Home Blog Page 21

মেজর থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত দুই শিশুর পাশে শাবিপ্রবির স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘কিন’ ‎

0

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি:

মেজর থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত দুই শিশুর চিকিৎসায় পাশে দাঁড়িয়েছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) অন্যতম স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘কিন’।বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস চালক মনসুর আলীর দুই সন্তান আবদুল্লাহ ও হাবিবুল্লাহর চিকিৎসার জন্য সংগঠনের পক্ষ থেকে ১ লক্ষ ১৫ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। ‎

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকাল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চেক তুলে দেন কিনের উপদেষ্টা ও পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. জায়েদা শারমিন চৌধুরী।

জানা যায়, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জুনতলায় ১০ দিনব্যাপী এক বিশাল বইমেলার আয়োজন করেছিল ‘কিন’। দেশের খ্যাতনামা বিভিন্ন প্রকাশনীর অংশগ্রহণে বইপ্রেমীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছিল সেই মেলা। সেই উৎসব থেকে অর্জিত লভ্যাংশের পুরো অর্থই থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত এই দুই শিশুর চিকিৎসায় ব্যয় করা হচ্ছে। ‎

কিনের তরুণ স্বেচ্ছাসেবকদের প্রশংসা করে অধ্যাপক ড. জায়েদা শারমিন চৌধুরী বলেন, “মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে কিন যেভাবে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করে যাচ্ছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবীরা পড়াশোনার পাশাপাশি আশেপাশের সুবিধাবঞ্চিত ও এতিম বাচ্চাদের পড়াশোনা করাচ্ছে। আমি তাদের জন্য গর্বিত যে, তারা শিক্ষার্থী হয়েও এই অল্প বয়সে এত বড় দায়িত্ব নিচ্ছে।”

‎ তিনি আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আসার উদ্দেশ্য শুধু একটা সার্টিফিকেট নিয়ে যাওয়া নয়, বরং মানুষ হিসেবে সমাজের প্রতি আমাদের যে দায়িত্ব রয়েছে তা পালন করা। সহায়তার পরিমাণ খুব বড় না হলেও, আশা করছি এটি চিকিৎসায় সামান্যতম হলেও কাজে আসবে।” ‎

কিনের সভাপতি আরিফুল ইসলাম আরিফ বলেন, “’কিন বই উৎসব’ শুধুমাত্র একটি বইমেলা নয়, এটি মানবতার জন্য একটি সম্মিলিত প্রয়াস। বইপ্রেমীদের অংশগ্রহণ ও সবার সহযোগিতায় আমরা প্রতিবছর অসচ্ছল মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ পাই। ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আমরা আশাবাদী।” ‎

‎খেলায় শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় শাবিপ্রবিকে বিজয়ী ঘোষণা, আরও যেসব সিদ্ধান্ত

0

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি:

‎‎আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল প্রতিযোগিতা চলাকালীন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ম্যাচে সংঘটিত এ ঘটনায় শাবিপ্রবির এক শিক্ষার্থীকে মারধর করে রক্তাক্ত করেছেন রাবির দলের সদস্যরা। এ ঘটনায় তিনটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

‎‎বৃহস্পতিবার(১৪ মে) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. মোখলেসুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ‎‎

তিনি জানান, “চবি কর্তৃপক্ষ থেকে সিদ্ধান্তের বিষয়গুলো রাতে মুঠোফোনে কল দিয়ে জানানো হয়েছে। “‎‎

প্রক্টর বলেন, “সংঘর্ষের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। এই বিষয়ে তিনটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথমত, রাবির বিপক্ষে শাবিপ্রবির দলকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।

‎‎দ্বিতীয়ত, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলোয়াড় অভিমালো (জার্সি নং ১১) কে অখেলোয়াড় সুলভ ও মারমুখি আচরণের কারণে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়। একইসাথে ঘটনার পরিক্রমায় সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ায় শাহরুল ইসলাম (জার্সি নং ৫) কে সতর্ক করার জন্যও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয় ।

‎‎তৃতীয়ত,অখেলোয়াড়ী সুলভ আচরণের জন্য শাবিপ্রবি দলের দুইজন খেলোয়াড় ফারহান তামিম দিপ্ত (জার্সি নং ২২) এবং আসাদুল হাবিব (জার্সি নং ১১) কে উক্ত টুর্নামেন্টের পরবর্তী সকল খেলা থেকে বহিষ্কার করা হয়। ‎‎”

