Home Blog Page 244

কানাইঘাটে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

কানাইঘাট প্রতিনিধি

সিলেটের কানাইঘাটে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ ইং পালন উপলক্ষে অবিহিতকরণ ও কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুর ১২ টায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সভাকক্ষে এ অবিহিতকরণ সভার আয়োজন করা হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুবল চন্দ্র বর্মণের সভাপতিত্বে ও হাসপাতালের পরিসংখ্যানবিদ সুবোধ চন্দ্র দাসের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তনয় কুমার বর্ধন ,উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা: রিয়াজ মাহমুদ তমাল,ডা. এরফানুল হক, ডা.
আসাদুল্লাহ আল গালিব,সহকারী উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কামাল উদ্দিন,ডা.তোফাজ্জল হোসাইন,কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রশিদ,উপজেলা সেনেটারী ইন্সপেক্টর আবুল কালাম আজাদ,ইপিআই টেকনিশিয়ান শরীফুল ইসলাম,এইচ আই মনিরুজ্জামান প্রমূখ।

অবিহিতকরণ ও কর্মপরিকল্পনা সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুবল চন্দ্র বর্মণ এ কার্যক্রমের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে বক্তব্য দেন। তিনি বলেন,’আগামী ১২ ডিসেম্বর কানাইঘাটে ৬ মাস হতে ৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে – ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ‘ তিনি জাতীয় ও গুরুত্বপূর্ণ এ কর্মসূচি শতভাগ সফল করতে সকল পেশাজীবি ও সচেতন নাগরিকের সহযোগিতার অনুরোধ জানিয়েছেন।

কানাইঘাট প্রেসক্লাবের জরুরী সভা অনুষ্ঠিত

কানাইঘাট প্রতিনিধি

ঐতিহ্যবাহী কানাইঘাট প্রেসক্লাবের এক বিশেষ জরুরী সভা বৃহস্পতিবার ( ৭ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় ক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। ক্লাব সভাপতি নিজাম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রশিদের সঞ্চালনায় জরুরী সভায় ক্লাব নেতৃবৃন্দ বলেন, কানাইঘাটের কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীরা সব-সময় সরকারের উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড তুলে ধরার পাশাপাশি মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী এলাকার সমস্যা-সম্ভাবনা সহ সব-ধরনের অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রিন্ট-ইলেক্ট্রনিক্স এবং অনলাইন গণমাধ্যমে সংবাদ তুলে ধরে আসছেন।

বিভিন্ন সময়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেক গণমাধ্যমকর্মী দুর্নীতিবাজ ও অপরাধীদের হামলা-মামলার রোশানলের স্বীকার হলেও সিলেটের সাংবাদিক সমাজ, কানাইঘাট প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধভাবে ষড়যন্ত্রকারীদের সব-সময় সমুচিত জবাব দিয়ে আসছেন। সংবাদ প্রকাশের জের ধরে ভবিষ্যতে কানাইঘাটের কোন গণমাধ্যমকর্মীকে অর্থ আত্মসাতকারী, দুর্নীতিবাজ বা অপরাধীরা মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর চেষ্টা করলে স্থানীয় সাংবাদিকরা তাদের ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবেলা করবেন বলে জরুরী সভায় ক্লাব নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বলেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন, ক্লাবের সহ-সভাপতি আব্দুন নুর, শাহিন আহমদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুমিন রশিদ, কোষাধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক সুজন চন্দ অনুপ, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা আসাদ আহমদ, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাহফুজ সিদ্দিকী, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক জয়নাল আজাদ, সহযোগী সদস্য মুফিজুর রহমান নাহিদ, সংবাদকর্মী মুফিজুর রহমান তালুকদার, ওহিদুল ইসলাম।

আজ বালাগঞ্জ মুক্ত দিবস

আবুল কাশেম অফিক, বালাগঞ্জ

আজ ৭ ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের আজকের এই দিনে পাক হানাদার মুক্ত হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক কর্ণেল এম এ জি ওসমানীর পৈত্রিক নিবাস অবিভক্ত বালাগঞ্জ থেকে। ওদিন বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল কামালের নেতৃত্বে মুক্তিবাহিনীর একটি দল বালাগঞ্জ থানা দখল করে স্বাধীন স্বদেশের পতাকা উত্তোলন করেন।

