Home Blog Page 253

মালয়েশিয়ায় ভবন ধসে ৩ বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত

মালয়েশিয়ার পেনাং শহরে একটি নির্মাণাধীন ভবন ধসে এখন পর্যন্ত ৩ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। উদ্ধারকারীদের ধারণা এখনো ৪ শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) রাতে ভবন ধসে হতাহতের এই ঘটনা ঘটে। এক প্রতিবেদনে এমনটি জানিয়েছে সংবাদ মাধ্যম ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে।


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধসে পড়া এই ভবনের সকল শ্রমিকই বাংলাদেশি ছিলেন। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ৯.৪৫ মিনিটের দিকে মালয়েশিয়ার পেনাংয়ে নির্মাণাধীন একটি ভবন ধসে পড়ে। সেই ঘটনার পর উদ্ধারকারীরা এখনও চারজন নিখোঁজ শ্রমিকের খোঁজে ধ্বংসস্তূপের নিচে সন্ধান করছেন।
পেনাংয়ের ডেপুটি পুলিশ প্রধান মোহাম্মদ ইউসুফ জান মোহাম্মাদ বলেন, এখনও পর্যন্ত উদ্ধারকারীরা আটকে পড়া ৯ শ্রমিকের মধ্যে পাঁচজনকে খুঁজে পেয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, এখানে কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের সবাই ছিলেন বাংলাদেশি নাগরিক। এখন পর্যন্ত, আমরা তিনজন নিহত ব্যক্তিকে শনাক্ত করেছি – দুজন যারা ঘটনাস্থলে মারা গেছেন এবং অন্য একজন হাসপাতালে মারা গেছেন। গুরুতর আহত অন্য দুজনকে চিকিৎসার জন্য পেনাং হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের শাইক ইসমাইল আলাউদ্দীন বলেছেন, তারা এখনও দুর্ঘটনায় হতাহতদের বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য অপেক্ষা করছেন।

পদে থেকেই সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী হতে পারবেন এমপিরা : নির্বাচন কমিশন

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পদে থেকেই অংশ নিতে পারবেন কাদশ জাতীয় সংসদ সদস্যরা (এমপি)। এমনকি আগে দলের এমপি হলেও এখন স্বতন্ত্র থেকে ভোটে দাঁড়াতে চাইলেও পদত্যাগ করতে হবে না। বুধবার (২৯ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশনের পরিচালক (জনসংযোগ) মো. শরিফুল আলম এ তথ্য জানান।
ইসি পরিচালক মো. শরিফুল আলম জানিয়েছে,বিভিন্ন গণমাধ্যমে এই মর্মে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে যে, কোনো দলীয় সংসদ সদস্য নির্দলীয়ভাবে বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে হলে তাকে সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে। তবে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে হলে নিম্নোক্ত শর্তসমূহ পরিপালন করতে হবে মর্মে উল্লেখ রয়েছে।

তিনি বলেন , স্বতন্ত্র থেকে ভোট করতে চাইলে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থন সম্বলিত স্বাক্ষরযুক্ত তালিকা মনোনয়নপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। তবে কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থী ইতোপূর্বে জাতীয় সংসদের কোনো নির্বাচনে সদস্য নির্বাচিত হয়ে থাকলে ওই তালিকা প্রদানের প্রয়োজন হবে না।

সেক্ষেত্রে দলীয় সংসদ সদস্যদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে না। দলীয়, নির্দলীয় বা সংরক্ষিত নারী আসনের হোক- সংসদ সদস্য পদে থেকেই তিনি প্রার্থী হতে পারবেন।

ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৭ জানুয়ারি সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন দেখতে বিভিন্ন ও সংস্থার ৮৭জন পর্যবেক্ষক আবেদন জানিয়েছেন।

এছাড়া ৩৪ দেশ ও চারটি সংস্থার ১১৪ জন পর্যবেক্ষককে ভোট দেখতে আমন্ত্রণ জানিয়েছে নির্বাচন আয়োজনকারী সংস্থাটি।

জলবায়ুর অভিঘাতে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী

 
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জলবায়ুর অভিঘাতে অধিক ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তা ও সংহতি প্রয়োজন। বেশিরভাগ জলবায়ু স্থানচ্যুতি জাতীয় সীমানার মধ্যে এবং কিছু ভয়ানক পরিস্থিতিতে সীমান্তের ওপারে ঘটে। এ ধরনের পরিস্থিতি যেন মানবিক সংকটে পরিণত না হয়।

