Home Blog Page 241

এক লাখ টাকা করে পাবেন ‘ফিরে আসা’ ৩১৪ চরমপন্থী

দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে একসময় বেশ কয়েকটি চরমপন্থি দল লুটতরাজ, জিম্মি, অপহরণ, খুনসহ বিভিন্ন ধরণের অপরাধের মাধ্যমে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চেয়েছিল। নব্বইয়ের দশকে এসব অঞ্চলে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার খুন সংগঠিত হয় চরমপন্থিদের হাতে। সময়ের পরিক্রমায় চরমপন্থিদের সৃষ্ট ত্রাসের রাজত্ব র‌্যাবসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ক্রমাগত অভিযানে ভেঙে পড়ে। চরমপন্থিদের অনেকে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান, অনেকে অস্ত্র জমা দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। অপরাধ জগৎ থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চাওয়া এসব চরমপন্থির সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয় র‌্যাব।
এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের ২১ মে র‌্যাবের তত্ত্বাবধানে টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, বগুড়া, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর এবং রাজবাড়ী জেলার ৩১৪ জন চরমপন্থি ২ শতাধিক অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদসহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আত্মসমর্পণ করেন। আত্মসমর্পণকারী চরমপন্থি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের আর্থিকভাবে স্বচ্ছল করতে উদ্যোগী হয় র‌্যাব। ‘উদয়ের পথে’ নামক পাইলট প্রোগ্রামের মাধ্যমে তাদের হস্তশিল্প প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন বৃত্তিমূলক ও কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। এবার পুনর্বাসনের জন্য প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে দেয়া হবে। আগামী ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জে (র‌্যাব-১২) গিয়ে তাদের হাতে চেক হস্তান্তর করবেন র‌্যাবের মহাপরিচালক অতিরিক্ত আইজিপি এম খুরশীদ হোসেন। র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, আত্মসমর্পণ করা চরমপন্থিদের পুনর্বাসনের জন্য আর্থিক সহযোগিতার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করেন র‌্যাবের ডিজি অতিরিক্ত আইজিপি এম খুরশীদ হোসেন। পরে প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি সদয় বিবেচনা করে তার ‘ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল’ থেকে ৩ কোটি ১৪ লাখ টাকা অনুদান মঞ্জুর করেন। আত্মসমর্পণকৃত চরমপন্থিদের স্বাভাবিক পেশায় জীবিকা নির্বাহের সুযোগ সৃষ্টি এবং যারা এখনো আত্মসমর্পণ করেননি তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসায় উৎসাহিত করতেই প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এই আর্থিক সহায়তা মঞ্জুর করা হয় বলেও জানান এই র‌্যাব কর্মকর্তা।
র‌্যাব সদর দপ্তর জানায়, দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অপরাধ নির্মূলে চরমপন্থিদের আত্মসমর্পণ এবং আর্থিক, মানবিক ও প্রশিক্ষণ সহায়তাসহ বিভিন্ন ধরণের সহযোগিতার মাধ্যমে তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে এনে একটি

যুগান্তকারী দৃষ্টান্ত স্থাপন করে র‌্যাব। আত্মসমর্পণকারী চরমপন্থিদের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে দায়েরকৃত মামলার মধ্যে খুন, ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগ ব্যতিত অন্যান্য মামলা যথাযথ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় প্রত্যাহার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

মেট্রোরেলের টিএসসি-বিজয় সরণি স্টেশন চালু ১৩ ডিসেম্বর

মেট্রোরেলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিজয় সরণি স্টেশন চালু হচ্ছে আগামী ১৩ ডিসেম্বর। বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন সিদ্দিক গণমাধ্যকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বর্তমানে আগারগাঁও-মতিঝিল রুটে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত মেট্রোরেল চলাচল করছে। তবে এমআরটি পাসধারীরা দুপুর ১২টা পর্যন্ত মেট্রোরেলে চলাচল করতে পারেন। বর্তমানে প্রতি শুক্রবার বন্ধ থাকে মেট্রোরেল চলাচল।

