Home Blog Page 236

বিশ্বনাথ মুক্ত দিবস আজ

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

আজ ১০ই ডিসেম্বর। বিশ্বনাথ হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের আজকের এই দিনে দেশের অন্যান্য স্থানের মতো এই এলাকার মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি হায়েনা ও তাদের এদেশীয় দোসরদের পরাজিত করে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন। এর মাধ্যমে পাক হানাদার মুক্ত হয় বিশ্বনাথ উপজেলা। এরপর থেকে ১০ ডিসেম্বর বিশ্বনাথ মুক্ত দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

জানা যায়, ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর কুরুয়া, তাজপুর, দয়ামির, নাজিরবাজার, রশিদপুর শত্রুমুক্ত করে এসে মুক্তিযোদ্ধারা জানতে পারেন তৎকালীন বিশ্বনাথ থানার ওসি মো. আবুল হোসেন ও দারোগা আলী আহমদ এবং স্থানীয় রাজাকাররা স্বাধীনতার লাল সবুজের পতাকা উত্তোলন করতে দিচ্ছে না। এই সংবাদে উত্তেজিত হয়ে ৫নং সেক্টরের কোম্পানী কমান্ডার মো. আবদুন নূরের নেতৃত্বে একদল মুক্তিযোদ্ধা সরাসরি উপজেলা সদরে পৌঁছে তাদের আত্মসমর্পনে বাধ্য করতে প্রাণপণ চেষ্টা করেন।

এ সময় স্থানীয় রাজাকাররা পালিয়ে গেলে থানা পুলিশ আত্মসমর্পনে বাধ্য হয়। আত্মসমর্পনের ঘটনা গভীর রাত পর্যন্ত গড়ানোয় বিজয় পতাকা ওইদিন আর উত্তোলন করা হয়নি। ১০ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় বিশ্বনাথ থানা সদরের বর্তমান রামসুন্দর সরকারি অগ্রগামী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সমাবেশ করে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে বিশ্বনাথকে শত্রু মুক্ত ঘোষণা করেন ৫নং সেক্টরের কোম্পানী কমান্ডার মো. আবদুন নূর। এ সময় বিশ্বনাথ ইউনিয়নের মিরেরচর গ্রামের আবদুল মুতলিব বিএসসিকে থানা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়। সমাবেশে বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যক জনতা ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ শ্লোগান দিয়ে সমাবেশস্থলে যোগ দেন। পতাকা উত্তোলনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে গিয়ে বিলম্ব হওয়ায় পরদিন আবার সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

১১ ডিসেম্বর দৌলতপুর গ্রামের আবদুর রব চৌধুরী ওরফে সমুজ মিয়ার সভাপতিত্বে বিজয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ৫নং সেক্টরের কোম্পানী কমান্ডার মো. আবদুন নূর। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন একই সেক্টরের ল্যান্স নায়ক গোলাম মস্তফা। সমাবেশে স্থানীয় জনগণের পক্ষে বক্তব্য রাখেন মরমী কবি হাছন রাজার দৌহিত্র, সাবেক মন্ত্রী মরহুম দেওয়ান তৈমুর রাজা চৌধুরীর ছেলে দেওয়ান সমশের রাজা চৌধুরী, থানা প্রশাসক আবদুল মুতলিব বিএসসি, মিরেরচর গ্রামের আবদুল মন্নান মনাফ, চান্দশীর কাপন গ্রামের ইসকন্দর আলী সারং, একই গ্রামের কয়েছ চৌধুরী, মুফতিরগাঁও গ্রামের আকমল আলী, ধর্মদা গ্রামের তজম্মুল আলী, নোয়াগাঁও গ্রামের আছলম খান, রাজনগর গ্রামের একরাম মিয়া, নরসিংপুর গ্রামের আইন উল্লাহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

