Home Blog Page 258

কানাডাগামী ফ্লাইট থেকে ৪৫ যাত্রীকে নামানোর ব্যাখ্যা দিলো বিমান

কাগজ ডেস্ক ::

কানাডার টরন্টোগামী একটি ফ্লাইট থেকে ৪৫ যাত্রীকে নামিয়ে দেওয়ার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে রাষ্ট্রীয় বিমান পরিবহন সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। বিমানের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) তাহেরা খন্দকার মঙ্গলবার গণমাধ্যমে এক বিবৃতিতে এই ব্যাখ্যা পাঠিয়েছেন।

ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, ৬ নভেম্বর রাত ৮টা ২৫ মিনিটে বিমানের ফ্লাইট বিজি৬০৬–এ সিলেট থেকে ৭৪ জন যাত্রী ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেন। তাদের মধ্যে একটি বড়সংখ্যক যাত্রী বিমানের টরন্টো ফ্লাইটের (বিজি৩০৫/৭ নভেম্বর, ২০২৩)। বিমানের সিলেট স্টেশনের কর্মকর্তারা যাত্রীদের ভ্রমণ–সংক্রান্ত তথ্য পর্যালোচনা করে দেখতে পান, ৪৫ জন যাত্রী একই ব্যক্তির আমন্ত্রণপত্রের মাধ্যমে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কানাডা যাচ্ছেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নথিপত্র পর্যালোচনা করে সন্দেহ হওয়ায় সিলেট স্টেশন থেকে যাত্রীদের নথিপত্র ঢাকায় পাসপোর্ট কন্ট্রোল ইউনিটে (পিসিইউ) পাঠানো হয়।

পিসিইউ তখন এসব নথিপত্র যাচাই-বাছাইয়ের জন্য দিল্লিতে কানাডা বর্ডার সার্ভিস এজেন্সির (সিবিএসএ) কাছে পাঠায়। সেখান থেকে প্রথমে জানানো হয়, সিবিএসএর সিস্টেমে যাত্রীর তালিকায় এই যাত্রীদের তথ্য সঠিক রয়েছে। ফলে সিলেট থেকে যাত্রীদের বোর্ডিং কার্ড ইস্যু করা হয় এবং তাঁরা ঢাকায় পৌঁছান। এর মধ্যে কানাডা বর্ডার সার্ভিস এজেন্সি থেকে আবার জানানো হয়, যাত্রীদের আমন্ত্রণপত্রের তথ্যের সঙ্গে তাঁদের থাকার (আবাসন) বিষয়ে সিস্টেমে গরমিল রয়েছে। যাত্রীদের আমন্ত্রণপত্রে হোটেলে থাকার কথা থাকলেও যাত্রীদের কাছে রেন্টেড হাউসের ডকুমেন্ট পাওয়া যায়।

কানাডার আইন অনুযায়ী একটি রেন্টেড হাউসে ৪৫ জন যাত্রী থাকার কোনো নিয়ম নেই এবং তা আইনের লঙ্ঘন বলে বার্তায় উল্লেখ করা হয়। যাত্রীদের নথিপত্রগুলো ও কানাডা বর্ডার সার্ভিস এজেন্সির বার্তা পর্যালোচনা এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরামর্শ করে ৪৫ যাত্রীকে ৭ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে টরন্টোগামী ফ্লাইট থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকায় পাসপোর্ট কন্ট্রোল ইউনিটের (পিসিইউ) মাধ্যমে ওই যাত্রীদের সব তথ্য সিবিএসএর কাছে পাঠানো হয়। পরে সিবিএসএর পক্ষ থেকে জানানো হয়, উল্লিখিত যাত্রীদের ভিসা ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। কানাডিয়ান ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ের পর সংশ্লিষ্ট যাত্রীদের ই–মেইলে সিদ্ধান্ত জানাবেন।

