Home Blog Page 242

৪১তম বিসিএস: নন-ক্যাডারে নিয়োগ পাচ্ছেন ৩ হাজার ১৬৪ জন

৪১তম বিসিএসের নন–ক্যাডার থেকে বিভিন্ন গ্রেডে মোট তিন হাজার ১৬৪ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। বৃহস্পতিবার পিএসসির ওয়েবসাইটে সুপারিশপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন সরকারি স্কুলে সহকারী/শিক্ষিকা পদে মোট এক হাজার ১১৬ জনকে সুপারিশ করা হয়েছে। এ ছাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে ২৭৬ জনকে সুপারিশ করা হয়েছে।

পিএসসি জানায়, ৪১তম বিসিএসে নন-ক্যাডারে মোট চার হাজার ৫৩ পদের জন্য পিএসসি অপেক্ষমাণদের কাছে আবেদন আহ্বান করেছিল। গত ২৩ নভেম্বর আবেদন শুরু হয় এবং শেষ হয় ২৮ নভেম্বর। এ সময়ের মধ্যে আবেদন করেন আট হাজারের বেশি চাকরিপ্রার্থী।

এর আগে ৬ আগস্ট ৪১তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করে পিএসসি। এতে দুই হাজার ৫২০ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে নন-ক্যাডারে নয় হাজার ৮২১ প্রার্থীর রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রকাশ করা হয়। তারা নন-ক্যাডারের চাকরির জন্য আবেদন করেন।

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ৯ ফেব্রুয়ারি

আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস (মেডিকেল) ভর্তি পরীক্ষা। বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর মহাখালীতে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরে ভর্তি কমিটির সভায় এমন সিদ্ধান্ত হয়।

সভায় অংশ নেওয়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ভর্তি কমিটির সভায় স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলসহ (বিএমডিসি) ভর্তি পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট সব অংশীজন অংশ নেয়।

গত ২৬ নভেম্বর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সাধারণত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের এক-দেড় মাসের মাথায় এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দ্রুততম সময়ে নীতিমালা সম্বলিত ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে।

শমসেরনগরে প্রশিক্ষণ নিয়ে ৩৯৮ জন যুক্ত হলেন বিমান বাহিনীতে

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগরে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ৫১তম নব বিমানসেনা দলের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ৩৯৮ জন রিক্রুট যুক্ত হলেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে।

মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) রিক্রুটস ট্রেনিং স্কুলে (আরটিএস) এই কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজ পরিদর্শন এবং আকর্ষণীয় ও চৌকস মার্চপাস্ট-এর অভিবাদন গ্রহণ করেন। এরপর তিনি কৃতি রিক্রুটদের মধ্যে ট্রফি বিতরণ করেন।

এ কুচকাওয়াজের মধ্য দিয়ে মোট ২৫২ দিনের কঠোর প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করে দেশ সেবার ব্রত নিয়ে ৩৫৯ জন পুরুষ এবং ৩৯ জন মহিলাসহ ৩৯৮ জন রিক্রুট বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হলো। এসি-২ মিশু চন্দ্র রায় এবং এসি-২ ফয়সাল মোল্যা যথাক্রমে শিক্ষা ও জেনারেল সার্ভিস ট্রেনিং-এ সেরা রিক্রুট বিবেচিত হন। এসি-২ রায়হান শরীফ সার্বিক বিষয়ে কৃতিত্বের জন্য ‘শ্রেষ্ঠ রিক্রুট’ বিবেচিত হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।

বিমান বাহিনী প্রধান তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক নির্দেশনায় বিমান বাহিনীর উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে ইতোমধ্যেই বিমান বাহিনীতে সংযোজিত হয়েছে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান। এছাড়াও পরিবহন বিমান, বিভিন্ন ধরনের হেলিকপ্টার, উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এয়ার ডিফেন্স রাডার, ক্ষেপণাস্ত্র ও গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সরঞ্জাম। এই বাহিনীর সদস্যরা তাদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় নিজেরাই বিমান তৈরির মতো একটি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং কাজ সম্পন্ন করেছে, যা শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে।

