আধুনিক রিপোর্ট ::
চলমান বৃষ্টি ও উজানে ভারতের রাজ্যগুলোতে অতিভারী বৃষ্টির ফলে সিলেটের নদ-নদীগুলোতে পানি বাড়ছে। এতে করে বন্যার শঙ্কা দিয়েছে সিলেট অঞ্চলে। ইতিমধ্যেই সিলেটের জকিগঞ্জের আমলসিদ স্টেশনে কুশিয়ারা নদীর পানি এবং কানাইঘাট স্টেশনে সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বইতে শুরু করেছে। এছাড়া বেশ কটি স্টেশনে পানি বিপৎসীমার কাছািকাছি পৌঁছে গেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাওবো) সূত্রে জানা গেছে মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা পর্যন্ত জকিগঞ্জের আমলসিদ স্টেশনে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ৯৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছিলো এবং কানাইঘাট স্টেশনে সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার ৯৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছিলো। পানি বৃদ্ধির এ প্রবণতা অব্যহত রয়েছে।
পাওবো সূত্রে জানা গেছে, সুরমা-কুশিয়ারার সকল স্টেশনেই পানি বাড়ছে। কুশিয়ারা নদীর শেওলা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও শেরপুর স্টেশনে পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি চলে এসেছে। লোভাছড়ায় লোভা, সারিঘাটে সারি, জাফলংয়ে ডাউকি, ইসলামপুরে ধলাই নদীর পানিও বাড়ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, সিলেট, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও রংপুর বিভাগে এবং উজানে ভারতের ত্রিপুরা, পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম প্রদেশে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত পরিলক্ষিত হয়েছে। এছাড়া দেশের রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে এবং তৎসংলগ্ন উজানে ভারতের মেঘালয়, আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, সিকিম, বিহার ও ত্রিপুরা প্রদেশে বিচ্ছিন্নভাবে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময়ে সুরমা, কুশিয়ারা ও সারিগোয়াইন নদীসমূহের পানির সমতল বাড়তে পারে এবং সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। এ সময় সিলেট, সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলার ওই নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলসমূহ সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।


