Home Blog Page 14

খামেনিকে ইরানের মাশহাদ শহরে দাফন করা হবে

আধুনিক ডেস্ক ::

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে দেশটির পবিত্র শহর মাশহাদে সমাহিত করা হবে। দেশটির সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সি এ তথ্য জানিয়েছে। তবে দাফনের সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

৩৬ বছর ইরান শাসন করার পর ৮৬ বছর বয়সে নিহত হন খামেনি। মাশহাদ ইরানের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর এবং খামেনির জন্মস্থান। এখানেই ইমাম রেজা মাজার কমপ্লেক্সে তার বাবার সমাধি রয়েছে।

নবীগন্জ স্টুডেন্টে এসোসিয়েশন সাস্ট‘র সভাপতি ঋত্বিক সম্পাদক মাঈন

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি:

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীগন্জ উপজেলার শিক্ষার্থীদের আন্চলিক সংগঠন নবীগন্জ স্টুডেন্টে এসোসিয়েশন সাস্ট‘র নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ঋত্বিক দাশ ও সাধারণ সম্পাদক অর্থনীতি বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মাঈন উদ্দিন মনোনীত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩রা মার্চ ) সন্ধ্যায় সামাজিক বিজ্ঞান ভবনে সংগঠন কর্তৃক আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে এ কমিটি ঘোষণা করেন সিলেট জেলা কর আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট মো আবুল ফজল এবং নবীগন্জ স্টুডেন্টে এসোসিয়েশনের উপদেষ্ঠা সহযোগী অধ্যাপক সুব্রত দাশ।

নতুন কমিটিতে মনোনীত অন্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি দৈপায়ন দাস, মাহফুজ আহমেদ রাফি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজীব দাশ, কোষাধ্যক্ষ সজীব দাশ, সহকারী কোষাধ্যক্ষ আজিজুর রহমান ।

এছাড়াও সাংগঠনিক সম্পাদক ফারিহা মাহবুবা , দপ্তর সম্পাদক ফখরুল আমিন, প্রচার সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান তারেক, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অমিত হাসান , নারী বিষয়ক সম্পাদক সুমি দাশ ও নুসরাত জাহান নীলা ।

কার্যকরী সদস্য হিসেবে রয়েছেন তাসনিম আল মামুন ও সামীহাত রেজা । এর আগে নবীগন্জ থেকে আগত ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করে নেন অতিথিরা ।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সদ্য বিদায়ী সাবেক সভাপতি , সাধারণ সম্পাদক, সাবেক সদস্য, বর্তমান সদস্যসহ অনেকে।

প্রতীকের বিষয়টি নিষ্পত্তি হওয়ার পর স্থানীয় সরকার নির্বাচন: প্রতিমন্ত্রী

আধুনিক রিপোর্ট ::

স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় বা জাতীয় প্রতীকে হবে কি না—বিষয়টি নিষ্পত্তি হওয়ার পরই নির্বাচনের আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। আজ মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের সময় আইন পরিবর্তন করে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জাতীয় বা দলীয় প্রতীক ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়, যা নিয়ে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা আছে। পরবর্তী সময়ে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার একটি অধ্যাদেশ জারি করে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শুরু করে উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় বা জাতীয় প্রতীকের পরিবর্তে সাধারণ প্রতীকে ভোট গ্রহণের বিধান করে।

জারি করা অধ্যাদেশগুলো ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে জানিয়ে মীর শাহে আলম বলেন, সংসদ কোন অধ্যাদেশ গ্রহণ করবে আর কোনটি করবে না, সে বিষয়ে সেদিনই সিদ্ধান্ত হবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রতীকসংক্রান্ত সংশোধনীটি গৃহীত হলে তা আইন আকারে মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আবার সংসদে তোলা হবে। আইন পাস হওয়ার পরই নির্বাচনের প্রস্তুতির পরবর্তী ধাপে যাওয়া হবে।