জানা যায়, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের ২ ডিসেম্বর সকাল ৬টায় ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাতাছড়া থেকে ৪০ জন মুক্তিযোদ্ধা বালাগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল কামালের নেতৃত্বে এই বাহিনীর অন্যান্য সহযোদ্ধা হিসেবে ছিলেন মুছব্বির বেগ, শফিকুর রহমান, মনির উদ্দিন, ধীরেন্দ্র কুমার দে, নীহারেন্দু ধর, আব্দুল খালিক, জবেদ আলী, সিকন্দর আলী, আমান উদ্দিন, লাল মিয়া, মনির উদ্দিন আহমদ, মজির উদ্দিন আহমদ, মো. সমুজ আলী, আব্দুল বারী সহ প্রমুখ।

এদের মধ্যে ২৬ জন পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী পথে মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলা সদরে থেকে যান। বাকী ১৪ জনের দলটি ৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যার পর অধিনায়ক আজিজুল কামালসহ ফেঞ্চুগঞ্জ থানার মাইজগাঁও এলাকার আব্দুল গণি মাস্টার ও বদরুল হক নিলুর বাড়ীতে উঠেন। সেখান থেকে একই রাত ১২ টার সময় রওয়ানা হয়ে রাত ২ টার সময় ইলাশপুর রেল সেতুর নিকট অবস্থান করেন। পরদিন ভোরে একদল পাক-সেনা সিলেট থেকে ফেঞ্চুগঞ্জের দিকে অগ্রসর হলে মুক্তিবাহিনীর সাথে মুখোমুখি হয়।

সেখানে প্রায় আধাঘন্টা যুদ্ধ চলে। পাকিস্তানি সৈন্যরা শেষ পর্যন্ত ২টি এসকেএস রাইফেল ও বেশ কিছু গোলাবারুদ ফেলে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। এরপর, মুক্তিযোদ্ধারা ইলাশপুর সেতু অতিক্রম করেন। এ সময় বড়লেখা থেকে ২৬ জনের দলটিও সেখানে এসে পৌঁছে যায়। এতে উভয় দলের মনোবল আরো বেড়ে যায়। মুক্তিযোদ্ধারা ইলাশপুর সেতুর অবস্থান থেকে ৬ ডিসেম্বর ভোর রাতে রওয়ানা হয়ে সন্ধ্যা ৭টার সময় প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে বর্তমান বালাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছে পৌঁছতে সক্ষম হন। এরপর, সেখানে অবস্থান করে শুরু হয় তথ্য সংগ্রহের পালা। সংবাদ পাওয়া যায়, বালাগঞ্জ থানায় পাক হানাদার বাহিনী নেই, তবে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আুল জব্বারের নেতৃত্বে একদল বাঙ্গালী পুলিশ রয়েছে। সেদিন রাজশাহীর বদিউজ্জামান, বিয়ানীবাজারের ডা. জাকারিয়া ও কাজীপুরের আব্দুছ সুলতান বার্তা বাহকের কাজ করেন। ইতোমধ্যে রাত নেমে আসে। রাতেই মুক্তিযোদ্ধারা থানা ভবনে অবস্থানকারী পুলিশ বাহিনীকে ঘেরাও করে ফেলেন।