আধুনিক কাগজ/এমএইচ- ২

‘ব্ল্যাক ম্যাজিক’, ‘স্কোপোলামিন’ এবং ‘ধুতরা ফুলের বিষক্রিয়া’

স্বাস্থ্য ডেস্ক:

ধুতরা গাছের বৈজ্ঞানিক নাম এট্রোপিয়া বেলাডোনা (Atropa Belladona)। বেলাডোনা (Belladona) শব্দটি ইতালিয়। বেলা ‘Bella’ অর্থ সুন্দরী আর ডোনা ‘Dona’ শব্দের অর্থ ‘রমণী’। অর্থাৎ ‘সুন্দরী রমণী’। তৃতীয় বা চতুর্দশ শতকের দিকে ইতালিয় রানীরা নিজেদের চোখ এবং ত্বক’কে আকর্ষণীয় করতে ধুতরা ফলের রস চোখ ও ত্বকে ব্যবহার করতেন। এট্রোপিন থাকায় নাম এট্রোপা।

ধুতরার ফলের ‘Atropine’ যা চোখের মনি’কে বড়ো করে ( Dialated Pupil) ফলে চোখ চকচকে, মোহণীয়, এবং অপেক্ষাকৃত বড় দেখায়। আর ত্বকে ব্যবহার ত্বক হয় মসৃণ, নরম। রানী ক্লিওপেট্রা (Cleopatra) চোখের সৌন্দর্যে ধুতরা ব্যবহার করতেন বলে অনেক ঐতিহাসিক বলেন।

তবে দীর্ঘ ব্যবহারে এট্রোপিন এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় চোখ নস্ট হয়ে যায় বলে পরবর্তীতে এর ব্যবহার কমে আসে।

ধুতরার এমন ব্যবহারে উদ্ভিদ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস ধুতরার বৈজ্ঞানিক নাম দেন এট্রোপা বেলাডোনা (Atropa Belladona)।

ধুতরাপাতা ও ফলের উপাদান হলো আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক উপাদান হলো ‘স্কোপোলামিন’। এই ‘স্কোপোলামিন’কে নিশ্বাসের সাথে নিলে বা ত্বকের মাধ্যমে শোষিত হয়ে রক্তে মিশে দ্রুত ব্রেইনে পৌছে সাময়িক সময়ের জন্যে মানুষের ব্রেইন অকেজো হয়ে যায়। এতে মানুষ বোকার মতো হয়ে যায় (Stuporous Condition) , বিবেক বুদ্ধি বিবেচনা হারিয়ে ফেলেন ( Loss of Cognitive power)।

ক্ষেত্রবিশেষে তীব্র বিষক্রিয়ার প্রভাবে রোগী অনেক সময় উন্মাদের মতো শুরু আচরণ করতে পারেন। তার মধ্যে নানান সাইকিয়াট্রিক সিমটম (প্স্যছিয়াত্রিচ Symptoms) যেমন হ্যালুসিনেশন (Hallucination), ভ্রান্ত চিন্তা-ডিলিউসন (Delusion), গায়েবী শক্তির অধিকারী ভাবা (Delusion of Possession) অগোছালো কথাবার্তা (Disorganized Speech), অগোছালো কাজ (Disorganized Behaviour)।

অনেকের ধারণা শত্রুতা বশত: বন্ধুরুপী শত্রু অসৎ উদ্দেশ্যে নিয়ে ধুতরা ফলের রস খাবারে মিশিয়ে দেয়। ফলে রসে থাকা ক্ষতিকর স্কোপোলামিন রাসায়নিক এর প্রভাবে যাকে খাওয়ানো হয় বা ছোঁয়ানো হয় সে অত্যন্ত বাধ্য আচরণ করে, তার বিবেক বুদ্ধি, বিবেচনা লোপ পায়, উন্মাদের মতোও আচরণ করে। অজ্ঞতার আর কুসংস্কার এর জন্যে এ অবস্থাকে অনেকেই যাদু টোনা মনে করেন আর দুস্টু ভন্ড কবিরাজ, ভন্ড মোল্লা, তান্ত্রিক একে ব্ল্যাক ‘ব্ল্যাক ম্যাজিকে’ বলে চালিয়ে দেয়।

