Home Blog Page 248

সিলেটে চলছে মনোনয়নপত্র বাছাই

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে সিলেটের ৬টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেন ৪৭ জন। এসব প্রার্থীদের দাখিল করা মনোনয়নপত্র বাছাই শুরু হয়েছে। রবিবার (৩ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া বাছাই কার্যক্রম চলবে বিকাল চারটা পর্যন্ত।

দুপুর বারোটায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত, একাধিক সাবেক ও বর্তমান সাংসদের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছেন নির্বাচন কমিশন।

যাচাই বাছাই শেষে ৪ ডিসেম্বর বিকাল চারটার পর সিলেট জেলার বিভিন্ন আসনের প্রার্থীদের বিষয়ে জানাবে নির্বাচন কমিশন।

এরপর রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল ও নিষ্পত্তি কার্যক্রম চলবে ৫ থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সুযোগ থাকছে ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ১৮ ডিসেম্বর প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে। এদিন থেকেই প্রচারণা শুরুর সুযোগ পাবেন প্রার্থীরা। যা চলবে ২০২৪ সালের ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। আর ৭ জানুয়ারি ভোটগ্রহণ করা হবে।

সিলেট জেলার ৬ আসনে মনোনয়ন দাখিল করা দলগুলো হচ্ছে, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, তৃণমূল বিএনপি, ইসলামী ঐক্যজোট, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি, বাংলাদেশ কংগ্রেস, জাকের পার্টি, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক জোট, গণফোরাম, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ও বাংলাদেশ মুসলিম লীগ।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, সিলেটের ৬টি আসন থেকে মনোনয়নপত্র দাখিল করা প্রার্থীদের মধ্যে আওয়ামী লীগের ৬ জন, জাতীয় পার্টির ৫ জন, তৃণমূল বিএনপি ৬ জন, ইসলামী ঐক্যজোটের ৪ জন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ৩ জন, বাংলাদেশ কংগ্রেসের ৩ জন, জাকের পার্টির ৩ জন, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক জোটের ২ জন, গণফোরামের ১ জন, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের ১ জন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের ১ জন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের ১ জন এবং স্বতন্ত্র ১১ জন।

সম্পদ বেড়েছে বর্তমান দুই মন্ত্রী মোমেন-ইমরানের, কমেছে সাবেক মন্ত্রী নাহিদের

আধুনিক ডেস্ক

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে হলফনামা জমা দিয়েছেন প্রার্থীরা। সিলেটের ছয়টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান দুই মন্ত্রী ও সাবেক এক মন্ত্রীও হলফনামায় সম্পদের বিবরণ দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনে।

হলফনামায় উঠে আসা তথ্যানুযায়ী , একাদশ জাতীয় সংসদের তুলনায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া তিন প্রার্থীর সম্পদ বিবরণীতে এসেছে বড়সড় পরিবর্তন। বর্তমান দুই মন্ত্রীর সম্পদ বাড়লেও কমেছে সাবেক মন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের।

সিলেট-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের বাৎসরিক আয় কমেছে ৯ লাখ ৭০ হাজার ১৯৫ টাকা। তবে অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে ৩ কোটি ৯৩ লাখ ৫৪ হাজার ৫০৬ টাকার। তার স্থাবর সম্পদও বেড়েছে ৫৭ লাখ ৫১ হাজার ৭১০ টাকার। আর স্ত্রীর নামে আগে ১৩ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ ছিল, এখনো ততটুকুই আছে।

পক্ষান্তরে সিলেট-৪ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য সরকারের প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমদের বাৎসরিক আয় বেড়েছে ১৪ লাখ ৮৮ হাজার ৮২৮ টাকা। সেই সঙ্গে অস্থাবর সম্পদ বেড়েছে ৪ কোটি ৫২ লাখ ৮৫ হাজার ৮৭১ টাকার। স্ত্রীর নামে অস্থাবর সম্পদ ৫ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ৭৩ টাকা দেখিয়েছেন হলফনামায়। একাদশ সংসদ নির্বাচনকালীন হলফনামায় স্ত্রীর নামে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ছিল ২ কোটি ৭৪ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৪ টাকা। সে হিসেবে মন্ত্রীর স্ত্রীর সম্পদ বেড়েছে ৩ কোটি ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৭০৯ টাকার।