৭ ডিসেম্বর সকালে বার্তা বাহক দুই জনকে দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট আত্মসমর্পণের নির্দেশ পাঠানো হয়। পুলিশ বাহিনী তখন দুই ঘণ্টা সময় নেয়। কিন্তু অধিনায়ক আজিজুল কামাল ঘোষণা করেন বড়জোড় ১০মিনিট সময় দেওয়া যেতে পারে। অতঃপর সিদ্ধান্ত হয় পাক হানাদারের ওই দোসররা সকাল ৯ টায় অস্ত্র সমর্পণ করবে। এই সিদ্ধান্ত মোতাবেক পুলিশ বাহিনী থানা ভবনের মালখানায় অস্ত্র জমা দেয় এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সকাল পৌনে ১০টায় মুক্তি বাহিনীর অধিনায়কের নিকট চাবি হস্তান্তর করে। এ সময় এলাকার মুক্তিকামী শতশত মানুষের হর্ষধ্বনীতে প্রকম্পিত হয়ে উঠে বালাগঞ্জ। পাকিস্থানি পতাকা নামিয়ে পুড়িয়ে ফেলে থানায় স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়। উপস্থিত শত শত জনতা মুক্তিবাহিনীকে বালাগঞ্জে স্বাগত জানায়।

সেদিন আত্মসমর্পণের পর অধিনায়ক আজিজুল কামাল হাতে স্টেনগান নিয়ে উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা শান্ত থাকুন, এখানকার সব কিছু আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, বালাগঞ্জের পুলিশ বাহিনী এবং রাজাকাররা আমাদের কাছে সালেন্ডার করেছে। আজ আমরা মুক্ত।

তারপর, সকাল ১০টার সময় থানা প্রাঙ্গণে কুয়াশাঘন সকালে মাঠের এক পার্শ্বে মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা সারিবদ্ধভাবে অবস্থান গ্রহণ করেন। সবার হাতে অস্ত্র। অধিনায়ক আজিজুল কামাল দলের মুক্তিবাহিনীর ৪০জন মুক্তিযোদ্ধাকে উপস্থিত জনতার সামনে পরিচয় করিয়ে দেন। এসময় উৎসুক জনতা বিজয়ী মুক্তিযোদ্ধাদের অভিবাদন জানান। আর মাঠে জড়ো হওয়া সবাই চূড়ান্ত বিজয়ী হয়ে সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ছড়িয়ে পড়েন বালাগঞ্জের গ্রাম থেকে গ্রামে।

সিলেট জেলা পরিষদ ইনোভেটর বই পড়া উৎসব প্রতিযোগীতার উদ্বোধন

ওসমানীনগর প্রতিনিধি:
শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাঠ্যভ্যাস গড়ে তুলতে সিলেট জেলা পরিষদ ইনোভেটর বই পড়া উৎসব উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ওসমানীনগর উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধ বিষয়ক বই বিতরণের মাধ্যমে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। সিলেট জেলা পরিষদের সদস্য আবদুল হামিদের সভাপতিত্বে এবং শিক্ষক ও সাংবাদিক মোঃ আনোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ও বই বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ওসমানীনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শামীম আহমদ ভিপি এবং প্রধান উলোচকের বক্তব্য রাখেন বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিলীমা রায়হানা। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আনা মিয়া, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আপ্তাব আহমদ, জেলা পরিষদের সংরক্ষিত সদস্য সুষমা সুলতানা রুহি, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সত্যব্রত রায়, শিক্ষক ও সাহিত্যিক শিকদার মুহাম্মদ কিবরিয়া। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযোদ্ধা পবিত্র মজুমদার, নজরুল আলম খান, আওয়ামী লীগ নেতা আলাউর রহমান, ভারপ্রাপ্ত কলেজ অধ্যক্ষ সাব্বির আহমদ, প্রধান শিক্ষক মোঃ শামছুল হক, বিজয় প্রসাদ দেব, কামাল মিয়া, মোজাম্মেল হক মৃধা, জেলা স্কাউট কমিটির কোষাধ্যক্ষ জাহেদুল আম্বিয়া কার্জন প্রমূখ। অনুষ্ঠানের শুরুতে উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১শ জন শিক্ষার্থী প্রতিযোগিতার রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করে। আগামী বছরের ১৬ ফেব্রæয়ারি গোয়ালাবাজার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করবে প্রতিযোগিরা। পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রতিযোগিদের মধ্য হতে বিজয়ীদের পুরষ্কৃত করা হবে।