অনেক সময় ভন্ড তান্ত্রীক, ভন্ড সাধক, কবিরাজ, ভন্ড পীর, যাদু-চালান বা ব্ল্যাক ম্যাজিক এর কথা বলে মন্ত্র পড়ে ধুতরার ফলের পাউডার, রস হাতে দিয়ে বলে ‘টার্গেট’ কে খাইয়ে দিতে। ফলে ভিকটিম উন্মাদের মতো আচরণ করে।

ধুতরার স্কোপোলামিন কে কেনো শয়তানের নিশ্বাস বলা হয়?

ধুতরার স্কোপোলামিন দ্রুত ব্রেইনের ‘ব্লাড ব্রেইন বেরিয়ার’ (Blood Brain Barrier-BBB ) নামে একটি ছাকুনি বা পর্দা দিয়ে প্রবেশ করে আমাদের ব্রেইনের পৌছে যায়, ফলে ব্রেইনের কোষ তার স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা সাময়িক সময়ের জন্যে হারিয়ে ফেলে। এতে হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে যায়, আক্রান্ত রোগীর মাঝে নানান সাইকিয়াট্রিক সিমটম (প্স্যছিয়াত্রিচ Symptoms) যেমন হ্যালুসিনেশন (Hallucination), ভ্রান্ত চিন্তা-ডিলিউসন (Delusion), গায়েবী শক্তির অধিকারী ভাবা (Delusion of Possession) অগোছালো কথাবার্তা (Disorganized Speech), অগোছালো কাজ (Disorganized Behaviour), (Cognitive Impairment) দেখা দেয়।

এতে রোগী রোবটের মতো একান্ত বাধ্য আচরণ করে ক্রিমিনালের সকল আদেশ নিষেধ মানতে থাকে। সেই সুযোগে ক্রিমিনাল সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে নেয়, এমনকি শ্লীলতাহানিও করে। ক্রিমিনাল দের প্রধান টার্গেট থাকে কিশোরী,তরুণী, নারী। এজন্য একে শয়তানের নি:শ্বাস বলে।

দেহ থেকে স্কোপোলামিন বের হবার পর রোগী ধীরে ধীরে সব বুঝতে পারেন।। তবে বিষক্রিয়ার পরিমাণ বেশী হলে প্ভিকটিম মারা যেতে পারে। কোন কোন ঐতিহাসিক বলেন, আছে রোমান সাম্রাজ্যের শ্রেষ্ঠ সম্রাট সম্রাট অগাস্টাস (Augustus) কে ধুতরা পয়জনিং করে উন্মাদ বানিয়ে হত্যা করেন তার দ্বিতীয় স্ত্রী লিভিয়া (Livia) ।

এসব কারনেই স্কোপোলামিন’কে শয়তানের নি:শ্বাস বা ডেবিলস ব্রেথ ও বলা হয়।

ডা. সাঈদ এনাম
এম বি বি এস (ডিএমসি) এম ফিল (সাইকিয়াট্রি)
ব্রেইন, স্নায়ু ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।
সহকারী অধ্যাপক,
সিলেট মেডিকেল কলেজ।

ইন্টারন্যাশনাল ফেলো, আমেরিকান সাইকিয়াট্রিক এসোসিয়েশন।

আধুনিক কাগজ/এমএইচ- ১

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আপিল শুনানি শুরু আজ

আধুনিক কাগজ ডেস্ক :: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রার্থিতা বাতিলের বিরুদ্ধে আপিলের সময় শেষ হয়েছে শনিবার। একইসঙ্গে শেষ হয়েছে বৈধ প্রার্থীর বিরুদ্ধে আপিলের সময়সীমাও। আজ রোববার থেকে এসব আপিলের শুনানি শুরু করবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল নেতৃত্বাধীন কমিশন।

