বিনোদন ডেস্ক
ভালোবাসা কোনো বাঁধা মানে না। এমনকি ভালোবাসার মানুষের জন্য কোনো জাত-ধর্মেরও তোয়াক্কা করে না অনেকে। এর আগে পৃথিবীর বহু প্রেমিক যুগল এর প্রমাণ দিয়েছেন। সাধারণত ভালোবাসার মানুষের জন্য অনেক প্রেমিক-প্রেমিকাকেই নিজের ধর্ম পরিবর্তন করতে দেখা গেছে।
কিন্তু এবার ঘটল তার ব্যতিক্রম। ধর্মের জন্য প্রেমিককেই ত্যাগ করলেন ভারতীয় অভিনেত্রী হিমাংশি খুরানা। রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস-১৩’র ঘরে গিয়ে অসীম রিয়াজের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান তিনি। এরপর টানা চার বছর চুটিয়ে প্রেম করেন তারা।
জানা গেছে, রিয়াজ মুসলিম এবং হিমাংশি হিন্দু ধর্মের অনুসারী। আর প্রেমিক ভিন্ন ধর্মের অনুসারী হওয়ায় নিজের ভালোবাসাকে ত্যাগ করার ঘোষণা দিয়েছেন হিমাংশি।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (টুইটার) এই প্রসঙ্গে একটি পোস্ট দেন হিমাংশি। ক্যাপশনে অভিনেত্রী লিখেছেন, হ্যাঁ, আমরা আর একসঙ্গে নেই। আমরা একসঙ্গে যে সময় কাটিয়েছি, সেটা ভীষণ চমৎকার ছিল।
কিন্তু আমাদের এই জার্নি শেষ হয়ে গেছে। আমাদের ভালোবাসার সম্পর্কের যাত্রাটা দুর্দান্ত ছিল এবং আমরা আমাদের জীবন নিয়ে সামনে এগিয়ে যাচ্ছি।
কিন্তু আমরা দুজনে আলাদা আলাদা ধর্মে বিশ্বাসী। তাই ধর্মের প্রতি সম্মান রেখে আমরা আমাদের ভালোবাসাকে ত্যাগ করছি। আমাদের পরস্পরের প্রতি কোনো অভিযোগ নেই। দয়া করে, আমাদের প্রাইভেসির প্রতি সম্মান রাখুন।
পরে ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতেও আরেকটি পোস্টে হিমাংশি লেখেন, অনেক চেষ্টা করেওন আমাদের জীবনের কোনো সমাধান পাইনি। আপনি এখনও ভালোবাসেন। কিন্তু ভাগ্য আপনার সুখের জন্য সমর্থন করে না, তারপরও ঘৃণা নয়, শুধুই ভালোবাসা। এটিই পরিণত সিদ্ধান্ত।
যদিও এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেননি অসীম রিয়াজ। তবে যৌথভাবেই তারা বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান হিমাংশি।
প্রসঙ্গত, রিয়েলিটি শো ‘বিগ বসে’র ঘরেই পরিচয় হয় রিয়াজ-হিমাংশির। অনস্ক্রিনে পরস্পরের প্রতি ভালোবাসার কথা জানান এই প্রেমিকযুগল। তবে ওই সময়ে চৌ নামে অন্য এক ছেলের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন হিমাংশি। কিন্তু অসীম রিয়াজের জন্য ৯ বছরের সেই প্রেমের সম্পর্কও ভেঙে দেন তিনি।
ধর্মের জন্য প্রেমিককে ত্যাগ করলেন অভিনেত্রী হিমাংশি খুরানা
আশা জাগিয়েও ম্যাচ হেরে সমতায় সিরিজ শেষ করলো টাইগাররা
স্পোর্টস ডেস্ক
বৃষ্টি এলো, জমা হলো মেঘও। শেষদিনে কুয়াশা কাটিয়ে মিরপুরে উঁকি দিলো সূর্যের আলো।
আবহাওয়ার মতো বদলে গেলো ম্যাচের রঙও। বৃষ্টির অপেক্ষায় থাকা তৃতীয় দিন অবধিও বাংলাদেশের দিকে ম্যাচ হেলে থাকলো। কিন্তু রোদ উঠা দিনে আলো ছড়ালো নিউজিল্যান্ড কিংবা গ্লেন ফিলিপস।
চতুর্থ দিন সকালে বাংলাদেশকে অল্পতে আটকে লক্ষ্যটাকে কাছাকাছি রাখে সফরকারীরা। পরে টপ-অর্ডাররা না পারলেও আলো ছড়িয়ে বাংলাদেশকে ছায়ায় ফেলেন ফিলিপস। দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলার ইতি হলো সিরিজ সমতায়।
মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের শেষটিতে ৪ উইকেটে জিতেছে নিউজিল্যান্ড। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ১৭২ রানের পর ১৮০ রান করে কিউইরা। পরে স্বাগতিকরা দ্বিতীয় ইনিংসে অলআউট হয়ে যায় ১৪৪ রানে। ১৩৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ম্যাচ জিতে নেয় কিউইরা।
২ উইকেট হারিয়ে ৩৮ রান নিয়ে চতুর্থ দিন শুরু করে বাংলাদেশ। এদিন সকাল ছিল কুয়াশা ঢাকা। প্রথম ওভারে এক রান নিয়ে স্ট্রাইকে থাকেন জাকির হাসান। পরের ওভারে টিম সাউদিকে দুই বলে দুটি চার হাঁকান তিনি। এরপর মাঝখানে এক ওভার বিরতি দিয়ে প্রতিটিতেই একটি করে চার হাঁকান বাংলাদেশি দুই ব্যাটার।
