শাবিপ্রবি প্রতিনিধি:
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ফাতিমা-তুজ-জাহরা হলে শারীরিক ও মৌখিকভাবে হেনস্তার দায়ে এক শিক্ষার্থীর সিট বাতিল করা হয়েছে।
সোমবার (৪ মে) সন্ধ্যায় ফাতিমা-তুজ-জাহরা হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইসমত আরা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
অভিযুক্ত শিক্ষার্থী রাজিয়া পারভীন সমাজকর্ম বিভাগের মাস্টার্স শেষ বর্ষের ছাত্রী। তিনি হলের ১০৭ নম্বর রুমে থাকতেন। তার পার্শ্ববর্তী ১০৪ নম্বর রুমের নোশিন তাবাসসুম নিহা হল প্রাধ্যক্ষের কাছে তার দ্বারা হেনস্তার শিকার হওয়ার অভিযোগ করেন। তদন্ত ও প্রমাণাদির ভিত্তিতে প্রভোস্টবৃন্দের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে তার আসন বাতিল করা হয়।
হল সূত্রে জানা যায়, রাজিয়া পারভীনের দ্বারা বিভিন্ন সময়ে হেনস্তার শিকার হচ্ছিলেন অন্যান্য শিক্ষার্থীরা, এমন অভিযোগের এর সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ৮০ জন শিক্ষার্থীর স্বাক্ষরিত একটি আবেদনপত্র হল প্রাধ্যক্ষ বরাবর দেন শিক্ষার্থীরা। পরবর্তীতে ওই হলের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ৪ মে একটি সভা করেন হল প্রাধ্যক্ষ। সভায় উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর তদন্ত ও প্রমাণাদির ভিত্তিতে ওই শিক্ষার্থীর আসন বাতিল করেন হল কর্তৃপক্ষ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফাতেমা-তুজ-জাহরা হলের প্রাধ্যক্ষ ইসমত আরাকে একাধিকবার কল দিলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায় নি।
জানতে চাইলে সহকারী প্রাধ্যক্ষ হুসনে আরা চৌধুরী বলেন, ‘ রাজীয়া পারভীনের বিরুদ্ধে হলের ৮০ জন শিক্ষার্থী গণস্বাক্ষর দিয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে আমরা বিষয়টি তদন্ত করি। পক্ষ-বিপক্ষ-নিরপক্ষের বক্তব্য শুনেছি। এভাবে তথ্য ও প্রমানাদির পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত ছাত্রী রাজীয়া পারভীনের হলের আসন বাতিল করা হয়েছে।’
