Home Blog Page 2

ওমরাহ করতে যাওয়ার পথে সৌদি আরবে দুই ছেলে–মেয়েসহ বাংলাদেশি নারী নিহত

0

আধুনিক ডেস্ক ::

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি এক নারী ও তাঁর দুই ছেলে–মেয়ে নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন তাঁর স্বামী ও আরেক ছেলে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানী রিয়াদ থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, তানিয়া তাহমিনা (৪৫), তার ছেলে তাজবিক (১৯) ও মেয়ে সাদাফ (১৫)। আহত হয়েছেন তানিয়ার স্বামী শফিকুল ইসলাম (৫৫) ও তাদের বড় ছেলে নাবিল (২৪)। শফিকুল ইসলাম সৌদি আরবে চাকরি করেন। তার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায়। তার স্ত্রী ও সন্তানরা ঢাকার উত্তরায় থাকেন। তারা চারজন সৌদি আরবে বেড়াতে গিয়েছিলেন। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন ওমরাহ করতে যাওয়ার পথে তারা সড়ক দুর্ঘটনায় পড়েন।

নিহত তানিয়া তাহমিনার বাবার বাড়ি ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের পুটিয়া গ্রামে। তার প্রয়াত বাবা নাজিমুদ্দিন মোল্লা আটঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। তানিয়ার ভাই তৌহিদ মোহাম্মদ মুরাদ বলেন, দুর্ঘটনার পর স্বজনদের কাছে খবর পৌঁছাতে অনেক সময় লেগেছে। ঘটনাস্থল রিয়াদ থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে। তাদের এক আত্মীয়ের সেখানে পৌঁছাতেই প্রায় তিন ঘণ্টা লেগে যায়। গতকাল বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তাঁরা ওই দুর্ঘটনা সম্পর্কে নিশ্চিত হন।

তৌহিদ মোহাম্মদ মুরাদ জানান, তার ভাগনে তাজবিক ফিনল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। আর এক সপ্তাহ পরই তার ফ্লাইট ছিল। তিনি চলে যাওয়ার আগে পরিবারের সবাই মিলে ওমরাহ করতে যাচ্ছিলেন। তখন এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। মরদেহ দেশে আনার বিষয়ে তৌহিদ মোহাম্মদ মুরাদ বলেন, যেহেতু ওমরাহ করতে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে। এ কারণে তাদের মরদেহ দেশে আনা হবে না। শুক্রবার দুপুরে জানাজা শেষে সেখানে তাদের দাফন করা হবে।

শাবিপ্রবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. আকতারুল ইসলাম চৌধুরীর মৃত্যুতে উপাচার্যের গভীর শোক

0

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি:

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং (সিইই) বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আকতারুল ইসলাম চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সৈয়দ ছলিম মোহাম্মদ আব্দুল কাদির স্বাক্ষরিত এক শোকবার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

শোকবার্তায় বলা হয়, আজ (শুক্রবার) সকাল সাড়ে ৭টায় আখালিয়ার লেকসিটি আবাসিক এলাকার নিজ বাসায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। একই সাথে শিক্ষা ও গবেষণায় ড. মোহাম্মদ আকতারুল ইসলাম চৌধুরীর অবদান স্মরণ করে একে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

উল্লেখ্য, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আকতারুল ইসলাম চৌধুরীর জানাজা এশার নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে শাহপরান হল মসজিদ সংলগ্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।

গোলাপগঞ্জে সাবেক ছাত্রদল নেতা টিপুর সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা

0

গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি:

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন গোলাপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক প্রভাবশালী নেতা এমদাদ হোসেন টিপু। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় স্থানীয় একটি মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মতবিনিময় সভায় এমদাদ হোসেন টিপু আগামী উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত (সম্ভাব্য) চেয়ারম্যান পদে নিজের প্রার্থিতার কথা বলেন। এ সময় তিনি গোলাপগঞ্জকে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

বিগত সরকারের আমলের রাজনৈতিক প্রতিবন্ধকতা তুলে ধরে তিনি বলেন, “স্বৈরাচারী শাসনের কারণে দীর্ঘদিন আমি স্বদেশে ফিরতে পারিনি। যখনই দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিয়েছি, তখনই মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে হয়রানি করা হয়েছে। তবে দূর প্রবাসে থাকলেও আমি আমার মাতৃভূমি গোলাপগঞ্জের মাটি ও মানুষকে ভুলে যাইনি। প্রবাসে থেকেই সাধ্যমতো এলাকার উন্নয়নে কাজ করে গেছি।”