সিলেট-১ আসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী ড. এ কে আব্দুল মোমেন হলফনামায় পেশা হিসেবে দেখিয়েছেন রাজনীতি ও অন্যান্য। আয়ের উৎস বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, দোকান বা অন্যান্য ভাড়া বাবদ ৩ লাখ ৯৮ হাজার ৪২৪ টাকা দেখিয়েছেন। পেশা থেকে বছরে আয় ১২ লাখ ৬০ হাজার টাকা, ব্যাংকের মুনাফা বাবদ ৯ লাখ ৬০ হাজার ৫৫২ টাকা আয়।

অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে- নগদ ৩৪ লাখ ২৩ হাজার ২৪১ টাকা, আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নিজ নামে জমা ৩ কোটি ৯৬ লাখ ১০ হাজার ৬৯৫ টাকা, শেয়ার ৮ লাখ টাকার, সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ ১০ লাখ টাকা, যানবাহন দেখিয়েছেন ২০ লাখ টাকার, স্বর্ণালংকার স্ত্রীর নামে ৫ লাখ টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ৫ লাখ, স্ত্রীর নামে আসবাবপত্র ৩ লাখ টাকার এবং নিজ নামে অন্যান্য আয় ৫ লাখ ৭৭ হাজার ৯১ টাকা দেখিয়েছেন।

স্থাবর সম্পদের মধ্যে অকৃষি জমি অর্জনকালীন মূল্য দেখিয়েছেন ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা, দালান-কোঠা অর্জনকালীন মূল্য ১৯ লাখ ৭৫ হাজার ৮৮৫ টাকা, বাড়ি/অ্যাপার্টমেন্টের অর্জনকালীন দাম ৪ কোটি ১৯ লাখ ৩১ হাজার ৮২৫ টাকা।

ব্যাংকে দায়দেনা ও মামলা নেই তার। আর গত ৫ বছরে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির মধ্যে দেখিয়েছেন ঢাকা-সিলেট ৬ লেন রাস্তার কাজ চলমান, সিলেট-কুমারগাঁও ও বাধাঘাট-এয়ারপোর্ট ৪ লেন রাস্তার কাজ চলমান, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের কাজ প্রায় শেষের পথে।

সিলেট-৪ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমদের যোগ্যতা বিএ অনার্স। পেশায় চা ব্যবসায়ী ও পরামর্শক তিনি। হলফনামায় বছরে আয় দেখিয়েছেন ৬ লাখ ৬৩ হাজার ৩৮০ টাকা। শেয়ার-সঞ্চয়পত্রে আমানত ৩ লাখ ৩১ হাজার ২০০ টাকা, চাকরি থেকে আয় ৩২ লাখ ৮৪ হাজার ১৯৬ টাকা, ব্যাংক সুদ থেকে প্রাপ্ত এক লাখ ৬১ হাজার ৪৭৫ টাকা।

অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নগদ আছে ৩১ লাখ ৫৫ হাজার ১৯ টাকা। আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমার পরিমাণ এক কোটি ৫৭ লাখ ৫৭ হাজার ৪০৭ টাকা, স্ত্রীর নামে আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ৩ কোটি ৫৭ লাখ ৮৩ হাজার ৯ টাকা, ২ লাখ ৬২ হাজার ও ৭ লাখ টাকা শেয়ারে বিনিয়োগ আছে। যানবাহন আছে ৪৭ লাখ ৭০ হাজার ৫৩৫ টাকা মূল্যের প্রাডো জিপ নিজ নামে, স্ত্রীর নামে আছে ২টি গাড়ি ১৬ লাখ ২২ হাজার ও ২৬ লাখ ১৫ হাজার টাকা মূল্যের। স্বর্ণালংকার আছে স্ত্রীর নামে ৫০ হাজার টাকার। ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও আসবাবপত্র নিজ নামে ৯০ হাজার টাকার এবং অন্যান্য ব্যবসায় বিনিয়োগ এক কোটি ২৯ লাখ ২৫৮ টাকা।