কিন্তু মুমিনুলের বিদায়ে সেটি শেষ হয়। এজাজ প্যাটেলের বলে পুল করতে গেলে তার প্যাডে লাগে তার। আম্পায়ারও আঙুল তুলে দেন সঙ্গে সঙ্গে। ১৯ বল খেলে ১০ রানে আউট হন তিনি। এরপর মুশফিকুর রহিমও ফেরেন দ্রুত।
আগের ম্যাচে হ্যান্ডেলড দ্য বল আউট হয়ে বেশ আলোচনার জন্ম দেন তিনি। এবার মিচেল স্যান্টনারের বলে ক্যাচ দেন ড্যারল মিচেলের হাতে। স্যান্টনারের শিকার হয়ে ফেরেন শাহাদাৎ হোসেন দীপুও। ১১ বলে ৪ রান করে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন তিনি।
একপ্রান্ত আগলে রেখে এর মধ্যেই হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন জাকির হাসান। কিন্তু তার সঙ্গীরা কেউই স্থায়ী হতে পারলেন না। মেহেদী হাসান মিরাজ এজাজ প্যাটেলকে তুলে মারতে গিয়ে মিড উইকেটে দাঁড়ানো স্যান্টনার ক্যাচ নেন। জাকিরের সঙ্গে নুরুল হাসান সোহান ছিলেন শেষ স্বীকৃত ব্যাটার।
কিন্তু তার তিন বলের ইনিংস ছিল অস্বস্তির। আম্পায়ারের দেওয়া আউটে রিভিউ নিয়ে বেঁচে যাওয়ার পরের বলেই সাজঘরে ফিরতে হয় সোহানকে। এ দফায়ও তিনি এলবিডব্লিউ হন এজাজ প্যাটেলের বলে। এরপর কিছুক্ষণ টেল এন্ডারদের নিয়ে লড়াই করেন জাকির। নবম ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়ার আগে ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৮৬ বলে ৫৯ রান করে সাজঘরে ফেরত যান তিনি।
তবে তার বিদায়ের পর শেষ উইকেট জুটিতে ১৬ রান যোগ করেন তাইজুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলাম। ৬ বলে ৮ রান করে এজাজ প্যাটেলকে এগিয়ে এসে খেলতে গিয়ে স্টাম্পিং হন শরিফুল। ২১ বলে ১৪ রানে অপরাজিত থাকেন তাইজুল। ১৮ ওভার বল করে ৫৭ রান দিয়ে ৬ উইকেট নেন এজাজ। তিনটি উইকেট পান মিচেল স্যান্টনার, একটি টিম সাউদি।
১৩৭ রান তাড়া করাও যে নিউজিল্যান্ডের জন্য সহজ কাজ হবে না, সেটি আঁচ করা যাচ্ছিল আগেই। তবুও চার ওভার খেলে কোনো উইকেট না হারিয়ে কিছুটা স্বস্তি নিয়েই লাঞ্চে যায় নিউজিল্যান্ড। কিন্তু ফিরে এসে দ্বিতীয় ওভারেই সেটি উবে যায়। শরিফুল ইসলাম বিরতির আগে দুর্দান্ত একটি ওভার করেও উইকেট পাননি, তিনিই পান প্রথম উইকেট।
শরিফুল ইসলামের অফ স্টাম্প থেকে ভেতরে ঢোকা বল কিছুটা নিচু হয়ে ডেভন কনওয়ের পায়ে গিয়ে লাগে। ১৫ বলে ২ রান করে সাজঘরে ফেরত যান কনওয়ে। দ্বিতীয় উইকেট আসে তাইজুল ইসলামের হাত ধরে। এই সিরিজে চার ইনিংসে তৃতীয়বারের মতো কনওয়েকে সাজঘরে ফেরান তিনি। তাইজুলের বলে স্টাম্পিং হন ২৪ বলে ১১ রান করা উইলিয়ামসন।
এরপর সফরকারী ব্যাটারদের দারুণভাবে চাপে ফেলেন বাংলাদেশের বোলাররা। সাফল্যও মেলে মেহেদী হাসান মিরাজের হাত ধরে। তার বলে এলবিডব্লিউ হন হেনরি নিকোলস। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি ১০ বলে ৩ রান করা এই ব্যাটার। ম্যাচ আরও জমিয়ে তোলেন মিরাজই। উইকেটে থিতু হয়ে যাওয়া টম লাথামকে ৬০ বলে ২৬ রান করার পর আউট করেন তিনি। স্লিপে দাঁড়িয়ে দুর্দান্ত এক ক্যাচ নেন মিরাজ।
পরের ওভারে টম ব্লান্ডেলকে ফেরান তাইজুল ইসলাম। কিন্তু এর মধ্যে ফিলিপসের ক্যাচ ছেড়ে দেন অধিনায়ক শান্ত। সেটিই পরে কাল হয়ে দাঁড়ায় বাংলাদেশের জন্য। প্রথমে মিচেলের সঙ্গে ৩১ বলে ১৮ রানের জুটি গড়েন তিনি। সেটি অবশ্য ভেঙে দেন ড্যারল মিচেল। ৩৬ বলে ১৯ রান করার পর মিচেলকে আউট করে আবারও বাংলাদেশের আশার পালে হাওয়া এনে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ।