উল্লেখ্য, গত ৪ নভেম্বর মেট্রোরেলের আগারগাঁও-মতিঝিল অংশ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় ফার্মগেট, সচিবালয় ও মতিঝিল স্টেশন চালু হয়।

রাশিয়া বাংলাদেশে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে থাকবে : রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত

জাতিসংঘ ছাড়া অন্য কোনো দেশের নিষেধাজ্ঞা আমলে নেওয়ার কিছু নেই। পশ্চিমা বিশ্ব বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দিলে ওই পরিস্থিতি বিবেচনায় ঢাকা-মস্কো আলোচনা করবে। বাংলাদেশে যেকোনো ধরনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে থাকবে রাশিয়া।
জাতীয় প্রেসক্লাবের গতকাল স্বাধীনতা সাংবাদিক ফোরাম আয়োজিত ‘টকস উইথ অ্যাম্বাসাডর’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ঢাকাস্থ রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার মান্টিটস্কি। তিনি বলেন, পশ্চিমা দুনিয়াসহ অন্য যেকোনো দেশের নিষেধাজ্ঞাকে আমরা স্বীকৃতি দেই না। আমরা যেকোনো ধরনের অবৈধ নিষেধাজ্ঞার বিপক্ষে। আমরা শুধু জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের নিষেধাজ্ঞা হলে সেটিকে স্বীকৃতি দেই। যদি ওই ধরনের কোনো সমস্যা হয়, আমরা আলোচনা করব। আমরা কী ধরনের সহযোগিতা করতে পারি সেটি রাশিয়ান সরকার এবং আমাদের অন্যান্য ইনস্টিটিউশন মিলে আলোচনা করব। রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেন, ইউক্রেন ইস্যুতে পশ্চিমারা সরব থাকলেও ফিলিস্তিন ইস্যুতে তারা ডাবল স্ট্যান্ডার্ড ভূমিকা নিয়েছে। কেননা তারা অভিযোগ করেছিলেন, ইউক্রেনে অনেক মানুষ মারা যাচ্ছে, এটা নিয়ে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। তবে অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনে ছয় হাজারেরও বেশি মানুষ মারা গেছে। এটা নিয়ে তাদের কোনো উদ্বেগ নেই।
মান্টিটস্কি বলেন, ফিলিস্তিন ইস্যুতে রাশিয়া ও বাংলাদেশের পজিশন একই। এক প্রশ্নের জবাবে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেন, স্যাটেলাইট স্থাপনে বাংলাদেশ সরকার যে দেশকে ভালো অংশীদার মনে করবে, তাকেই বেছে নেবে। এ ক্ষেত্রে আমাদের কিছু বলার নেই। অনুষ্ঠানে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত বলেন, ‘১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে রাশিয়া যে অবদান রেখেছিল, সেই অবদান কোনোভাবেই পরিশোধ করা যাবে না। বর্তমান ভূ-রাজনীতিতে আমাদের পক্ষে রাশিয়াকে প্রয়োজন।
আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খায়রুল আলম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলা ট্রিবিউনের কূটনৈতিক রিপোর্টার শেখ শাহরিয়ার জামান।