প্রতীকের বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাবনা কম বলেও ইঙ্গিত দেন বিএনপির এই সংসদ সদস্য। তাঁর ভাষ্য, ‘দলীয় প্রতীকে হবে নাকি সাধারণ প্রতীকে—এটি আইন আকারে পাস না হলে আমরা কীভাবে সিদ্ধান্ত নেব? যদি সাধারণ প্রতীকে নির্বাচন করার আইন পাস হয়, তাহলে দ্রুততম সময়ে নির্বাচনের দিকে এগোব। আমরা চাই সব জায়গায় নির্বাচিত প্রতিনিধি থাকুক।’

সিলেটে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ১২টি সিটি করপোরেশনের মধ্যে সিলেট অন্যতম সুন্দর। খাল ও ছড়া খনন এবং সুরমা নদী খননসংক্রান্ত নতুন প্রকল্প নেওয়া হলে তা একনেক বা পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়ে দ্রুত অনুমোদনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সকালে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী। সভায় বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি ও নতুন প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়।

এর আগে সকালে প্রতিমন্ত্রী ঢাকা থেকে সিলেটে পৌঁছে হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজার জিয়ারত করেন। পরে রিকাবিবাজারে সিলেট সিটি করপোরেশনের বাস্তবায়নাধীন এম সাইফুর রহমান অডিটরিয়াম পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন এমরান আহমদ চৌধুরী ও এম এ মালিক।

এ পর্যন্ত ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

আধুনিক ডেস্ক ::

ঢাকা থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গন্তব্যে একের পর এক ফ্লাইট বাতিল হচ্ছে। মঙ্গলবার বেলা একটা পর্যন্ত ৩৮টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে এ পর্যন্ত মোট ১৪৭টি ফ্লাইট বাতিল হলো। ফ্লাইট বাতিলের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীরা। বিমানবন্দর সূত্র জানায়, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহর ফ্লাইট পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। তবে চালু আছে সৌদি আরবের রিয়াদ, জেদ্দা ও দাম্মামের ফ্লাইট।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের যৌথ হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধসহ উদ্ভূত নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে ফ্লাইট বাতিল করা হচ্ছে। মঙ্গলবার দুপুরে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গিয়ে মধ্যপ্রাচ্যগামী অনেক যাত্রীকে বাড়িতে ফেরত যেতে দেখা যায়। আবার অনেকে বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছিলেন। তারা বলছিলেন, বাতিল হওয়া ফ্লাইট আবার কবে কখন চালু হবে, সে ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু জানেন না। তাই অপেক্ষা করছেন।

দুদক চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের পদত্যাগ

আধুনিক ডেস্ক ::

পদত্যাগ করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন ও দুই কমিশনার। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পদত্যাগপত্র জমা দেন তারা। পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে বের হয়ে যাওয়ার সময় কমিশনার মিঞা মহাম্মদ আলী আকবর আজিজী বলেন, কোনো চাপ নয়, নিয়মতান্ত্রিকভাবে পদত্যাগ করেছেন দুদকের চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার।

মঙ্গলবার সকালে যথাসময়ে অফিসে এসে চেয়ারম্যান ও কমিশনাররা কর্মকর্তাদের সিনিয়রিটিসহ বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক ফাইলে সই-স্বাক্ষর সম্পন্ন করেন। পরে পদত্যাগ প্রসঙ্গে আলোচনা করতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে যান তারা।

এর আগে, সকালে দুদক চেয়ারম্যান ড. এম এ মোমেন গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে যাচ্ছি। সেখানে কথাবার্তা বলে দেখি। যদি সিদ্ধান্ত নিতে হয়, তবে কমিশনে ফিরে এসে পদত্যাগ করবো। এর বেশি এখন কিছু বলতে পারছি না।

পদত্যাগের আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি জানান, নিয়ম অনুযায়ী পদত্যাগ করতে হলে রাষ্ট্রপতিকে সম্বোধন করে এক মাস আগে জানাতে হয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে শেষ পর্যন্ত কী ঘটে, তা দেখার বিষয়।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ১২ ডিসেম্বর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত সিনিয়র সচিব ড. এম এ মোমেনকে দুদকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়। এছাড়া ১০ ডিসেম্বর কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পান অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী (তদন্ত) এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ (অনুসন্ধান)। তারা যথাক্রমে ১১ ও ১৫ ডিসেম্বর নিজ নিজ পদে যোগদান করেছিলেন।