‎জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২নং মাঠে অনুষ্ঠিত খেলায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ১-০ গোলে এগিয়ে থাকে। খেলা শেষ হওয়ার ২মিনিট পূর্বে শাবিপ্রবি রাবির বিপক্ষে ফ্রি-কিক পায়। ফ্রি কিকের প্রস্তুতির সময়ে হঠাৎ করে রাবির খেলোয়াড় অভিমালো শাবিপ্রবির খেলোয়াড় সাব্বির হোসেন কে কোন প্রকার উস্কানি ছাড়া ঘুষি মারে। এমতাবস্থায় সাব্বির রক্তাক্ত হয় হাসপাতালে নিয়ে চোখের উপরে কপালে তাকে চারটি সেলাই দিতে হয়। এঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয় এবং উক্ত খেলাটি অমিমাংসিত অবস্থায় শেষ হয়।

স্বপ্নের সংসারে যাত্রা স্বপ্নার

0

আধুনিক রিপোর্ট ::

স্বপ্না আক্তারের কাছে সবকিছুই স্বপ্নের মতো লাগছিলো। ১৪ বছর আগে মাত্র চার বছর বয়সে রেল স্টেশনে কুড়িয়ে পাওয়া যে মেয়েটির ঠিকানা হয়েছিলো শিশু পুনবার্সন কেন্দ্রে। বুধবার (১৩ মে) জাকজমকপূর্ণ আয়োজনে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছে সেই মেয়েটি। সিলেটের সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র থেকে নিজের সংসারে যাত্রা করলেন স্বপ্না। যে প্রতিষ্ঠান একদিন স্বপ্নাকে আশ্রয় দিয়েছিল, সেই শিশু পুনবার্সন কেন্দ্রই স্বপ্নের সংসারে যাত্রার সাক্ষী হলো।। সেখানেই অনুষ্ঠিত হয় বিয়ের আয়োজন।

বিয়ের পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল আন্তরিকতা  আর দায়িত্ববোধের মিশেল। সাজসজ্জা, অতিথি আপ্যায়নসহ বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা—সবকিছুই ছিলো। বিদায়বেলা তৈরি হয়েছিলো আবেগঘন পরিবেশের।, পরিবারহীন মেয়েটিকে তার নিজের পরিবারে তুলে দেওয়ার সময় অনেকেরই চোখে জল জমে। খোদ নগরের প্রধান কর্তাও উপস্থিত ছিলেন বিয়ের আয়োজনে। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী ছবিও তুলেন বর-কনের সঙ্গে।  

সমাজসেবা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, স্বপ্নাকে উদ্ধার করার পর তার আশ্রয় হয় সিলেটের শিবগঞ্জ লামাপাড়ায় সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রে। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তার বাবা-মা দুজনেই মারা গেছেন। ফলে তাকে আর পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়নি। পুনর্বাসন কেন্দ্রেই বেড়ে ওঠেন স্বপ্না। তাকে স্কুলে ভর্তি করা হয়।  ২০২৫ সালে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণও হন তিনি। বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, স্বপ্নার বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার পর তার সম্মতি নিয়েই বিয়ের আয়োজন করা হয়েছে। পাত্র ইলেকট্রিকের ঠিকাদারি কাজ করেন। বিয়েতে বিভিন্ন  ব্যক্তি ও  প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে স্বপ্নাকে প্রায় দুই লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে, যা স্বপ্নার নামে এফডিআর করে রাখা হবে।

‎শাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের আবাসিক হল থেকে জোরপূর্বক বের করার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন‎

0

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি‎‎:

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) আবাসিক হল থেকে শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক বের করে দেওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ‎‎

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়।‎

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, গতবছরে ২৬ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো থেকে শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক বের করে দেওয়ার একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের লক্ষ্যে প্রশাসন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

‎‎বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. আহমদ কবির চৌধুরীকে আহ্বায়ক করে ৫ সদস্যের এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. মোখলেসুর রহমান, ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, শাহপরাণ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইফতেখার আহমদ ও ফাতিমা তুজ জাহরা হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইসমত আরা।

‎‎এর আগে বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাজেদুল করিম বরাবর একটি স্মারকলিপি জমা দেন শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এবং ৪৮ কর্মঘণ্টার মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করে বিচারের দাবি জানান তারা।‎

‎সিলেটে মেঘনা ব্যাংকের ১৩তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

0

‎শাবিপ্রবি প্রতিনিধি: ‎‎

বাংলাদেশের চতুর্থ প্রজন্মের অন্যতম বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক মেঘনা ব্যাংক পিএসসির ১৩তম বর্ষপূর্তি উদযাপন করা হয়েছে।