ভোটাররা যাতে ভোট দিতে পারেন সেদিকে লক্ষ্য রাখুন : প্রধানমন্ত্রী

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দুইদিনের সফরে বৃহস্পতিবার গোপালগঞ্জে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অবিরাম বৃষ্টির মধ্যে সড়কপথে বিকেল ৪টায় টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছে প্রথমেই তিনি যান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাজারে এবং তার সমাধিবেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় তাকে তিন বাহিনীর পক্ষ তাকে গার্ড অব অনার প্রদর্শন করা হয়। এরপর তিনি সেখানে পবিত্র ফাতেহাপাঠ, দোয়া ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।
এ সময় বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ সালাউদ্দিন জুয়েল, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, কেন্দ্রীয় যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নাঈম, বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ সারহান নাসের তন্ময়, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহাবুব আলী খান ও সাধারণ সম্পাদক জিএম সাহাবুদ্দিন আজম, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ আবুল বশার খায়ের ও সাধারণ সম্পাদক মো. বাবুল শেখ, গোপালগঞ্জ পৌর মেয়র শেখ রকিব হোসেন ও টুঙ্গিপাড়া পৌর মেয়র শেখ তোজাম্মেল হক টুটুলসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
পরে সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রী চলে যান তার নিজ বাড়িতে এবং বিকেল সাড়ে ৫টায় সেখানে তিনি জেলা আওয়ামী লীগ, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ ও টুঙ্গিপাড়ার পাঁচ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগসহ ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আধাঘণ্টার এক চা-চক্রে মিলিত হন। এ সময় তিনি সেখানে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে সকল ভোটাররা যাতে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন, সেদিকে লক্ষ্য রাখার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের মাঠে থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন বলে নেতৃবৃন্দের কাছ থেকে জানা গেছে। সন্ধ্যা ৬টায় চা-চক্র শেষ হয়।
নেতৃবৃন্দ আরও জানিয়েছেন, রাতে প্রধানমন্ত্রী টুঙ্গিপাড়ায় নিজ বাড়িতেই থাকবেন। আজ শুক্রবার সকাল ৯টায় প্রধানমন্ত্রী যাবেন কোটালীপাড়ায়। সেখানে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সড়কপথেই ঢাকায় ফিরবেন।

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ৪ রাষ্ট্রদূতের শ্রদ্ধা

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত চার দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার।

বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার সৈয়দ আহমেদ মারুফ, মিশরের রাষ্ট্রদূত ওমার মোহি এলদিন আহমেদ ফাহমি, হলি-সি ভ্যাটিকানের এপস্টলিক নানসিও কেভিন র‍্যান্ডাল ও শ্রীলংকার হাইকমিশনার ধর্মপালা বিরাক্কডি ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এসময় তারা বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেন।

এর আগে গত বুধবার (৬ ডিসেম্বর) বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিকস মোলার, নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত ইরমা ভ্যান ডুরেন, আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মার্সেলো কার্লোস বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

ইফতারকে বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দিল ইউনেস্কো

পবিত্র রমজান মাসের ইফতারকে বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দিল জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো। করাচিভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ডনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ইফতারকে ‘ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ’ তালিকায় যুক্ত করেছে ইউনেস্কো।

মুসলমানদের কাছে পরিত্র রজমান মাস অনেক ফজিলতের। এই মাসে সারাদিন পানাহার থেকে বিরত থেকে রোজা পালন করেন মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা। এরপর সন্ধ্যায় মাগরিবের আজানের সময় পানি পান ও ফলমূল খেয়ে পূর্ণ করা হয় রোজা। এই পানাহারকে বলা হয়ে থাকে ‘ইফতার’।

ইফতারকে সামাজিক-সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিতে যৌথভাবে আবেদন করেছিল ইরান, তুরস্ক, আজারবাইজান ও উজবেকিস্তান। ইউনেস্কো বলছে, ‘ইফতার (ইফতারি বা ইফতর হিসেবেও পরিচিত) রমজান মাসে প্রতিদিন সূর্যাস্তের পর মুসলমানরা ইফতার করেন। ধর্মীয় রীতি হিসেবেই এই ইফতার।’

রমজান মাসের ইফতারের সময় পরিবারের কিংবা এলাকার সবাই একসাথে হন। এরপর একত্রে মাগরিবের আজানের জন্য অপেক্ষা করেন। আজান দেওয়া শুরু হলে পানাহার করেন তারা। এর আগে ভোরে পানাহার করে শুরু হয় রোজা, একে বলা হয় সেহরি।

ইফতারের সময় বেশির ভাগ দেশেই খেঁজুর খাওয়া হয়। এ ছাড়া শরবতসহ আরও অন্যান্য খাবারও থাকে তালিকায়। দেশভেদে এসব খাবারের মধ্যে বৈচিত্রতা দেখা যায়।