তিনি আরও বলেন, আজ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর অপারেশনাল কার্যক্রম দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়েছে। জাতিসংঘ মিশন ছাড়াও দেশ-বিদেশে দুর্যোগকালে সরকারের মানবিক সহায়তা জনগণের কাছে দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। বিমান বাহিনী প্রধান রিক্রুটদের সততা, একাগ্রতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যোগ্য বিমানসেনা হিসেবে নিজেদেরকে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, তারা অকৃত্রিম দেশপ্রেমের প্রেরণায় উজ্জীবিত হয়ে বাংলার আকাশ মুক্ত রাখার দৃঢ় অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সক্রিয় অবদান রাখবে।

এরআগে, বিমান বাহিনী প্রধান প্যারেড গ্রাউন্ডে এসে পৌঁছলে বিমান বাহিনীর ঘাঁটি জহুরুল হকের এয়ার অধিনায়ক এয়ার ভাইস মার্শাল মো. বদরুল আমিন এবং রিক্রুটস্ ট্রেনিং স্কুলের অধিনায়ক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মো. আহসানুর রহমান তাকে স্বাগত জানান।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং স্থানীয় সামরিক ও বেসামরিক গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সিলেটে তিন মন্ত্রী নির্ভার, ‘ডামি’র মুখোমুখি দুই

মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের মাধ্যমে সারাদেশের ন্যায় সিলেটেও জমে ওঠছে নির্বাচনী মাঠ। বিভাগের ১৯টি আসনের বেশিরভাগেই আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর মুল প্রতিদ্বন্দ্বি হয়ে দাঁড়িয়েছেন দলের ‘ডামি’ প্রার্থীরা। স্বতন্ত্র হিসেবে অংশ নেওয়া নেতারাই এখন ‘পথের কাটা’ হয়ে দাঁড়িয়েছেন নৌকার কান্ডারিদের।

বিভাগের ৪ মন্ত্রী ও ১ প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে তিনজনের আসনে দলীয় কোন নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী না হওয়ায় মুটোমুটি নির্ভার রয়েছেন তারা। আর দু’জন মুখোমুখি হতে হচ্ছে দলের ‘ডামি’ প্রার্থীর। এছাড়া ‘ডামি’ প্রার্থীর জন্য সাবেক এক মন্ত্রীকেও কঠিন অবস্থায় পড়তে হচ্ছে।

সিলেট-৪ আসনে প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমদ এবারও নৌকার টিকেট পেয়েছেন। তার আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন আরও ৭ নেতা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মনোনয়নবঞ্চিত সবাইকে ‘ম্যানেজ’ করে একক প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন ইমরান আহমদ। আসনটিতে ইমরান আহমদ ছাড়াও মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে ইসলামী ঐক্যজোটের মো. নাজিম উদ্দিন কামরান ও জাকের পার্টির মো. আলী আকবর। এই আসনে জনপ্রিয় কোন প্রার্থী না থাকায় ইমরান আহমদের বিজয় এখন সময়ের ব্যাপার বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা।

মৌলভীবাজার-১ আসন থেকে এবারও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন বন পরিবেশ ও জলবায়ূ পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন। ওই আসন থেকেও আওয়ামী লীগের কোন নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হননি। আসনটিতে যেসব প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন- জাতীয় পার্টির আহমদ রিয়াজ, তৃণমূল বিএনপির মো. আনোয়ার হোসেন, আঞ্জুমানে আল ইসলাহ’র মো. ময়নুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র ফারুক আহমদ। প্রতিদ্বন্দ্বি শক্তিশালী প্রার্থী না থাকায় শাহাব উদ্দিনও আছেন অনেকটা নির্ভার।