মঙ্গলবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশনের (আইওএম) সদর দফতরে তিন দিনব্যাপী ১১৪তম অধিবেশনে ‘মানব গতিশীলতার ওপর জলবায়ুর প্রভাব: সমাধানের জন্য বৈশ্বিক আহ্বান’ শীর্ষক উচ্চ পর্যায়ের  বৈঠকে এক ভিডিও বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে যারা বাস্তুচ্যুত বা আটকে পড়েছেন তাদের মৌলিক পরিষেবা, সামাজিক সুরক্ষা এবং জীবিকার বিকল্পগুলোতে প্রবেশাধিকার থাকা প্রয়োজন। তাদের আশ্রয়দাতা সম্প্রদায়ের ওপর বিরূপ প্রভাবগুলোও একটি অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতিতে মোকাবিলা করা প্রয়োজন।

তিনি আরো বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের ২১৬ মিলিয়ন লোককে বাস্তুচ্যুত করতে পারে। এর মধ্যে ৪০ মিলিয়ন এককভাবে দক্ষিণ এশিয়ার। বাংলাদেশে আমাদের জনসংখ্যার ২০ শতাংশ উপকূলীয় অঞ্চলে বাস করে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ, ঘন ঘন বন্যা এবং প্রবল ঘূর্ণিঝড় তাদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলা কক্সবাজারে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে আগত ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। এই রোহিঙ্গাদের মধ্যে কিছু লোক পাচার নেটওয়ার্কের শিকার হয়। এর সঙ্গে সমগ্র অঞ্চলের নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে। এ ধরনের মিশ্র অভিবাসন প্রবাহ জলবায়ু গতিশীলতাকে আরো বেশি সমস্যাযুক্ত করে তোলে।

সরকার প্রধান বলেন, মানব গতিশীলতার ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব আন্তর্জাতিক আলোচ্য সূচিতে উচ্চ স্থান দেওয়া উচিত। বাংলাদেশ বিষয়টির কার্যকর সমাধানের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরতে আইওএম এবং অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে একত্রে কাজ করছে। অনেকগুলো উন্নয়নশীল দেশ এতে নেতৃত্ব দিচ্ছে। কপ-২৮, জিএফএমডি, এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক ফোরাম এটিকে যথাযথ গুরুত্ব দিচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে সরকার সম্পদের সীমাবদ্ধতার মধ্যেও জলবায়ু অভিবাসীদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ শুরু করেছে। সরকার অগ্রাধিকারভিত্তিক আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বাস্তুচ্যুত ৪ হাজার ৪০০ পরিবারকে নিরাপদ আবাসন প্রদানের জন্য কক্সবাজারে ১৩৯টি বহুতল ভবন নির্মাণ করছে।

