শাবিপ্রবি প্রতিনিধি:
বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা ও রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি), উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম।
শনিবার (৩০ মে) দুপুরে রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কালাম আহমদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন ক্ষণজন্মা রাষ্ট্রনায়ক। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চে তাঁর ঐতিহাসিক স্বাধীনতার ঘোষণা দিকভ্রান্ত জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার অনন্য প্রেরণা জুগিয়েছিল। স্বাধীনতার পর দেশের চরম সংকটের মুহূর্তে সিপাহি-জনতার সম্মিলিত বিপ্লবের মাধ্যমে তিনি রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে জাতিকে একতাবদ্ধ করেন। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব, সততা ও কর্মনিষ্ঠা বাংলাদেশকে একটি আত্মনির্ভরশীল এবং মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত করেছিল।”
শহীদ জিয়ার অবদান স্মরণ করে উপাচার্য আরও বলেন, “তিনি শুধু একজন সফল রাষ্ট্রনায়কই ছিলেন না, বরং ছিলেন একজন দূরদর্শী সংস্কারক। ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’ দর্শনের মাধ্যমে তিনি এদেশের সর্বস্তরের মানুষকে একটি সুদৃঢ় জাতীয় ঐক্যের সূত্রে গেঁথেছিলেন। তাঁর হাত ধরেই বাংলাদেশে কৃষি, শিল্প, শিক্ষা এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থানে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হয়েছিল।”
১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া এই নেতার আদর্শ ও দেশপ্রেম এদেশের কোটি মানুষের হৃদয়ে চিরকাল অম্লান থাকবে উল্লেখ করে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। একই সাথে তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
উল্লেখ্য, বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্রীষ্মকালীন ও পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ছুটি চলমান থাকায় ১০ জুন (বুধবার) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মিনি অডিটোরিয়ামে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং যোহর নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে এক বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হবে।