২০০৪ সালের ২১ নভেম্বর তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত সরকার দুর্নীতি দমন ব্যুরো বিলুপ্ত করে স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) গঠন করে। সে সময় বিচারপতি সুলতানকে চেয়ারম্যান এবং ঢাবির সাবেক ভিসি মনিরুজ্জামান মিঞা ও অডিটর মনিরুদ্দিনকে কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীকালে ২০০৭ সালে জরুরি সরকার ক্ষমতা নিয়ে আগের কমিশন সরিয়ে সাবেক সেনাপ্রধান লে. জেনারেল হাসান মশহুদ চৌধুরীকে চেয়ারম্যান এবং জেলা জজ হাবিবুর রহমান ও অডিট বিভাগের মঞ্জুর মান্নানকে কমিশনার নিয়োগ দেয়।

২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিশাল জয় পেয়ে জরুরি সরকারের নিয়োগ দেওয়া কমিশন ভেঙে দেয়। তবে তৎকালীন চেয়ারম্যান লে. জেনারেল হাসান মশহুদ চৌধুরী পদত্যাগ করতে তিন মাস সময় পেয়েছিলেন। এর ধারাবাহিকতায় ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন পর্যন্ত সংস্থাটিতে সরকার তাদের পছন্দমতো ব্যক্তিদের চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদে নিয়োগ প্রদান করে আসছিল।

শাবিতে রুদ্র মেমোরিয়াল শর্ট পিচ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

শাবি প্রতিনিধি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ রুদ্র সেনের নামে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হচ্ছে রুদ্র মেমোরিয়াল শর্ট পিচ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। আজ মঙ্গলবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউসি ভবনে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ঘোষণা করা হয়।

টুর্নামেন্টে মোট ১৬টি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। দলগুলোর মধ্যে রয়েছে অনিরুদ্ধ ২৭, আখালিয়া ডর্টমান্ড,বাইনারি স্ট্রাইকারস, কারাভা মার্টার্স, গ্রিন গার্ডিয়ান, হান্টার্স, লিগ্যাসি স্ট্রাইকার্স, লেনসিয়েন্সি সিগমা স্কয়াড, কোয়ান্টাম স্ট্রাইকার, সার্ভাইভরস ইউনাইটেড, সুপার ৮, টিম হাইপোথিসিস, করপোরেট স্ট্রাইকার, হিট এন্ড রান, এপিক এক্সআই, একন এসেস।

টুর্নামেন্টের আহ্বায়ক সজীব সাজ বলেন, শহীদ রুদ্র সেনকে স্মরণে রাখতে আমাদের এই উদ্যোগ। টুর্নামেন্টের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ আছে। আশা করি এটি প্রানবন্ত আয়োজন হতে চলেছে।

শাবির খোয়াই বন্ধনের নতুন সভাপতি ত্বোহা, সম্পাদক সৌরভ

শাবি প্রতিনিধি:

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়স্থ হবিগঞ্জ জেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন খোয়াই বন্ধনের নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. ত্বোহা মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সৌরভ গোপ শাওন মনোনীত হয়েছেন।

গতকাল রোববার সন্ধ্যায় সামাজিক বিজ্ঞান ভবনে সংগঠন কর্তৃক আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে এ কমিটি ঘোষণা করেন প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক শাকিল। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শরদিন্দু ভট্টাচার্য, স্কুল অফ লাইফ সাইন্সেসের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক মিয়া, বন ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মোহাম্মদ রেদোয়ান, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ফরহাদ রাব্বি, ইন্ডাস্ট্রিয়াল এড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ মিসবাহ উদ্দিন, গণিতের সহকারী অধ্যাপক এস এম সাইদুর রহমান, স্থাপত্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুব্রত দাস, দুধওয়ালার স্বত্বাধিকারী মোতাহের হোসেন সোহেল, শাবিপ্রবি প্রেসক্লাবের বর্তমান সভাপতি নোমান ফয়সাল প্রমুখ।

নতুন কমিটিতে মনোনীত অন্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি হুসানুজ্জামান রাফি, আরাফাত জাহান ইমা, জান্নাতুল ফেরদৌসি সোনালী,
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকরা সুলতানা, মিনাল রহমান, আজিজুর রহমান সাজু, জান্নাতুল ফেরদৌসি প্রিয়া, কোষাধ্যক্ষ মো. রেজাউল ইসলাম অনিক, সহকারী কোষাধ্যক্ষ সজীব মিয়া।

