Home Blog Page 279

‘দৈনিক আধুনিক কাগজ’র সম্পাদক হলেন সাংবাদিক মঈন উদ্দিন

0

স্টাফ রিপোর্ট ::
দৈনিক আধুনিক কাগজের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন সিলেটের সিনিয়র সাংবাদিক মঈন উদ্দিন। গত রোববার (১ অক্টোবর) পূর্ণাঙ্গ পরিসরে প্রকাশিতব্য এ দৈনিকের দায়িত্ব নেন তিনি। ‘স্মার্ট পাঠকের স্মার্ট দৈনিক’ শ্লোগানকে সামনে নিয়ে ২০১৯ সাল থেকে পত্রিকাটি পরীক্ষামূলকভাবে সীমিত পরিসরে প্রকাশিত হয়ে আসছিলো। 

ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্র মঈন উদ্দিনের সাংবাদিকতার শুরু ২০০১ সালে সিলেটের স্থানীয় দৈনিক শ্যামল সিলেটের হাত ধরে। সর্বশেষ তিনি দৈনিক একাত্তরের কথার উপ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। এর আগে তিনি সিলেটের স্থানীয় দৈনিক শুভ প্রতিদিনের প্রধান বার্তা সম্পাদক, দৈনিক শ্যামল সিলেটের প্রধান প্রতিবেদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি এ সময়ে তিনি জাতীয় দৈনিক ইত্তেফাক ও সকালের খবরে স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সাংবাদিতার দীর্ঘ  সময়ে মঈন উদ্দিন সিলেটে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার নতুন এক ধারার সূচনা করেন। তার অনেক প্রতিবেদন সিলেটসহ সারা দেশে আলোড়নের সৃষ্টি করে।

শাবির ইংরেজি বিভাগে অধ্যাপকের ফলাফল জালিয়াতি, পরীক্ষা না দিয়েই পাশ শিক্ষার্থী

0

নিজস্ব প্রতিবেদক

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে পরীক্ষায় অনুপস্থিত শিক্ষার্থীকে পাশ করিয়ে দেবার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক মো. সিকান্দার আলীর বিরুদ্ধে এমন অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের চতুর্থ বর্ষ ১ম সেমিস্টার পরীক্ষায় অনুপস্থিত এক শিক্ষার্থীকে পাশ করিয়ে দেবার গুরুতর এ অভিযোগ পাওয়া গেছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়াও ওই একই কোর্সের একাধিক শিক্ষার্থীর রেজাল্ট কোর্স টিচার প্রদত্ত নম্বর পরিবর্তন করে প্রকাশ করারও প্রমাণ পাওয়া গেছে।

ওই শিক্ষাবর্ষের একাধিক শিক্ষার্থীর অভিযোগ পছন্দের শিক্ষার্থীদের নাম্বার পরিবর্তন এমনকি পরীক্ষা না দিলেও তাকে পাশ করিয়ে দেবার ঘটনা ঘটিয়েছেন তিনি। ২০১৮ সালের এক কোর্সের ফাইনাল পরীক্ষায় তিনি এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে জানা যায়। এরপর শিক্ষার্থীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি সামনে আসে।

এ সংক্রান্ত একাধিক নথিপত্র প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। যেখানে দেখা যায় ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের এক শিক্ষার্থী যার রেজিস্ট্রেশন নাম্বার ২০১৩২৩৬০৩৫, তাকে ENG-415, সাউথ এশিয়ান লিটারেচার ইন ইংলিশ কোর্সে পরীক্ষা না দিয়েই পাশ করিয়ে দেবার ঘটনা ঘটিয়েছেন তিনি। এছাড়াও একাধিক শিক্ষার্থীকে নাম্বার পরিবর্তন করে রেজাল্ট প্রকাশ করেছেন তিনি বলেও প্রমাণ পাওয়া যায়।

জানা যায়, ওই সেমিস্টারের পরীক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি। নিয়ম অনুযায়ী সেমিস্টারের সংশ্লিষ্ট কোর্সের দুই শিক্ষক প্রদত্ত নাম্বার পরীক্ষা কমিটির চেয়ারম্যানের হাতে গেলে তিনি তা যোগ করে প্রকাশ করেন। ওই কোর্সে তিনি একাধিক শিক্ষার্থীকে ওই কোর্স টিচারদ্বয়ের নাম্বার পরিবর্তন করে রেজাল্ট পরিবর্তন করে প্রকাশ করেছেন এবং পরীক্ষা না দেওয়া শিক্ষার্থীকেও পাশ করিয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

নথি ঘেটে দেখা যায়, ওই রেজিস্ট্রেশনধারী ফাইনাল পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকা স্বত্ত্বেও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর থেকে প্রকাশিত ফলাফলে তিনি পাশ করে গেছেন। এছাড়াও একাধিক শিক্ষার্থীকে মনগড়া এবং ভৌতিক অতিরিক্ত নাম্বার দিয়ে তা প্রকাশ করেছেন তিনি। ওই সেমিস্টারের ওই পরীক্ষা কমিটির ট্যাবুলেটর (নিরিক্ষক) হিসেবে ছিলেন বিভাগের বিভাগের অধ্যাপক শরিফা ইয়াসমিন এবং সহযোগী অধ্যাপক ড. আফরোজা খানম বলে জানা যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিভাগের ওই শিক্ষাবর্ষের একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ জানিয়ে বলেন, আমরা এ ঘটনার সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। বিভাগের শিক্ষকদের দ্বারা এমন ঘটনা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।