পাঁচ দিনে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ৫৬১টি আপিল জমা পড়েছে, যা একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে ১৮টি, অর্থাৎ তিন দশমিক ৩১ শতাংশ বেশি।

এ নির্বাচনে অংশ নিতে সারা দেশের ৭৪৭ স্বতন্ত্রসহ মোট ২ হাজার ৭১৬ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তারা এক হাজার ৯৮৫টি মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ৭৩১টি বাতিল ঘোষণা করেন। মনোনয়নপত্র বাতিলের হার ২৬ দশমিক ৯২ শতাংশ । আর বৈধ মনোনয়নপত্রের হার ৭৩ দশমিক শূন্য আট শতাংশ।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে ৩ হাজার ৬৫ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিল। পরে রির্টানিং কর্মকর্তাদের বাছাই শেষে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ ৭৮৬ জনের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছিল। প্রার্থিতা ফিরে পেতে মনোনয়নপত্র বাতিলের ও বৈধ প্রার্থীর প্রার্থিতা বিরুদ্ধে আপিল করেন ৫৪৩ জন। সেই হিসেবে, একাদশের চেয়ে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে ১৮টি আপিল বেশি পড়েছে।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হওয়া আপিলের মধ্যে ৩০টিরও বেশি আবেদন হয়েছে বৈধ ঘোষিত প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে। যার মধ্যে গতকাল শনিবার পড়েছে ১৯টি। আর গত শুক্রবার পড়েছিল ৮টি আপিল আবেদন।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে গতকাল ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম বলেন, গত পাঁচদিনে আপিল আবেদন গ্রহণ করে ইসি। এবার মোট ৫৬১টি আপিল আবেদন পড়েছে। এর মধ্যে বৈধ হওয়া প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল চেয়েও আবেদন করা হয়েছে।

ইসির তথ্যমতে, দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থিতা ফিরে পেতে ও বাতিল চেয়ে প্রথম দিন ৪২ জন, দ্বিতীয় দিন ১৪১ জন, তৃতীয় দিন ১৫৫ জন, চতুর্থ দিন ৯৩ জন এবং পঞ্চম দিনে ১৩০ জন আপিল করেছেন।

গাজায় প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৯ জনই অনাহারে: জাতিসংঘ

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক
ইসরায়েলের বর্বরোচিত বিমান হামলায় বিপর্যস্ত ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা। স্থল পথেও সেনা অভিযান চলার কারণে ভূখণ্ডটিতে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র মানবিক বিপর্যয়।

