Home Blog Page 12

তামাবিল পাথর আমদানীকারক গ্রুপের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি:

সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর এলাকার ব্যবসায়ীদের সংগঠন তামাবিল পাথর আমদানীকারক গ্রুপের উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৭ মার্চ) গ্রুপের কার্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে তামাবিল স্থলবন্দরের পাথর আমদানীকারক ব্যবসায়ী পরিচালনা কমিটির সদস্য মোহাম্মদ শাহপরান,২ নং জৈন্তাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম, আব্দুল মান্নান, ইলিয়াস উদ্দিন লিপু, ওমর ফারুক, শাহরব মিয়া, মিসবাহুল আম্বিয়া, মাহফুজুল ইসলাম ঈসমাইল হোসেন, আইয়ুব আলী প্রমূখ।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জৈন্তাপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাফিজ, সাংগঠনিক সম্পাদক ও নিজপাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ইন্তাজ আলী, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক দরবস্ত ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বাহারুল আলম বাহার, যুগ্ম আহ্বায়ক ফয়জুল হাসান, জেলা যু্বদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাডভোকেট নিজাম উদ্দিন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাকারিয়া আহমদ, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুহেল আহমদ,ফতেপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার ইলিয়াসসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

ইফতার পূর্বে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তারা পবিত্র রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ব্যবসায়িক সততা বজায় রেখে এলাকার উন্নয়নে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

পরবর্তীতে দেশ ও জাতির কল্যাণ, ব্যবসায়ীদের সমৃদ্ধি এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী অতিথিরা তামাবিল পাথর আমদানীকারক গ্রুপের এমন উদ্যোগকে প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও ধর্মীয় আয়োজন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

শাবিপ্রবি ‘বন্ধুজন’র সভাপতি ইসফাক সম্পাদক হাসনাত

শাবি প্রতিনিধি:

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) সামাজিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে স্বেচ্ছাসেবী ও খবরের কাগজের পাঠক সংগঠন ‘বন্ধুজন’-এর প্রথম কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ইংরেজি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. ইসফাক আলী এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আবুল হাসনাত।

শুক্রবার (৬ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ৫০১ নাম্বার রুমে শাবিপ্রবি ও সিলেট বন্ধুজনের পক্ষ থেকে এক ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছিল। উক্ত ইফতার মাহফিলের শাবিপ্রবি শাখার প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করেন খবরের কাগজের নিজস্ব প্রতিবেদক শাকিলা ববি।

কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন সহসভাপতি মো. জুনায়েদ হাসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক তানজিবুর রহমান শিবলু, দপ্তর সম্পাদক মহিবুর রহমান, অর্থ সম্পাদক জোবায়ের আলম, সাহিত্য, পাঠচক্র ও পাঠাগার সম্পাদক শাহরিয়া হোসেন, মানবসম্পদবিষয়ক সম্পাদক জাওয়াদুল করিম, নারীবিষয়ক সম্পাদক ফাতেমা আক্তার, যোগাযোগ ও প্রচার সম্পাদক শুভ ভট্টাচার্য্য, সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাদিয়া নুসরাত, পরিবেশ, দুর্যোগ ও ত্রাণ সম্পাদক আদনান ফারহাদ, এবং তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক অর্ঘ্য চক্রবর্তী, সমাজকল্যাণ সম্পাদক হিসেবে ইমরান হোসেন রানা এবং শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে উম্মে হেনা হিরা দায়িত্ব পালন করবেন।

কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন জাহিদুল ইসলাম জিয়ন, তমাল কর্মকার, তুষিন চাকমা, মো. রিমন শেখ, আইমুন নিশাত রোদসী, নাজিফা মেহজাবিন, ইমতিয়াজ বিন মাহমুদ নোহান, পারভিন আক্তার, ফাহমিদা জেবিন প্রমি এবং জেফিন জাহান জেমি।

নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার মাধ্যমে সংগঠনটি ক্যাম্পাসে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে কাজ করবে।

উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন পরিবেশকর্মী শাহ সিকান্দার আহমেদ শাকির, খবরের কাগজের শাবিপ্রবি প্রতিনিধি মো. ইসফাক আলী, সিলেট বন্ধুজনের সভাপতি মনোয়ার পারভেজ, সিলেট বন্ধুজনের সাধারণ সম্পাদক দুর্লভ খীসাসহ সিলেট ও শাবিপ্রবি বন্ধুজনের সদস্যরা।