জকিগঞ্জ থানা হাজত থেকে পালানো চোর রাসু আবারও গ্রেপ্তার

সিলেটের জকিগঞ্জ থানা হাজতের ভেন্টিলেটর ভেঙে পালিয়ে যাওয়া চুরির মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি রাসেল আহমদ রাসুকে (২৪) ফের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) বিকেলে পৌর এলাকার মাইজকান্দি গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে জকিগঞ্জ থানার একদল পুলিশ। সে পৌর এলাকার বিলেরবন্দ গ্রামের আলকাছ মিয়ার ছেলে।

এরআগে একটি চুরির মামলায় তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট থাকায় বুধবার সকাল সাতটার দিকে তাকে বিলেরবন্দ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে থানা হাজতে রেখেছিলো পুলিশ। ঐদিন সকাল ১০টার দিকে হাজতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তাৎক্ষণিক পুলিশ টের পায় হাজতের ভেন্টিলেটর ভেঙ্গে রাসেল আহমদ রাসু পালিয়েছে। এরপর তাকে আবারও গ্রেপ্তারে থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশ একাধিক স্থানে টানা অভিযান চালায়। অবশেষে পুলিশ বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে গ্রেপ্তারে সক্ষম হয় পুলিশ।

পুলিশ হেফাজত থেকে পলায়নের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে।

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাবেদ মাসুদ জানান, রাসেল আহমদ রাসুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ হেফাজত থেকে পলায়নের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অন্যদিকে, থানা হাজতের ভেন্টিলেটর ভেঙে আসামি পালানোর ঘটনা তদন্তে সিলেট জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) শেখ মো. সেলিমকে সভাপতি করে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন সিলেট জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ মামুন। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন জকিগঞ্জ সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াহিয়া আল মামুন ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (প্রশাসন) মো.জামশেদ আলম।

তদন্ত কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

সিলেটে ৪ লাখ ৩৪ হাজার শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ ক‍্যাপসুল

স্টাফ রিপোর্ট:

দেশব‍্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে আগামী মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) সিলেট অনুষ্ঠিত হবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। এদিন সিলেট জেলায় ৪ লাখ ৩৪ হাজার শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল। বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় সিলেট জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সিভিল সার্জন ডা. মনিসর চৌধুরী এ তথ্য দেন।

পরে মূল প্রেজেন্টেশনে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কর্মকর্তা ডা. স্নিগ্ধা জানান, ‘আগামী ১২ ডিসেম্বর দিনব্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সারাদেশে পালন করা হবে। সিলেট জেলায় মোট স্থায়ী কেন্দ্র ১৩টি এবং অস্থায়ী কেন্দ্র ২৪০০টি। এই কেন্দ্রগুলোতে ১২ ডিসেম্বর ৬-১১ মাস বয়সী ৪৭,৬৫৫ জন শিশুকে ১টি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী ৩,৮৬,৪৩১ জন শিশুকে ১টি লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।’

মতবিনিময় সভায় আরও জানানো হয়- শিশুর সুস্থভাবে বেঁচে থাকা,স্বাভাবিক বৃদ্ধি, দৃষ্টিশক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন ‘এ’ অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অনুপুষ্টি । ভিটামিন এ এর অভাবে রাতকানা থেকে শুরু করে জেরোপথ্যালমিয়া র মত রোগ হতে পারে যাতে চোখের দৃষ্টিশক্তি সম্পূর্ণ লোপ পেতে পারে। এছাড়া ভিটামিন এ এর অভাবে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, ডায়রিয়ার ব্যাপ্তিকাল বৃদ্ধি পায়, রক্তাল্পতা দেখা দেয় ও ত্বকের শুষ্কতা বৃদ্ধি পায়।

এতে বলা হয়- জনস্বাস্থ্য বিষয়ক সমস্যা তাই সম্পূরক খাদ্য হিসেবে বছরে দুইবার জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। কোভিড ১৯ প্রেক্ষাপটে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন এর গুরুত্ব আরো বৃদ্ধি পেয়েছে কারন ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খেলে কোভিড ১৯ এ আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। এ লক্ষ্যে ৬-১১ মাস বয়সী শিশু দের জন্য নীল ক্যাপসুল (১ লক্ষ ইউনিট ) ও ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য লাল ক্যাপসুল (২ লক্ষ ইউনিট) খাওয়ানো হবে ।