পরিস্থিতি এমন অবস্থায় পৌঁছেছে যে, গাজার মোট জনসংখ্যার অর্ধেকরও বেশি থাকছেন অনাহারে। জাতিসংঘ এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে। খবর বিবিসির।
গাজার অর্ধেক জনসংখ্যা অনাহারে রয়েছেন বলে জাতিসংঘের একজন ঊর্ধ্বতন ত্রাণ কর্মকর্তা সতর্ক করেছেন।
জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) ডেপুটি ডিরেক্টর কার্ল স্কাউ বলেছেন, গাজায় যে পরিমাণ সহায়তা প্রয়োজন তার খুব কম অংশই সেখানে সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে এবং গাজার ১০ জনের মধ্যে ৯ জন মানুষই প্রতিদিন খেতে পারেন না।
স্কাউ বলেন, গাজার চলমান পরিস্থিতির কারণে সেখানে সহায়তা সরবরাহ ‘প্রায় অসম্ভব’ হয়ে উঠেছে।
ইসরায়েল বলছে, হামাসকে নির্মূল করতে এবং ইসরায়েলি বন্দিদের ফিরিয়ে আনতে গাজায় বিমান হামলা চালিয়ে যেতে হবে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল রিচার্ড হেচট বলেছেন, কোনও বেসামরিক ব্যক্তির মৃত্যু এবং দুর্ভোগ আমাদের কাছে বেদনাদায়ক, তবে আমাদের কাছে আর কোনও বিকল্প নেই।
তার দাবি, ‘গাজা ভূখণ্ডের ভেতরে যতটা সম্ভব অগ্রগতি অর্জন করতে আমরা সবকিছু করছি।’
উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে ঢুকে হামাসের নজিরবিহীন হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।
মাঝে হামাসের সঙ্গে এক সপ্তাহব্যাপী মানবিক বিরতির পর গত সপ্তাহ থেকে গাজা উপত্যকায় পুনরায় বিমান ও স্থল হামলা শুরু করে ইসরায়েল। বিরতির পর শুরু হওয়া এই অভিযানে গাজায় হামলা আরও তীব্র করেছে দখলদার সেনারা।
গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করার পর থেকে সেখানে কমপক্ষে ১৭ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরও ৪৬ হাজার মানুষ বেশি আহত হয়েছেন।
নিহত এসব ফিলিস্তিনিদের মধ্যে কমপক্ষে ৭ হাজার ১১২ জন শিশু এবং ৪ হাজার ৮৮৫ জন নারী রয়েছেন। এছাড়া ভূখণ্ডটিতে এখনও প্রায় ৭ হাজার ৬০০ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

দেশের কুড়িগ্রামের তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি রেকর্ড

শীতের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় ঠান্ডার জবুথবু হয়ে পড়েছে উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামে মানুষ। রবিবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে কুড়িগ্রাম আবহাওয়া অফিস জানায়, রোববার সকাল ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
দেখা গেছে, শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে পরদিন (রোববার) সকাল পর্যন্ত কুয়াশায় ঢাকা গোটা জনপদ। শীতবস্ত্রের অভাবে বিপাকে পড়েছে নদ নদী তীরবর্তী চর ও দ্বীপ চরের মানুষজন। নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি থেকে জেলায় শীত অনুভূত হচ্ছে। ধীরে ধীরে এর তীব্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে গত এক সপ্তাহ থেকে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে উঠানামা করছে।
শীত নিবারণের জন্য মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করলেও নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া ও শ্রমজীবী মানুষগুলো শীতবস্ত্র সংগ্রহ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে।
রাজারহাট উপজেলার নাজিম খান ইউনিয়নের রমজান আলী বলেন, কয়েকদিন থেকে খুবই শীত। সকালে এত শীত পড়েছে যে রাস্তা দেখায় যায় না। এরকম ঠান্ডা ও শীত হলে আমার মতো বয়স্ক মানুষগুলোর সমস্যা।
জানা গেছে, শীতার্ত মানুষের জন্য জেলা প্রশাসন থেকে ৯ উপজেলা ও ৩ পৌরসভায় ৩১ হাজার কম্বল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসকের ত্রাণ ভান্ডারে মজুত রয়েছে আরও ১৫ হাজার কম্বল।

দেশের কুড়িগ্রামের তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি রেকর্ড

শীতের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় ঠান্ডার জবুথবু হয়ে পড়েছে উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামে মানুষ। রবিবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে কুড়িগ্রাম আবহাওয়া অফিস জানায়, রোববার সকাল ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
দেখা গেছে, শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে পরদিন (রোববার) সকাল পর্যন্ত কুয়াশায় ঢাকা গোটা জনপদ। শীতবস্ত্রের অভাবে বিপাকে পড়েছে নদ নদী তীরবর্তী চর ও দ্বীপ চরের মানুষজন। নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি থেকে জেলায় শীত অনুভূত হচ্ছে। ধীরে ধীরে এর তীব্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে গত এক সপ্তাহ থেকে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে উঠানামা করছে।
শীত নিবারণের জন্য মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করলেও নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া ও শ্রমজীবী মানুষগুলো শীতবস্ত্র সংগ্রহ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে।
রাজারহাট উপজেলার নাজিম খান ইউনিয়নের রমজান আলী বলেন, কয়েকদিন থেকে খুবই শীত। সকালে এত শীত পড়েছে যে রাস্তা দেখায় যায় না। এরকম ঠান্ডা ও শীত হলে আমার মতো বয়স্ক মানুষগুলোর সমস্যা।
জানা গেছে, শীতার্ত মানুষের জন্য জেলা প্রশাসন থেকে ৯ উপজেলা ও ৩ পৌরসভায় ৩১ হাজার কম্বল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসকের ত্রাণ ভান্ডারে মজুত রয়েছে আরও ১৫ হাজার কম্বল।