স্থাবর সম্পদ রয়েছে কৃষি জমি ৪ দশমিক ৪৭ একর পৈত্রিক সূত্রে এবং স্ত্রীর নামে ৭৫ লাখ ১৮ হাজার ৫৬০ টাকা মূল্যের ১০৫ শতক, অকৃষি জমি নিজ নামে ৪ দশমিক ৫ একর ক্রয়কালীন মূল্য ৫৫ হাজার টাকা, স্ত্রীর নামে ৫ কাটা জমি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার। ২৫ শতক জায়গাতে স্ত্রীর নামে ৬ তলা বাড়ি ১ কোটি ১ লাখ ৫৬ হাজার ৫০৪ টাকা মূল্যের, রয়েছে চা ও রাবার বাগান এবং মৎস্য খামার। তবে ব্যাংকে দেনা ও মামলা নেই তার।

সিলেট-৬ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের যোগ্যতা বিএ। পেশা দেখিয়েছেন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে সংসদ সদস্য, সভাপতি, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটি। তিনি বছরে আয় দেখিয়েছেন ৫০ লাখ ৩০ হাজার ১১৩ টাকা, যা গত নির্বাচনে দেখিয়েছিলেন ৩২ লাখ ১০ হাজার ৪১০ টাকা। অস্থাবর সম্পদ দেখিয়েছেন এক কোটি ৯ লাখ ৯৩ হাজার ১৩২ টাকার। একাদশ সংসদ নির্বাচনে অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ছিল ২ কোটি ১৬ লাখ ৩৩ হাজার ৩৯ টাকা। এবার স্থাবর সম্পদ দেখিয়েছেন ২২ লাখ ২৮ হাজার ৪৪০ টাকার। গত নির্বাচনে স্থাবর সম্পদ দেখান ৬৬ লাখ ৪৮ হাজার ৪৪০ টাকার।

ইসির সঙ্গে ইইউ ইলেকশন এক্সপার্ট টিমের বৈঠক শুরু

আধুনিক ডেস্ক

নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) চার সদস্যের নির্বাচনী এক্সপার্ট টিমের বৈঠক শুরু হয়েছে। রোববার (৩ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন তারা।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, বৈঠকে সংস্থাটির নির্বাচনি বিশেষজ্ঞ ডেভিড নোয়েল ওয়ার্ড, নির্বাচনি বিশ্লেষক আলেকজান্ডার ম্যাটাস, সুইবেস শার্লট এবং আইন বিশেষজ্ঞ রেবেকা কক্স উপস্থিত রয়েছেন। বৈঠকে কোনো নির্বাচন কমিশনার উপস্থিত নেই। ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথের নেতৃত্বে ইসির কর্মকর্তারা এই বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন।

এর আগে গত ২৯ নভেম্বর নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে যৌথসভা করে ইইউ। বৈঠকে ঢাকায় নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলিসহ সংস্থাটির ১০ জন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। ইসিকে তারা অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের তাগিদ দেয়।

এক শতাংশ ভোটারের ভুয়া স্বাক্ষর, মাহির মনোনয়ন বাতিল

আধুনিক ডেস্ক

চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির মনোনয়ন বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। রাজশাহী-১ আসন থেকে স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন তিনি। রোববার (৩ ডিসেম্বর) সকালে যাচাই-বাছাই শেষে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এক শতাংশ ভোটারের ভুয়া স্বাক্ষর পাওয়ার অভিযোগে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে রাজশাহী নির্বাচন কমিশন অফিস।

জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ বলেন, মাহিয়া মাহি যেসব ভোটারের নাম ও স্বাক্ষর জমা দিয়েছেন, সেগুলো যাচাই-বাছাই করে সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি। সাধারণত কোনো প্রার্থীর ১০ জনের ভোটারের তথ্য যাচাই করা হয়। এর মধ্যে তিনজনের তথ্য পাওয়া যায়নি। তাদের মধ্যে দুইজনের তথ্য সঠিক ছিল না। আরেকজন চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোটার।

বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন মাহিয়া মাহি নিজেই। তিনি বলেন, আমার মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। আমি বিষয়টি শুনেছি। আজ অথবা কাল আপিল করব।

সাবেক ইসি সচিব ড. সাদিকের আচরণবিধি লঙ্ঘন, ব্যাখ্যা তলব

আধুনিক ডেস্ক

আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ড. মোহাম্মদ সাদিকের ব্যাখ্যা তলব করেছে সুনামগঞ্জের নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটি। যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ কাঁকন দে স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে আজ শনিবার (২ ডিসেম্বর) সুনামগঞ্জ-৪ আসনের (নির্বাচনি এলাকা ২২৭) অনুসন্ধান কমিটি এই ব্যাখ্যা তলব করে।