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে টিপু আরও বলেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশে আজ গণতন্ত্র ফিরে এসেছে। এখন সময় এসেছে গোলাপগঞ্জবাসীর সেবা করার। আগামী নির্বাচনে উপজেলাবাসী যদি তাদের মূল্যবান আমানত (ভোট) দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেন, তবে আমি জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে এই জনপদের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাব। আমি গোলাপগঞ্জবাসীর জন্য কাজ করতে চাই।

উক্ত মতবিনিময় সভায় জাতীয়,স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কোম্পানীগঞ্জ থানার নতুন ওসি মোহাম্মদ উছমান গনি

0

কোম্পানিগঞ্জ প্রতিনিধি:

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে মোহাম্মদ উছমান গনিকে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সিলেটের পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মোহাম্মদ যাবের সাদেক স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাঁকে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়।

মোহাম্মদ উছমান গনি শেরপুর জেলার নকলা উপজেলার পূর্ব চিথলীয়া গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর পিতা মো. মুনসুর আলী। তিনি ১৯৯৬ সালের ১০ মার্চ বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর ৪ মাসের কর্মজীবনে জৈন্তাপুর থানার ওসি (তদন্ত) হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।

আগামীকাল শুক্রবার (২৪ জুলাই) তিনি কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণের কথা রয়েছে।

তিনি ঢাকার অতীশ দীপঙ্কর ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি থেকে এলএলবি (অনার্স) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এক পুত্র সন্তানের জনক।

নবপদায়নপ্রাপ্ত ওসি মো: উছমান গনি বলেন, কোম্পানীগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করব। মাদক, জুয়া, চোরাচালানসহ সব ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে থাকবে জিরো টলারেন্স। কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের জানমাল ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, সুধীজন ও সর্বস্তরের জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি। পুলিশ ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও অপরাধমুক্ত কোম্পানীগঞ্জ গড়ে তুলতে চাই।

গাজী নজরুলের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে স্পিকার ও ইসিকে চিঠি জামায়াতের

0

আধুনিক ডেস্ক ::

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সাতক্ষীরা–৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে বুধবার দল থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদের স্পিকার ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) চিঠি দিয়ে অবহিত করেছে দলটি। চিঠিতে জামায়াত বলেছে, সম্প্রতি সাতক্ষীরা–৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের বিষয়ে পরিচালিত সাংগঠনিক তদন্তে তার নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানান, বেলা সাড়ে তিনটার দিকে নির্বাচন কমিশন ও জাতীয় সংসদের স্পিকারকে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে।

এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, বুধবার জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি বৈঠকে ইসি ও স্পিকারকে চিঠি পাঠানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী গাজী নজরুল ইসলামকে জামায়াত থেকে বহিষ্কারের বিষয়ে অবহিত করতে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে তারাই ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। চিঠিতে বলা হয়েছে, ২২ জুলাই বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক জরুরি বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। চিঠিতে গাজী নজরুল ইসলামের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইসিকে বলা হয়েছে।

৭৪ বছর বয়সী গাজী নজরুল এবার তৃতীয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৯১ সালে প্রথম সাতক্ষীরা–৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। জামায়াতের সাতক্ষীরা জেলা শাখার আমিরের পাশাপাশি দলের কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ছিলেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর জামায়াতের খুলনা অঞ্চলের পরিচালক ও দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ইজ্জত উল্লাহর নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়। কমিটিতে কেন্দ্রের প্রতিনিধি হিসেবে তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাতক্ষীরা–২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আবদুল খালেক। ইজ্জত উল্লাহ সাতক্ষীরা–১ আসনের সংসদ সদস্য। মঙ্গলবার সাতক্ষীরায় তদন্ত কমিটির কাছে নিজের বক্তব্য দেন গাজী নজরুল। কমিটি তার প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নেয় এবং ঘটনার আদ্যোপান্ত জানার চেষ্টা করে। পরে কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন কেন্দ্রে জমা দেয়। ওই প্রতিবেদন নিয়ে গতকাল দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে আলোচনার পর গাজী নজরুলকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত হয়।