ইসরায়েলগামী সকল জাহাজে হামলার হুমকি হুথিদের

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক
ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথি হুমকি দিয়েছে ইসরায়েলগামী সকল জাহাজে হামলা করবে তারা, এ ব্যাপারে ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানিকে সতর্কও করেছে গোষ্ঠীটি।
রয়টার্স এর এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, জাতীয়তা নির্বিশেষে ইসরায়েলগামী সকল জাহাজকে হামলার লক্ষ্যবস্তু করা হবে বলে শনিবার হুঁশিয়ারি দিয়ে একইসঙ্গে ইসরায়েলি বন্দরগুলোতে যাওয়া ও সেখানে কর্মকাণ্ড পরিচালনার বিরুদ্ধে সমস্ত আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানিকে সতর্ক ইয়েমেনের হুথি আন্দোলন।
হুথি গোষ্ঠীর একজন সামরিক মুখপাত্র বলেছেন, যদি গাজা তার প্রয়োজনীয় খাদ্য ও ওষুধ না পায়, তাহলে লোহিত সাগরে ইসরায়েলি বন্দরগুলোর দিকে যাওয়া সমস্ত জাহাজ তাদের জাতীয়তা নির্বিশেষে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।
এর আগে ইয়েমেনি এই যোদ্ধারা বাব আল-মান্দেব প্রণালীতে ইসরায়েলি বেশ কয়েকটি জাহাজ আক্রমণ চালানোর পাশাপশি জব্দও করেছে। এছাড়া ইসরায়েলে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং সশস্ত্র ড্রোন নিক্ষেপও করেছে তারা।

তফসিল স্থগিত চেয়ে করা রিটের আদেশ আজ

রোববার (১০ ডিসেম্বর) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বিষয়ে আদেশ দেবেন। রিটটি হাইকোর্টের কার্যতালিকার ৫ নম্বরে রাখা হয়েছে।
একটি সংসদ বহাল থাকা অবস্থায় আরেকটি সংসদ নির্বাচনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত ২৯ নভেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ। রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিবসহ ৭ জনকে বিবাদী করা হয়।
এরপর গত ৪ ডিসেম্বর রিটের শুনানি শেষ হয়। একইসঙ্গে আদেশের জন্য ১০ ডিসেম্বর দিন ধার্য করা হয়।
সেদিন আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইউনূস আলী আকন্দ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। তাকে সহযোগিতা করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ।
এর আগে, গত ২৮ নভেম্বর সংসদ নির্বাচনের তারিখ পেছানোর দাবি করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালকে আইনি নোটিশ পাঠান ইউনুছ আলী আকন্দ।
নোটিশে বলা হয়, দেশে হরতাল-অবরোধ চলছে। এ অবস্থায় সুষ্ঠু ভোট করা সম্ভব নয়। এ ছাড়া হরতাল-অবরোধের ফলে দেশে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তাতে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুত নয়। এ অবস্থায় নির্বাচনের তারিখ পিছিয়ে পুনরায় তফসিল ঘোষণা করতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি দাবি জানানো হয়।
প্রসঙ্গত, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণে আগামী ৭ জানুয়ারি তারিখ রেখে গত ১৫ নভেম্বর তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