সুনামগঞ্জ-৩ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানও রয়েছেন নির্ভার। মনোনয়ন না পেলে আসনটি থেকে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা ছিল সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুস সামাদ আজাদের ছেলে, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা আজিজুস সামাদ ডনের। কিন্তু মনোনয়নবঞ্চিত হলেও তিনি দলের সিদ্ধান্তের প্রতি আনুগত্য জানিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হননি। ফলে ‘ডামি’ যন্ত্রণায় পড়তে হয়নি পরিকল্পনামন্ত্রীকে। ওই আসন থেকে তাঁর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন তৃণমূল বিএনপির মাওলানা শাহীনুর পাশা, জাকের পার্টি নজরুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির তৌফিক এলাহী ও তালুকদার মো. মকবুল হোসেন।

মন্ত্রীদের মধ্যে দলের ‘ডামি’ প্রার্থীর মুখোমুখি হতে হচ্ছে সিলেট-১ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনকে। তার সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবর্তীণ হয়েছেন আওয়ামী লীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ। দলের ‘ডামি’ প্রার্থী থাকলেও ভোটের মাঠে বেশ ভাল অবস্থান রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন।

সিলেট-৬ আসনে দলের ‘ডামি’ প্রার্থী নিয়ে বেশ বেকায়দায় রয়েছেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। তাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে প্রার্থী হয়েছেন কানাডা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সরওয়ার হোসেন। টানা ৩ বারের সংসদ সদস্য ও দুইবারের মন্ত্রী হয়েও এলাকায় কাঙ্খিত উন্নয়ন করতে না পারায় জনঅসন্তোষের সুযোগ কাজে লাগানোর চেষ্টা করছেন সরওয়ার।

এছাড়া আসনটি থেকে প্রার্থী হয়েছেন তৃণমূল বিএনপির চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরী। ভোটের মাঠে এখনো শমসের মবিন খুব বেশি ভাল অবস্থানে না থাকলেও শেষ পর্যন্ত চমক দেখাতে পারেন -এমন আলোচনাও রয়েছে সিলেটজুড়ে।

সিলেট বিভাগের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে সবচেয়ে বেকায়দায় রয়েছেন হবিগঞ্জ-৪ আসনে বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট মাহবুব আলী। আওয়ামী লীগের মনোনয়নবঞ্চিত যুবলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক (ব্যারিস্টার সুমন) স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে মাহবুব আলীর সকল হিসেব-নিকেশ পাল্টে দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয় ব্যারিস্টার সুমন যেখানেই যাচ্ছেন সেখানে হাজারো জনতার সম্মিলন ঘটছে। আসনটিতে প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী ও ব্যারিস্টার সুমনের মধ্যে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার আগাম আভাস মিলছে।

এছাড়া আসনটি থেকে প্রার্থী হয়েছেন বাংলাদেশ কংগ্রেসের আল আমিন, ইসলামী ঐক্যজোট বাংলাদেশের আবু সালেহ, জাতীয় পার্টির আহাদ উদ্দিন চৌধুরী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের মো. মুখলেছুর রহমান, জাকের পার্টির সৈয়দ আবুল খায়ের, ইসলামী ঐক্যফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. আবদুল মুমিন ও বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের রাশিদুল ইসলাম খোকন।

কেয়া-মুশফিক সমানে সমান

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-১ আসনে হেভিওয়েট দুই প্রার্থীর একজন ডা. মুশফিক হুসেন চৌধুরী। তিনি সংসদ সদস্য হওয়ার জন্য পূর্ণ মেয়াদের চার বছর আগেই ছেড়ে দিয়েছেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের পদ।

আরেকজন ২৮ নম্বর সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী, এ প্রার্থী আলোচনায় এসেছেন দীর্ঘদিন নির্বাচনী এলাকা ঘুরে।

এদিকে নবীগঞ্জ-বাহুবল উপজেলা নিয়ে গঠিত আসনটিতে সংসদ সদস্য পদে আটজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মূল আলোচনায় মুশফিক এবং কেয়া। তারা অর্থবিত্তে প্রায় সমানে সমান।