তখন যাত্রীদের হোটেলে থাকতে বলা হলে তাঁরা তাতে অসম্মতি জানান। টরন্টো ফ্লাইটে না পাঠানোর বিষয়টি বুঝিয়ে বলা হলে তারা বিষয়টি অনুধাবন করেন। পরবর্তী সময়ে ইমিগ্রেশন থেকে তাদের বহির্গমন সিল বাতিল করে ব্যাগেজ বুঝিয়ে দেওয়া হয়। যাত্রীরা তখন নিজেদের মতো করে বিমানবন্দর ত্যাগ করেন।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস বলেছে, যাত্রীর কাছে যথাযথ নথিপত্র না থাকলে বা এ ধরনের আইন লঙ্ঘনের জন্য কানাডা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসকে যাত্রীপ্রতি ৩ হাজার ২০০ থেকে ২০ হাজার কানাডিয়ান ডলার পর্যন্ত জরিমানা করতে পারে।

১০ হাজার অবকাঠামোর ভার্চুয়ালি উদ্বোধন

কাগজ ডেস্ক ::

সারাদেশে ২৪টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ১৫৭টি প্রকল্পের ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার সকালে গণভবন থেকে যুক্ত হয়ে এসব প্রকল্পের আওতায় ১০ হাজার ৪১টি অবকাঠামোর সমন্বিত উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। এর মধ্যে ৯ হাজার ৯৯৫টি অবকাঠামোর উদ্বোধন ও ৪৬টি অবকাঠামোর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। অবকাঠামোগুলো ২৪টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অধীনে ১৫৭টি প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পগুলোর মোট ব্যয় ৯৭ হাজার ৪৭১ কোটি ৩ লাখ টাকা।

উদ্বোধন হওয়া প্রধান প্রধান অবকাঠামোগুলোর মধ্যে রয়েছে, আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় গৃহ নির্মাণ ৫৩৯৭টি, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন ২০২৩টি, মাদ্রাসা ভবন ১৮০০টি, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ একাডেমিক ভবন ২৯৯টি, প্রশাসনিক ভবন ৪০টি, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আওতায় একাডেমিক-কাম-রিসার্চ ভবন ৯৫২টি, ছাত্রছাত্রী হল ভবন ১২টি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র ২২২টি, ১২৮টি চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভবন, ৪৬টি জেলায় সাব- রেজিস্ট্রি অফিস ভবন, বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র আশ্রয়ণ কেন্দ্র ১১০টি, মুজিব কিল্লা ২৫টি, সেতু ২০টি, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় কমপ্লেক্স ২২টি, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের আওতায় ভবন ৩৪টি, ছাত্রাবাস ৭টি, ডরমেটরি ১৬টি, আইসিইউ ২৩টি, কমিউনিটি ক্লিনিক ৭৯টি।

এছাড়া মেডিকেল কলেজ ভবন ৪৬টি, নার্সিং কলেজ ভবন ২৪টি, ২৫টি জেলার টেনিস অবকাঠাম উন্নয়ন, ক্রীড়া স্কুল ভবন ১৩টি, বিকেএসপি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ২৬টি, শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র ২০টি, এসপিএম উইথ ডাবল পাইপলাইন ৩৮টি, গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণ ১০টি, রিফাইনিং ইউনিট স্থাপন ২৬টি, কুপ খনন ২৪টি, গ্যাস প্ল্যান্ট ক্রয় ও স্থাপন ১৪০টি এবং পাইপলাইন নির্মাণ ৩৩টি শেখ হাসিনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ অবকাঠামো ১৮টি, টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট অবকাঠামো ১১টি, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ ৪০টি, শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার ভবন ১৪টি।

স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নে স্মার্ট চিন্তার প্রয়োজন : নাসির উদ্দিন খান

