আধুনিক রিপোর্ট ::
ট্রাস্টি বোর্ড নিয়ে দায়ের হওয়া মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সিলেটের প্রশাসনের পাঁচ কর্মকর্তাকে সিলেট খাজাঞ্চিবাড়ি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের কোনো সভায় অংশগ্রহণে ও দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। গত ৭ আগস্ট সিলেটের সিনিয়র সহকারী জজ সদর আদালতের বিচারক এ নিষেধাজ্ঞা দেন। এরা হলেন- সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), সিলেট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সিলেট মহানগর সার্কেল সহকারী কমিশনার (ভূমি), সহকারী কমিশনার (শিক্ষা শাখা)।
নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি আধুনিক কাগজকে নিশ্চিত করেছেন বাদিপক্ষের আইনজীবী সাবেক জিপি অ্যাডভোকেট এএইচ ইরশাদুল হক।
বাদিপক্ষের আইনজীবী জানান, সিলেট খাজাঞ্চিবাড়ি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ট্রাস্টি বোর্ডে প্রশাসনের পাঁচ কর্মকর্তাকে অন্তর্ভুক্ত করায় দায়ের হওয়া মামলার প্রেক্ষিতে গত সিলেটের জেলা প্রশাসক ও খাজাঞ্চিবাড়ি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সভাপতি মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), সিলেট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সিলেট মহানগর সার্কেল সহকারী কমিশনার (ভূমি), সহকারী কমিশনারকে (শিক্ষা শাখা) পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেন সিনিয়র সহকারী জজ সদর আদালতের বিচারক। কারণ দর্শানো নোটিশের বিপরীতে যথাযথ পদক্ষেপ না নেওয়ায় ২৭ জুলাই জেলা প্রশাসক ছাড়া বাকি পাঁচ কর্মকর্তার প্রতি পূর্ণাঙ্গ শুনানি না হওয়া পর্যন্ত অন্তবর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা দেন। ৭ আগস্ট শুনানি শেষে তাদের প্রতি মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন।
গত ১৬ জুলাই সিলেট খাজাঞ্চিবাড়ি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ট্রাস্টি বোর্ডে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), সিলেট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সিলেট মহানগর সার্কেল সহকারী কমিশনার (ভূমি), সহকারী কমিশনারকে (শিক্ষা শাখা) অন্তর্ভুক্ত করায় মামলা দায়ের করেন প্রফেসর আবদুল বাকী চৌধুরীসহ বোর্ডের ৫ সদস্য। মামলার বাদীদের ভাষ্য, লিখিতভাবে আপত্তি জানানোর পরও জেলা প্রশাসক স্কুলের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য হিসাবে তার দপ্তরের পাঁচ কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেন। এ নিয়ে আইনি জটিলতার কারণে তারা আদালতের দ্বারস্থ হন।