দক্ষিণ সুরমায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সাঈদের ইন্তেকাল

নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চলে গেলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সাঈদ। গতকাল শনিবার ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। মাত্র ৬ মাস আগে তাঁর স্ত্রী ইন্তেকাল করেছেন।

নগরীর ২৯নং ওয়ার্ডের লাউয়াই মহল্লার বাসিন্দা মরহুম আব্দুন নূরের দ্বিতীয় ছেলে প্রবীণ সমাজসেবী ও মুরব্বি, সদালাপী, দেশপ্রেমিক আবু সাঈদ ছিলেন ’৭১-এর রণাঙ্গনের একজন নামকরা যোদ্ধা। বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সাঈদ ২ ছেলে, ১ মেয়ে, ৪ ভাই, ৩ বোনসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্খী এবং সহযোদ্ধা রেখে গেছেন। তাঁর বড় ভাই তোফাজ্জ্বল করিম ওরফে আবু তৈয়বও একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী। ছোট অপর ৩ ভাই সাবেক কৃতী ফুটবলারত্রয় আবু বক্কর, আবু হোসেন ও আবু সুফিয়ান বর্তমানে যুক্তরাজ্য প্রবাসী সমাজসেবী ও কমিউনিটি নেতা।

বিকেল ৪টায় মরহুমের বাড়িপ্রাঙ্গনে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সাঈদের মরদেহকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা জানানো হয়। দক্ষিণ সুরমা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এস অনীক চৌধুরীর উপস্থিতিতে এবং সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি)’র দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি (তদন্ত) মুজাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকষ দল বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সাঈদকে রাষ্ট্রীয় সম্মান জানায়।

এরআগে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এস অনিক চৌধুরী এবং ওসি (তদন্ত) মুজাহিদুল ইসলাম যৌথভাবে বীর মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ জাতীয় পতাকায় আচ্ছাদিত করে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এ সময় মরহুমের সহযোদ্ধাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস শহীদ খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ সাইফুল আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মছব্বির ওরফে কুতুব উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসরাইল মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা জানু মিয়া প্রমুখ।

বাদ আছর লাউয়াই কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সাঈদের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন লাউয়াই কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব ও পেশ ইমাম মাওলানা মুফতি জাকারিয়া জাবের। নামাজে জানাজায় বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী নেতা, সমাজকর্মী, সাংবাদিক ও বিপুল সংখ্যক এলাকাবাসী অংশ নেন। এ সময় মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে আলহাজ্ব সাইফুল আলম এবং পরিবারের পক্ষে মরহুমের ছোট ভাই শিক্ষাবিদ আবু হোসেন সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। পরে মরহুমের লাশ স্থানীয় লাউয়াই পঞ্চায়েতি কবরস্তানে দাফন করা হয়।
উল্লেখ্য, মাত্র ১৫ দিন আগে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সাঈদ পবিত্র ওমরাহ্ পালন করে দেশে এসেছেন। দেশে এসেই তিনি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। এরপর আর সুস্থ হননি।

শাবিপ্রবিতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মধ্যে কিন’র ঈদ আনন্দ উদযাপন

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি:

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কিন’র উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।

শুক্রবার( ৬ মার্চ) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সংগঠনের নিজস্ব স্কুলের ১১৫ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ঈদের নতুন পোশাক ও উন্নত মানের খাবার বিতরণ করা হয়।

ঈদবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ও সংগঠনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. জায়েদা শারমিন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. জায়েদা শারমিন বলেন, “সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের মুখে হাসি ফোটানোর মতো উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। কিনের এই ধরনের মানবিক কার্যক্রম তরুণদের মধ্যে সামাজিক দায়িত্ববোধ ও সহমর্মিতার চেতনা আরও শক্তিশালী করবে।

সংগঠন সূত্রে জানা যায়, দুপুর ৩টা থেকে শুরু হয়ে অনুষ্ঠানটি চলে সন্ধ্যা ৫টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। উৎসবমুখর পরিবেশে নতুন কাপর পেয়ে শিশুদের মাঝে উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।

কিন দীর্ঘদিন ধরে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। পাঁচটি পৃথক উইংসের মাধ্যমে কীন বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে, যার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ঈদবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি।

শাবিপ্রবিতে গাঁজা ও ইয়াবাসহ ৪ নির্মাণ শ্রমিক আটক

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি:

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) চার নির্মাণ শ্রমিককে গাঁজা ও ইয়াবাসহ আটক করেছে নিরাপত্তা কর্মীরা।