কিন্তু এরপর আর কুলিয়ে ওঠেনি বাংলাদেশ। ফিলিপসের সঙ্গে মিচেলের জুটিই তাদেরকে ম্যাচ জিতিয়ে দেয়। ৪৮ বলে ৪০ রান করে অপরাজিত থাকেন আগের ইনিংসেও দুর্দান্ত খেলে ম্যাচের মোড় ঘোরানো ফিলিপস। ৩৯ বলে ৩৫ রান করেন স্যান্টনার।
জৈন্তাপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় গোলাপগঞ্জের তরুণ নিহত
সিলেট তামাবিল মহাসড়কে বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন।
শনিবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল ৯ টায় জৈন্তাপুর উপজেলার সারিঘাট এলাকায় এ দূর্ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(প্রশাসন ও ক্রাইম) শেখ মোহাম্মদ সেলিম।
নিহত তানিম আহমদ (২০) গোলাপগঞ্জ উপজেলার পানি আগা গ্রামের বুদন উদ্দিনের ছেলে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তানিমের বন্ধু গোলাপগঞ্জ উপজেলার কাঠখাই গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে আবু নাহিদ (২০)।
নিহত তানিমের বন্ধু মুন্না জানান, জৈন্তাপুর উপজেলার শাপলা বিলের সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য শনিবার সকালে আমরা বন্ধু বান্ধবসহ বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল নিয়ে যাওয়ার পথে জৈন্তাপুরের সারিঘাট নামক স্থানে বাসের সাথে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। পরে আহত নাহিদ ও তানিমকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তানিমকে মৃত ঘোষণা করেন।
আপনাদের সেবা করাই আমার মূল কাজ: পরিকল্পনামন্ত্রী
পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি বলেছেন, শেখ হাসিনার মতো গ্রামের মানুষের জন্য আর কেউ এত কাজ করেনি। এখন গ্রামে রাস্তাঘাট, ব্রীজ, কালভার্ট, স্কুল-কলেজ, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, নিরাপদ পানির জন্য টিউবওয়েল, ল্যাট্রিন দেয়া হচ্ছে। মূল কথা হলো সকল প্রকার উন্নয়ন দিয়ে আমরা গ্রামকে শহরে রূপান্তর করা হবে। গ্রামাঞ্চলের মানুষের উন্নয়নে শেখ হাসিনা খুবই আন্তরিক। সাধারণ মানুষের উন্নয়নের জন্য যত ধরনের উন্নয়ন দরকার আমরা সব করবো। তাই নিজেদের স্বার্থে এই সরকারের সাথেই থাকতে হবে।
শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) বিকেলে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার সাবেক ছাত্রনেতাদের আয়োজনে ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত যুবসমাবেশ ও আনন্দর্যালী পরবর্তী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পুরো দেশ এখন উন্নয়নের আলোয় আলোকিত। দেশে এখন কোনো কিছুর অভাব নেই। জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গ্রামের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীসহ সারা দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। দেশের এই অভাবনীয় উন্নয়ন দেখে মানুষ খুশি। আগে সব জায়গায় বিদ্যুৎ ছিল না, এখন ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, বিদ্যুতের আলোয় সারা বাংলাদেশ হাসছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, আমি আপনাদের সন্তান। আমার কোন চাহিদা নেই। আমি গরীব দুঃখি মেহনতী মানুষের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিতে চাই। আপনাদের সেবা করাই আমার কাজ।আমি শেখ হাসিনার সাথে কাজ করে বলছি, তিনি হাওরাঞ্চলের মানুষকে ভালোবাসেন। তিনি চান হাওরাঞ্চলের উন্নয়ন হোক৷ তাই হাওরাঞ্চলের মানুষের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করতে আবার শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনতে হবে।