এছাড়া জন্মের পর পর ই নবজাতককে শাল দুধ খাওয়ানো, জন্মের পর প্রথম ৬ মাস শিশুকে শুধুমাত্র মায়ের দুধ খাওয়ানো, শিশুর ৬ মাস পূর্ণ হলে বুকের দুধের পাশাপাশি ঘরে তৈরি অন্যান্য সুষম খাবার খাওয়ানো, গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ভিটামিন এ সমৃদ্ধ সবুজ শাক সবজি ও হলুদ ফল মূল খাওয়ানো এবং রান্নায় ভিটামিন এ সমৃদ্ধ ভোজ্য তেল ব্যবহার করা এ সকল পুষ্টি বার্তা ও প্রদান করা হবে।

বৃষ্টিতে বন্ধ মিরপুর টেস্ট


স্পোর্টস ডেস্ক
বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ২য় টেস্টের ২য় দিনের লড়াই শুরু হওয়ার কথা ছিল সোয়া নয়টায়। কিন্তু এখন ক্রিকেটাররাও দৃশ্যমান শেরে বাংলায়।

রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত খেলা এখনো শুরু হয়নি। কারণে কাভারে ঢেকে রাখা পিচ, সেটি সড়ানোর লক্ষণও এখন অবধি নেই।
বৃষ্টি গা ভেজানো নয়, তবে গুড়ি গুড়ি আছে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের ঢাকা টেস্টের দ্বিতীয় দিন শুরু হতে যে বেশ দেরি হবে, সেটি বলেই দেওয়া যায়।

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম দিনের খেলাও বন্ধ হয়েছিল কিছুটা আগে। আলোক স্বল্পতার কারণে আগে শেষ হয়। পরদিন সকাল থেকে বৃষ্টিতে খেলাই শুরু হচ্ছে না।

প্রথম দিনের খেলায় মিরাজ ও তাইজুলের দাপটে প্রথম ইনিংসে নিউজিল্যান্ড করেছে ৫ উইকেট ৫৫ রান। এর আগে ১ম ইনিংসে বাংলাদেশ অলআউট হয় মাত্র ১৭২ রানে। তবে এই রানেই লিডের স্বপ্ন দেখছে স্বাগতিকরা।

সিলেট জেলা প্রেসক্লাব সদস্য নাজাতের মায়ের ইন্তেকাল

আধুনিক ডেস্ক:

সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সদস্য, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শীর্ষ নিউজ পোর্টাল ‘সিলেটভিউ২৪ডটকম’র নিজস্ব প্রতিবেদক নাজাত আহমদ পুরকায়স্থের মা নাজমুন্নাহার লাইলি আর নেই। বুধবার দিবাগত (৭ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১২টায় তিনি সুনামগঞ্জ সদরস্থ ষোলঘর গ্রামে নিজ বাড়ি সুরমা-১১৬ এ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

মৃত্যুকালে নাজমুন্নাহার লাইলির বয়স হয়েছিলো ৫৭ বছর। তিনি ৩ ছেলে ও ১ মেয়ে রেখে গেছেন।

মরহুমার জানাযার নামাজ আজ (বৃহস্পতিবার) বাদ জোহর ষোলোঘর পুরাতন জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হবে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে মরহুমার লাশ।

গোয়াইনঘাট থানার এসআই শাহাজান মিয়ার অবসর জনিত বিদায় সংবর্ধনা

সিলেটের গোয়াইনঘাট থানা পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর (উপ-পরিদর্শক) মো: শাহাজাহান (৫৯) দীর্ঘ ৪০ বছরের চাকুরি জীবন শেষ হবে আগামী ৯ ডিসেম্বর ২৩ইং। বুধবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ কে এম নজরুল ইসলাম এর উদ্যোগে এবং থানা পুলিশের তরফ থেকে অনাড়ম্বর আয়োজনের মধ্য দিয়ে থানা পুলিশের সদস্যরা তাদের সহকর্মী শাহাজাহান মিয়াকে বিদায় জানিয়েছেন।