শুক্রবার(৬ মার্চ) রাত ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।

জানা গেছে, আটক চারজনেই বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নকাজের বিভিন্ন সাইটে নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কর্মরত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে দায়িত্বরত নিরাপত্তাকর্মী তাপস দাস বলেন, ‘গেট থেকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করার সময় তার হাঁটুতে প্যান্ট ভাঁজ করা ছিল।সেখান থেকেই আমাদের সন্দেহ হয়। সে অনুযায়ী তল্লাশি চালালে তার কাছে চার প্যাকেট গাঁজা পেলে প্রক্টর অফিসে জানাই। এর কিছুক্ষণ পরে আরো কয়েকজন ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে চাইলে তাদেরও তল্লাশি করে গাঁজা ও ইয়াবা উদ্ধার করি। ’

এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর ড. মো. রাশেদুজ্জামান বলেন, ‘নিরাপত্তা কর্মীরা তাদেরকে আটক করে আমাদের জানিয়েছে, আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের নিয়ে এসেছি। তাদেরকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হবে। পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে। ’

শাবিপ্রবির বাংলা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

হিমেল হান্নান, শাবি:

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) বাংলা বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘বাংলা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন’র উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিভাগের শতাধিক সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ায় এই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আতাউর রহমান সাদীর সভাপতিত্বে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলা বিভাগের প্রধান ও অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. রিজাউল ইসলাম, সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. ফারজানা সিদ্দিকা, অধ্যাপক ড. মো. ফয়জুল হক, অধ্যাপক ড. শিরিন আক্তার, অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলা বিভাগের প্রভাষক মো. জাকির হোসেন ও গোলাম রব্বানীসহ অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ।

অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন বাংলা বিভাগের প্রভাষক মো. শামসুদ্দিন।

এ সময় বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে প্রথম পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন ও অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পাওয়ায় অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলমকে অ্যালামনাইয়ের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, “অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্পণ। সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের এই মিলনমেলা বিভাগের উন্নয়নে ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই ধরণের আয়োজন আমাদের সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করে।”

অধ্যাপক ড. মো. রিজাউল ইসলাম বলেন,”বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থীরা দেশ-বিদেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফলতার স্বাক্ষর রাখছেন। আমাদের অ্যালামনাইরা যখন ক্যাম্পাসে ফিরে আসেন, তখন বর্তমান শিক্ষার্থীদের জন্য তা অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে দাঁড়ায়। আমরা চাই এই বন্ধন আরও দৃঢ় হোক।”

অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আতাউর রহমান সাদী বলেন,”সাবেক ও বর্তমানদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। এই ইফতার মাহফিলের মাধ্যমে আমরা একে অপরের সান্নিধ্য পাওয়ার সুযোগ পেয়েছি। আমরা শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে থেকে দেশে-বিদেশে সকল সমস্যায় সহায়তা করার চেষ্টা করে থাকি। ভবিষ্যতে আমরা বিভাগের শিক্ষা ও শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় আরও বড় পরিসরে কাজ করতে চাই।”

বৃহত্তর হরিপুর ইলেক্ট্রিক এন্ড স্যানেটারী সমিতি কর্তৃক দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি:

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার হরিপুর বাজারে বৃহত্তর হরিপুর এলাকার প্রয়াত ইলেকট্রিশিয়ানদের রূহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৬ মার্চ) ১৬ রমজান হরিপুর বাজারস্থ তানভির রেস্টুরেন্ট এন্ড পার্টি সেন্টারে বৃহত্তর হরিপুর ইলেকট্রিক এন্ড স্যানেটারী সমিতি’র উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সায়েম আহমদের সঞ্চালনায় সভাপতি ইউসুফ আহমদের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হরিপুর বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী হেলাল উদ্দিন।

এসময় বৃহত্তর হরিপুর এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, ইলেকট্রিশিয়ান ও স্যানেটারী ব্যবসায়ীরা অংশগ্রহণ করেন। এলাকার মরহুম ইলেকট্রিশিয়ানদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