ডা. মুশফিক হুসেন চৌধুরীর বাৎসরিক আয় ২৯ লাখ ৩ হাজার ৮৯ টাকা এবং সব মিলিয়ে তিনি ৪ কোটি ১ লাখ ৮৪ হাজার ১১০ টাকার সম্পদের মালিক।

অপর প্রতিদ্বন্দ্বী আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরীরবাৎসরিক কোনো আয় না থাকলেও তিনি এবং তার স্বামীর হাতে রয়েছে ৪ কোটি ৭৯ লাখ ৫৩ হাজার টাকার সম্পদ।

নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া দুই প্রার্থীর হলফনামা বিশ্লেষণে এ তথ্য জানা গেছে। সে অনুযায়ী ডা. মুশফিকের শিক্ষাগত যোগ্যতা এমবিবিএস এবং কেয়া চৌধুরী স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়েছেন সমাজবিজ্ঞানে।

মুশফিক হোসেন চৌধুরী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী, অন্যদিকে দলীয় টিকিট না পাওয়ায় কেয়া চৌধুরী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে নেমেছেন।

হলফনামা অনুযায়ী জেলা পরিষদের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যানের হাতে নগদ টাকার পরিমাণ ৫১ লাখ ৭৭ হাজার ৬৬৭ টাকা। আসবাবপত্র ৫০ হাজার, অন্যান্য আরও ৭৬ লাখ ৩৬ হাজার ৯৮০ টাকার সম্পদ রয়েছে। হবিগঞ্জ শহরে ডা. মুশফিকের একটি বাড়ির কেনা দাম ৩১ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং ঢাকায় আরেকটি বাড়ি করেছেন ২ কোটি ৫ লাখ ৬৮৬ টাকায়। হলফনামায় তিনি কোনো গাড়ির কথা উল্লেখ করেননি।

তার বাৎসরিক আয়ের মধ্যে রয়েছে, কৃষিখাতে ২৬ হাজার, বাড়ি/দোকান ভাড়া ১৯ লাখ ৪৪ হাজার ৮৯ টাকা, ব্যবসা থেকে ১ লাখ, চাকরি খাতে ৫ লাখ ২০ হাজার এবং অন্যান্য আরও ৩ লাখ ১৩ হাজার টাকা। তবে কোনো দেনার কথা উল্লেখ করেননি তিনি।

আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরীর কোনো বাৎসরিক আয় নেই বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন এবং সম্পদের বর্ণনা দিয়েছেন স্বামীরসহ।

সাবেক নারী এ সংসদ সদস্যের হাতে নগদ টাকার পরিমাণ ৬০ লাখ ২২ হাজার ১৯৮, ৪০ ভরি স্বর্ণ এবং অন্যান্য আরও ২ লাখ ১৪ হাজার টাকা রয়েছে।

কেয়া চৌধুরীর ব্যাংকে জমা ১২ লাখ ৩৮ হাজার ১৫৯ টাকা, গাড়ির দাম ৩৪ লাখ ৭০ হাজার, স্বামীর সঞ্চয়পত্র ৫০ লাখ এবং কোম্পানিতে শেয়ার রয়েছে আরও ৭২ লাখ টাকার। যৌথভাবে ব্যাংকে রয়েছে আরও ৪২ লাখ ৮৩ হাজার ৭৪৫ টাকা।

তার মালিকানাধীন কৃষিজমির মূল্য ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং স্বামীর নামে রয়েছে আরও ১ লাখ ৪৭ হাজার টাকার কৃষি জমি। অকৃষি জমি কেয়া চৌধুরীর নামে ১ কোটি ১৩ লাখ ৫৬ হাজার ২৫০ টাকার এবং যৌথভাবে রয়েছে আরও ৮৩ লাখ ২ হাজার ৩৬ টাকার অকৃষি জমি।

হলফনামা অনুযায়ী ডা. মুশফিকের নামে সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতে একটি মামলা চলমান রয়েছে। তবে কেয়া চৌধুরীর নামে কোনো মামলা নেই।