কী ধরনের নৈতিক স্খলনের প্রমাণ পেয়ে তাকে বহিষ্কার করা হলো? এ প্রশ্নের জবাবে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক সদস্য বলেন, তদন্ত কমিটি প্রমাণ পেয়েছে, গাজী নজরুল বিয়ের আগে ওই নারীর সঙ্গে একাধিকবার দেখা করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি ‘পর্দা লঙ্ঘন’ করেছেন। তা ছাড়া এ ঘটনায় সংগঠনের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুধু রুকনিয়্যত বা রুকন পদ বাতিল করে এত বড় ক্ষতি লাঘব হবে না বলেই তাঁকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত হয়েছে। জামায়াতের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানিয়েছে, গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী তার আত্মীয়। তিনি ঢাকায় এলে মাঝেমধ্যে ওই আত্মীয়ের বাসায় উঠতেন।

সোমবার রাতে গাজী নজরুলের ব্যক্তিগত মুহূর্তের একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে এক তরুণীর সঙ্গে তাঁকে ঘনিষ্ঠভাবে দেখা যায়। প্রথম দিকে জামায়াতের অনেক নেতা-কর্মী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তিতে তৈরি বলে দাবি করেন। তবে গাজী নজরুল নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে জানান, ভিডিওতে থাকা তরুণী তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বেগম। গত ১৭ জুন প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতে পারিবারিকভাবে তাঁদের বিয়ে হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। জামায়াত, গাজী নজরুল ও তার পরিবারের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলো বিয়ের পরের এবং প্রথম স্ত্রীর উপস্থিতিতেই এ বিয়ে হয়েছে। তবে গাজী নজরুল নৈতিক স্খলনের পাশাপাশি একটি চক্রের ব্ল্যাকমেলের শিকার হয়েছেন বলেও মনে করেন জামায়াতের কোনো কোনো নেতা।

ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে অবসরে পাঠাল সরকার

0

আধুনিক ডেস্ক ::

পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) পদমর্যাদা ৩ জনসহ বাহিনীর ১৭ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে সরকারি চাকরি থেকে অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে তাঁদের চাকরি থেকে অবসর প্রদান করা হয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে পুলিশের ডিআইজি রয়েছেন ৩ জন, ১২ জন অতিরিক্ত ডিআইজি এবং ২ জন পুলিশ সুপার পদমর্যাদার কর্মকর্তা। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অবসরে পাঠানো কর্মকর্তাদের তালিকায় রয়েছেন হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল্লাহীল বাকী, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি সারদার ডিআইজি মো. ওয়ালিদ হোসেন এবং সিআইডির ডিআইজি সানা শামীনুর রহমান।

এ ছাড়া অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন সিআইডির মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন ও রেবেকা সুলতানা, ট্যুরিস্ট পুলিশের বিধান ত্রিপুরা ও সুলতানা নাজমা হোসেন, পুলিশ স্টাফ কলেজের এ কে এম ইকবাল হোসেন, এপিবিএনের সহেলী ফেরদৌস, সারদার বিপিএর মোহাম্মদ তবারক উল্লাহ, পুলিশ টেলিকমের হাসিনা রহমান, পুলিশ অধিদপ্তরের (কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল) ফয়সল মাহমুদ, পুলিশ অধিদপ্তরের কানিজ ফাতেমা, নৌ পুলিশের জেসমিন বেগম এবং ডিএমপির অতিরিক্ত ডিআইজি মোছা. ফরিদা ইয়াসমিন, তালিকায় আরও রয়েছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান এবং টিডিএস পুলিশ সুপার আবদুর রহিম শাহ চৌধুরী।

অবসরে পাঠানো এই কর্মকর্তারা বিধি অনুযায়ী অবসরজনিত সুযোগ-সুবিধা পাবেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। জনস্বার্থে জারিকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

0

আধুনিক ডেস্ক ::

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন বলে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে। ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গোপন ফোনালাপের বিষয়টি সামনে আসার পর কয়েক সপ্তাহ ধরে এ সম্ভাবনা আরও প্রবল হয়েছে বলে জানিয়েছে সূত্রগুলো। ২০২৩ সালের এপ্রিলে দায়িত্ব নেন সাহাবুদ্দিন। তিনিই একমাত্র ব্যক্তি, যিনি ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আগের শীর্ষ কোনো সাংবিধানিক পদে এখনও বহাল আছেন। একাধিক সূত্রের দাবি, চলতি বছরের মে মাসে চিকিৎসার জন্য লন্ডন সফরে থাকা অবস্থায় রাষ্ট্রপতি টেলিফোনে সাবেক ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলেন। ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন।

