আধুনিক ডেস্ক:
বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হওয়ায় সিলেটসহ দেশের ছয়টি বিভাগে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে দেশের বাকি অংশে হতে পারে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি।
সোমবার (১৮ আগস্ট) এক পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির জানান, উত্তর অন্ধ্র-দক্ষিণ উড়িষ্যা উপকূলের অদূরে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এ ছাড়া মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সকাল পর্যন্ত দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সিলেট, রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একইসঙ্গে এসব বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। এছাড়া সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
মঙ্গলবার সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসেও একই ধরনের আবহাওয়ার কথা বলা হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, সিলেট, রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
অন্য এক পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে, সিলেটে সোমবার আকাশ বেশিরভাগ সময় মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে। দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কয়েক দফা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলে তাপমাত্রা ৩৩ থেকে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলেও সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে তা ধীরে ধীরে কমে ২৭ থেকে ৩১ ডিগ্রির মধ্যে নেমে আসবে।
সন্ধ্যা থেকে রাত অবধি বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে। রাত ৭টার পর থেকে বজ্রঝড় ও দমকা হাওয়ার কারণে জনসাধারণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। দিনভর ভ্যাপসা গরমের পর সন্ধ্যার বৃষ্টি সিলেটবাসীর জন্য কিছুটা স্বস্তি বয়ে আনতে পারে। তবে বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গায় অবস্থান না করা এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