বিশ্বনাথ পৌরসভার ৫টি ওয়ার্ডে আ.লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি
সিলেটের বিশ্বনাথ পৌরসভার অন্তর্গত ৩, ৫, ৬, ৭ ও ৮নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন হয়েছে। সোমবার রাতে পৌর আওয়ামী লীগের আহবায়ক আব্দুল জলিল জালাল, যুগ্ম-আহবায়ক আলতাব হোসেন ও যুগ্ম আহবায়ক মহব্বত আলী এই ৫টি কমিটির অনুমোদন দেন। 
৩নং ওয়ার্ড: ৩নং ওয়ার্ডে মো. শানুর আলীকে সভাপতি করে ও ফারুক মিয়াকে সাধারণ সম্পাদক করে ৭৬ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন, সহ-সভাপতি সোনা মিয়া, আব্দুল আলী আরন, নুর মিয়া মেম্বার, সজ্জাদ মিয়া, সেলিম আহমদ, যুগ্ম সম্পাদক শিপন মিয়া, মুজিবুর রহমান, আইন বিষয়ক সম্পাদক সোহাগ মিয়া, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক সিতাব আলী, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আনা মিয়া, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক কয়ছর আলী, দপ্তর সম্পাদক হেলাল মিয়া, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক পরতাব আলী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শিবলু মিয়া, বন ও পরিবেশ সম্পাদক ফারুক মিয়া, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক রুখন মিয়া, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সাজনা বেগম, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক সামছুল ইসলাম, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক দুলাল মিয়া, শিক্ষা ও মানব সম্পদ সম্পাদক  বাবুল মিয়া, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক নাসির আহমদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আব্দুল মালিক গেদা, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক আতিকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম আলী, আব্দুল আহাদ, সহ-দপ্তর সম্পাদক রফিক আলী, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুল মানিক, কোষাধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন। কমিটির সদস্যরা হলেন, আশিক আলী, আকবর আলী, মহব্বত আলী, সুলতান ফারুক আহমদ, সুনু মিয়া, জামাল উদ্দিন, আব্দুল হক, আব্দুস সালাম, নুরশেদ আলী, জাবেদ মিয়া, মিম্বর আলী, আমির আলী, নুরুল ইসলাম, আব্দুস সোপান, ভাষ্কর জ্যোতি দে, লাল মিয়া, রকিব আলী,  রিহান আলী, জয়নাল আহমদ, মুক্তার আলী, আব্দুস শহিদ, আব্দুল খলিল মিলন, আব্দুল হক, ছুরত আলী, আব্দুল কাইয়ূম, তাজুল ইসলাম, মাসুক আলী, আব্দুস শহিদ, ফকলু মিয়া, মখছির আলী, আলাউদ্দিন, ছাব্বির আহমদ, সোহেল মিয়া, হেলাল মিয়া, দুলাল মিয়া, আব্দুল করিম, জগলূ মিয়া, ফয়জুর রহমান, আমির আলী, আব্দুস শহিদ, নুরুল আমিন, মতই মিয়া, হেলাল মিয়া, দুলাল মিয়া, আলাল আহমদ খোকন।
৫নং ওয়ার্ড: ৫নং ওয়ার্ডে মো. সাহাব উদ্দিনকে সভাপতি করে ও মো. ফয়জুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করে ৫৩ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন, সহ-সভাপতি মো. তালেব আলী, শানুর হোসেন, মো. নজির আলী, সেবুল মিয়া, মানিক মিয়া, জালাল মিয়া, যুগ্ম সম্পাদক তুরণ চৌধুরী, মো. কুদ্দুছ আলী, আইন বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহিম, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক বকুল মিয়া, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল আলিম, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আরশ আলী, দপ্তর সম্পাদক মো. শফিক মিয়া, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ছালেক মিয়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমির আলী, বন ও পরিবেশ সম্পাদক জিল্লুর রহমান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক তাজ উদ্দিন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রাহেনা আক্তার রুহি, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক বাবরুছ মিয়া, শিক্ষা ও মানব সম্পদ সম্পাদক মানিক মিয়া, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক সেবুল মিয়া, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আসকন্দর আলী, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক আছাব আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল মিয়া, এলাইছ ফকির, সহ-দপ্তর সম্পাদক জেবুল মিয়া, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এলাইচ মিয়া, কোষাধ্যক্ষ আব্দুল আহাদ। কমিটির সদস্যরা হলেন, আলতাব হোসেন, রফিক হাসান, তাজুল ইসলাম, ফজলুর রহমান বাবুল, কবির উদ্দিন আহমদ, আয়না মিয়া, আব্দুল জলিল, আরজু মিয়া, আছকির আলী, তফজ্জুল আলী, মানিক মিয়া, মুহিবুর রহমান গেলাপ, মনিরুজ্জামান, কাওছার আহমদ, রমা কান্ত দে, দুদু মিয়া, কবির মিয়া, মো. আজির হোসেন, ফারুক মিয়া, সুজেল মিয়া, আব্দুল করিম, রতিদ্র কুমার দে।