চিঠিতে লেখা হয়, ‘ড. মোহাম্মদ সাদিক সংসদীয় আসন সুনামগঞ্জ-৪ হতে আওয়ামী লীগ মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী হিসেবে গত ২৯ নভেম্বর (বুধবার) দুপুরে সুনামগঞ্জ শহরের প্রধান প্রধান সড়কে মোটর সাইকেল শোভাযাত্রাসহ শোডাউন করে গাড়িবহর নিয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সমাবেশে মিলিত হন। এরূপ শোডাউন করে জনগণের চলাচলের পথে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করেন, যা সুনামগঞ্জের স্থানীয় দৈনিক সুনামগঞ্জের সময়সহ বিভিন্ন পত্রিকায়, ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

ড. সাদিকে উদ্দেশ করে চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘এর মাধ্যমে আপনি সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮-এর ৬ (ঘ), ৮(ক), ১০(ক) এবং ১২ বিধির বর্ণিত বিধান লঙ্ঘন করেছেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের নির্বাচন পূর্ব অনিয়ম সংঘটিত না হওয়ার বিষয়ে আপনার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আপনাকে অনুরোধ করা হলো এবং এরূপ প্রকাশিত সংবাদ বিষয়ে তদন্ত করে কেন নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন পাঠানো হবে না তা যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালত, জেলা ও দায়রা জজ আদালত, সুনামগঞ্জকে আগামী ৪ ডিসেম্বর (সোমবার) সকাল ১১টায় আপনি স্বয়ং অথবা আপনার প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চিঠি প্রাপ্তির কথা ড. সাদিক এনটিভি অনলাইনকে নিশ্চিত করেছেন। ড. সাদিক বলেছেন, তিনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেননি। যেহেতু চিঠি পেয়েছেন, তার উত্তর ইসিতে জানিয়ে পরে জানাবেন।

সিলেট-২ : এমপি মোকাব্বির, ইয়াহিয়া-মুহিবসহ ৮ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

আধুনিক ডেস্ক

সিলেট-২ আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি মোকাব্বির খান, সাবেক সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান ইয়াহিয়া চৌধুরী ও বিশ্বনাথ পৌরসভার মেয়র মুহিবুর রহমানসহ ৮ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

রোববার (৩ ডিসেম্বর) সকালে যাচাই-বাছাইকালে সিলেট জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসান তাদের মনোনয়ন বাতিল করেন।

আসনটি থেকে ১৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এর মধ্যে ৮ জনের বাতিল, ২ জনের স্থগিত ও ৪ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।

মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা হওয়া প্রার্থীরা হলেন-সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান চৌধুরী, তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ আবদুল মান্নান খান, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. জহির ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আলতাফুর রহমান সোহেল।
গণফোরামের প্রার্থী মোকাব্বির খান দলের নির্বাহী সভাপতি হিসেবে তার মনোনয়নপত্রে নিজে স্বাক্ষর করেন। কিন্তু তিনি যে দলের নির্বাহী সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন, তার কোনো প্রমাণ রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে উপস্থাপন করতে পারেননি। ফলে রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন।

গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ অনুযায়ী মেয়র পদে থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন করার বিধান না থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী বিশ্বনাথ পৌরসভার মেয়র মুহিবুর রহমানের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। এ ছাড়া জাতীয় পার্টির প্রার্থী ইয়াহইয়া চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয় আয়কর সংক্রান্ত জটিলতায়।

কোম্পানীগঞ্জে ইমরান আহমদের নির্বাচনী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সিলেট-৪ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ এমপি’র সমর্থনে ৫নং উত্তর রণীখাই ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও সকল সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শনিবার (২ ডিসেম্বর) কোম্পানীগঞ্জের উত্তর রণীখাই ইউনিয়নের চরারবাজার ও ধুপরীপাড় বাজার পৃথক দুটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমদ বলেন, ধুপরীপার সিনিয়র হাই স্কুল হবে এবং প্রত্যেকটি রাস্তার তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, পর্যায়ক্রমে কাজ চলছে। পাথর কোয়ারি প্রসঙ্গে এক বক্তব্যের জবাবে মন্ত্রী ইমরান আহমদ বলেন, পাথর কোয়ারি অনুমতির মালিক কিন্তু আমি না, অনুমতির মালিক কিন্তু খনিজ মন্ত্রণালয়। আমি আমার অবস্থান থেকে চেষ্টা করে যাচ্ছি।

মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন উত্তর রণীখাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মাস্টার ফয়জুর রহমান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা পরিষদ লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী দুলাল, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট আজমল আলী, সদস্য জাহাঙ্গীর আলম, গোলাপ মিয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী আমজাদ, সিলেট জেলা পরিষদের সদস্য উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফতাব আলী কালা মিয়া, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী শামীম আহমদ,গোয়াইনঘাট ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ফজলুল হক, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়াম্যান ইয়াকুব আলী, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শাহাজাহান চৌধুরী।

উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সদস্য তামান্না আক্তার হেনা, উপজেলা নারী ভাইস চেয়ারম্যান আয়েশা বেগম, কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিল্লোল রায়, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হুমায়ুন কবির মছব্বির, ইসলামপুর পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী জিয়াদ আলী, সাবেক চেয়ারম্যান শাহ মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন, পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর আলম, উত্তর রণিখাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফয়জুর রহমান, দক্ষিণ রণিখাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন ইমাদ, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক হাজী আলাউদ্দিন, সাবেক আহবায়ক ইকবাল হোসেন, যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক রাসেল আহমদ, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারকুজ্জামান রানা, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি উমর আলী ও সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম স্বাধীন, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল আলিম, যুবলীগ নেতা আব্দুল কুদ্দুস, আলীম উদ্দিন প্রমুখ।

এলাকার উন্নয়নে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চাইলেন শফিক চৌধুরী

ওসমানীনগর প্রতিনিধি

এলাকার উন্নয়নে সিলেটের ওসমানীনগরের সাংবাদিকদের সহযোগিতা চেয়েছেন সিলেট-২ আসনে নৌকার প্রার্থী সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান চৌধুরী ।

শনিবার সন্ধায় ওসমানীনগর উপজেলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এই সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেন, গত দশ বছরে সারা দেশে ব্যাপক উন্নয়ন হলেও সিলেট-২ আসন ছিল কাঙ্খিত উন্নয়ন বঞ্চিত। কারণ পরপর দুটি নির্বাচনে এই আসনে নৌকার কোন প্রার্থী দেয়া হয়নি। অন্য দলের সংসদ সদস্য থাকায় কোন উন্নয়ন হয়নি। এবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে আমাকে নৌকার মনোনয়ন দিয়েছেন। আগুন সন্ত্রাস ও দুস্কৃতিকারীদের প্রতিহত করে এলাকার সার্বিক উন্নয়নের সার্থে নৌকাকে বিজয়ী করার অনুরোধ জানান তিনি।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ এপতার হোসের পিয়ার, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. শাকির আহমদ শাহিন, বালাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাকুর রহমান মফুর, ওসমানীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আতাউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান চৌধুরী নাজলু, জেলা পরিষদ সদস্য আবদুল হামিদ, ইউপি চেয়ারম্যান শাহেদ আহমদ মূছা, আওয়ামী লীগ নেতা আলাউর রহমান আলা, তফজ্জুল হোসেন, অরুনোদয় পাল ঝলক, শাহ নুরুর রহমান সানুর, ফেরদৌস খান, লুৎফুর রহমান, ডিকে জয়ন্ত, নাজমুল ইসলাম মুন্না, আফরুজুল হক, মুক্তার খান, বেলাল আহমদ, মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী মহিমা সুলতানা সুমি, মুক্তা পারভীন, চামেলি রানী দেব, যুবলীগ নেতা মনির মিয়া, দিলদার আলী, আরিজ আলী, আবদুল মন্নান, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা চঞ্চল পাল, সেলিম রেজা, দেবাংশু পাল, ফররুখ আহমদ, বদরুল ইসলাম, আবুল কাশেম, ছাত্রলীগ নেতা জাবেদ হোসেন আবীর, অর্জুন পাল প্রমূখ। মতবিনিময় সভায় ওসমানীনগর উপজেলা প্রেসক্লাব, অনলাইন প্রেসক্লাব, সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্যসহ উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্বনাথে সাংবাদিকদের সাথে ইয়াহইয়া চৌধুরীর মতবিনিময়

