আহমেদ সবুজ:
তিনি সিলেটের অভিভাবক। সিলেটের ভালো মন্দ দেখার দায়িত্ব তার। ছিলেন সরকাররের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এই নগরীর উন্নয়নে রয়েছে তার অনেক অবদান। সিলেট জুড়ে উন্নয়নকাজ চলছে। চলছে ড্রেন নির্মাণ, রাস্তা সংস্কার।
কিন্তু উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য ড. এ কে আবদুল মোমেনের বাড়ির পাশে। যেখানে সারা নগরজুড়ে খোলা ড্রেন পাওয়া দুস্কর, সেখানে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ১৫ নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত সাবেক অর্থমন্ত্রী ও তার ভাই সদ্য সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. মোমেনের বাড়ি হাফিজ কমপ্লেক্সের ঘা ঘেঁষে বয়ে যাওয়া ময়লার তার বাড়ির পাশের ড্রেনটিই খোলা, ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। এ যেনো প্রদীপের নিচে অন্ধকার।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই সাবেক অর্থমন্ত্রী ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাড়ির পাশের খোলা ড্রেনটি থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। ড্রেনটি খোলা থাকায় লোকজন ময়লা-আবর্জনা ফেলে পরিবেশ নষ্ট করছে। ড্রেনটিতে এতো ময়লা থাকে, অল্প বৃষ্টি হলেই তা ভরাট হয়ে রাস্তা ডুবে আশেপাশের বাড়িঘর, দোকানপাটে নোংরা পানি প্রবেশ করে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, বর্তমান এমপি বেশিরভাগ সময়ই সিলেটের বাইরে থাকেন, উনি এগুলো দেখার সময় পান না।
হাফিজ কমপ্লেক্স থেকে সোবহানীঘাট পয়েন্টের এই রাস্তাটি অনেক ব্যস্ততম একটি রাস্তা ড্রেনের উপরে স্ল্যাব না থাকার কারণে রাস্তা সরু হয়ে আছে। যার ফলে রাস্তায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। মাঝেমধ্যে অনেকেই ড্রেনে পড়ে গিয়ে আহতও হন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের দাবি, নগর কর্তৃপক্ষ খুব দ্রুতই এই ড্রেনটির সংস্কার কাজ শুরু করেন ভোগান্তি থেকে মুক্তি দেন।
হাফিজ কমপ্লেক্সের ঘা ঘেঁষে যাওয়া খোলা ড্রেনটির ব্যাপারে নগরীর ১৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ছয়ফুল আমিন বাকের বলেন, বর্তমানে ওয়ার্ডে ড্রেনের কোন কাজ নেই। সামনে যদি কোন টেন্ডার আসে তাহলে ড্রেনের কাজ হবে।
ড্রেনটিরে স্ল্যাব থাকলে সুবিধা হতো উল্লেখ করে তিনি বলেন, ড্রেনটি বড় করার ব্যাপারে আমি আন্তরিক। আশা করি সামনের টেন্ডারেই আমি ড্রেনটির কাজ ধরতে পারবো।