এছাড়াও সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুজ্জামান খান আতিফ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আদনান ফারহাদ, দপ্তর সম্পাদক ফারজানা নিহা, সহ দপ্তর সম্পাদক শাহিনুর রহমান আশিক, প্রচার সম্পাদক শেখ আরিফা এশা, সহ প্রচার সম্পাদক আয়মান অদ্রি, প্রকাশনা বিষযক সম্পাদক শয়ন আহমেদ ও নৌশিন মুসফি, সহ প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক শামীম মিয়া, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক ত্রিবা ঘোষ তুশি ও বিজয়া রায় পূজা, সহ সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক কাওসার আহমেদ রাফী, স্পোর্টস বিষয়ক সম্পাদক নাঈম আহমেদ ও মাখন মুন্ডা, সহ স্পোর্টস বিষয়ক সম্পাদক নাজমুস সাকিব, তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সাদিয়া জামান ও নুসরাত জাহান নিলা, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক স্বপন রহমান ও ফারিয়া নাজিম, সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক তাজুল ইসলাম রুপক।

এছাড়াও সদস্য হিসেবে খাদিজা আক্তার জোনাকি, শংকর চন্দ্র দাস, সাজন চন্দ্র শীল, রবিউল ইসলাম, শাহরিয়ার আহমেদ শাফী, মো: মেহেদী হাসান, স্বরূপ চন্দ্র দাস, মো: সোহাগ মিয়া, সানজিদা আক্তার লিজা, দিগন্ত মুরমু, তাসনীম রহমান রুহি, মো. শামসুজ্জাহা নেহাল কমিটিতে স্থান পেয়েছেন।

শাকসু নির্বাচনের দাবিতে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের‎ সংবাদ সম্মেলন

‎শাবিপ্রবি প্রতিনিধি:

‎সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (শাকসু) নির্বাচন দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘দুর্বার সাস্টিয়ান ঐক্য’ প্যানেল। এসময় অবিলম্বে শাকসু নির্বাচনসহ দুই দফা দাবি জানানো হয়।

‎সোমবার (২ মার্চ) দুপুর আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তারা।

‎সংবাদ সম্মেলনে প্যানেলের জিএস প্রার্থী মুজাহিদুল ইসলাম, এজিএস প্রার্থী শাকিল মাহমুদ, ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক আমিনা বেগম, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক ইব্রাহীম বিন ইসলামসহ অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

‎লিখিত বক্তব্যে প্যানেলের সহ-সভাপতি (ভিপি) প্রার্থী দেলোয়ার হাসান শিশির বলেন, প্রার্থীরা দিন-রাত কষ্ট করে প্রচার-প্রচারণায় শেষে যখন নির্বাচনের অপেক্ষা করছিলেন, সেদিন (১৮ জানুয়ারি) হাইকোর্টে শাকসু নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট করা হয়। রিটকারীর পক্ষে বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা এবং শাবিপ্রবি ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যরা সহযোগিতা করেন।

‎কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করে শাকসু স্থগিতের দাবি জানায়। আদালত চার সপ্তাহের স্থগিতাদেশ দেন। ১৯ জানুয়ারি বিএনপিপন্থি ৯ শিক্ষক নির্বাচন কমিশন থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন এবং বিএনপিপন্থি কোনো শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী নির্বাচনে সহযোগিতা করবে না বলে জানান।

‎তিনি বলেন, স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে জাতীয় নির্বাচনের আগে শাকসু নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। তবে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি স্থগিতাদেশের চার সপ্তাহ অতিবাহিত হয়েছে। কিন্তু আমরা এখনো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নতুন তারিখ ঘোষণার কোনো লক্ষণ দেখতে পাচ্ছি না। এ অবস্থায় শাকসু নির্বাচনের বিষয়ে আমরা দুই দফা দাবিতে পৌঁছেছি। দাবিগুলো হলো—

