আধুনিক রিপোর্ট ::
সিলেট নগরে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে সিলেট মহানগর পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযানের তৃতীয় দিনে ৬৯ অবৈধ যানবাহন আটক, ৩১ টি মামলা করা হয়েছে। বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী এই অভিযানে ব্যাটারিচালিত রিকশা, অবৈধ ও ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
এসএমপি সূত্রে জানা গেছে, অভিযানে মোট ৬৯টি যানবাহন আটক করা হয়। এর মধ্যে ৪৪টি ব্যাটারিচালিত রিকশা, ২২টি মোটরসাইকেল, ২টি সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ১টি পিকআপ ভ্যান রয়েছে। এছাড়া ট্রাফিক আইন অমান্য ও অবৈধ যানবাহন চলাচলের অপরাধে মোট ৩১টি মামলা দায়ের করা হয়। মামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে- সিএনজি অটোরিকশা ৪টি, মোটরসাইকেল ১৮টি, ট্রাক ২টি, মাইক্রোবাস ২টি, প্রাইভেট কার ৩টি এবং পিকআপ ভ্যান ২টি।
পুলিশ জানায়, নগরীতে শৃঙ্খলাবদ্ধ পরিবহন ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা এবং নাগরিক ভোগান্তি কমাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহনের বিরুদ্ধে এই অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলেও জানায় এসএমপি কর্তৃপক্ষ।
এ অভিযানের আগে গত শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে আট দফা নির্দেশনা জারি করে। নির্দেশনায় বলা হয়, যানজটমুক্ত নগরী গড়ে তুলতে সিলেট মহানগরীতে কোনো ব্যাটারিচালিত রিকশা রেজিস্ট্রেশনবিহীন বা ভুয়া নম্বরপ্লেটযুক্ত অবস্থায় চলতে পারবে না। অনুমোদিত স্ট্যান্ডে নির্ধারিত সংখ্যার বেশি সিএনজিচালিত অটোরিকশা রাখা যাবে না। অনুমোদনবিহীন স্থানে কোনো ধরনের পার্কিং করা যাবে না। মোটরসাইকেলচালক ও আরোহী উভয়কেই বাধ্যতামূলকভাবে হেলমেট পরতে হবে। সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত নগরীতে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও লরি ঢুকতে পারবে না। কোনো পরিবহনে অতিরিক্ত যাত্রী বা অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া যাবে না। এ ছাড়া হেডলাইট, ব্রেক লাইট ও সিগন্যাল লাইট সচল না থাকলে গাড়ি রাস্তায় নামানো যাবে না। বাস, মিনিবাস, কোচ, কার, মাইক্রোবাস ও হাইয়েসের চালকরা ড্রাইভিং লাইসেন্স, গাড়ির কাগজপত্র ও সিটবেল্ট ছাড়া গাড়ি চালাতে পারবেন না। সিলেট শহরের ভেতরে যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা করানো বা রাস্তার মধ্যে গাড়ি পার্কিং করা যাবে না।