দোয়া মাহফিলে যেসব প্রয়াত ইলেকট্রিশিয়ানদের স্মরণ করা হয় তারা হলেন,বালিপাড়া গ্রামের মরহুম হাজী আজির উদ্দিন (মিকার),হেমু ভাটপাড়া গ্রামের মরহুম জামাল উদ্দিন, মরহুম জসিম উদ্দিন (মিকার), মরহুম জব্বার উদ্দিন,উত্তর বাঘেরখালের মরহুম বাবুল আহমদ,বাঘের খালের মরহুম দেলোয়ার হোসেন এবং হরিপু্র গ্রামের মরহুম দারা মিয়া ও মরহুম খালেদ আহমদ।

অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সবার মাঝে ইফতার পরিবেশন করা হয়। আয়োজকরা বলেন, এলাকার প্রয়াত সহকর্মীদের স্মরণ এবং তাদের জন্য দোয়া করার উদ্দেশ্যেই প্রতিবছর এ ধরনের আয়োজন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শাবিপ্রবি প্রক্টরের সাথে প্রেসক্লাবের সৌজন্য সাক্ষাৎ

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি:

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) প্রক্টরের সাথে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সন্ধ্যায় ইউনিভার্সিটি সেন্টারের সংবাদ সম্মেলনের কক্ষে প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত ২১তম কার্যনির্বাহী পরিষদের নেতৃবৃন্দের সাথে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় প্রেসক্লাবের সদ্যবিদায়ী ২০তম কার্যনির্বাহী পরিষদ ও নবনির্বাচিত ২১তম কার্যনির্বাহী পরিষদের নেতৃবৃন্দের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যবৃন্দ।

এর আগে শাবি প্রেসক্লাবের সদস্যদের নিয়ে এক ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি।

এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাজেদুল করিম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইসমাঈল হোসেন, প্রক্টর অধ্যাপক মো. মোখলেসুর রহমান, গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আশরাফ উদ্দিন ও সহকারী প্রক্টরবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া শাবি প্রেসক্লাবের ২০তম কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাপতি জুবায়েদুল হক রবিন, সাধারণ সম্পাদক নাঈম আহমেদ শুভ, ২১তম কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাপতি নোমান ফয়সাল, সহ-সভাপতি সৈকত মাহাবুব, সাধারণ সম্পাদক নুর আলম, যুগ্ম সম্পাদক সাগর হাসান শুভ্র, কোষাধ্যক্ষ সাগর হোসেন জাহিদ, দপ্তর সম্পাদক মো. মোফাজ্জল হক, কার্যকরী সদস্য ও সাধারণ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে সৌজন্য সাক্ষাতে নবনির্বাচিত কমিটিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রক্টর অধ্যাপক মো. মোখলেসুর রহমান বলেন, “প্রেসক্লাব এবং প্রক্টরিয়াল বডি ক্যাম্পাসের স্বার্থে সমান্তরাল ভাবে কাজ করছে। অতীতে ক্যাম্পাসের সমস্যা গুলো তুলে ধরে ক্যাম্পাসকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করেছে। আগামীতেও বস্তুনিষ্ঠার সাথে সংবাদ উপস্থাপন করে এই ধরা অবাহত রাখবে।”

শাবিতে ‘সঞ্চালন’র ঈদবস্ত্র বিতরণ

শাবি প্রতিনিধি:

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘সঞ্চালন’-এর উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে ঈদবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউ ফুটকোডে ‘ঈদ আনন্দ’ শীর্ষক এই কর্মসূচির মাধ্যমে মোট ১২৭টি পোশাক বিতরণ করা হয়।

পোশাক বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড পলিমার সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক মো. মুহিবুল আলম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের ১৫তম কার্যনির্বাহী কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি বোরহান উদ্দিন আহমেদ, ১৬তম কমিটির সভাপতি মো. নাদিমুল, সিনিয়র সহ-সভাপতি রাহিমা পারভিন রুহি এবং হাবিবা আক্তার লিনা।

অতিথিরা সঞ্চালনের এই মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

সংগঠন সূত্রে জানা যায়, বিতরণকৃত পোশাকের মধ্যে ছিল শাড়ি, পাঞ্জাবি, লুঙ্গি এবং শিশুদের পোশাক। আসন্ন ঈদ উপলক্ষে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সঙ্গে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়াই ছিল এই আয়োজনের লক্ষ্য।

এই কর্মসূচির সম্পূর্ণ অর্থ সঞ্চালনের সদস্যদের পরিচালিত তহবিল থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।

সিলেট জেলা স্টেডিয়ামকে ফুটবল ফেডারেশনকে বরাদ্দের প্রতিবাদে স্মারকলিপি

আধুনিক ডেস্ক ::

