ধর্মপাশা – মধ্যনগর প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলাদীন জয়শ্রী ইউনিয়নে শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে লক্ষ্মণখলা গ্রামবাসীর ব্যানারে স্থানীয় বাজার সংলগ্ন সড়কে এক মানববদ্ধ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
লক্ষ্মণখলা গ্রামের সাইফুল ইসলাম চৌধুরী নামে এক প্রভাবশালী ব্যক্তি কর্তৃক এক বর্গাচাষী পরিবারের ওপর চাঁদাবাজী মামলা দায়েরের প্রতিবাদে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয় ।
ধর্মপাশা থালা ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, জয়শ্রী ইউনিয়নের বাখরপুর গ্রামের সাইফুল ইসলাম চৌধুরী লক্ষ্মণখলা গ্রামের বর্গাচাষী রইছ মিয়াসহ তার পরিবারের পাঁচ জনের বিরুদ্ধে গত বুধবার ধর্মাপাশা থানায় একটি চাঁদাবাজী মামলা দায়ের করে। এজাহার ভুক্ত আসামিরা হলেন,রইছ মিয়া, খায়ের মিয়া, রইছ মিয়ার ছেলে রাফি মিয়া, রইছ মিয়ার বড় ভাই বাচ্চু মিয়ার ছেলে মানিক মিয়া ও মালেক মিয়ার ছেলে খায়রুল।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ইউপি সদস্য বায়েজিদ তালুকদার, রহিছ মিয়া, খায়েয়ের স্ত্রী শেলী আক্তার, রাকিব আহমেদ, শামীম আহমেদ, হেলাল উদ্দিন।
ভুক্তভোগী পরিবারসহ লক্ষ্মণখলা গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার ২শতাধিক মানুষ মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাইফুল ইসলাম প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ায় নিরীহ মানুষকে বিভিন্ন সময় মামলা দিয়ে হয়রানি করে। লক্ষ্মণখলা গ্রামের সামনে অন্যের জমি বর্গা নিয়ে বোরো ধান চাষাবাদ করেছেন রইছ মিয়া। গেল ১৯ ফেব্রুয়ারি সাইফুল ইসলামের গরু কর্তৃক রইছ মিয়ার ক্ষেতের ফসল খাওয়াকে কেন্দ্র করে উভয়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব বাধে। এর জেরে মঙ্গলবার রাত একটার দিকে রইছ মিয়ার ছোট ভাই খায়ের মিয়াকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করে সাইফুল ইসলামের লোকজন। ওই মামলাকে মিথ্যা বানোয়াট দাবি করেন বক্তারা।
জানতে চাইলে সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, আমার লোকজন খায়েরকে ধরে পুলিশে ধরিয়ে দেয় নি। মামলা করার পর পুলিশ খায়েরকে গ্রেপ্তার করেছে।
এ বিষয়ে ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সহিদ উল্যা মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বাদী হয়ে গত বুধবারে পাঁচজনকে আসামি করে একটি চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেছেন।