এদিকে ঢাকার রিকশা ও রিকশাচিত্রকেও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো। বুধবার আফ্রিকার দেশ বতসোয়ানার কাসানে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ বিষয়ক–২০০৩ কনভেনশন চলার সময় এ স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

এর আগে জামদানি বয়ন শিল্প, শীতল পাটি বয়ন শিল্প, বাউল গান ও মঙ্গল শোভাযাত্রাকে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল ইউনেস্কো। এবার স্বীকৃতি পেল রিকশা ও রিকশাচিত্র। গত ছয় বছর ধরে এই শিল্পকর্মটির স্বীকৃতি আদায়ের চেষ্টা চলছিল।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানায়, ২০২২ সালে এই শিল্পকর্মের নথি মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে ও প্যারিসে বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতায় নতুনভাবে প্রস্তুত করা হয়।

এ অর্জনের মাধ্যমে ইউনেস্কোতে বাংলাদেশের ধারাবাহিক সাফল্যের মুকুটে আরও একটি পালক যুক্ত হলো।

সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে প্রায় ৩৪ কেজি স্বর্ণের বার উদ্ধার

সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুবাই হতে আসা বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট থেকে প্রায় ৩৪.৩৫১ কেজি ওজনের স্বর্ণের চালান উদ্ধার করেছে বিমানবন্দর কাস্টমস ও গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই। এসব স্বর্ণের বাজার মূল্য আনুমানিক ৩৪ কোটি টাকা।

শুক্রবার (০৮ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ অভিযান চালিয়ে বিশাল এই স্বর্ণের চালান আটক করে। এঘটনায় প্রাথমিকভাবে ৪জনকে আটক করা হয়েছে।

বিমানবন্দরে দায়িত্বরত গোয়েন্দা সূত্র জানায়, সকাল ৮.৫৭ মিনিটে ২৪০ জন যাত্রী নিয়ে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে দুবাই থেকে আসা বিজি-২৪৮ ফাইটটি। এসময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিমানটিতে অভিযান চালায় বিমানবন্দর কাস্টমস ও গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই। অভিযানকালে যাত্রীর সিটের নিচ থেকে ১০ইঞ্চি মাপের বড় স্কেল আদলের ৪টি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়। একেকটা স্কেলের ওজন আড়াই কেজির উপরে। এছাড়া বাকি স্বর্ণ বিমানের ভেতরে ও ওয়াসরুমে ছড়িয়েছিটিয়ে ছিল। যেগুলোর মধ্যে ২৮০টি বার ও ০৬টি ছিল বল আদলের।

এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে চারজনকে আটক করেছে বিমানবন্দর কাস্টমস। এদের মধ্যে দুজন দুবাই থেকে সিলেট হয়ে ঢাকার যাত্রী ও দুজন সিলেটের।

আটক ৪ জন হলেন, মৌলভীবাজার জেলার জুড়ি উপজেলার পশ্চিম বড়ধামাই নোয়াবাজার এলাকার
মঈন উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, সিলেটের দক্ষিণ সুরমার ন’ভাগ কামালবাজার এলাকার ইরন মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ সানু মিয়া, হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার চানপুর গ্রামের মনোহর মিয়ার ছেলে মিসফা মিয়া ও একই উপজেলার সিকন্দপুর এলাকার মো. আসকর মিয়ার ছেলে মো. আখতারুজ্জামান।

তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন, শুল্ক গোয়েন্দার সহকারী কমিশনার সাজেদুল করিম।

সিলেট মহানগর আ.লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির জরুরি সভা

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে করণীয় ঠিক করতে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তালতলাস্থ গুলশান হোটেলের হলরুমে মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির এই জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এডভোকেট মফুর আলীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. জাকির হোসেনের পরিচালনায় সভায় নেতৃবৃন্দ আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও বিভিন্ন সাংগঠনিক বিষয়ে বক্তব্য প্রদান করেন।