স্টাফ রিপোর্ট ::
সিলেট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী যে স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেন তা বাস্তবায়ন করতে হলে আমাদেরকে প্রতিটি সেক্টরে স্মার্ট চিন্তা করতে হবে, স্মার্ট হতে হবে, তথ্য প্রযুক্তির প্রয়োগ ঘটাতে হবে। দৈনিক আধুনিক কাগজ’র সিলেট জেলা প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বুধবার নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে এ প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
আধুনিক কাগজের কলাকুশলীদের সাধুবাদ জানিয়ে নাসির উদ্দিন খান বলেন, সাংবাদিকতা এই সমাজের দর্পণ। সাংবাদিকরা জীবনের ঝুকি নিয়ে কাজ করেন। তিনি আরো বলেন, আমি আশা করি আপনারা সমাজের সাধারণ মানুষের কথা তুলে ধরবেন, সরকারের সমালোচনার পাশাপাশি সরকারের ভালো কাজগুলোও তুলে ধরবেন। আমাদের কাজের গঠনমূলক সমালোচনা করবেন, সাথে জনবান্ধব কাজগুলোও তুলে ধরবেন। অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খান আধুনিক কাগজের সাফল্য কামনা করে বলেন, আমি আশা করি আধুনিক কাগজ সিলেটের স্মার্ট পাঠকের হৃদয়ে জায়গা করে নেবে।
আধুনিক কাগজের প্রকাশক সাঈদ চৌধুরী টিপুর সভাপতিত্বে ও মাল্টিমিডিয়া ইনচার্জ জয়ন্ত কুমার দাসের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন, সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার ও প্রচারণা সম্পাদক এডভোকেট আব্বাস আহমেদ ও যুক্তরাজ্য যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদুল মোমিন।
প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, আধুনিক কাগজের সম্পাদক মঈন উদ্দিন। তিনি তার বক্তব্যে আধুনিক কাগজের স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন এবং সকলের কাছে সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন। প্রতিনিধি সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আধুনিক কাগজের মফসসল সম্পাদক মেহেদী হাসান। এছাড়াও প্রতিনিধি সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন আধুনিক কাগজের অনলাইন সম্পাদক এসএম সুজন, ম্যানেজমেন্ট ইনচার্জ মিঠু দাস জয়, প্রধান প্রতিবেদক জিকরুল ইসলাম, সিনিয়র রিপোর্টার রাশেদুল হোসেন সোয়েব, মাল্টিমিডিয়া ইনচার্জ জয়ন্ত কুমার দাস, সহকারী মাল্টিমিডিয়া ইনচার্জ আহমদ সবুজ, স্টাফ রিপোর্টার মাহবুবুল করিম তুহিন, আইটি অ্যানালিস্ট জাহাঙ্গীর আলম।
এছাড়াও প্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি ফখর উদ্দিন, কানাইঘাট প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি মো. আব্দুল আজিজ, ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিনিধি আবুল ফয়েজ খান কামাল, দক্ষিণ সুরমা প্রতিনিধি এস এম ফাহিম, ওসমানীনগর প্রতিনিধি জুবেল আহমদ, বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি ফাইম আহমদ তাছিম, বিশ্বনাথ প্রতিনিধি শুকরান আহমদ রানা প্রমুখ।

গতি বেড়েছে প্রবাসী আয়ে

কাগজ ডেস্ক ::

দেশে বৈধপথে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) আসার গতি কিছুটা বেড়েছে। চলতি মাসের প্রথম ২০ দিনে (১-২০ অক্টোবর পর্যন্ত) প্রবাসী বাংলাদেশিরা পাঠিয়েছেন ১২৫ কোটি ডলার । বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। প্রবাসী আয় আসার এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে সেপ্টেম্বরের চেয়ে বেশি প্রবাসী আয় আসবে। এমনকি গত বছরের অক্টোবরের চেয়ে প্রবাসী আয় বেশি আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। গত বছরের অক্টোবরে দেশে ১৫৩ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, গত সেপ্টেম্বরে বৈধ পথে দেশে ১৩৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় আসে, যা গত ৪১ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে সর্বশেষ ২০২০ সালের এপ্রিলে এত কম প্রবাসী আয় দেশে এসেছিল। ওই মাসে প্রবাসী আয় এসেছিল ১০৯ কোটি ডলার। ডলার-সংকটের এ সময়ে প্রবাসী আয় কমে যাওয়ায় ডলার-সংকট আরও প্রকট হয়েছে।

বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, প্রবাসী আয় তলানিতে নামার পর ডলার-সংকট কাটাতে বাংলাদেশ ব্যাংক কিছু ব্যাংককে ঘোষণার চেয়ে বেশি দামে ডলার কেনার পরামর্শ দেয়। ফলে চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে দেশে প্রবাসী আয় আসা বাড়তে থাকে। প্রথম সপ্তাহে ৩২ কোটি, দ্বিতীয় সপ্তাহে ৪৬ কোটি এবং তৃতীয় সপ্তাহে ৪৭ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে দেশে।

একাধিক ব্যাংকের সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংক চলতি মাসের শুরুতে বিভিন্ন ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তাদের অনানুষ্ঠানিকভাবে বলেছে, যে দামেই হোক, বেশি প্রবাসী আয় আনতে হবে। এরপর কোনো কোনো ব্যাংক ১১৫-১১৬ টাকা দামে প্রবাসী আয় এনেছে। এরপর কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, প্রতি ডলারে সর্বোচ্চ আড়াই টাকা বেশি দাম দেওয়া যাবে। ফলে এখন প্রায় এক ডজন ব্যাংক সেই দামে প্রবাসী আয় আনছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক বেশি দামে ডলার কিনতে এমন সব ব্যাংককে অনানুষ্ঠানিক নির্দেশনা দিয়েছে, যাদের মাধ্যমে আগে থেকেই ভালো পরিমাণে প্রবাসী আয় দেশে আসছিল। কিন্তু পরে ডলারের দাম বেঁধে দিয়ে তা মানতে বাধ্য করার কারণে এসব ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী আয় আসা কমে যায়। এসব ব্যাংকের মধ্যে শরিয়াহভিত্তিক পাশাপাশি প্রচলিত ধারার ভালো কয়েকটি ব্যাংকও রয়েছে। এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংক বেশি দামে ডলার কেনার জন্য ১০ ব্যাংকের কর্মকর্তাকে জরিমানা করেছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, চলতি মাসের প্রথম ২০ দিনে রাষ্ট্রায়ত্ত ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংক ১০ কোটি এবং দুটি বিশেষায়িত ব্যাংক ৪ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এনেছে। বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১১০ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৪ কোটি ৪৩ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এনেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড। দ্বিতীয় ও তৃতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এনেছে যথাক্রমে ট্রাস্ট ব্যাংক (৮.৪৫ কোটি ডলার) ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক (৮ কোটি ডলার)।

ভৈরবে দুর্ঘটনা : মালবাহী ট্রেন উদ্ধার, নিহত বেড়ে ২০

কিশোরঞ্জের ভৈরবে দুর্ঘটনার কবলে পড়া মালবাহী ট্রেনটি উদ্ধার করে ভৈরব স্টেশনের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আবুজর গিফারী ৮টার দিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আখাউড়া থেকে রিলিফ ট্রেন আসার পরে এগারোসিন্ধুর ট্রেনটি উদ্ধার কাজ শুরু হবে। সোমবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে ভৈরবের জগন্নাথপুর রেল ক্রসিং এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এগারসিন্দুর ট্রেনকে ধাক্কা দেয় একটি মালবাহী ট্রেন। এ দুর্ঘটনায় অন্তত ২০ জন নিহত এবং অর্ধশতাধিক যাত্রী আহত হয়েছেন।

কিশোরগঞ্জের ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আবুজর গিফারী জানান, দুর্ঘটনার পর ঢাকার সঙ্গে নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহের ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়ে। এদিকে দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে হাজার হাজার উৎসুক জনতা ভীড় জমান। এসব উৎসুক জনতার ভীড়ে উদ্ধার কাজে বিঘ্ন ঘটে। তিনি বলেন, ‘এত পরিমাণ মানুষের চাপে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঠিকমতো কাজ করতে পারছেন না। মাইকিং করে শত অনুরোধের পরে ঘটনাস্থল থেকে উৎসুক জনতা সরানো যাচ্ছে না।’

পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে কন্টেইনারবাহী ট্রেনটি চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছিল, যাত্রীবাহী ট্রেনটি যাচ্ছিল ভৈরব থেকে ঢাকায়। পয়েন্টে ক্রসিংয়ে মালবাহী ট্রেনটি যাত্রীবাহী ট্রেনের শেষ দুই বগিতে ধাক্কা দেয়। এতে যাত্রীবাহী ট্রেনের কয়েকটি বগি উল্টে যায়। এ দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ২০ বলে নিশ্চিত করেছেন কিশোরগঞ্জ পুলিশ সুপার (এসপি) মো. রাসেল শেখ। তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ২০ জন। তবে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।’

ডেঙ্গুতে আরও ১৭ মৃত্যু

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালে ১ হাজার ২৭২ জন। চলতি বছর ডেঙ্গুতে মারা যাওয়াদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৭৭৯ জন এবং ঢাকার বাইরের ৪৯৩ জন।

সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, রোববার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ১৭ জন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যুর পাশাপাশি নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন দুই হাজার ১৪ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৪৫৪ জন এবং ঢাকার বাইরের ১ হাজার ৫৬০ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ৭ হাজার ৫৮৯ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। ঢাকার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ২ হাজার ৯৭ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫ হাজার ৪৯২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।

চলতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে অক্টোবরের ২২ তারিখ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৫৭ হাজার ৬০ জন। এর মধ্যে ঢাকা সিটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৫ হাজার ৯৮৪ জন। ঢাকার বাইরে এক লাখ ৬১ হাজার ৭৬ জন।

আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন দুই লাখ ৪৮ হাজার ১৯৯ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৯৩ হাজার ১০৮ জন এবং ঢাকার বাইরের এক লাখ ৫৫ হাজার ৯১ জন।

দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ নজরে আসে ২০০০ সালে। এরপর সবচেয়ে ডেঙ্গু বেশি রোগী শনাক্ত হয় ২০১৯ সালে। কিন্তু চলতি বছরে সে রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড হয়। গত ২১ আগস্ট ২ হাজার ১৯৭ জনকে নিয়ে সে দিন পর্যন্ত মোট রোগী হয় ১ লাখ ২ হাজার ১৯১ জন। ২০১৯ সালে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৪ জন এবং মৃত্যু হয় ১৭৯ জনের।

‘দৈনিক আধুনিক কাগজ’র সম্পাদক হলেন সাংবাদিক মঈন উদ্দিন

স্টাফ রিপোর্ট ::
দৈনিক আধুনিক কাগজের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন সিলেটের সিনিয়র সাংবাদিক মঈন উদ্দিন। গত রোববার (১ অক্টোবর) পূর্ণাঙ্গ পরিসরে প্রকাশিতব্য এ দৈনিকের দায়িত্ব নেন তিনি। ‘স্মার্ট পাঠকের স্মার্ট দৈনিক’ শ্লোগানকে সামনে নিয়ে ২০১৯ সাল থেকে পত্রিকাটি পরীক্ষামূলকভাবে সীমিত পরিসরে প্রকাশিত হয়ে আসছিলো। 

ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্র মঈন উদ্দিনের সাংবাদিকতার শুরু ২০০১ সালে সিলেটের স্থানীয় দৈনিক শ্যামল সিলেটের হাত ধরে। সর্বশেষ তিনি দৈনিক একাত্তরের কথার উপ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। এর আগে তিনি সিলেটের স্থানীয় দৈনিক শুভ প্রতিদিনের প্রধান বার্তা সম্পাদক, দৈনিক শ্যামল সিলেটের প্রধান প্রতিবেদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি এ সময়ে তিনি জাতীয় দৈনিক ইত্তেফাক ও সকালের খবরে স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সাংবাদিতার দীর্ঘ  সময়ে মঈন উদ্দিন সিলেটে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার নতুন এক ধারার সূচনা করেন। তার অনেক প্রতিবেদন সিলেটসহ সারা দেশে আলোড়নের সৃষ্টি করে।

