালো ফলনের সম্ভবনা বাড়ে।

ধর্মপাশা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আশয়াদ বিন খলিল রাহাত বলেন,বৃষ্টির কারণে সাময়িকভাবে সেচের জন্য গভীর নলকূপের ব্যবহারও কমবে।

এতে বিদ্যুৎ ও ডিজেলড়দুই ধরনের জ্বালানিই কিছুটা সাশ্রয় হবে। হঠাৎ পাওয়া এই বৃষ্টিতে উপজেলার কৃষকদের মুখে এখন স্বস্তির হাসি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে বোরো ধানের ভালো ফলন হবে বলে আশা করছেন তিনি।