পরীক্ষা না দিয়েও পাশ করে যাওয়া ওই রেজিস্ট্রেশনধারী শিক্ষার্থী বলেন, পরীক্ষায় না বসলেও ভুলবশত আমার রেজাল্ট চলে আসে। সেখানে কম নাম্বার আসায় তা আমার ওভারঅল ফলাফল কমিয়ে দেয়। এরপর আমি পরবর্তী সেমিস্টারে আবারো ওই কোর্সে রেজিস্ট্রেশন করি এবং সে কোর্সের পরীক্ষা দিয়েছি।

এ ঘটনার বিষয়ে বিভাগটির প্রধান অধ্যাপক হোসেন আল মামুনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অভিযোগ পাবার পর তথ্য যাচাই করে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে অবগত করবো এবং তদন্ত সাপেক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক অধ্যাপক মো. সিকান্দার আলী বলেন, ফলাফল নিয়ে এমন ঘটনা ঘটার কথা নয়। তারপরও যেহেতু অভিযোগ এসেছে সুতরাং কমিটির সবাই বসে বিষয়টি খতিয়ে দেখে তারপর এ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন স্কুল শিক্ষক রাজীব দাস, প্রেমিকাসহ বড় ভাইকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের

0

স্টাফ রিপোর্টার:

অবশেষে মৃত্যুকেই আলিঙ্গন করলেন আম্বরখানা গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক রাজীব দাস। প্রায় ৭ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে গতকাল অপরাহ্ন ৫ ঘটিকায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন। হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহত স্কুল শিক্ষকের পিতা সুনীল দাস বাদী হয়ে একই স্কুলের সহকারী শিক্ষিকা রেহনুমা তাবাস্সুম ও তার ভাই আরিফ আহমদের নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাতনামা আরও ৭/৮ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন ৷

উল্লেখ্য যে, একই স্কুলের আইসিটি বিভাগের সহকারী শিক্ষিকা রেহনুমা তাবাস্সুম-এর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে তার সহকর্মী হিন্দু ধর্মাবলম্বী রাজীব দাসের। যদিও একজন মুসলিম অপরজন হিন্দু ধর্মাবলম্বী হওয়ায় উভয় পরিবার তাদের এই সম্পর্ক মেনে নিতে পারেননি।

গত ১১ অক্টোবর গভীর রাতে প্রেমিক যুগল পালিয়ে যেতে চেষ্টা করলে বাঁধ সাধেন প্রেমিকা রেহনুমা তাবাসসুমের ভাই আরিফ আহমদ।

এ সময় আরিফ আহমদ ও তার বন্ধু-বান্ধবরা রাজীব দাসকে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করলে পথচারী লোকজন তাকে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত সিলেট এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।

রাজীব দাস হাসপাতালে ৭ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে গতকাল অপরাহ্ন ৫ ঘটিকায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। পুলিশ আসামীদের ধরতে বিভিন্ন স্থানে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করছে।

সংখ্যালঘু শিক্ষক রাজীব দাসের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানব বন্ধন

0

স্টাফ রিপোর্টার:

সংখ্যালঘু আম্বরখানা গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক রাজীব দাসের উপর ‘সন্ত্রাসীদের বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় বাংলাদেশ হিন্দু- বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের ব্যানারে গতকাল (১১ অক্টোবর) সিলেট নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাশে এক মানব বন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। মানব বন্ধন শেষে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকেরা নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কোতয়ালী মডেল থানায় গিয়ে প্রশাসনের নিকট সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান।

এ সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার আশ্বাস প্রদান করলে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতৃবন্দ কর্মসূচি সমাপ্ত করে চলে যান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট রানা দাশ গুপ্ত, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত কুমার দাস, সিলেট জেলা শাখার সভাপতি এডভোকেট মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট প্রদীপ কুমার দেব, সহ-সাধারণ সম্পাদক বিজিত লাল দাস, সিলেট সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষ এডভোকেট দিলীপ কুমার দাস, সমীরন দাশ, তাপশ পুরকায়স্থ, শ্যামল দেব, অশোক কুমার পুরকায়স্থ, রিপন দেবনাথ, সাংবাদিক সমর দাস, কবি মনোরঞ্জন কর্মকার, কবি লিটন দাস, বিরেন্দ্র কুমার মল্লিক, দিপক কুমার মল্লিক প্রমুখ।

নবীগঞ্জে ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম ও তার গাড়িচালক গ্রেপ্তার

0

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের নবিগঞ্জ আউশকান্দি রোডে, ছালামতপুর এলাকায় হাজারী কমিউনিটি সেন্টার এর সামনে থেকে ১ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার কর হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, অত্র এলাকার বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম (৫২) ও তার গাড়িচালক একই উপজেলার দুর্লভপুর গ্রামের মৃত আমান উল্লাহর ছেলে জালাল মিয়া (৩২)।

বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) রাত এগারোটায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নবীগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল তাদের গ্রেপ্তার করে। এ সময় আসামিদের ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকারও জব্দ করা হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই লুৎফুর রহমান জানান, “আসামিদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আসামী সাইফুল ইসলাম এর বিরুদ্বে একটি মানব পাচার মামলার ওয়ারেন্ট ছিল, আসামী জালাল মিয়ার বিরুদ্বে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। একই সঙ্গে আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে এবং মামলার তদন্ত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”