শাবির ইংরেজি বিভাগে অধ্যাপকের ফলাফল জালিয়াতি, পরীক্ষা না দিয়েই পাশ শিক্ষার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে পরীক্ষায় অনুপস্থিত শিক্ষার্থীকে পাশ করিয়ে দেবার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক মো. সিকান্দার আলীর বিরুদ্ধে এমন অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের চতুর্থ বর্ষ ১ম সেমিস্টার পরীক্ষায় অনুপস্থিত এক শিক্ষার্থীকে পাশ করিয়ে দেবার গুরুতর এ অভিযোগ পাওয়া গেছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়াও ওই একই কোর্সের একাধিক শিক্ষার্থীর রেজাল্ট কোর্স টিচার প্রদত্ত নম্বর পরিবর্তন করে প্রকাশ করারও প্রমাণ পাওয়া গেছে।

ওই শিক্ষাবর্ষের একাধিক শিক্ষার্থীর অভিযোগ পছন্দের শিক্ষার্থীদের নাম্বার পরিবর্তন এমনকি পরীক্ষা না দিলেও তাকে পাশ করিয়ে দেবার ঘটনা ঘটিয়েছেন তিনি। ২০১৮ সালের এক কোর্সের ফাইনাল পরীক্ষায় তিনি এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে জানা যায়। এরপর শিক্ষার্থীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি সামনে আসে।

এ সংক্রান্ত একাধিক নথিপত্র প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। যেখানে দেখা যায় ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের এক শিক্ষার্থী যার রেজিস্ট্রেশন নাম্বার ২০১৩২৩৬০৩৫, তাকে ENG-415, সাউথ এশিয়ান লিটারেচার ইন ইংলিশ কোর্সে পরীক্ষা না দিয়েই পাশ করিয়ে দেবার ঘটনা ঘটিয়েছেন তিনি। এছাড়াও একাধিক শিক্ষার্থীকে নাম্বার পরিবর্তন করে রেজাল্ট প্রকাশ করেছেন তিনি বলেও প্রমাণ পাওয়া যায়।

জানা যায়, ওই সেমিস্টারের পরীক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি। নিয়ম অনুযায়ী সেমিস্টারের সংশ্লিষ্ট কোর্সের দুই শিক্ষক প্রদত্ত নাম্বার পরীক্ষা কমিটির চেয়ারম্যানের হাতে গেলে তিনি তা যোগ করে প্রকাশ করেন। ওই কোর্সে তিনি একাধিক শিক্ষার্থীকে ওই কোর্স টিচারদ্বয়ের নাম্বার পরিবর্তন করে রেজাল্ট পরিবর্তন করে প্রকাশ করেছেন এবং পরীক্ষা না দেওয়া শিক্ষার্থীকেও পাশ করিয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

নথি ঘেটে দেখা যায়, ওই রেজিস্ট্রেশনধারী ফাইনাল পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকা স্বত্ত্বেও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর থেকে প্রকাশিত ফলাফলে তিনি পাশ করে গেছেন। এছাড়াও একাধিক শিক্ষার্থীকে মনগড়া এবং ভৌতিক অতিরিক্ত নাম্বার দিয়ে তা প্রকাশ করেছেন তিনি। ওই সেমিস্টারের ওই পরীক্ষা কমিটির ট্যাবুলেটর (নিরিক্ষক) হিসেবে ছিলেন বিভাগের বিভাগের অধ্যাপক শরিফা ইয়াসমিন এবং সহযোগী অধ্যাপক ড. আফরোজা খানম বলে জানা যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিভাগের ওই শিক্ষাবর্ষের একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ জানিয়ে বলেন, আমরা এ ঘটনার সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। বিভাগের শিক্ষকদের দ্বারা এমন ঘটনা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।

পরীক্ষা না দিয়েও পাশ করে যাওয়া ওই রেজিস্ট্রেশনধারী শিক্ষার্থী বলেন, পরীক্ষায় না বসলেও ভুলবশত আমার রেজাল্ট চলে আসে। সেখানে কম নাম্বার আসায় তা আমার ওভারঅল ফলাফল কমিয়ে দেয়। এরপর আমি পরবর্তী সেমিস্টারে আবারো ওই কোর্সে রেজিস্ট্রেশন করি এবং সে কোর্সের পরীক্ষা দিয়েছি।