যুবসমাবেশে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিতাংশু শেখর ধর সিতুর সভাপতিত্বে ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম শিপনের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন- শান্তিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও পরিকল্পনামন্ত্রীর পুত্র সাদাত মান্নান অভি, সাধারণ সম্পাদক হাসনাত হোসেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান প্রভাষক নূর হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান দুলন রানী তালুকদার, জয়কলস ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল বাছিত সুজন, শিমুলবাক ইউপি চেয়ারম্যান শাহিনুর রহমান শাহিন, আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম, আসাদূর রহমান আসাদ, যুগ্ম সম্পাদক মোস্তফা মিয়া, দপ্তর সম্পাদক সেলিম রেজা, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক মনসুর আলম সুজন, সাবেক সভাপতি রয়েল আহমদ, সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তালুকদার, উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি দিলন আহমদ ও সাবেক যুগ্ম সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ৷
এরআগে যুব সমাবেশ উপলক্ষে একটি আনন্দ র্যালী শান্তিগঞ্জ বাজার থেকে শুরু হয়ে স্লোগানে স্লোগানে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে আলোচনা সভায় এসে মিলিত হয়।
কুলাউড়ায় জটিল রোগীকে ‘হাজীপুর সোসাইটি’র আর্থিক সহায়তা প্রদান
কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর সোসাইটির উদ্যোগে জটিল রোগে আক্রান্ত সুধীর মালাকারকে চিকিৎসার জন্য এক লক্ষ টাকার চেক প্রদান করা হয়েছে।
শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের দিঘলকান্দি গ্রামে সুধীর মালাকারের বাড়িতে গিয়ে তার হাতে চেক তুলে দেন প্রধান অতিথি হাজীপুর সোসাইটি কো-চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে নাদেল হাজীপুর সোসাইটির ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, সংগঠনটি জন্মলগ্ন থেকেই অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। আগামীতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমানের পরিচালনায় চেক বিতরণীতে বিশেষ অতিথি ছিলেন- সোসাইটির সহসভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম, কর্মধা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ রহমান আতিক, সোসাইটির সহ-সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক খালিক উদ্দিন, কার্যকরী পরিষদের সদস্য আব্দুল কুদ্দুস, অর্থ সম্পাদক একে শমছু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক হোসেন মনসুর উদ্দিন, হাজীপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন ও কর্মধা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নিত্য মল্লিক প্রমুখ।
জকিগঞ্জে নেতাকর্মীদের সাথে জাপা প্রার্থী শাব্বির আহমদের মতবিনিময়
সিলেট-৫ জকিগঞ্জ কানাইঘাট আসনের জাতীয় পার্টি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও জকিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাব্বির আহমদ দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন।
বৃহস্পতিবার রাত ৯ টায় জকিগঞ্জ শহরে পৌরসভা জাতীয় পার্টির সভাপতি আব্দুল কাদিরের সভাপতিত্বে ও উপজেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হেলাল লস্করের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাপা প্রার্থী শাব্বির আহমদ বলেন, জকিগঞ্জ-কানাইঘাট সংসদীয় আসন জাতীয় পার্টির দুর্র্গ। এখানকার মানুষ প্রয়াত আলহাজ্ব হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদকে ভালোবাসে। প্রতিটি পাড়ায় মহল্লায় জাতীয় পার্টির কর্মী সমর্থক রয়েছেন। উন্নয়নের জন্য জাতীয় পার্টির কোন বিকল্প নেই। সাধারণ মানুষ উন্নয়ন চায়। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্টি আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। সকল ধর্ম বর্ণের মানুষ আমাকে ভালোবাসে। জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন। অতীতের নির্বাচনে আমার ভালোবাসার প্রমাণও দিয়েছেন সাধারণ মানুষ। এবারও সেই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। জীবনের শেষ সময় মানুষের খেদমত করতে চাই। নির্বাচনের পরিবেশ এখনো ভালো রয়েছে। হস্তক্ষেপ মুক্ত নির্বাচন হলে আমি বিজয়ী হবো। বিগত ৪০ বছর থেকে এলাকার দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছি। আমার পরিশ্রমের টাকা সাধারণ মানুষের জন্য খরচ করেছি। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান থাকাকালে আশানুরূপ কাজ করতে পারিনি। সংসদে গেলে এ আসনের গণমানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারবো।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার ব্যাপক উন্নয়ন করেছে সেটা অস্বীকারের সুযোগ নেই। এখনো গ্রামগঞ্জে অনেক উন্নয়ন বাকি আছে। আমি অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করতে চাই। আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে আমার কাছে সাধারণ মানুষ যেতে পারবে। অতীতের মতোই সকল সুখ, দুঃখ বলতে পারবে। আমার দরজা সবসময়ই খেটেখাওয়া মানুষের জন্য খোলা আছে এবং থাকবে। রাজনীতি করে আমি অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি। ২০১৪ সালে আমার বাসায় বোমা হামলা করা হয়। গাড়ি পুড়িয়ে ফেলে দুর্বৃত্তরা। আমি নির্যাতিত ও জনবান্ধব মানুষ হিসেবে সাধারণ মানুষ আমাকে ভোট দেবেন।
জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, দলীয় মতানৈক্য ভুলে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে লাঙল মার্কাকে বিজয়ী করতে হবে। সাধারণ মানুষকে জাতীয় পার্টির ও আমার লক্ষ্য উদ্দেশ্যগুলো জানাতে হবে। জকিগঞ্জ-কানাইঘাট আসনে ঐক্যবদ্ধ জাতীয় পার্টিকে হারানো অসম্ভব।
এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহবায়ক নাজমুল ইসলাম, জাতীয় পার্টি নেতা ময়নুল ইসলাম, আজমল হোসেন, আলী আহমদসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউপি জাতীয় পার্টি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী।
কিছু বিপদগামী লোক নির্বাচন চায় না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, কিছু বিপদগামী লোক আছে, তারা নির্বাচন চায় না। নির্বাচন বানচাল করতে চায়। কারণ নির্বাচন হলে তারা বিজয়ী হতে পারবে না।
বিএনপির নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, তারা জনগনের কথা বলে না। জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে এটা বলে না। গাজাতে মানুষ মরছে এটা বলে না। তারা অমানুষ। তারা কেবল তাদের নেত্রীর মুক্তির কথা বলে।
শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সিলেটে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
জাতিসংঘে পাঠানো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠি গণমাধ্যমে ছাপা উচিত হয়নি উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, জাতিসংঘে পাঠানো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের থ্যাংকস লেটারটি (চিঠি) গণমাধ্যমে ছাপা উচিত হয়নি। যারা ছাপছে তারা দেশের শত্রুর মতো আচরণ করছে। প্রতি বছরই জাতিসংঘ সফর শেষে এ ধরনের চিঠি দেওয়া হয়। এটা একান্তই ব্যক্তিগত, এটি কীভাবে গণমাধ্যমে ছাপা হয় তা বোধগম্য নয়।
