আধুনিক ডেস্ক ::
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি এক নারী ও তাঁর দুই ছেলে–মেয়ে নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন তাঁর স্বামী ও আরেক ছেলে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানী রিয়াদ থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, তানিয়া তাহমিনা (৪৫), তার ছেলে তাজবিক (১৯) ও মেয়ে সাদাফ (১৫)। আহত হয়েছেন তানিয়ার স্বামী শফিকুল ইসলাম (৫৫) ও তাদের বড় ছেলে নাবিল (২৪)। শফিকুল ইসলাম সৌদি আরবে চাকরি করেন। তার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায়। তার স্ত্রী ও সন্তানরা ঢাকার উত্তরায় থাকেন। তারা চারজন সৌদি আরবে বেড়াতে গিয়েছিলেন। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন ওমরাহ করতে যাওয়ার পথে তারা সড়ক দুর্ঘটনায় পড়েন।
নিহত তানিয়া তাহমিনার বাবার বাড়ি ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের পুটিয়া গ্রামে। তার প্রয়াত বাবা নাজিমুদ্দিন মোল্লা আটঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। তানিয়ার ভাই তৌহিদ মোহাম্মদ মুরাদ বলেন, দুর্ঘটনার পর স্বজনদের কাছে খবর পৌঁছাতে অনেক সময় লেগেছে। ঘটনাস্থল রিয়াদ থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে। তাদের এক আত্মীয়ের সেখানে পৌঁছাতেই প্রায় তিন ঘণ্টা লেগে যায়। গতকাল বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তাঁরা ওই দুর্ঘটনা সম্পর্কে নিশ্চিত হন।
তৌহিদ মোহাম্মদ মুরাদ জানান, তার ভাগনে তাজবিক ফিনল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। আর এক সপ্তাহ পরই তার ফ্লাইট ছিল। তিনি চলে যাওয়ার আগে পরিবারের সবাই মিলে ওমরাহ করতে যাচ্ছিলেন। তখন এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। মরদেহ দেশে আনার বিষয়ে তৌহিদ মোহাম্মদ মুরাদ বলেন, যেহেতু ওমরাহ করতে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে। এ কারণে তাদের মরদেহ দেশে আনা হবে না। শুক্রবার দুপুরে জানাজা শেষে সেখানে তাদের দাফন করা হবে।