সূত্রগুলো জানায়, রাষ্ট্রপতি ৯ মে লন্ডনে যান এবং ১৮ মে দেশে ফেরেন। পরে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ওই ফোনালাপের বিষয়টি জানতে পারে। এরপরই তাকে পদত্যাগের বার্তা দেওয়া হয় বলে সূত্রগুলোর দাবি। তবে বিএনপির এক জ্যেষ্ঠ নেতা বলেছেন, সম্ভাব্য পদত্যাগের পেছনে শুধু ওই ফোনালাপই কারণ নয়, বিষয়টা ‘আরও জটিল’। তার ভাষ্য, শেখ হাসিনা সম্প্রতি ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনার কথা জানানোর পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে।

গত ১০ জুলাই রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা এবং নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফিরে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা করছেন। একই সময়ে দেশের ভেতরে আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মীর দল পুনর্গঠনের নানা উদ্যোগও পর্যবেক্ষণ করছে কর্তৃপক্ষ।

বিএনপির ওই নেতা বলেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ সরকারের পক্ষ থেকে একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখা যেতে পারে। এর মাধ্যমে সরকার বোঝাতে চাইবে যে, তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে—এমন যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে থাকবে সরকার।

গত ১৭ জুলাই মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে চলমান অভিযান জোরদারের নির্দেশ দেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তবে রাষ্ট্রপতি ঠিক কবে পদত্যাগ করতে পারেন বা তার স্থলাভিষিক্ত কে হবেন, সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন মো. সাহাবুদ্দিন। ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে তিনি বলেছিলেন, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর মেয়াদের মাঝামাঝি সময়ে তিনি পদত্যাগ করতে চান। সে সময় তিনি আরও বলেন, মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আচরণে তিনি অপমানিত বোধ করেছেন। এরপর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি এক সংবাদপত্রকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাহাবুদ্দিন বলেন, সরকার চাইলে তিনি দায়িত্বে থাকবেন, অন্যথায় স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করবেন। সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

সরকারের উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, সাহাবুদ্দিনের পদ ছাড়াটা ‘স্বাভাবিক প্রক্রিয়া’। ওই সূত্রের ভাষ্য, ‘তিনি আজ বা কাল থাকবেন না, এটাই স্বাভাবিক।’ সূত্রটি আরও দাবি করে, রাষ্ট্রপতি আগের রাজনৈতিক যোগাযোগ পুনঃস্থাপনের চেষ্টা করছেন, এমন তথ্য সরকারকে অসন্তুষ্ট করেছে। গণঅভ্যুত্থান-পূর্ববর্তী সময়ের কোনো ব্যক্তিকে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে রাখাকে সরকার আর সমীচীন মনে করছে না বলেও সূত্রটির দাবি। বঙ্গভবন-সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ‘এক-দুই দিনের মধ্যেই এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে শুনছি।’

মধ্যনগরে ইয়াবা সহ মাদক কারবারি আটক

0

ধর্মপাশা – মধ্যনগর প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নের গোলগাঁও বাজার এলাকা গত মঙ্গলবার রাতে মো. জুয়েল মিয়া (২২) নামের এক মাদকব্যবসায়ীকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করেছে মধ্যনগর পুলিশ। তাঁর বাড়ি উপজেলার বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামের মোঃ শাহেদ বাদশার ছেলে।

মধ্যনগর থানা পুলিশ সূত্রের জনাযায়,গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার গোলগাঁও বাজার এলাকায় শ্রীপুর গ্রামের বাসিন্দা মাদকব্যবসায়ী মো. জুয়েল মিয়া ইয়াবা বেচাকেনা করছিলেন। ওই ইউনিয়নে মাদক উদ্ধার ও ওয়ারেন্টভূক্ক আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযানে থাকা পুলিশ এই খবর পেয়ে রাত ২টা বেজে ২০মিনিটের সময় সেখানে অভিযানে যান। এ সময় ইয়াবা বেচাকেনার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে জুয়েল মিয়াকে গ্রেপ্তার ও তার কাছ থেকে ৪০টি ইয়াবাবড়ি জব্দ করা হয়।
মধ্যনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ কে এম সাহাবুদ্দিন শাহীন জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামি
এলাকায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত।
মো. জুয়েল মিয়াসহ একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে মধ্যনগর সহ পার্শ্ববর্তী উপজেলা ধর্মপাশা, মোহনগঞ্জ, বারহাট্টা কলমাকান্দা আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় গোপনে বিভিন্ন মাদক দ্রব্যের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। পুলিশও জুয়েল মিয়াকে অবৈধ মালামালসহ গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টা বেজে ২০মিনিটের সময় মাদক বিরোধী চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ সময় জুয়েল মিয়ার দেহ তল্লাশি করে ৪০টি ইয়াবাবড়ি জব্দ করা হয়। এবং আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, উপজেলায় মাদক নির্মূলে পুলিশের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারিদেরকে বুধবার দুপুরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গাজী নজরুলকে এমপি পদ ছাড়তে বলল জামায়াত, নইলে স্পিকার-ইসিতে চিঠি