‘ছামির মাহমুদ প্রবাসে গিয়েও স্বদেশ, গণমানুষ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করবেন’

‘ছামির মাহমুদ একজন দায়িত্বশীল সাংবাদিক, সমাজকর্মী। তিনি নিষ্ঠার সাথে তার দায়িত্ব পালন করেছেন। দেশ, গণমানুষ ও সমাজের কল্যাণে তিনি কাজ করেছেন, প্রবাসে গিয়েও তিনি সেই ধারা অব্যাহত রাখবেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি সাংবাদিক নেতা হিসেবেও ছিলেন জনপ্রিয়। তেমনি পারিবারিকভাবেও ছিলেন দায়িত্ববান।’

সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জাগোনিউজ ২৪ ডটকম’র নিজস্ব প্রতিবেদক ছামির মাহমুদের সপরিবারে যুক্তরাজ্য যাত্রা উপলক্ষে ‘সুহৃদ আড্ডা’য় বক্তারা এসব কথা বলেন। ‘ছামির মাহমুদের বন্ধু-স্বজন, অনুরাগীবৃন্দ’ ব্যানারে আয়োজিত সুহৃদ আড্ডায় সূচনা বক্তব্য রাখেন- আজকের পত্রিকার সিলেট ব্যুরো প্রধান ইয়াহইয়া মারুফ।

কবি ও শিক্ষক সঞ্জয় কুমার নাথের সঞ্চালনায় বক্তারা আরও বলেন, আমরা একজন অভিভাবককে যেন দূরে ঠেলে দিচ্ছি। যিনি সবসময় আমাদের আগলে রাখতেন। দেশ, দশ ও পরিবেশের প্রতি তার টান সবসময় আমাদেরকে মিস করাতে বাধ্য করবে। দেশের ন্যায় প্রবাসেও তিনি সাংবাদিকতায় থাকবেন। নিজের দায়বদ্ধতা থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করবেন।
ছামির মাহমুদের মতো যারা চলে যাচ্ছেন, তারা নিজেকে ভালো রাখার পাশাপাশি দেশকে ভালো রাখেন। তারা সেখানে গেলেও দেশকে ভুলেন না৷ দেশের কল্যাণের জন্য বিভিন্নভাবে কাজ করেন।
ছামির মাহমুদ ছিলেন একজন পরিবেশ আন্দোলনকারী। তিনি পরিবেশ রক্ষায় সবসময় কাজ করেছেন।
বক্তারা আরও বলেন, কবি ও সাংবাদিকের পাশাপাশি ছামির মাহমুদ একজন বিশ্বাসী। এইরকম মানুষ চলে গেলে আমরা বৃহৎ শূন্যতা অনুভব করবো। খারাপ লাগলেও নিজের এবং পরিবারের স্বপ্ন পূরণের জন্য তাকে সেখানে যেতে হচ্ছে। দোয়া করি সেখানে ভালো থাকেন।

শনিবার সন্ধ্যায় নগরের জিন্দাবাজারের গ্রন্থবিপনী ‘বাতিঘর’-এ সুহৃদ আড্ডা বক্তব্য রাখেন- সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষক আল আজাদ, সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এমাদুল্লাহ শহিদুল ইসলাম শাহীন, জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসিনা বেগম চৌধুরী, শাবিপ্রবির অধ্যাপক ড. নাজিয়া চৌধুরী, ঐতিহ্যবাহী এমসি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি নজরুল ইসলাম, জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মুক্তাদির আহমদ মুক্তা, সম্মিলিত নাট্য পরিষদের সভাপতি রজত কান্তি গুপ্ত, কবি ও সাংবাদিক মুহিত চৌধুরী, কবি বিধুভূষণ ভট্টাচার্য, বাপা সিলেটের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম কিম, নাট্য ব্যক্তিত্ব শামসুল বাসিত শেরো, মু. আনোয়ার হোসেন রনি, লেখক আলেয়া রহমান, বেতার সিলেট কেন্দ্রের সহকারী পরিচালক প্রদীপ চন্দ্র দাস, সংগঠক প্রণব পাল, লোকসংস্কৃতি গবেষক ও ব্যাংকার পার্থ তালুকদার, ব্যাংকার রাজু আহমদ।