‎‎রোববার (১০ মে) বিকালে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গেট সাব ব্রাঞ্চের উদ্যোগে কেক কেটে বর্ষপূর্তি উদযাপন করা হয়।‎‎

এসময় মেঘনা ব্যাংক পিএলসি শাবিপ্রবি গেট সাব ব্রাঞ্চের অফিসারবৃন্দ, ব্যাংকের গ্রাহক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা উপস্থিত ছিলেন। ‎‎

প্রসঙ্গত, মেঘনা ব্যাংক পিএলসি ২০১৩ সালের ৯ মে “Together We Sail” স্লোগান নিয়ে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে সত্তরউর্ধ্ব শাখা-উপশাখা নিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা প্রদান কর যাচ্ছে ব্যাংকটি।

বাংলাদেশ রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থার দুই দিনব্যাপি ‘জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত উৎসব’ সম্পন্ন

0

‘রথের চাকার রবে জাগাও জাগাও সবে, আপনার ঘরে এসো বলভরে, এসো এসো গৌরবে’—এই প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থার আয়োজনে দুই দিনব্যাপী ৩৭তম (সপ্তত্রিংশ) জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত উৎসব’ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

২৫ ও ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (৮ ও ৯ মে ২০২৬) ঢাকার আগারগাঁওস্থ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে এই উতসব অনুষ্ঠিত হয়।

উৎসবের উদ্বোধন করেন একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট কথাশিল্পী অধ্যাপক আনোয়ারা সৈয়দ হক। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থার পক্ষ থেকে ‘কলিম শরাফী পুরস্কার ও সম্মাননা’ প্রদান করা হয় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিক, দেশবরেণ্য শিল্পী তিমির নন্দী-কে।

বাংলাদেশ রবীন্দ্রশিল্পী সংস্থার প্রচার সম্পাদক শিল্পী খোকন চন্দ্র দাস জানিয়েছেন,এবারের উৎসব সদ্যপ্রয়াত উপমহাদেশের বরেণ্য ও কিংবদন্তী শিল্পী আশা ভোঁসলে, প্রয়াত প্রবীণ রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী শাহজাহান হাফিজ এবং সদ্যপ্রয়াত স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা, বিশিষ্ট নজরুলসঙ্গীত শিল্পী ডালিয়া নওশীন-এর স্মৃতির প্রতি উৎসর্গ করা হয়েছে।দুই দিনব্যাপী এই উৎসবে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত প্রায় দুই শতাধিক প্রতিষ্ঠিত ও প্রতিশ্রুতিশীল শিল্পী একক ও সমবেত কণ্ঠে রবীন্দ্রসঙ্গীত পরিবেশন করেন। পাশাপাশি মঞ্চায়িত হয়েছে নৃত্য, আবৃত্তি ও গীতি আলেখ্য। রবীন্দ্রনাথের নানা ভাবনা চিন্তার নানারস মঞ্চায়নের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত এবং বর্ণাঢ্য মিলনমেলায় রূপ নিয়েছে।এই অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগত সম্মানিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বিশিষ্ট রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী এবং রবীন্দ্রসঙ্গীতের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন উৎসবে অংশগ্রহণ করেছে।বিভিন্ন সংগঠনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল সংগীতাঞ্জলি, বুলবুল ললিতকলা একাডেমীর বিভিন্ন শাখা, উত্তরায়ণ, বিশ্ববীণা, সুরতীর্থসহ বেশ কয়েকটি স্বনামধন্য রবীন্দ্র সংগীত সংগঠন।

দুই দিনের আয়োজনে দেশবরেণ্য শিল্পী তিমির নন্দী, রফিকুল আলম, বুলবুল ইসলাম, লিলি ইসলাম,লাইসা আহমেদ লিসা, খন্দকার খায়রুজ্জামান কাইয়ুম, পীযূষ বড়ুয়া সহ বিভিন্ন শিল্পী একক ও সমবেত সংগীত পরিবেশন করেন।প্রতিদিন সকাল ১০টায় প্রাতঃকালীন এবং বিকেল ৪টায় সান্ধ্যকালীন অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে বাংলাদেশ রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থার প্রচার সম্পাদক খোকন চন্দ্র দাস বলেন, রবীন্দ্রচর্চা ও রবীন্দ্রসঙ্গীতের শুদ্ধ ধারাকে সকল জেলায় ছড়িয়ে দিতে বাংলাদেশ রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থা কাজ করে যাচ্ছে। দেশব্যাপী শিল্পীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই উৎসব আমাদের দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেকে আরো সমৃদ্ধ করবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