শাবি’র পিএইচডি শিক্ষার্থীরা অনুদান পাবেন মাসে ৫০ হাজার করে

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) সাথে প্রিমিয়াম ফিশ এন্ড এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের মধ্যে মেমোরেন্ডাম অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং (এমওইউ) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ চুক্তির মাধ্যমে ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টি টেকনোলজি বিভাগের একজন পিএইচডি শিক্ষার্থীকে মাসে ৫০ হাজার টাকা করে ৩ বছর পর্যন্ত গবেষণা অনুদান প্রদান করবে প্রতিষ্ঠানটি।

বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সভাকক্ষে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ বিষয়ে ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টি টেকনোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড.ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, চুক্তিতে প্রিমিয়াম ফিসিং এন্ড এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পক্ষে প্রতিষ্ঠানের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার মাহাবুবুল আলম চৌধুরী ও শাবিপ্রবির পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক আমিনা পারভীন স্বাক্ষর করেন। চুক্তি স্বাক্ষরকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড.কবির হোসেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য বলেন, আজকে শাবিপ্রবির জন্য একটি আনন্দের দিন। আজকের এই চুক্তির মাধ্যমে প্রিমিয়াম ফিশ এন্ড এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এফইটি বিভাগের ১ জন পিএইচডি শিক্ষার্থীকে প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা গবেষণা অনুদান ৩ বছর ধরে প্রদান করবে। উন্নত বিশ্বে বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করে। আমাদের দেশেও এরকম চর্চা শুরু হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে একজন শিক্ষার্থী দিয়ে এ কার্যক্রম শুরু হলেও আমি আশা করি সামনের দিনগুলোতে এ সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে।

এসময় স্কুল অব এপ্লাইড সাইন্সেসের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজা সেলিম, ফুড এন্ড টি টেকনোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. ওয়াহিদুজ্জামান, প্রিমিয়াম ফিশ এন্ড এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান কল্লোল আহমেদ, উপদেষ্টা সালেহ আহমেদ, রেজিস্ট্রার, হিসাব পরিচালক ও এফইটি বিভাগের অন্যান্য অধ্যাপক ও প্রভাষকরা উপস্থিত ছিলেন।

কোনো ষড়যন্ত্র সরকারের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে থামাতে পারবে না: শফিক চৌধুরী

সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিলেট-২ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে এবং হচ্ছে। তবে কোনো ষড়যন্ত্রই শেখ হাসিনা সরকারের চলমান উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে থামাতে পারবে না।

তিনি বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাতটায় বিশ্বনাথ উপজেলার ৩নং অলংকারী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আছেন বলেই দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে যাচ্ছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ হওয়ার পর এখন স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে কাজ চলমান রয়েছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ব্যাপক উন্নয়ন করে যাচ্ছেন। চলমান এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনার সরকারের কোনো বিকল্প নেই।

৩নং অলংকারী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুর সুবাহানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক তফজ্জুল আলী মেম্বারের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহ আসাদুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমদ, সহ-সভাপতি সেলিম আহমদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মখদ্দুস আলী, ত্রাণ ও সমাজ কল্যান সম্পাদক আব্দুল মতিন, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, সদস্য আনোয়ার আলী, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক মুজিবুর রহমান, যুক্তরাজ্য নরওয়িস আওয়ামী লীগের সভাপতি ছালিম চৌধুরী, কাউন্সিলর ফজর আলী, খাজাঞ্চি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আরশ আলী গণি, সিলেট জেলা যুবলীগের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক মো. সিতার মিয়া, মহানগর যুবলীগের সদস্য গোলাম আজম মঞ্জু, পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক রফিক আলী।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন, ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বুরহান, ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ আলী, ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি জমির আলী, সাবেক সভাপতি মহিবুর রহমান, ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মানিক আলী, অধ্যাপক এম এ ওহাব, ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিক আলী, ৭নং আওয়ামী লীগের সভাপতি তবারক আলী, ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হানিফ আলী, ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল হক, ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি কাওসার আহমদ, শ্রমিকলীগের সভাপতি জমির আলী প্রমুখ।