‎১. হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ শেষ হওয়ায় অবিলম্বে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে শাকসু নির্বাচনের নতুন তারিখ ঘোষণা করতে হবে।
‎২. শাকসু নির্বাচন স্থগিতের সঙ্গে জড়িত রিটকারী এবং তাদের সহযোগী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে।

‎সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী বলেন, রিটের বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইজীবীরা দেখছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইনজীবীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে।

শাবিপ্রবি উপাচার্যের সাথে প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি:

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরীর সাথে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত ২১তম কার্যনির্বাহী পরিষদের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টায় উপাচার্যের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় নবনির্বাচিত কমিটির প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ক্যাম্পাসে উদ্ভূত যেকোনো পরিস্থিতিতে বাহ্যিক প্রভাবের ঊর্ধ্বে থেকে দৃঢ় ও ন্যায়সংগত অবস্থান গ্রহণ করতে হবে। প্রেসক্লাব সবসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক স্বার্থ রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। ভবিষ্যতেও তারা বস্তুনিষ্ঠতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে সংবাদ পরিবেশন করবে এমন প্রত্যাশা রাখছি।

প্রেসক্লাবের সভাপতি নোমান ফয়সাল বলেন, প্রেসক্লাব সবসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক কল্যাণকে সামনে রেখে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে। বস্তুনিষ্ঠ ও সত্যনিষ্ঠ সংবাদ উপস্থাপনের মাধ্যমে ক্যাম্পাসের বাস্তব চিত্র তুলে ধরার লক্ষে আমরা কাজ করি। ভবিষ্যতে যৌক্তিক সব কাজে প্রশাসন ও প্রেসক্লাব একসাথে কাজ করবে।

এসময় শাবি প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি সৈকত মাহাবুব, সাধারণ সম্পাদক নুর আলম, যুগ্ম সম্পাদক সাগর হাসান শুভ্র, কোষাধ্যক্ষ সাগর হোসেন জাহিদ, দপ্তর সম্পাদক মো. মোফাজ্জল হক, কার্যকরী সদস্য ইকবাল হোসাইন, নাদির আহমেদ ও সাধারণ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

শ্রমজীবী শিক্ষার্থীদের নিয়ে ইফতারের আয়োজন শাবির স্বপ্নোত্থান পরিবারের

শাবি প্রতিনিধি:

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) অন্যতম সেচ্ছাসেবী সংগঠন “স্বপ্নোত্থান” প্রতিবছরের ন্যায় এবারও শ্রমজীবী শিক্ষার্থীদের নিয়ে ইফতারের আয়োজন করেছে।

শুক্রবার(২৭ফেব্রুয়ারি) শহরের চৌহাট্টা পয়েন্টে অবস্থিত ভোলানন্দ নৈশ উচ্চ বিদ্যালয়ে এই ইফতারের আয়োজন করেন সংগঠনটির সেচ্ছাসেবীরা।

শিক্ষার্থীদের সাথে আয়োজনকে সুন্দর এবং উৎসবমুখর করতে উপস্থিত ছিলেন ভোলানন্দ নৈশ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, সংগঠনের শুভাকাঙ্ক্ষী ও বন্ধু সংগঠনের সদস্যবৃন্দ।

ইফতারের বিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেন, ” স্বপ্নোত্থান সবসময় আমাদের পাশে আছে, আমাদের স্কুলে তাদের সেচ্ছাসেবীরা সারাবছরই ক্লাস নেয়। রমজান মাসে বাড়তি উন্মাদনা এবং শিক্ষার্থীদের উৎফুল্ল রাখতে তারা ইফতারের আয়োজন করে।

বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী জানান, “স্বপ্নোত্থানের ভাই এবং আপুরা সার্বক্ষণিক তাদের খোঁজ খবর রাখেন, পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন ইভেন্টে তাদের যুক্ত রাখার চেষ্টা করেন। যা তাদের কাজের পাশাপাশি পড়াশোনায় অনুপ্রাণিত করছে”।

ইফতার আয়োজনে অংশ নেওয়া সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে সংগঠনের সভাপতি মামুন হোসেন বলেন,” স্বপ্নোত্থান সবসময় চেষ্টা করে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে, সেজন্য আমাদের এই ক্ষুদ্র আয়োজন।