বাংলাদেশ রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থার সভাপতি বিশিষ্ট রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী তপন মাহমুদ, নির্বাহী সভাপতি আমিনা আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক পীযূষ বড়ুয়া এবং প্রচার সম্পাদক খোকন চন্দ্র দাসসহ সকল কার্যনির্বাহী সদস্যবৃন্দের সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

শান্তিগঞ্জের পাগলা বাজারে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন শুরু

0

শান্তিগঞ্জ প্রতিনিধি:

“লেনদেন হচ্ছে ক্যাশলেস, এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে পূবালী ব্যাংক (পিএলসি)-এর পাগলা বাজার শাখার উদ্যোগে র‍্যালি ও ক্যাশলেস ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে।

সোমবার (১১ মে) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলার পাগলা বাজার সংলগ্ন পূবালী ব্যাংক শাখা প্রাঙ্গণ থেকে একটি সচেতনতামূলক র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি পাগলা বাজারের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ব্যাংক শাখায় গিয়ে শেষ হয়। পরে এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিন দিনব্যাপী ক্যাশলেস ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পূবালী ব্যাংকের সিলেট পশ্চিম অঞ্চলের প্রধান ও ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. রুহুল আমিন।

পাগলা বাজার শাখার ম্যানেজার কামরুল ইসলাম-এর সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী ময়না মিয়া, হাজি সুফি মিয়া, দুদু মিয়া, হাসেন চৌধুরী, আকলুস আলীম, জাহিদ এন্টারপ্রাইজের স্থানীয় প্রতিনিধি ফরমান উদ্দিন, গণমাধ্যমকর্মী জামিউল ইসলাম তুরান, কুহিনূর রহমান নাহিদ, ব্যবসায়ী আল হেলাল, জাকির হোসেনসহ স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পাগলা বাজার শাখার কর্মকর্তারা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. রুহুল আমিন বলেন, “স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ক্যাশলেস লেনদেন বা নগদবিহীন ব্যাংকিংয়ের কোনো বিকল্প নেই। কিউআর কোড, কার্ড কিংবা অনলাইন অ্যাপের মাধ্যমে লেনদেন করলে একদিকে যেমন সময় সাশ্রয় হয়, অন্যদিকে তা অনেক বেশি নিরাপদ ও স্বচ্ছ।”

ক্যাম্পেইন চলাকালে পূবালী ব্যাংকের পক্ষ থেকে সাধারণ গ্রাহক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ক্যাশলেস ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহার, কিউআর কোড জেনারেট করা এবং ডিজিটাল পেমেন্টের বিভিন্ন সুবিধা সম্পর্কে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

আয়োজকরা জানান, তিন দিনের এ ক্যাম্পেইনটি পাগলা বাজারে পরিচালিত হবে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণের প্রবণতা বাড়বে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

‎শাবিপ্রবিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘এশিয়া পোস্ট’-এর উদ্বোধন কর্মসূচি পালিত‎

0

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি:

‎‎সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সাথে মিল রেখে অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘এশিয়া পোস্ট’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে৷

‎‎এ উপলক্ষে সোমবার (১১ মে) বেলা সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব কার্যালয়ে কেক কেটে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এম. সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন৷

‎‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, “একটি উন্নয়নশীল দেশের অগ্রযাত্রায় সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা অপরিসীম। এশিয়া পোস্ট নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এই প্রত্যাশা থাকবে। আমি এই পোর্টালটির উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি।”

‎‎বিশেষ অতিথির বক্তব্য উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম বলেন, “তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা অত্যন্ত জরুরি। আশা করি, ‘এশিয়া পোস্ট’ কেবল সংবাদ পরিবেশনই করবে না, বরং সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরে গঠনমূলক ভূমিকা রাখবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিবাচক অর্জনগুলো বিশ্বদরবারে পৌঁছে দেবে।”‎‎

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সৈয়দ ছলিম মোহাম্মদ আব্দুল কাদির, ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম , রসায়ন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. ইকবাল আহমেদ সিদ্দিকী, জিইবি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. কামরুল ইসলাম, স্টেট শাখার প্রধান অধ্যাপক আবুল হাসনাত।‎‎