৬নং ওয়ার্ড: ৬নং ওয়ার্ডে মো. আব্দাল মিয়াকে সভাপতি করে ও কামাল উদ্দিনকে সাধারণ সম্পাদক করে ৬৫ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন, সহ-সভাপতি মাওলানা কবির আহমদ, নুরুল ইসলাম, মো. আলী, আব্দুল রকিব, গোলাম কিবরিয়া, ইছরাক আলী, ছুরত মিয়া, যুগ্ম সম্পাদক নুরুল ইসলাম নুরুল, রুহুল আমিন, আইন বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মতিন, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক আলকাছ আলী, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক ফিরুজ তালুকদার, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মশরফ আলী, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুল মুতলিব, বন ও পরিবেশ সম্পাদক আব্দাল মিয়া, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক রিয়াজ আলী, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রুহেলা বেগম, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক শাহ মুক্তার মিয়া, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক সুমন আহমদ, শিক্ষা ও মানব সম্পদ সম্পাদক ক্লিনটন দেব রিগ্যান, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক রাতুল নম:, সাংস্কৃতিক সম্পাদক জনি আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আলী জাবের, আব্দুল আকিদ, সহ-দপ্তর সম্পাদক আব্দুল ওয়াহিদ, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হারিছ আলী, কোষাধ্যক্ষ আব্দুর রব।
কমিটির সদস্যরা হলেন, সাখাওয়াত হোসেন, মিজানুর রহমান, মাসুদ আহমদ, মুজিবুর রহমান, বারাম উদ্দিন, দবির মিয়া, বিভাংশু গুণ বিভু, ডা. শাহাদাত হোসেন, আমির আলী, পিয়ার আলী, বেলায়াত হোসেন, সিরাজ উদ্দিন, রইছ উদ্দিন, রজব উদ্দিন, মখতদির আলী, সোনা মিয়া, নানু মিয়া, আলী হোসেন, আরব আলী, তাজ উদ্দিন, দিভাংশু গুণ, ইউনুছ আলী, উসলাম উদ্দিন, আব্দুল্লাহ, আমিন উদ্দিন, হাবিবুর রহমান, আলা উদ্দিন, জিয়া উদ্দিন, রফিক মিয়া, আব্দুল ওয়াহিদ, কামাল উদ্দিন, আঙ্গুর মিয়া, দবির মিয়া।
৭নং ওয়ার্ড: ৭নং ওয়ার্ডে পরতাব আলীকে সভাপতি করে ও ওমর খান আবুকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩২ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ  কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন, সহ-সভাপতি জিলা মিয়া, আওলাদ আলী, তোফায়েল আহমদ, হারুন মিয়া, তাপস তালুকদার, জ্যোতিশ দাশ, খালিক মিয়া, মানিক মিয়া, দুলাল মিয়া, যুগ্ম সম্পাদক সায়েদ আলী, সৌমিত্র ধর মিশু, আইন বিষয়ক সম্পাদক রিপন দাশ, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক সুহেল মিয়া, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক রিপন মিয়া, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক বাবুল রায়, দপ্তর সম্পাদক ইসলাম উদ্দিন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল বারী আবির, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমির আলী, বন ও পরিবেশ সম্পাদক আলকাছ মিয়া, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক অজিত দেব, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক লাভলী দেব, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলী আরশ, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক আতিকুল ইসলাম বাবলু, শিক্ষা ও মানব সম্পদ সম্পাদক সিজিল মিয়া, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক নিকুঞ্জ বিহারী ভৌমিক, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক, সঞ্জয় শীল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক টিটু দেব, সাংগঠনিক সম্পাদক ইলাছ মিয়া, মিল্টন দাশ, সহ-দপ্তর সম্পাদক গোপাল চন্দ্র শীল, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সুজিত বৈদ্য, কোষাধ্যক্ষ দিজেন পাল।
কমিটির সদস্যরা হলেন, হাজী আব্দুল মতিন, সিরাজুল ইসলাম, আব্দুর রব, জহুর আলী, রহমত আলী মেম্বার, শংকর দাশ শংকু, মঞ্জুর আলী মেম্বার, সাদেক আলী, জালাল উদ্দিন, আব্দুল খালিক, সুরঞ্জিত শুক্ল বৈদ্য সারন, রাজু আহমদ খান, দেলওয়ার মনির, শামসুন নুর, সালেক আহমদ, জয়নাল আবেদীন, ফয়ছল আহমদ , বকুল দাশ, বাদল বৈদ্য, গৌরাঙ্গ শীল, বকুল দেবনাথ, মান্না দাশ, বাবুল রায়, রণ শীল, সুজিত দেব, নিখিল দে, রতিশ দাশ, শংকু মোহন ধর পরাগ, রন দেব, অমিত দেব, সুমন দেব, নির্মল নন্দী, সনর দেবনাথ, চন্দন দে, বিজয় দাশ, সুজিত দেব, বিমল দাশ, নয়ন কান্দি দে রনি, বিধান বৈদ্য, সুভ্র পাল। 
৮নং ওয়ার্ড: ৮নং ওয়ার্ডে ফজলুর রহমানকে সভাপতি করে ও নজরুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক করে ১২ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন, সহ-সভাপতি সুলেমান খান বাবুল, আব্দুল হামিদ, যুগ্ম সম্পাদক আওলাদ আলী, সামছুল ইসলাম, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ছামির আলী, বন ও পরিবেশ সম্পাদক আনছার আলী, শিক্ষা ও মানব সম্পদ সম্পাদক আওলাদ খান, সাংগঠনিক সম্পাদক গবিন্দ দেব, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কামাল মিয়া। ৮নং ওয়ার্ডের পূর্ণাঙ্গ কমিটি পরবর্তিতে প্রকাশ করা হবে।