0

আধুনিক ডেস্ক ::
দল থেকে বহিষ্কৃত গাজী মো. নজরুল ইসলামকে সংসদ সদস্য (এমপি) পদ ছাড়তে বলেছে জামায়াতে ইসলামী। সাতক্ষীরা-৪ আসনের এই এমপি নিজে থেকে পদত্যাগ না করলে তার এমপি পদ বাতিলে সংসদের স্পিকার এবং নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেবে দলটি। দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, গাজী নজরুল এখন আর জামায়াতের কেউ নন। ফলে তিনি জামায়াতের এমপি নন। তাই এই বিষয়ে যেসব আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে সবই নেওয়া হবে।

ভিডিও প্রকাশের পর ব্যাপক সমালোচনার পর জামায়াত তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটি গাজী নজরুলের নৈতিক স্খলনের প্রমাণ পেলে বুধবার জামায়াত আমির শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে নির্বাহী পরিষদের বৈঠক হয়। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দলীয় গঠনতন্ত্রের ৬২ ধারা অনুযায়ী তাকে বহিষ্কার করা হয়। তার এমপি পদ বাতিলেও নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

নির্বাহী পরিষদ সূত্র গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, গাজী নজরুলকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে। তবে তিনি এ নির্দেশনা বিষয়ে কিছুই জানাননি দলকে। আবার পদত্যাগ করবেন না, এমন কিছুও বলেননি। জামায়াতের একজন সংসদ সদস্য বলেছেন, সংসদীয় দলের কেউ গাজী নজরুলের পক্ষে নেই। সবার চাওয়া ছিল, তাকে বহিষ্কার করা হোক। নইলে সংসদের অধিবেশনে জামায়াতকে বারবার বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হতো। গাজী নজরুল যদি নিজে থেকে পদত্যাগ না করে আইনি লড়াই চালিয়ে যান, তাতে হয়ত তিনি কয়েক মাস বা বছরখানেক এমপি পদে থাকবেন। তবে জামায়াতের এমপিদের সঙ্গে সংসদে বসতে পারবেন না।

সোমবার রাতে গাজী নজরুলের একটি ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিওতে থাকা ১৮ বছরের তরুণীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করেন গাজী নজরুল। ওই তরুণী জানান, ১৭ জুন গাজী নজরুলের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছে। তরুণীর বাবা এবং গাজী নজরুলের প্রথম স্ত্রী একই কথা জানান। যদিও বিয়ের কাজী বদরুল আলম মো. বাকী বিল্লাহ জানিয়েছেন, ১৭ জুন নয় বিয়ের নিবন্ধন হয়েছে ১৯ জুলাই। এতে বিতর্ক সমালোচনা আরও বাড়ে। যদিও বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী বিয়ে আগে করে, পরবর্তীতে তা নিবন্ধনে বাধা নেই। তবে ৩০ দিনের মধ্যে নিবন্ধন না করলে দুই বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। এর মধ্যেই জামায়াত বহিষ্কার করল গাজী নজরুলকে।

শিক্ষার্থীদের ক্ষোভের মুখে ক্ষমা চাইলেন সবুজ বাংলা রেস্টুরেন্টের মালিক

0

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি:

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) প্রধান ফটক সংলগ্ন খাবার হোটেল সবুজ বাংলা’র মালিক আবুল হোসেনের একটি বিভ্রান্তিকর ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীদের মাঝে অসন্তোষ আরও বাড়ে।

এরই প্রেক্ষিতে বুধবার(২২জুলাই) সন্ধ্যায় ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি দল সবুজ বাংলার মালিকের কাছে ঘটনার জবাবদিহিতা চান। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা উপস্থিত থেকে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেন।

শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে মালিক আবুল হোসেন নিজের ভুল স্বীকার করে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

তিনি বলেন,” দ্রুতই বিতর্কিত পোস্টটি মুছে ফেলবেন এবং সমাধানের বিষয় নিয়ে পোষ্ট করবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা করে খাবারের নতুন দাম নির্ধারণ করবেন।”

এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর বেলাল সিকদার বলেন, “শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে আমরা সেখানে যাই এবং বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করি। ভবিষ্যতে যেন এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে বিষয়ে মালিকপক্ষকে সতর্ক করা হয়েছে।”