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শাবি প্রেসক্লাবের সভাপতি নোমান ফয়সাল, সাধারণ সম্পাদক নুর আলম, শাবিপ্রবি ছাত্রদলের সভাপতি রাহাত জামান, সাধারণ সম্পাদক নাঈম সরকার, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. সোহাগ, ছাত্র ইউনিয়নের শাবিপ্রবির সংগঠক নাজনীন লিজা, প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক সাগর হাসান শুভ্র ও দপ্তর সম্পাদক মো. মোফাজ্জল হক।‎‎‎‎

হাইকোর্টের রায় : গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে- তা আর প্রকাশ করা যাবে না

0

আধুনিক ডেস্ক ::

ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ ও তা প্রকাশের অনৈতিক চর্চা বন্ধে ঐতিহাসিক রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। এখন থেকে গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে, তা আর প্রকাশ করা যাবে না বলে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন। সোমবার (১১ মে) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের দেওয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়। এর আগে ২০২৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি আদালত সংক্ষিপ্ত রায় ঘোষণা করেছিলেন।

রায়ে আদালত বলেন, অনাগত শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ ও প্রকাশ নারীর প্রতি বৈষম্যকে উৎসাহিত করে, কন্যাশিশু হত্যার প্রবণতা বাড়ায়, সামাজিক ভারসাম্য নষ্ট করে এবং সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থি। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, এ ধরনের চর্চা নারীর মর্যাদা, সমতা ও জীবনের অধিকারের বিরুদ্ধে যায়। একই সঙ্গে এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বাধ্যবাধকতারও লঙ্ঘন।

হাইকোর্ট আরও বলেন, বাংলাদেশে এ বিষয়ে দীর্ঘদিন কার্যকর নিয়ন্ত্রণ, মনিটরিং ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা অনুপস্থিত ছিল। শুধু একটি গাইডলাইন প্রণয়ন করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। বাস্তবায়নযোগ্য নীতিমালা, ডিজিটাল নজরদারি এবং কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ছাড়া ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ ও প্রকাশের মতো অনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ করা সম্ভব নয়।

সন্তানের জন্য ‘মা’ সৃষ্টিকর্তার শ্রেষ্ঠ উপহার‎

0

‎হিমেল হান্নান, শাবিপ্রবি‎‎:

মা—মাত্র এক অক্ষরের এই ছোট্ট শব্দটির মধ্যে লুকিয়ে আছে অপরিসীম ভালোবাসা, ত্যাগ, মমতা ও নিঃস্বার্থ আত্মদান। পৃথিবীতে একটি শিশুর জন্মের পর মায়ের কোলই হয় তার প্রথম ও সবচেয়ে নিরাপদ ঠিকানা। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই চিরচেনা কোল থেকে দূরে সরে গেলেও, স্মৃতির পাতায় চিরকাল জেগে থাকে মায়ের স্নেহমাখা মুখ, যত্ন আর অপরিমেয় ভালোবাসা।

‎‎ব্যস্ততার মাঝেও মায়ের নম্বর থেকে আসা একটা কল যেন সব দুঃখ-কষ্ট মুছে দেয়। কথা শেষ করে একটা নিশ্বাস ফেললেই মনে হয়, পৃথিবীতে যেন স্বর্গীয় সুখ নেমে এসেছে। প্রতি বছর আন্তর্জাতিক মা দিবসে বিশ্বজুড়ে মায়েদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানানো হয় বটে, কিন্তু মায়ের অবদান কোনো একটি দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।‎‎

একজন সন্তানের জীবনে মা-ই প্রথম শিক্ষক, প্রথম বন্ধু এবং সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণার উৎস। যাঁর কাছে মন খুলে যা খুশি বলা যায়, অভিমান, রাগ, ভালোবাসা, সবকিছু। চারদিকে যখন অন্ধকারে ঢেকে যায়, বিশ্বাস করা মানুষগুলো যখন হারিয়ে যায়, স্বার্থপরতা ও বিশ্বাসঘাতকতা যখন চরমে ওঠে, তখন নিঃস্বার্থে একমাত্র ভরসা ও ঢাল হয়ে দাঁড়ান তিনি। ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে বটবৃক্ষের মতো অবিচল ছায়া হয়ে সন্তানকে আগলে রাখেন।

‎‎টমাস আলভা এডিসনকে স্কুল থেকে পড়াশোনায় দুর্বল বলে বের করে দেওয়া হলেও, তাঁর মায়ের বুদ্ধিমত্তায় একটি মিথ্যা কথার কারণে তিনি হয়ে উঠেছিলেন বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী। শুধু এডিসন নয়, প্রত্যেক সন্তানের জীবনেই মায়ের অবদান অপরিসীম। বাড়িতে যত মানুষই থাকুক, মা না থাকলে পুরো বাড়িটাই ফাঁকা ফাঁকা লাগে। যে ঘরে মা নেই, সে ঘরে ভালোবাসার পরশ থাকে না। যার মা নেই, শুধু সেই-ই তার মর্ম বোঝে।‎‎

