ফেরদৌস চৌধুরী রুহেল ::
বিভাগীয় স্টেডিয়ামে ২০১০-২০১১ সাল থেকে জাতীয় ক্রিকেট লিগ চলতে থাকে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ভেন্যুর দাবিও জোরেসোরে উঠতে থাকে। এর আগে মাঠ সমস্যার অজুহাতে সিলেটবিদ্বেষী একটি গোষ্ঠী সক্রিয় ছিল যাতে এ দাবি বাস্তবায়িত না হয়। এখন যেহেতু মাঠের সমস্য মিটে গেছে, সফলভাবে জাতীয় ক্রিকেট লিগ হচ্ছে। এছাড়া জাতীয় ক্রিকেটার থেকে শুরু করে ক্রিকেট বোর্ড কর্মকর্তারা মাঠে আসছেন, এর সৌন্দর্যে মুগ্ধ হচ্ছেন। তখন সিলেট বিভাগীয় এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তাদের পাশাপাশি সিলেটের ক্রীড়াপ্রেমী জনসাধারণসহ সাংবাদিকরাও এই দাবিতে কথা বলতে শুরু করেন। সিলেটে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ভেন্যুর দাবি নতুন প্রাণ পায়। এরই ফলশ্রুতিতে ক্রিকেট বোর্ডের কর্মকর্তারা ২০১৩ সাল থেকে বিভিন্ন সময় মাঠ পরিদর্শন এবং আবাসিক হোটেল সহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বিচার বিশ্লেষণ করা শুরু করেন। প্রথম ধাপে বিভাগীয় স্টেডিয়াম প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সাকেব অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম সাইফুর রহমান যেমন ভূমিকা রেখেছিলেন দ্বিতীয় ধাপে ঠিক তেমনিভাবে সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মহিত এ স্টেডিয়ামকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রূপান্তরে ভূমিকা রাখেন। আমরা ক্রীড়া অঙ্গনের সবাই তাকে বুঝাতে সক্ষম হই সিলেটে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ভেন্যু প্রয়োজনীয়তার কথা। তিনি ক্রীড়ামন্ত্রী এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালকদের সাথে আলাপ-আলোচনা শুরু করেন। (চলবে)