এ সময় পোশাক খাতে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এসব খামোখা। আমার কাছে এমন কোনো তথ্য নেই। কিছু বিপথগামী লোক নির্বাচন বানচাল করতে এসব কথা বলে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছেন।
জাতিসংঘে পাঠানো চিঠির বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা গিয়েছিলাম সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘে। সেই সময় অনেকের সঙ্গেই সাক্ষাৎ হয়। আমাদের একটি রেওয়াজ আছে যাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা হয়, দেখা-সাক্ষাৎ হয় তাদের একটি ধন্যবাদপত্র দেওয়ার। এবারও সেটাই হয়েছে। ধন্যবাদ দেওয়ার পাশাপাশি আমাদের যেসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে সেসব কথাবার্তা চিঠিতে উল্লেখ করা ছিল; যা একান্ত ব্যক্তিগত চিঠি। আর এটা খামোখা একটি পত্রিকা ছেপে দিয়েছে। এটা বড় লজ্জার বিষয়। আমি জানি না এটা কীভাবে হলো, আমাদের দেশে কিছু লোক আছে যারা দেশের শত্রুর মতো আচরণ করছে। বাহবা পাওয়ার জন্য যা পাচ্ছে তাই গণমাধ্যমে নিয়ে আসছে। এটা হওয়া উচিত নয়। এটা খুব দুঃখজনক।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, যারা এসব করছে তারা নির্বাচনকে ভয় পায়। তাদের জনসমর্থন নেই। তারা জনগণের জন্য কোনোদিন আন্দোলন করেনি। তারা তাদের প্রভুদের খুশি করতে গিয়ে গাজায় যে ধরনের মানবিক বিপর্যয় চলছে, হত্যাযজ্ঞ চলছে সেই বিষয়ে কোনো কথা বলছে না। এরা তো মানুষ নয়, অমানুষ।
মরণোত্তর দেহ দান করবেন স্পর্শিয়া!
বিনোদন ডেস্ক
মরণোত্তর দেহ দান করবেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী অর্চিতা স্পর্শিয়া। মৃত্যুর পরে তার দেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজে দান করা হবে।
তার হৃদযন্ত্রসহ প্রয়োজনীয় অঙ্গপ্রতঙ্গ অন্য রোগীর শরীরে প্রতিস্থাপন ও চিকিৎসাশাস্ত্রের প্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহারের জন্য তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) অর্চিতা স্পর্শিয়া পা রেখেছেন ৩০তম জন্মদিনে। এদিন তিনি ‘মরণোত্তর দেহদান’ করার ঘোষণা দেবেন আনুষ্ঠানিকভাবে।
স্পর্শিয়া বলেন, আমরা নানাভাবেই মানুষের উপকার করার চেষ্টা করি। এটাও আমার এক ধরনের উপকারের চিন্তা। এ বিষয়ে আমি অনেকদিন ধরেই পরিকল্পনা করেছি। মৃত্যুর পর আমার শরীরের অঙ্গপ্রতঙ্গ জীবিত রোগীর শরীরে প্রতিস্থাপন হবে, এরপর চিকিৎশাস্ত্রের প্রয়োজনে ব্যবহার করা হবে। এতে অন্য কোনো মানুষের উপকার হবে।
জানা গেছে, ইতোমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে স্পর্শিয়া চূড়ান্ত আলাপ করেছেন। তাই মৃত্যুর পরে দাফন নয়, কলেজ সংশ্লিষ্টরা তার মরদেহ নিয়ে যাবে ঢাকা মেডিকেলে।
অর্চিতা স্পর্শিয়া ২০১১ সালে শোবিজে পা রাখেন। ক্যারিয়ারের একযুগে অজস্র বিজ্ঞাপন, নাটক ও চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। সামনে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে বেশকিছু কাজ। নির্বাচনের পর মুক্তি পাচ্ছে তার নতুন সিনেমা ‘সুস্বাগতম’।
আজমিরীগঞ্জে দুই জুয়াড়ির কারাদন্ড
হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে অনলাইন ভিত্তিক ‘তীর শিলং’ জুয়া খেলার দায়ে দুই জুয়াড়িকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে।
এসময় তাদের কাছ থেকে জুয়া খেলায় ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ৭ টায় পৌরশহরের মধ্যবাজারের তিন্নি মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের পিছনের একটি কক্ষে অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো.শফিকুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ আদালতে আটককৃতদের এই দন্ডাদেশ প্রদান করেন। একই সাথে দন্ডপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে পঞ্চাশ টাকা করে অর্থদন্ড প্রদান করা হয়।