সভার সভাপতি তাঁর বক্তব্যে বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের নাশকতা, বোমাবাজি ও অগ্নিসন্ত্রাস হবে। যারা নাশকতা, বোমাবাজি ও অগ্নিসন্ত্রাস করবে তাদের বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে। নির্বিগ্নে যাতে ভোটাররা ভোট দিতে পারে। সেজন্য নেতা-কর্মীদের ভোটারদের সহযোগিতা করতে হবে। সেন্টারে সক্রিয়ভাবে কাজ করতে হবে। ভোট কেন্দ্রে ভোটারদের নিয়ে আসতে হবে। যদি কেউ বাধা তৈরি করে তাদেরকে শক্তভাবে জবাব দিতে হবে। সম্মিলিত কাজের মাধ্যমে নৌকাকে আবারও বিজয়ী করতে হবে। তিনি মহানগর আওয়ামী লীগ ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের প্রায়ত নেতৃবৃন্দের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং সভায় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত হওয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন।

সভা পরিচালনার পাশাপাশি সাধারণ সম্পাদক তাঁর বক্তব্যে বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ৫ম বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জয়ী করতে আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ। সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে আওয়ামী লীগ এগিয়ে যাবে। উন্নয়নের এই অগ্রযাত্রাকে কেউ রুখতে পারবে না। জনগণ উন্নয়ন চায়, কোনো নাশকতা, বোমাবাজি ও অগ্নিসন্ত্রাস চায় না। জনগণের কাছে উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দিতে হবে। ঐক্যবদ্ধভাবে কাজের মাধ্যমে নৌকাকে বিজয়ী করতে হবে। বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নে নৌকার বিজয়ের কোনো বিকল্প নেই।

এসময় তিনি ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের কর্মসূচী নিয়েও আলোকপাত করেন। উপস্থিত নেতৃবৃন্দের মতামতের ভিত্তিতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও বিজয় দিবসের কর্মসূচি গ্রহণ করেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন, মহানগর আওয়ামী লীগের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালিক, জি এম.জেড কয়েছ গাজী, ফয়জুল আনোয়ার আলাওর, বিজিত চৌধুরী, এডভোকেট প্রদীপ কুমার ভট্টাচার্য্য, মো. সানাওর, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট সৈয়দ শামীম আহমদ, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক তপন মিত্র, দপ্তর সম্পাদক খন্দকার মহসিন কামরান, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক নজমুল ইসলাম এহিয়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুর রহমান জামিল, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আজাহার উদ্দিন জাহাঙ্গীর, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মহিউদ্দিন লোকমান, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আসমা বেগম, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক ইলিয়াছুর রহমান ইলিয়াছ, শ্রম সম্পাদক আজিজুল হক মঞ্জু, সাংস্কৃতিক সম্পাদক রজত কান্তি গুপ্ত, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. মোহাম্মদ হোসেন রবিন, উপ-দপ্তর সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্ত্তী রনি, সহ-প্রচার সম্পাদক সোয়েব আহমদ, মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্যবৃন্দ আজম খান, আব্দুল আহাদ চৌধুরী মিরন, মো. আব্দুল আজিম জুনেল, মুক্তার খান, এডভোকেট মোহাম্মদ জাহিদ সারোয়ার সবুজ, এমরুল হাসান, সুদীপ দেব, সৈয়দ কামাল, সাইফুল আলম স্বপন, তাহমিন আহমেদ, রোকসানা পারভীন, জাফর আহমদ চৌধুরী, তৌফিক বক্স লিপন, জামাল আহমদ চৌধুরী, খলিল আহমদ, আবুল মহসিন চৌধুরী মাসুদ, মহসিন চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার আতিকুর রহমান সুহেদ, জুমাদিন আহমেদ।

বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা ইতিহাস ঐতিহ্য সিলেটিদের গর্বিত করবে : ড. প্রভাত

