আধুনিক রিপোর্ট ::
সিলেট নগরের উপশহরে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক ও রিকশা চালকদের সঙ্গে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নগরের উপশহরে এ সংঘর্ষেল ঘটনা ঘটে। এ সময় উভয় পক্ষে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইট পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে।
নগরজুড়ে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযানের প্রতিবাদে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকরা মিছিল বের করতে চাইলে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক ও পা-চালিত রিকশাচালকরা তাদের বাধা দেন। এরে ফলে সংঘর্ষের সূত্রপাত। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সিলেট নগরের সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান শুরু করেছে প্রশাসন। চলমান এ অভিযানের অংশ হিসেবে বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা/অটোরিকশার চার্জিং পয়েন্টগুলোতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং মিটার খুলে নেওয়া হয়।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে সিলেটে দীর্ঘদিন ধরে নিবন্ধনবিহীন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকায় যানজট, দুর্ঘটনা ও জনভোগান্তি বেড়ে যায়। এ অবস্থায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চার্জিং পয়েন্ট শনাক্ত করে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে।
অভিযান প্রসঙ্গে সিলেট মহানগর পুলিশ (এসএমপি) কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী ৩৮টি চার্জিং পয়েন্টে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের কার্যক্রম চলছে। এর বাইরেও যদি কোথাও সংযোগ থাকে, সেগুলোও বিচ্ছিন্ন করা হবে।
এদিকে, নগরে অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে এসএমপির বিশেষ অভিযানও চলছে। বুধবার অভিযানের তৃতীয় দিনে প্রথম পালে ৪৫টি যান আটক করা হয়। এর মধ্যে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ৩২টি, সিএনজি অটোরিকশা ২টি, মোটরসাইকেল ১০টি এবং একটি পিকআপ রয়েছে। একই দিনে বিভিন্ন আইন অমান্যের দায়ে ১২টি মামলা দায়ের করা হয়। সোমবার অভিযানের প্রথম দিনে ৮৭টি যান আটক ও ১৭টি মামলা দায়ের করা হয় এবং মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনে আটক হয় ১০৫টি যান ও মামলা হয় ৩২টি।


