আধুনিক রিপোর্ট ::
ব্যাপক প্রবল সমালোচনার মুখে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থেকে বদলি করা হলো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজিজুন্নাহারকে। সোমবার (১৮ আগস্ট তাকে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে বদলি করা হয়েছে। তার জায়গায় ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মবার সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার খান মো: রেজা-উন-নবীর স্বাক্ষরিত আদেশে এ রদবদল করা হয়।
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জের সাদাপাথর লুটের ঘটনায় ইউএনও আজিজুন্নাহারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। লুটপাট বন্ধে দায়িত্বশীল আচরণ না করে উল্টো লুটপাটে সহযোগিতার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গেল কয়েকদিন ধরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছিল। সাদাপাথর লুট নিয়ে কয়েক মাস ধরেই গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেননি ইউএনও।
এদিকে সোমবার সিলেটের জেলা প্রশাসক শের মাহবুব মুরাদকেও বদলি করা হয়েছে। সিলেটের নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন র্যাবের সাবেক আলোচিত ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম। তিনি উপসচিব পদমর্যাদায় প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন।
সম্প্রতি সিলেটের ভোলাগঞ্জ, জাফলং, রাংপানিসহ বিভিন্ন এলাকায় পাথরলুটের ঘটনায় দেশজুড়ে আলোচনার ঝড় ওঠে। প্রথম দিকে প্রকাশ্যেই এসব লুটপাটের ঘটনা ঘটলেও প্রশাসন নির্বিকার ছিল বলে অভিযোগ মেলে। এমনকি ভোলাগঞ্জের সাদাপাথরে পরিদর্শনে গিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রশাসনের দায়বদ্ধতা খতিয়ে দেখার কথাও বলে। সাদাপাথর লুটের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসনের যোগসাজশ ছিল বলে রোববার (১৭ আগস্ট) সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি। এর একদিন পরেই সিলেটের প্রশাসনে এই ওলটপালট।