আটককৃতরা হলেন- পৌরসভার নগর গ্রামের আল্লাদ মিয়ার পুত্র মো.আলী আক্তার(৪০) এবং একই গ্রামের আলফু মিয়ার পুত্র আশিকুর রহমান (২৮)।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো.শফিকুল ইসলাম বলেন, অনলাইনে জুয়া খেলার দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে বংগীয় প্রকাশ্য জুয়া আইন ১৮৬৭ এর ৪ ধারা মোতাবেক তাদেরকে এই দন্ড প্রদান করা হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে আজমিরীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক জয়ন্ত কুমার তালুকদারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সার্বিক সহযোগীতা প্রদান করেন।
শেখ হাসিনার উন্নয়ন বার্তা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে: শফিক চৌধুরী
আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে সবাই নিরাপদ, শান্তি ও স্বস্তিতে থাকে, দেশও এগিয়ে যায়। দেশের এই উন্নয়ন যাত্রা অব্যাহত রাখতে এখন থেকে মানুষের ঘরে ঘরে যেতে হবে। মিথ্যা প্রচারণা ও গুজব প্রতিরোধের পাশাপাশি জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন বার্তা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে বলে আহবান জানিয়েছেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিলেট-২ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শফিকুর রহমান চৌধুরী।
তিনি শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় বিশ্বনাথ পৌর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
জনগণই আওয়ামী লীগের ক্ষমতার উৎস জানিয়ে শফিক চৌধুরী আরও বলেন, ‘আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আমাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার শক্তি আওয়ামী লীগের আছে। কেননা রাজপথই আমাদের শক্তি। আগামী নির্বাচন পর্যন্ত আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথেই থাকবো এবং জনগণের রায় নিয়ে চতুর্থবারের মত শেখ হাসিনাকে আবারও ক্ষমতায় আনবো।
বিশ্বনাথ পৌর আওয়ামী লীগের আহবায়ক আব্দুল জলিল জালালের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম আহবায়ক আলতাব হোসেন ও মহব্বত আলী জাহানের যৌথ পরিচালনায় বিশেষ বর্ধিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহ ফরিদ আহমদ, অ্যাডভোকেট শাহ মশাহিদ আলী, কার্যনির্বাহী সদস্য এএইচএম ফিরুজ আলী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহ আসাদুজ্জামান আসাদ, সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ, যুগ্ম সম্পাদক মকদ্দস আলী, উপ-দপ্তর সম্পাদক নূরুল হক, কার্যনির্বাহী সদস্য তপন কুমার দাশ, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলমগীর, কাউন্সিলর রফিক হাসান, মহানগর কৃষক লীগের সহ সভাপতি শেখ আজাদ, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক মুজিবুর রহমান।
বক্তব্য রাখেন পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য আব্দুল রোশন চেরাগ আলী, সাইদুল ইসলাম, পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বুলবুল, ৪নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল রহমান শাকিব, ৫নং ওয়ার্ডের যুগ্ম সম্পাদক তুরন চৌধুরী, ৬নং ওয়ার্ডের সহ সভাপতি করিব উদ্দিন আহমদ, ৭নং ওয়ার্ডের সভাপতি পরতাব আলী, ৯নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক শেখ মোশাহিদ আলী।
সভার শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি তাজুল ইসলাম। এসময় অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