সিলেট বিভাগের আরও ১৪ ইউএনও বদলি

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আরও ১৫৮ জন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) বদলি করছে সরকার। বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন (ইসি) বদলির তালিকা অনুমোদন দেয়। বদলির তালিকার মধ্যে সিলেট বিভাগের ১৪ জন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রয়েছেন।

সূত্র জানায়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ১৫৮ জন ইউএনওকে বদলির দুটি প্রস্তাব পাঠালে ইসি এর অনুমোদন দেয়।

দ্বিতীয় ধাপে সিলেট বিভাগের বদলিকৃত ১৪ জন ইউএনও হলেন-
সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই মাহমুদুর রহমানকে কুলাউড়ায়, সুনামগঞ্জ সদরের সালমা পারভীনকে তাহিরপুরে, কোম্পানীগঞ্জের লুসিকান্ত হাজংকে জুড়ী উপজেলায়, মাধবপুরের মনজুর আহসানকে শাল্লায়, কুলাউড়ার মো. মাহমুদুর রহমান খোন্দকারকে দিরাই, গোলাপগঞ্জের মৌসুমী মান্নানকে সুনামগঞ্জ সদরে, শ্রীমঙ্গলের রাজিব মাহমুদ মিঠুনকে গোলাপগঞ্জ, হবিগঞ্জ সদরের আয়েশা আক্তারকে বিয়ানীবাজার, শাল্লার আবু তালেবকে শ্রীমঙ্গল, জুড়ীর রঞ্জন চন্দ্র দে’কে হবিগঞ্জ সদর, বিয়ানীবাজারের আফসানা তাসলিমকে জকিগঞ্জে, তাহিরপুরের সুপ্রভাত চাকমাকে বড়লেখায়, জকিগঞ্জের একেএম ফয়সালকে মাধবপুরে, বড়লেখার সুনজিত কুমার চন্দকে কোম্পানীগঞ্জে বদলি করা হয়েছে।

এর আগে, গত ৪ ডিসেম্বর প্রথম ধাপে ৪৭ জন ইউএনওকে বদলির অনুমোদন দেয় ইসি। ওই তালিকায় ছিলেন সিলেট বিভাগের ছয়জন। বদলিকৃতরা হলেন-হবিগঞ্জের বাহবলের ইউএনও মহুয়া শারমিন ফাতেমাকে ওসমানী নগর সিলেটে, আর ওসমানীনগরের ইউএনও নীলিমা রায়হানাকে হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে, সিলেটের গোয়াইনঘাটের ইউএনও তাহমিলুর রহমানকে হবিগঞ্জের বাহুবলে, হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের ইউএনও সিদ্ধার্থ ভৌমিককে সিলেটের গোয়াইনঘাটে, সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের ইউএনও মো. সাজেদুল ইসলামকে সিলেটের জৈন্তাপুর আর জৈন্তাপুরের ইউএনও আল বশিরুল ইসলামকে জগন্নাথপুরে বদলি করা হয়েছে।

প্রথম ধাপে কর্মস্থলে ২ বছরের বেশি সময় দায়িত্ব পালন করা ইউএনওদের বদলি হয়। এবার বর্তমান কর্মস্থলে এক বছরের বেশি দায়িত্ব পালন করা ইউএনওদের বদলি করা হলো।

পাশাপাশি ৩৩৮ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) বদলির প্রস্তাবও আজ অনুমোদন দিয়েছে ইসি।

বিশ্বনাথে ব্যারিস্টার নাজির আহমদ ফাউন্ডেশনের নগদ অর্থ বিতরণ

সিলেটের বিশ্বনাথে ‘ব্যারিস্টার নাজির আহমদ ফাউন্ডেশন’র উদ্যোগে উপজেলা ও পৌর এলাকার বিভিন্ন অঞ্চলে ৪০টি ‘অসহায়, দরিদ্র, এতিম, বিধবা ও অসুস্থ মানুষ’র মধ্যে নগদ ১ হাজার টাকা করে বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনায় প্রেসক্লাব কার্যালয়ে ওই নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ব্যারিস্টার নাজির আহমদ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি জুবায়ের আলী।

বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সভাপতি তজম্মুল আলী রাজু’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এমদাদুর রহমান মিলাদ’র পরিচালনায় অনুষ্ঠিত নগদ অর্থ বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্টের ট্রাস্টি ও সমাজসেবক মকরম আলী আফরোজ, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম জুবায়ের, কাজী মুহাম্মদ জামাল উদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য ব্যারিস্টার নাজির আহমদ ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের বাংলাদেশ প্রতিনিধি জায়েদ আলী।

অনুষ্ঠানে এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রনঞ্জয় বৈদ্য অপু, কোষাধ্যক্ষ জামাল মিয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য শহিদুর রহমান, নূর উদ্দিন, আবুল কাশেম, আহমদ আলী হিরণ, সংগঠক দিলোয়ার হোসেন সবুজ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

নৌকার বিজয়েই সুনিশ্চিত হবে এলাকার কাঙ্খিত উন্নয়ন: বিশ্বনাথে নিজাম উদ্দিন

বাংলাদেশ কৃষক লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য ও সিলেট জেলা কৃষক লীগের সভাপতি শাহ নিজাম উদ্দিন বলেছেন, নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করতে কৃষক লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। কারণ নৌকার বিজয়েই সুনিশ্চিত হবে এলাকার কাঙ্খিত উন্নয়ন। নৌকার ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীদেরকে বিজয়ী করলে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা পুনঃরায় প্রধানমন্ত্রী হবে। আর শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকলে অব্যাহত থাকবে দেশের উন্নয়ন। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই দেশ আজ বিশ্ববাসীর কাছে উন্নয়নের রোল মডেল রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বাধীন সরকার ‘কৃষি বান্ধব সরকার’। তাই ওই সরকারের আমলেই দেশের কৃষক-শ্রমিক’সহ সমাজের অবহেলিত-বঞ্চিত ও গরীব জনসাধারণ নিজের প্রাপ্য অধিকার ফিরে পান।

তিনি বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) বিকেলে সিলেটের বিশ্বনাথে উপজেলা কৃষক লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথাগুলো বলেন। পৌর শহরের পুরাণ বাজারস্থ উপজেলা আওয়ামী লীগের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিশেষ বর্ধিত সভার শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন আব্দুর রাজ্জাক ও স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষক লীগের যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলাম।

উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি সোরাব আলীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান বদরুলের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত বিশেষ বর্ধিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমদ, যুগ্ম সম্পাদক মকদ্দছ আলী, যুক্তরাজ্যের লন্ডন আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান, বিশ্বনাথ পৌর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য আব্দুল রোশন চেরাগ আলী।

বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষক লীগের সহ সভাপতি মারফত আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শহিদুল ইসলাম, পৌর কৃষক লীগের আহবায়ক বিকাশ মালাকার, যুগ্ম আহবায়ক জয়নাল আবেদীন, বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি কমরু মিয়া, দৌলতপুর ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি আবুল কালাম, দশঘর ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি হেলাল আহমদ, রামপাশা ইউনিয়ন কৃষক লীগের সহ সভাপতি আজিম উদ্দিন, অলংকারী ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক মঈনুল ইসলাম, দেওকলস ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক আমির আলী।

বিশেষ বর্ধিত সভায় এসময় উপস্থিত ছিলেন কৃষক লীগ নেতা আরশ আলী, তেরাব আলী, মুজিবুর রহমান চৌধুরী, সোনা মিয়া, আনোয়ার হোসেন, সাহেল আহমদ, সত্তার আলী, জিলু মিয়া, তারিছ আলী, মানিক মিয়া, রশিদ আহমদ, চেরাগ আলী প্রমুখসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন কৃষক লীগের নেতৃবৃন্দ।