জামিন পেলেন কাউন্সিলর হিরন মাহমুদ নিপু

সিলেট নগরীর টিবিগেইটে ছাত্রলীগকর্মী আরিফ আহমদ (১৯) হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় কাউন্সিলর হিরন মাহমুদ নিপু জামিন পেয়েছেন।

মঙ্গলবার উচ্চ আদালতে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

তারা হিরন মাহমুদ নিপুকে ৩ (তিন) সপ্তাহের আগাম জামিন মঞ্জুর করেছেন।

সিলেট নগরীর ৩৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিরন মাহমুদ নিপুর একটি ঘনিষ্টসূত্র আধুনিক কাগজকে এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তাদের দাবি, হিরন মাহমুদ নিপু রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। তিনি ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত নয়। তার প্রতিপক্ষ মহল তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০ নভেম্বর দিবাগত রাত ১২টার দিকে নগরের বালুচর টিবিগেট এলাকা দিয়ে যাওয়ার পথে আরিফকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান কয়েক যুবক। তাঁকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত একটার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। আরিফ নগরের টিলাগড় এলাকার স্টেট কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। পাশাপাশি ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত ছিলেন।

কমলগঞ্জে মণিপুরি রাসলীলার সমাপ্তি

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো মণিপুরি সম্প্রদায়ের প্রধানতম ধর্মীয় উৎসব মহারাসলীলা। মঙ্গলবার ঊষালগ্নে মাধবপুর ও আদমপুরে সমাপ্ত হলো এই মহারাসলীলা উৎসব।

সরেজমিন দেখা যায়, রাসোৎসবে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে হাজার হাজার ভক্তবৃন্দসহ দেশী-বিদেশী পর্যটকের ঢল নামে। মণিপুরী সম্প্রদায়ের এ বৃহত্তম উৎসব উপলক্ষে মণিপুরি ললিতকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে মণিপুরি তাতঁবস্ত্র প্রদর্শনী ও শিববাজার এলাকায় বিশাল মেলা বসে। উভয়স্থানে রাখালনৃত্যের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল রাসলীলা। জাতি, ধর্ম-বর্ণ ভেদাভেদ ভুলে লাখো মানুষের সমাগম ঘটে। সব ধরনের সুবিধা বিদ্যমান থাকায় এখানকার রাসলীলা বড় উৎসবে রূপ নিয়েছিল।

দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হাজির হয়েছিল নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ নানা পেশার হাজারো মানুষ। তাদের পদচারণে সকাল থেকে মুখর হয়ে ওঠে মণিপুরি পল্লি। ঊষালগ্নে এ উৎসব শেষ হয়। সূর্যোদয়ের সঙ্গে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে। উপজেলার মাধবপুর জোড়া মন্ডপ প্রাঙ্গণে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি, আদমপুরের মণিপুরি কালচারাল কমপ্লেক্সসহ আরো দুটি মন্ডপ প্রাঙ্গণে মণিপুরি মী-তৈ সম্প্রদায়ের আয়োজনে হয়েছে মহারাসোৎসব। রাস উৎসব ঘিরে প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থাসহ বসেছিল রকমারি আয়োাজনে বিশাল মেলা। উৎসবে যোগ দিতে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হাজার হাজার ভক্ত-অনুরাগী পর্যটক এসেছেন এখানে। ভিড় সামলাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের হিমশিম খেতে হয়।

মাধবপুর (শিববাজার) জোড়ামন্ডপ প্রাঙ্গনে মণিপুরি মহারাসলীলা সেবা সংঘের উদ্যোগে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরিরা ১৮১ তম বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মণিপুরি মহারাসলীলা সেবা সংঘের সভাপতি যোগেশ্বর সিংহের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শ্যাম সিংহ ও নির্মল সিংহ পলাশের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন- সিলেটের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) দেবজিৎ সিংহ।

সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- সিলেট বিভাগের অতিরিক্ত ডিআইজি (অ্যাডমিন এন্ড ফিন্যান্স) সৈয়দ হারুন অর রশীদ, মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক ড. উর্মি বিনতে সালাম, পুলিশ সুপার মো: মনজুর রহমান, পিপিএম (বার), নির্বাহী অফিসার জয়নাল আবেদীন ও ইউপি চেয়ারম্যান আসিদ আলী, মুক্তিযোদ্ধা আনন্দ মোহন সিনহা প্রমুখ।

এ ছাড়াও আদমপুর মণিপুরি মহারাস উৎসব উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে কমিটির আহবায়ক থৌনাওজম নিরঞ্জন সিংহের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব কবি সনাতন হামোম এর পরিচালনায় আদমপুর মণিপুরি কালচারাল কমপ্লেক্স প্রাঙ্গনে মৈতৈ মণিপুরি সম্প্রদায়ের রাস উৎসবের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মণিপুরি রাসোৎসবের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: মোকাম্মেল হোসেন।

অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিব সত্যজিত কর্মকার।

বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত সচিব) আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের, ভারতের মণিপুর রাজ্যের রাজর্ষি ভাগ্যচন্দ্র কালচারাল ফাউন্ডেশনের ট্রেজারার তখেলম্বম ইরাবত, মুতুয়া মিউজিয়াম এর পরিচালকমুতুয়া বাহাদুর।

মণিপুরি মহারাসলীলা সেবা সংঘের সাধারণ সম্পাদক শ্যাম সিংহ জানান, মাধবপুর জোড়ামন্ডপ রাসোৎসব সিলেট বিভাগের মধ্যে ব্যতিক্রমী আয়োজন। এখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার আগমন ঘটে। বর্ণময় শিল্পসমৃদ্ধ বিশ্বনন্দিত মণিপুরি সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী রাস উৎসবে সবার মহামিলন ঘটে। রাত ১২টার দিকে শিববাজারের জোড়ামন্ডপে (পরস্পর সংলগ্ন তিনটি মন্ডপে) এবং অন্যদিকে তেতইগাঁওয়ে সানা ঠাকুরের মন্ডপে (বর্তমানে সেখানেও দুটি ভিন্ন মঞ্চে রাস হচ্ছে) শুরু হয় এই উৎসবের মূল পর্ব মহারাস। মণিপুরিদের রাসলীলার অনেক ধরন। নিত্যরাস, কুঞ্জরাস, বসন্তরাস, মহারাস, বেনিরাস বা দিবারাস। শারদীয় পূর্ণিমা তিথিতে হয় বলে মহারাসকে মণিপুরিরা পূর্ণিমারাসও বলা হয়ে থাকে।

অভিনেতা পরমব্রতর বিয়ের ছবি প্রকাশ্যে

বিনোদন ডেস্ক

টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় সব জল্পনা-কল্পনার অবসান শেষে বিয়ে করেছেন। গতকাল সোমবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে গায়িকা ও সমাজকর্মী পিয়া চক্রবর্তীর সঙ্গে আইনি বিয়ে সারেন এ অভিনেতা।

পরমব্রত-পিয়া দুজনেই সেজেছিলেন বাঙালি পোশাকে। বিয়ের খাবারের মেনুতেও ছিল বাঙালিয়ানা। এদিন সন্ধ্যায় বিয়ের ছবি পোস্ট করলেন পরমব্রত। পরমব্রতর স্ত্রী পিয়া সংগীতশিল্পী অনুপম রায়ের সাবেক স্ত্রী।

গতকাল সোমবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে বিয়ের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন পরমব্রত ও পিয়া। পরিবারের উপস্থিতিতে যোধপুর পার্কে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতেই বিয়ে করেন ‘পরমব্রত-পিয়া’।

তারা দুজনেই সেজেছিলেন বাঙালি পোশাকে। পরমব্রত পরেছিলেন হালকা চকলেট রঙের পাঞ্জাবি সঙ্গে পেস্তা রঙের জহর কোট। পিয়া পরেছিলেন লাল-সাদার মিশেলে তাঁতের শাড়ি, সঙ্গে জামদানি ডিজাইনের ব্লাউজ, পোশাকের সঙ্গে মানানসই সোনার গয়না।

জানা গেছে, সব মিলিয়ে ২৫ থেকে ৩০জনের উপস্থিতিতেই বিয়ের সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে। পরিবার ছাড়াও বিয়েতে হাজির হয়েছেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের বন্ধু ও ব্যবসার অংশীদার পরিচালক-প্রযোজক অরিত্র সেন। বিয়ের খাবারের মেনুতে ছিল বাঙালি পদ- ভাত, ডাল, মাছের কালিয়া, মাংস, চাটনি ও মিষ্টি।

বিয়ে প্রসঙ্গে অভিনেতা পরমব্রত বলেন, ‘বুড়ো বয়সে বিয়ে করলে যেমন লাগে তেমনই লাগছে। বিয়েটা প্রথম থেকেই খুব প্রাইভেট রাখতে চেয়েছি। একেবারে ঘরোয়াভাবে অনুষ্ঠান হয়েছে, এখন এর বন্ধুর বাড়িতে ইনভাইট করেছে, সেখানে যাচ্ছি’। বিয়ের সংবাদ প্রকাশিত হলে পরমব্রতর ভক্ত-অনুরাগীরা শুভেচ্ছা ও অভিন্দন জানাচ্ছেন।

নতুন পরিচয়ে হাজির হলেন কুসুম শিকদার

বিনোদন  প্রতিবেদক

নতুন চলচ্চিত্র নিয়ে আবার আলোচনায় গায়িকা – মডেল – অভিনেত্রী কুসুম শিকদার। তার অভিনীত এই ছবিটির নাম ‘শরতের জবা’। এই ছবিতে তার বিপরীতে অভিনয় করছেন ইয়াশ রোহান। ভৌতিক ও অতিপ্রাকৃত ঘরানার এই ছবিটির প্রযোজক এবং সহপরিচলকও কুসুম নিজেই।