জানা গেছে, এই প্রথম উত্তর সিলেটের বৃহৎ থানা এলাকা গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ কোনো পুলিশ সদস্যকে এভাবে বিদায় জানাল। বিদায়ী পুলিশ সদস্য মো: শাহাজাহান মিয়া কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দী থানার কাটারাপাড়া গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে সিলেট জেলা সদরস্থ লামাবাজারস্থ বাড়িতে মা, বাবা, স্ত্রী ও দুই ছেলে এবং এক মেয়ে নিয়ে বসবাস করছেন। তার এক ছেলে মো: সোহরাব হোসেন সৌরভ এমবিবিএস পরিক্ষায় পাশ করেছে। ছেলে সরকারি চাকুরির জন্য অপেক্ষাধীন রয়েছে। এছাড়াও তাহার একমাত্র মেয়ে নুসরাত জাহান সুমাইয়া ২০২২ সনের এসএসসি পরীক্ষায় সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ২য় স্থান অর্জন করেছে। তিনি চাকুরী জীবনে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন থানায় কর্মজীবন অতিক্রম করেছেন।

অফিসার ইনচার্জ কে এম নজরুল জানান, মো: শাহাজাহান মিয়া দীর্ঘ ৪০ বছর সততার সঙ্গে বিভিন্ন থানায় চাকরি করেছেন। একজন ভালো ও নামাজি মানুষ ছিলেন। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে অন্য পুলিশ সদস্যের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখেছিলেন। চাকরি জীবনে বিদায় বেলায় তাকে সরকারি গাড়িটি ফুল দিয়ে সাজিয়ে তার বাড়িতে পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

বিদায়ী অশ্রুসিক্ত মো: শাহাজাহান জানান, চাকরি জীবনে আমি কখনও দায়িত্বে অবহেলা করিনি। সহকর্মীদের সঙ্গে ভালো সময় কেটেছে। কয়েক বছর দেখে আসছি বড় বড় পুলিশ কর্মকর্তাদের ঢাকঢোল পিটিয়ে বিদায় দেয়া হয়; কিন্তু একজন সাধারণ পুলিশ সদস্যকে এভাবে বিদায় জানাবে কল্পনাও করিনি। আমি ধন্য, আমি কৃতজ্ঞ।
বিদায়ের সময় টুপি, পাঞ্জাবি-পায়জামাসহ নানা উপহার, সংবর্ধনা এবং ওসি ও সহযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা পেয়ে আমি খুবই আনন্দিত। আমার এ বিদায় আগামীতে অন্য পুলিশ সদস্যদের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

সিলেটে বাসে আগুন

স্টাফ রিপোর্টার:
বিএনপি-জামাতের দশ ধাপের অবরোধের প্রথম দিনে সিলেটে কদমতলী বাস টার্মিনালে বাসে আগুন দিলো দুর্বৃত্তরা।
এ ঘটনায় হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
 বুধবার (৬ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে নগরীর দক্ষিণ সুরমার বাস টার্মিনাল সংলগ্ন যমুনা সুপার মার্কেটের সামনে এ ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশ ও স্হানীয়রা জানান, রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্থানীয়ভাবে চলাফেরা করে এমন একটি ছোটো বাস কদমতলী বাস টার্মিনাল সংলগ্ন যমুনা মার্কেটের সামনে দাঁড়ায়। বাসটির চালক ও হেল্পার পাশে চা নাস্তা করতে গিয়েছিলেন। হঠাৎ কে বা কারা বাসটিতে আগুন লাগিয়ে দিয়ে দ্রুত সটকে পড়ে।
 স্হানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে তারা এসে কিছু সময়ের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণ করে।
আগুন লেগে কেউ আহত হননি বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি মো. শামসুদ্দোহা।
 দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি শামসুদ্দোহা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় কেউ আহত হন নি। যারা বাসে আগুন লাগিয়েছে তাদের ধরতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।