বর্ষীয়ান শিক্ষাবিদ, লেখক, গবেষক ও সমাজকর্মী ড. প্রভাত কুমার সিনহা বলেছেন, শ্রীহট্ট বা সিলেটের ইতিহাস ঐতিহ্য সংস্কৃতি অনেক সমৃদ্ধ। যা গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা সিলেটিদের সব সময় গর্বিত করবে। তবে দেশ ভাগের কারণে মাঝখানে সীমানা দেয়াল তৈরী হওয়ায় এতে কিছুটা বিচ্যুতি তৈরী হয়েছে। এই বিচ্যুতি কাটিয়ে উঠার লক্ষ্যে এতদঞ্চলের ভাষা-সংস্কৃতির উন্নয়নে কাজ করে যেতেই হবে আমাদের।

তিনি বলেন, সিলেটের মানুষ সব সময়ই দেশ-জাতির অধিকার আদায়ের আন্দোলনে শুধু সোচ্চার নয়, নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন। আর এসব আন্দোলনে বাঙালি জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি মণিপুরী সমাজসহ অন্যান্য ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন, রেফারেন্ডাম, বায়ান্নের ভাষা আন্দোলন, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও পরবর্তী সকলগণ আন্দোলনের মণিপুরীসহ অন্যান্য জনগোষ্ঠীর ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। কিন্তু সেই ইতিহাস ক্রমেই বিস্মৃত হয়ে পড়ছে গভীর অনুসন্ধান ও গবেষণার অভাবে। এজন্য আন্দোলন-সংগ্রামের প্রকৃত ইতিহাস উদ্ধার ও সংরক্ষণে আরোও অনুসন্ধান ও গবেষণা জরুরি।

মণিপুরী সমাজকল্যাণ সমিতি, সিলেট জেলা শাখা আয়োজিত প্রকাশনা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে তিনি একথাগুলো বলেন।

ড. প্রভাত কুমার সিনহা বই লিখার সময়কার জার্নি, গবেষণার কথা উল্লেখ করে বলেন, আমার বইয়ে গীতিকবি গোপীচাঁদ সিংহের কবিতা সংযুক্ত করেছি। গোকূলানন্দ ও গীতিকবি গোপীচাঁদ সিংহ বাংলাদেশের সিলেটের কৃতি সন্তান। তিনি বলেন, সিলেটের এমসি কলেজ একটি প্রখ্যাত বিদ্যাপিঠ। এই প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করা লোকজনই এক সময় আসাম তথা ভারতের সমাজ-রাজনীতিতে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছিলেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ, মণিপুরি সমাজকল্যাণ সমিতি সিলেট জেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা ডা. নন্দকিশোর সিংহ।

তিনি তার বক্তব্যে বলেন, সিলেটের প্রকৃত আন্দোলন সংগ্রামের ইতিহাস ক্রমেই উঠে আসছে, আরো উঠে আসা জরুরি। তিনি বলেন, এসব আন্দোলনের প্রকৃত ইতিহাস তুলে আনলে দেশ মাতৃকা ও বৃহত্তর জাতির আন্দোলন সংগ্রামে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরীদের অবদানের কথা ইতিহাসের পরতে পরতে উঠে আসবে। এজন্য ড. প্রভাত সিংহের মত প্রতিভাবান ব্যক্তিদের অনুসন্ধান-গবেষণা জরুরি।

ডা. নন্দকিশোর সিনহা আরো বলেন, লেখক ড. প্রভাত কুমার সিনহার বই মুক্ত চিন্তার বিকাশ ঘটাবে। এজন্য তিনি লেখককে সাধুবাদ জানান।

সিলেট জেলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে মণিপুরী সমাজকল্যাণ সমিতি সিলেট জেলা শাখার সভাপতি রোটারিয়ান সমাজসেবী নির্মল কুমার সিংহের সভাপতিত্বে মণিপুরী সমাজকল্যাণ সমিতি, সিলেট জেলা শাখার আয়োজনে বুধবার রাতে এই প্রকাশনা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