কুসুম শিকদার জানান, ‘অজাগতিক ছায়া’ গল্পগ্রন্থ থেকে নেয়া হয়েছে এই ছবিটির গল্প। এতে অভিনয়ের বাইরে এটির চিত্রনাট্য তৈরির, প্রযোজনা ও পরিচালনাও করেছেন। কুসুমের সঙ্গে যৌথভাবে ছবিটি পরিচালনা করছেন সুমন ধর। ছবিটির শুটিং হয়েছে নড়াইলের কালিয়া উপজেলা পহরডাঙ্গায়। সম্প্রতি নতুন এটির শুটিং শেষ হয়েছে।  ডাবিংয়ের কাজও শেষ। কুসুম জানান, এখন চলছে কালার গ্রেডিংয়ের কাজ। ছবিটি নিয়ে দারুণ আশাবাদী কুসুম।

জানা যায়, কুসুমের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান পহরডাঙ্গা পিকচার্সের প্রথম প্রযোজনায় নির্মিত এই ছবিতে কুসুম, ইয়াশের পাশাপাশি আরও অভিনয় করেছেন জিতু আহসান, শহিদুল আলম সাচ্চু, নরেশ ভূঁইয়া, মাহমুদুল ইসলাম মিঠু, অশোক ব্যাপারী, হাসনাত রিপন, জাহাঙ্গীরসহ অনেকে।

চলচ্চিত্র অভিনেত্রী হিসেবে আগে অভিনেত্রী কুসুম শিকদার ‘গহীনে শব্দ’, ‘লাল টিপ’, ‘শঙ্খচিল’ সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন।

সেলিব্রেটি শেফ শামীমের রান্নার সুখ্যাতি এবার ছড়িয়ে পড়লো ব্রিটেনজুড়ে!


স্টাফ রিপোর্টার:
সেলিব্রেটি শেফ এহসানুল ইসলাম চৌধুরী শামীমের রান্নার সুখ্যাতি এবার ছড়িয়ে পড়লো ব্রিটেনজুড়ে! তিনি যে রেস্টুরেন্টের হেড শেফ সেই আরামিনতাজ রেস্টুরেন্ট পুরো ইস্ট মিডল্যান্ডের মধ্যে সেরা এশিয়ান রেস্টুরেন্টের অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে। ব্রিটেনের কারি ইন্ডাস্ট্রির মর্যাদাশীল এশিয়ান কারি অ্যাওয়ার্ডের ২০২৩ আসরে এই সম্মানে ভূষিত হলো আরামিনতাজ।

গত ১৯ নভেম্বর, লন্ডনের পাঁচ তারকা হোটেল পার্ক লেন হলরুমে আলো ঝলমলে জমকালো স্টেইজে হাজারো দেশী বিদেশী অতিথির উপস্থিতিতে এই সম্মাননা তুলে দেয়া হয়।

এহসানুল ইসলাম চৌধুরী শামীম বর্তমানে আরামিন তাজের হেড শেফ হিসাবে কর্মরত আছেন। তবে তিনি গত দেড় দশক ধরে নর্দাম্পটন ও আশেপাশের বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট ও টেইকওয়েতে শেফ হিসাবে কর্মরত ছিলেন।

এহসানুল ইসলাম চৌধুরী শামীম সেরা এশিয়ান রেস্টুরেন্ট অফ দ্যা ইয়ার আারামিনতাজ বিজয়ী হওয়ার পর বলেন, এই পুরস্কার আলাদা গুরুত্ব বহন করে। শেফ হিসাবে এই প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি তার কাজের প্রতি দায?িত্ববোধ আরও বাড়িয়ে দিলো। তিনি আরো বলেন, তিনি চেষ্টা করেন যখন যে রেস্টুরেন্টে কাজ করেন সেই এলাকার মানুষের খাবারের চাহিদা সম্পর্কে জেনে নেয়ার।

আরামিনতাজের নিয়মিত কাস্টমার নর্দাম্পটন থেকে নির্বাচিত এমপি, মন্ত্রী, মেয়রসহ গন্যমান্য ব্যাক্তি।