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে এসে অনেকে প্রথমবারের মতো মায়ের কোলছাড়া হয়েছেন। কারও কারও মা এই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। তাদের কয়েকজনের অনুভূতি জানতে চাইলে তারা বলেছেন,‎‎“বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে বুঝতে পেরেছি মা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। আগে হয়তো এতটা উপলব্ধি করতে পারিনি। এখন দূরে থেকে মায়ের ছোট ছোট যত্নগুলো খুব বেশি মনে পড়ে। মা শুধু একজন ব্যক্তি নন, বরং এক অপূর্ব অনুভূতি—যার সঙ্গে জড়িয়ে আছে নিরাপত্তা, বিশ্বাস ও নিঃশর্ত ভালোবাসা।”‎‎

পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী কাজী আতাহার উদ্দিন বলেন, “বাসা থেকে ৪০০ কিলোমিটার দূরে প্রতিদিনই মায়ের শূন্যতা অনুভব করি। অসুস্থতায় মায়ের নির্ঘুম রাত জাগা, অভিমান ভাঙিয়ে খাইয়ে দেওয়ার স্মৃতিগুলো বারবার মনে পড়ে। এখন আর কেউ খাওয়ার কথা জিজ্ঞেস করে না। শুধু রাতে মায়ের ফোন আসে। মাকে চিন্তামুক্ত রাখতে খারাপ থাকলেও বলতে হয়, ‘ভালো আছি’। আমার কাছে প্রতিটি দিনই মা দিবস। মায়ের ভালোবাসা সত্যিই অমূল্য।”

‎‎বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন,‎“মায়ের ভালোবাসা নিঃস্বার্থ, নিঃশব্দ অথচ সবচেয়ে গভীর। আমার প্রতিটি সফলতার পেছনে আছে তাঁর দোয়া আর ত্যাগ। তিনি পাশে থাকলে অসম্ভবও সহজ মনে হয়। আমার হৃদয়ের সবচেয়ে শান্ত জায়গা তিনিই।‎‎পৃথিবীর সব ভালোবাসার চেয়ে তাঁর ভালোবাসা অনেক বড়। অনেকবার বলতে ইচ্ছে হয়—তুমি সুন্দর, তুমি শান্তি, তুমি শক্তি, তুমি ভরসা, তুমি ভালোবাসা। কিন্তু কখনো বলা হয়নি। জানি না, আর কখনো বলা হবে কি না।”‎‎

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মা হারা এক শিক্ষার্থী বলেন, “সবার পরিবার থেকে ফোন আসার গল্প শুনলে নিজের ভেতর এক অসহ্য হাহাকার তৈরি হয়। কোনো সাফল্যে প্রথমেই মায়ের কথা মনে পড়ে, কিন্তু তাঁকে আর পাওয়া যায় না। অসুস্থ হলে মায়ের হাতের ছোঁয়া আর সেবার অভাব তীব্রভাবে অনুভূত হয়, যা কেউ পূরণ করতে পারে না। ছুটিতে বাসায় গেলেও শান্তি পাওয়া যায় না, সবসময় মনে হয় কী যেন একটা নেই। তাই এখন আর তেমন বাসায় যাই না। শূন্যতা নিয়েই বেঁচে আছি। বাইরের মানুষের কাছে প্রকাশ না করলেও, বুকের ভেতর একটা চাপা কষ্ট সবসময় থেকে যায়।”‎‎

আন্তর্জাতিক মা দিবসে শিক্ষার্থীদের এই আবেগ, উপলব্ধি ও প্রত্যাশা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, মায়ের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের জন্য কোনো বিশেষ দিনের প্রয়োজন হয় না। প্রয়োজন শুধু আন্তরিকতা ও শ্রদ্ধাবোধের।

‎‎একদিন হয়তো মায়ের নম্বর থেকে কল আসা বন্ধ হয়ে যাবে, ‘মা’ ডাকের মধুরতা আর পাওয়া যাবে না। ভালো থাকুক পৃথিবীর সব মা। মা ও সন্তানের বন্ধন আরও সুদৃঢ় হোক। বিলীন হয়ে যাক সব বৃদ্ধাশ্রম।‎