শাবিপ্রবি প্রতিনিধি:
সরকারের বিভিন্ন নীতি প্রণয়নে তরুণদের উদ্ভাবনী দক্ষতা ও সৃজনশীলতাই হবে ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা বলে মন্তব্য করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত চতুর্থ “শিল্পবিপ্লব: বাংলাদেশের উদ্ভাবনী সম্ভাবনা ও প্রয়োগ ক্ষেত্র” শীর্ষক জাতীয় নীতি প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে শাবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসাইন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম এবং স্টার্টআপ বাংলাদেশের স্বতন্ত্র পরিচালক তানভীর আলি।
নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় তরুণদের সম্পৃক্ত করার গুরুত্ব তুলে ধরে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, “তরুণরা তথ্যপ্রযুক্তির গতিশীল রূপান্তরের সঙ্গে দ্রুত খাপ খাইয়ে নিতে পারে। এই সক্ষমতাকে পলিসি মেকিংয়ের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।” তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ প্রতিযোগিদের সফলতা প্রমাণ করে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব যোগ্য হাতে যাচ্ছে।
স্টার্টআপ বিষয়ে তরুণদের উৎসাহিত করতে একাডেমিক ক্রেডিট প্রদান, কানেক্টিভিটি বাড়ানো এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। পাশাপাশি পলিসি বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে বলেন, “দেশের লিগাল গাইডলাইনের ভেতরে থেকে পলিসি বাস্তবায়ন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তরুণদের প্রস্তাবিত নীতিগুলো নাগরিক পর্যায়ে কোয়ালিটেটিভ ও কোয়ান্টিটেটিভ জরিপের মাধ্যমে যাচাই করতে হবে।”
প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে মেডেল, ক্রেস্ট ও অর্থমূল্য পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি দল ফাইনালে অংশ নেয়। এর মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হয় টিম অরুণাভ, আর প্রথম ও দ্বিতীয় রানার আপ হয় টিম ক্যাপিটাল মিত্র ও টিম সুনাগরিক।