উল্লেখ্য, বিবিসির জনপ্রিয় সংবাদ উপস্থাপক সামান্থা সিমন্ডস ও টমি সান্ডুর উপস্থানায় জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে ১৩তম এশিয়ান কারি অ্যাওয়ার্ডস ও গালা ডিনার গত ১৯ নভেম্বর লন্ডনের গ্রসভেনর হাউস, পার্ক লেনে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বেস্ট রেস্টুরেন্ট অফ দ্যা ইয়ার ওবেস্ট শেফ অফ দ্যা ইয়ার অ্যাওয়ার্ডস বিজয়ীদের মধ্যে দেওয়া হয়।

১৯৯৯ সাল থেকে ২০২৩ সাল প্রায় দুই যুগের বেশী সময় থেকে সফল ভাবে রেস্টুরেন্ট ব্যবসা চালিয়ে আসছে আরামিনতাজ। এখন নর্থাম্পটন শায়ারের মধ্যে টপ আরামিনতাজ। এই রেস্টুরেন্টের হেড শেফ হিসাবে সুনামের সাথে কাজ করছেন সেলিব্রেটি শেফ এহসানুল ইসলাম চৌধুরী শামীম।

ব্রিটেনের নর্থাম্পটনের ওয়েলিংবরা রোডের ভুজন বিলাসিদের প্রিয় রেস্টুরেন্ট আরামিনতাজ এশিয়ান কারি অ্যাওয়ার্ড ২০২৩ বেস্ট রেস্টুরেন্ট অফ দ্যা ইয়ার জিতেছে, আমাদের শিল্পে অত্যন্ত স্বীকৃত একটি মর্যাদাপূর্ণ জাতীয় পুরস্কার – যাকে ‘কারি অস্কার’ ডাব করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।
এই মর্যাদাপূর্ণ পুরষ্কার জেতা একটি বিশাল সম্মান এবং প্রায় ২৪ বছরের সকলের কঠোর পরিশ্রম এবং প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।

আরামিনতাজ রেস্টুরেন্টের হেড শেফ ও এহসানুল ইসলাম চৌধুরী শামীম বলেন, এশিয়ান কারি অ্যাওয়ার্ড জেতা সত্যিই সম্মানের। নর্থাম্টনের সম্প্রদায়ের চেতনা কারোর পিছনে নেই, আমাদের আরামিনতাজ স্থানান্তরের পর থেকে অল্প সময়ের মধ্যে আমরা অবিশ্বাস্য সমর্থন পেয়েছি। এই পুরষ্কারটি আমাদের সমস্ত অনুগত গ্রাহকদের জন্য যারা গত ২৪ বছরে আমাদের সমর্থন করেছেন!

এই কারি শিল্পের অস্কার তাই এইভাবে স্বীকৃত হওয়া একটি বিশাল সম্মান। আমরা আমাদের শিল্পে তীব্র প্রতিযোগিতার মাত্রা দেখেছি এবং শীর্ষে আসা একটি বিশেষ সুযোগ। আমরা পরের বছর আমাদের ২৫ বছর পূর্তি উদযাপনের জন্য উন্মুখ – আমরা এই উদযাপনটি শুরু করার আরও ভাল উপায় জিজ্ঞাসা করতে পারি না। সেরাটি এখনও আসেনি, আমাদের আরও ধারণা রয়েছে এবং আমরা ভবিষ্যতে এটি প্রদর্শন করার জন্য অপেক্ষা করতে পারি না। এশিয়ান কারি অ্যাওয়ার্ডে এই প্রথম নর্থাম্টন কোন বিভাগে বিজয়ী হয়েছে।

সামান্থা সিমন্স কর্তৃক পুরষ্কারটি হোস্ট করেন রাজনীতিবিদদের দ্বারা উপস্থাপিত-লন্ডনের মেয়র সাদিক খান, এমপি পল স্কুলি ‘কারি মিনিস্টার’ হিসাবে পরিচিত। এর আগে আরামিনতাজের হেড শেফ এহসানুল ইসলাম চৌধুরী শামীম বিসিএ আয়োজিত ২০২২ সালে সেরা শেফের পুরস্কার পান। এছাড়াও আরো একাদিক পুরস্কার পায় আরামিনতাজ। এ রেস্টুরেন্টের মালিক সিরাজ ইসলাম রুফা মিয়া বলেন, এ অ্যাওয়ার্ড পাওয়ায় আমরা খুব খুশী ও আনন্দদিত।

ছাতকে অ্যাডভোকেট সুফি আলম সোহেল গ্রেপ্তার

ছাতক প্রতিনিধি

ছাতকে একটি নাশকতা মামলায় ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সুফি আলম সোহেল ( ৪৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২৭ নভেম্বর) বিকেলে শহরের গণেশপুর খেয়াঘাট থেকে তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ সুত্রে জানাগেছে, ছাতক থানা পুলিশের দায়েরী একটি নাশকতা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে । ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শাহ আলম তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।