এ ঘটনার বিষয়ে বিভাগটির প্রধান অধ্যাপক হোসেন আল মামুনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অভিযোগ পাবার পর তথ্য যাচাই করে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে অবগত করবো এবং তদন্ত সাপেক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক অধ্যাপক মো. সিকান্দার আলী বলেন, ফলাফল নিয়ে এমন ঘটনা ঘটার কথা নয়। তারপরও যেহেতু অভিযোগ এসেছে সুতরাং কমিটির সবাই বসে বিষয়টি খতিয়ে দেখে তারপর এ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন স্কুল শিক্ষক রাজীব দাস, প্রেমিকাসহ বড় ভাইকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের

স্টাফ রিপোর্টার:

অবশেষে মৃত্যুকেই আলিঙ্গন করলেন আম্বরখানা গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক রাজীব দাস। প্রায় ৭ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে গতকাল অপরাহ্ন ৫ ঘটিকায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন। হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহত স্কুল শিক্ষকের পিতা সুনীল দাস বাদী হয়ে একই স্কুলের সহকারী শিক্ষিকা রেহনুমা তাবাস্সুম ও তার ভাই আরিফ আহমদের নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাতনামা আরও ৭/৮ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন ৷

উল্লেখ্য যে, একই স্কুলের আইসিটি বিভাগের সহকারী শিক্ষিকা রেহনুমা তাবাস্সুম-এর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে তার সহকর্মী হিন্দু ধর্মাবলম্বী রাজীব দাসের। যদিও একজন মুসলিম অপরজন হিন্দু ধর্মাবলম্বী হওয়ায় উভয় পরিবার তাদের এই সম্পর্ক মেনে নিতে পারেননি।

গত ১১ অক্টোবর গভীর রাতে প্রেমিক যুগল পালিয়ে যেতে চেষ্টা করলে বাঁধ সাধেন প্রেমিকা রেহনুমা তাবাসসুমের ভাই আরিফ আহমদ।

এ সময় আরিফ আহমদ ও তার বন্ধু-বান্ধবরা রাজীব দাসকে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করলে পথচারী লোকজন তাকে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত সিলেট এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।

রাজীব দাস হাসপাতালে ৭ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে গতকাল অপরাহ্ন ৫ ঘটিকায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। পুলিশ আসামীদের ধরতে বিভিন্ন স্থানে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করছে।

সংখ্যালঘু শিক্ষক রাজীব দাসের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানব বন্ধন

স্টাফ রিপোর্টার:

সংখ্যালঘু আম্বরখানা গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক রাজীব দাসের উপর ‘সন্ত্রাসীদের বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় বাংলাদেশ হিন্দু- বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের ব্যানারে গতকাল (১১ অক্টোবর) সিলেট নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাশে এক মানব বন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। মানব বন্ধন শেষে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকেরা নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কোতয়ালী মডেল থানায় গিয়ে প্রশাসনের নিকট সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান।

এ সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার আশ্বাস প্রদান করলে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতৃবন্দ কর্মসূচি সমাপ্ত করে চলে যান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট রানা দাশ গুপ্ত, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত কুমার দাস, সিলেট জেলা শাখার সভাপতি এডভোকেট মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট প্রদীপ কুমার দেব, সহ-সাধারণ সম্পাদক বিজিত লাল দাস, সিলেট সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষ এডভোকেট দিলীপ কুমার দাস, সমীরন দাশ, তাপশ পুরকায়স্থ, শ্যামল দেব, অশোক কুমার পুরকায়স্থ, রিপন দেবনাথ, সাংবাদিক সমর দাস, কবি মনোরঞ্জন কর্মকার, কবি লিটন দাস, বিরেন্দ্র কুমার মল্লিক, দিপক কুমার মল্লিক প্রমুখ।