মোড়ক উন্মোচন করা হয় ড. প্রভাত কুমার সিনহা‘র লেখা গবেষণাধর্মী তিনটি গ্রন্থ- ‘Reflection On Bishnupriya Manipuris’, ‘Bishnupriya Manipuris On Socio Political Crossroads’, ‘An Abbreviated Philosophy Of Geetiswami Gokulananda Sinha with Kalaguru Bishnuprasad Rabha’ মণিপুরি সমাজকল্যাণ সমিতি সিলেট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সংগ্রাম সিংহের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ছিলেন সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক শাহ দিদার আলম চৌধুরী নবেল।

সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক শাহ দিদার আলম চৌধুরী নবেল তার বক্তব্যে বলেন, সেই বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে দেশ ও জাতির সকল অধিকার আদায়ের আন্দোলনে মণিপুরীদের ভূমিকা ইতিহাস বিদিত। সিলেটের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য উজ্জল করে রাখতেও মণিপুরীদের অসামান্য অবদান রয়েছে। এখানে সরকারী-বেসরকারী অধিকাংশ অনুষ্ঠানের সূচনা হয় মণিপুরী নৃত্য দিয়েই। আমরা গণমাধ্যমকর্মীরাও রাসলীলাসহ তাদের সকল অনুষ্ঠান, আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে প্রচার, প্রকাশ করে থাকি।

আওয়ামী লীগ জনগণের দল: মন্ত্রী ইমরান

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ এমপি বলেছেন, আওয়ামী লীগ জনগণের দল, আওয়ামী লীগ জনগণের পাশেই থাকে। আর আওয়ামী লীগ যখন কাজ করে মানুষের জন্যই করে, আমরা কি পেলাম সেটা চিন্তা করি না। তিনি বলেন, মানুষ কি পেল, মানুষের জন্য কতটুকু করতে পারলাম সেটাই আমাদের বিবেচনায় থাকে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কোম্পানীগঞ্জের ইছাকলস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জননেতা ইমরান আহমদ সমর্থনে ইছাকলস ইউনিয়নের ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠন আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী ইমরান আহমদ বলেন, দেশবাসীকে দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতে যা যা প্রয়োজন আওয়ামী লীগ সরকার সবই করে যাচ্ছে। জনগণের সেবাই আওয়ামী লীগের একমাত্র মূলমন্ত্র। আওয়ামী লীগ সর্বদা জনগণের প্রতিটি দুঃখে-কষ্টে পাশে থাকে। তিনি আরও বলেন, আজ আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি, ভবিষ্যতেও আমাদের এগিয়ে যাবার পালা। আমরা সর্বদা জনগণের পাশে আছি এবং জনগণের সেবা করাই আমাদের মূলমন্ত্র। নিশ্চয়ই আপনারা আমাদেরকে আবারও সেবা করার সুযোগ দিবেন।

শাহ মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন চেয়ারম্যানের পরিচালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন ইছাকলস ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক জাহিদ আল হাসান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন- কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শামীম আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী দুলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আজমল আলী, উপ-দফতর সম্পাদক মো. মজির উদ্দিন, সদস্য জাহাঙ্গীর আলম, মো. গোলাপ মিয়া, জেলা পরিষদের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আপ্তাব আলী কালা মিয়া, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াকুব আলী, অখিল চন্দ্র বিশ্বাস, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ইমরান জাকির, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক হাজী আলাউদ্দিন, যুগ্ম আহ্বায়ক রাসেল আহমেদ, সদস্য মো. সোহেল মিয়া, পশ্চিম ইসলামপুর ইউপির চেয়ারম্যান জিয়াদ আলী, ইছাকলস ইউপির চেয়ারম্যান সাজ্জাদুর রহমান সাজু, আওয়ামীলীগ নেতা হাজী আবুল হায়াত, মুজিবুর রহমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সিদ্দিকুর রহমান খসরু, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ওমর আলী, সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম স্বাধীন প্রমুখ।