উপস্থিত ছিলেন- লোকসংস্কৃতি গবেষক ও সাংবাদিক সুমন কুমার দাশ, লেখক রণদীপন বসু, গল্পকার সেলিম আওয়াল, দৈনিক একাত্তরের কথার চিফ রিপোর্টার মিসবাহ উদ্দিন আহমদ, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মিঠু দাস জয়, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা সাজলু লস্কর, শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সম্পাদক মামুন আহমদ, জাগোনিউজ ২৪.কমের সিলেট প্রতিনিধি আহমদ জামিল, বিডিনিউজ২৪.কমের সিলেট প্রতিনিধি বাপ্পা মৈত্র, মাই টিভির সিলেট প্রতিনিধি মৃনাল কান্তি দাশ, দৈনিক আধুনিক কাগজের চিফ রিপোর্টার জিকরুল ইসলাম, জাগো নিউজ২৪ডটকমের আহমেদ জামিল, আমার সংবাদের সিলেট প্রতিনিধি মুহাজিরুল ইসলাম রাহাত, ভোরের ডাকের সিলেট প্রতিনিধি আব্দুল হান্নান, আজকের পত্রিকার সিলেট প্রতিনিধি লবীব আহমেদ, শাবিপ্রবি প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক নাঈম আহমদ শুভ, বিডিনিউজ২৪.কমের শাবিপ্রবি প্রতিনিধি মো. নুমান মিয়া, সিকৃবির সাংবাদিক মাহমুদুর রহমান সহ সিলেটের শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিভিন্ন পেশাজীবি সংগঠনের শতাধিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা পর্ব শেষে শিল্পী ইকবাল সাঁই ও লিংকন দাস গান পরিবেশন করেন।

সিলাম ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব’র কর্মীসভা

দক্ষিণ সুরমা প্রতিনিধি:

আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিলেট ৩ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব এর কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

দক্ষিণ সুরমা উপজেলার ৫নং সিলাম ইউনিয়নে রাত ৮ঃ৩০ ঘটিকায় এই কর্মী সভা  শুরু হয় ।

উক্ত কর্মী সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট ৩ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব।

এসময় উপস্থিত ছিলেন – সিলাম ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আহবায়ক আব্দুল হাই আতিক, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শামীম আহমদ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বদরুল ইসলাম, সিলাম ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নিজামুল কবির লিটন, উপজেলা সেচ্ছাসেবকলীগ এর সভাপতি নিজাম উদ্দিন, জেলা ছাত্রলীগের সদস্য আব্দুর রহমান সহ আরো উপস্থিত ছিলেন সাজু মিয়া লাকী নোমান।  এছাড়াও সিলাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, ছাত্র লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ।

নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বলেন, সিলেট ৩ আসনে হাবিবুর রহমান হাবিব কে নির্বাচিত করার জন্য কাজ করে যাবেন এবং এর জন্য নেতৃবৃন্দকে সংগঠিত হতে হবে ।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, গত উপ নির্বাচনে আপনারা আমার জন্য কাজ করে নির্বাচনে জয়ী করে সংসদে পাঠিয়েছেন এবারও একইভাবে কাজ করার আহবান জানান এবং আরো বলেন নৌকার বিজয়ের মাধ্যমে আবারও শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে পরিশেষে তিনি বলেন ৩ আসনের উন্নয়নে আরো কাজ করে যাবেন এবং নান্দনিক সিলেট ৩ উপহার দিবেন ।