সিলেট জেলা স্টেডিয়ামকে এককভাবে কোনো ফেডারেশনকে বরাদ্দ প্রদান না করার দাবিতে সিলেট জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে সিলেট জেলা ক্রিকেট ক্লাব অ্যাসোসিয়েশন ও সিলেট জেলা ক্লাব সমিতি। বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, সিলেট জেলা স্টেডিয়াম মাঠ বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে বরাদ্দ দেওয়ার যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং একইসঙ্গে শুধুমাত্র ক্রিকেটকে বরাদ্দ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত সিলেট জেলার ক্রীড়াঙ্গনের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর ও সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।
এ সময় উপস্থিত ক্লাব কর্মকর্তা, ক্রীড়া সংগঠক , খেলোয়াড়রা বলেন, সিলেট জেলা স্টেডিয়াম সিলেট ক্রীড়াঙ্গনের সূতিকাগার। মহান স্বাধীনতা উত্তর থেকে সিলেট জেলা স্টেডিয়াম মাঠে ক্রিকেট, ফুটবল, হকি, অ্যাথলেটিকস্, ভলিবলসহ সকল ডিসিপ্লিনের খেলাধুলা নির্দিষ্ট ক্রীড়াপঞ্জী অনুসারে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। সিলেট জেলা স্টেডিয়াম মাঠেই সকল ডিসিপ্লিনের খেলাধুলার আয়োজন করতে হয়ে। এমনকি সরকারি বিভিন্ন ক্রীড়া কার্যক্রমও এই মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।
ক্রীড়া সংগঠক ও খেলোয়াড়রা বলেন, মাঠটি সকল খেলার একমাত্র কার্যকর ,স্বীকৃত ভেন্যু। এই মাঠ এককভাবে কোনো একটি ফেডারেশন বা খেলাকে বরাদ্দ দেওয়া হলে সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সকল অ্যাফিলিয়েটেড ক্লাবের সঙ্গে চরম অবিচার করা হবে।
ক্রীড়া সংগঠক ফেরদৌস চৌধুরী রুহেল বলেন, অতীতেও এই স্টেডিয়াম এককভাবে ফুটবলের জন্য বরাদ্দ দেয়ার ফলে ক্রিকেটসহ অন্যান্য সকল খেলা দীর্ঘদিন যাবত স্থবির হয়ে পড়েছিল। সেই ভুল সিদ্ধান্তের ভয়াবহ ফল আজও সিলেটের ক্রীড়াঙ্গন বহন করছে। দুঃখজনকভাবে আবারও একই পথে হাঁটার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সাবেক ক্রিকেটার মোস্তফা কামাল পাশা মওদুদ বলেন, সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার অধীনে বিকল্প কোনো মাঠ নেই, যেখানে ক্রিকেট বা অন্যান্য খেলা নিয়মিতভাবে আয়োজন করা সম্ভব। আজ ক্রিকেটকে বাধা দেওয়া হলে আগামীতে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য খেলাও একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা, বৈষম্যের শিকার হবে- যা আমরা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না।

স্মারকলিপিতে সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার ক্লাবসমূহ সিলেট জেলা স্টেডিয়াম মাঠ এককভাবে বরাদ্দ দেওয়ার সকল পরিকল্পনা বাতিল এবং পূর্বের ন্যায় সকল খেলার জন্য মাঠ উন্মুক্ত করার দাবী জানান। সেইসাথে সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার অধীনে সকল খেলার জন্য উপযোগী একটি নতুন পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম নির্মাণের দাবী জানানো হয়।

ক্লাবসমূহের ন্যায্য ও যৌক্তিক দাবি পূরন না হলে, সিলেটের ক্রীড়াঙ্গনের স্বার্থে কঠোর কর্মসূচি গ্রহন করা হবে বলে জানান ক্লাব সংগঠকরা।

স্মারকলিপি প্রদানের সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়া সংগঠক ফেরদৌস চৌধুরী রুহেল, হানিফ আলম চৌধুরি, আহমদ জুলকারনাইন, মোস্তফা কামাল পাশা মওদুদ, মোহম্মদ বদরুদ্দোজা বদর, হাজী মিলাদ আহমদ, আশরাফ আরমান, খালেদ মাহমুদ ইমন, ফরহাদ কোরেশী, জাতীয় খেলোয়াড় এটিএম খালেদ আহমদ, ইমরান আলী এনাম, রানা মিয়া, নাসির বক্স, শাকিল আহমদ, মিন্টু সিংহ প্রমুখ।