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিলেট-২ আসনে জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক এমপি ইয়াহইয়া চৌধুরী সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন। শনিবার পৌর শহরের একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় ইয়াহইয়া চৌধুরী বলেন, ২০১৪ সালে নির্বাচনে মহাজোট থেকে নির্বাচিত হওয়ার পর সিলেট-২ আসনে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। রাস্তাঘাট, স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ সকল পর্যায়ে উন্নয়ন করেছি। আমি উন্নয়নকে প্রাধান্য দিয়েছি। এরপর গত পাঁচ বছর এমপি না থাকলেও এই আসনের মানুষের জন্য কাজ করেছি। তাদের সুখে, দুখে পাশে দাড়িয়েছি। বিশেষ করে বিগত বন্যার সময় জাতীয় পার্টিকে সাথে নিয়ে বিশ্বনাথ-ওসমানী নগরে নিজের অর্থায়নে প্রতিটি বন্যার্তদের ঘরে ঘরে খাবার পৌছে দিয়েছি। আসন্ন দ্বাদশ নির্বাচনে আমি প্রার্থী হয়েছি, আশা রাখি এই আসনের জনসাধারণ আমার কাজের মূল্যায়ন করে আবারও নির্বাচিত করবে। তিনি আরও বলেন, অতীতে জোটে থেকে আমরা সংসদ নির্বাচন করেছি। এবারের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমরা ভোটে আছি জোটে নেই। তবে এখনও সময় আছে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ যে সিদ্ধান্ত নেবেন সেই সিদ্ধান্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। মতবিনিময় সভায় ইয়াহ্ইয়া চৌধুরী আগামী সংসদ নির্বাচনে সাংবাদিকদের সার্বিক সহযোগীতা চান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, জাপা নেতা ও প্রার্থীর ছোট ভাই সহল আল রাজী, উপজেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক জয়নাল আহমেদ মিয়া, যুগ্ম-আহবায়ক আবুল খায়ের, সদস্য সচিব একেএম দুলাল, যুব সংহতির আহবায়ক গোলাম জবদানি, সদস্য সচিব শোয়েব মিয়া, সেচ্চাসেবক পার্টির আহবায়ক এসএম শামিম, সদস্য সচিব মীর খোকন, পৌর জাতীয় পার্টির আহবায়ক নাজিম চৌধুরী, যুগ্ম আহবায়ক দিলবর আলী ও সদস্য সচিব ইছবর আলীসহ জাতীয় পার্টি অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

আচরণবিধি লঙ্ঘনের ব্যাখ্যা চেয়ে ইয়াহইয়া চৌধুরীকে জজ কোর্টে তলব

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের ব্যাখ্যা চেয়ে নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি সিলেট-২ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী ইয়াহইয়া চৌধুরীকে জজ কোর্টে তলব করেছে।

রোববার (৩ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় সিলেট ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইবুনাল জজ কোর্ট কার্যালয়ে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২ডিসেম্বর) নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি সিলেট-২ আসনের চেয়ারম্যান মোহাম্মাদ মোস্তাইন বিল্লাহ স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ নির্দেশ দেয়া হয়।

আদেশে মনোনয়নপত্র দাখিল করার পূর্বে মিছিল সহকারে প্রবেশ করেন যা “সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০০৮ এর বিধি ৮(খ) এর লঙ্ঘন এবং উক্ত বিধিমালা লঙ্ঘনের বিষয়টি ” বেসরকারি টিভি” এর সংবাদের মাধ্যমে নিম্ন স্বাক্ষরকারীর গোচরীভূত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ইয়াহইয়া চৌধুরীর বিরুদ্ধে কেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা জানাতে ল্যান্ড সার্ভে সিলেট জজ কোর্ট কার্যালয়ে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে তাকে ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।

এব্যাপারে সিলেট-২ আসনের জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী ইয়াহইয়া চৌধুরী বলেন, নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি মেনেই মনোনয়ন জমা দিয়েছিলাম আমরা মাত্র ৫জন নেতাকর্মীকে নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিয়েছি। তবে হ্যাঁ এটা সত্য কিছু নেতাকর্মী রিটার্নিং কর্মকর্তার বাইরে নামোল্লেখ করে উৎসাহী মিছিল দিয়েছিল। ইসি আমাকে চিঠি দিয়েছে আগামীকাল তা ব্যাখা করবো।