ফেরদৌস চৌধুরী রুহেল ::
লাক্কাতুরা মাঠকে বিভাগীয় স্টেডিয়ামকে কীভাবে রূপ দেওয়া যায় তা নিয়ে আহমেদ আরেফ খুবই তৎপর হয়ে উঠেন। নিয়মিতই এ লক্ষ্যে ঢাকা-সিলেট আসা যাওয়া করতে থাকেন। অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের সঙ্গে দেখা করে পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। অর্থমন্ত্রীকে আশ্বাস দেন কি করা যায় তিনি দেখবেন। আরিফ লেগে রইলেন। এর মধ্যে এন টি সি চেয়ারম্যানের সঙ্গেও কয়েক বার দেখা করেন আরেফ। নিয়মিতই তার কাজের আপডেট জেলা এবং বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার কার্যকরী কমিটিকে অবহিত করতে থাকেন আরেফ।
হঠাৎ ১৯৯৫ সালের শেষের দিকে আমরা আহমেদ আরেফের জানতে পারি অর্থমন্ত্রী তাকে ডেকেছেন ঢাকায় দেখা করার জন্য মাঠের ব্যাপারে কথা বলতে। আমাদের মধ্যে আশার আলো জ্বলে উঠে। আরেফ ঢাকা চলে যান। দুদিন পর আরেফ আমাকে কল করে জানায়, একজন ভিডিও ক্যামেরাম্যান সঙ্গে নিয়ে লাক্কাতুরা খেলার মাঠে গিয়ে ভিডিও ধারণ করে রাখার জন্য। আরেফের মনে কী খেলা করছিলো তখনও বুঝতে পারিনি। আমি তার কথামতো জল্লারপার এলাকার একটি ভিডিও রেকর্ডিংয়ের দোকান থেকে একজন লোক নিয়ে মাঠে হাজির হই। এয়ারপোর্ট থেকে সরাসরি আরেফ লাক্কাতুরা মাঠে চলে আসে। আমাকে কিছু না বলে ক্যামেরাম্যানকে নিয়ে তখনকার লাক্কাতুরা মাঠের প্রত্যেকটি জায়গার ছবি ধারণ করায়। আরেফ আমার কাছে ভিডিও রেকর্ডের ক্যাসেটটি রেখে দেওয়ার জন্য বলে। কারণ জানতে চাইলে বিস্তারিত কিছু বলেনি। শুধু বিষয়টি বলে কাউকে না জানানোর কথা, প্রয়োজনে আমাকে বলবে। (চলবে)
