গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি:
গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর ফলে উপজেলার প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য ও আধুনিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা শহরের হাসপাতালে রোগী পাঠানোর প্রয়োজনও অনেকাংশে কমে আসবে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব কাজী শরিফ উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত গত ৬ জুলাইয়ের এক সরকারি পত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বর্তমানে গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫০ শয্যা ও সীমিত জনবল নিয়ে চিকিৎসাসেবা পরিচালিত হচ্ছে। রোগীর চাপ বেড়ে গেলে অনেককেই সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কিংবা শহরের অন্যান্য হাসপাতালে রেফার করতে হয়। বিশেষ করে জটিল রোগ, প্রসূতি, শিশু, সার্জারি ও জরুরি বিভাগের রোগীদের ক্ষেত্রে এ সমস্যা বেশি দেখা যায়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, প্রবাসী অধ্যুষিত গোলাপগঞ্জ উপজেলার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবার মান বৃদ্ধি করা। সরকারের এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে শুধু শয্যাসংখ্যাই বাড়বে না, চিকিৎসাসেবার মানও উন্নত হবে। ফলে উপজেলার মানুষ নিজ এলাকাতেই আরও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।
সচেতন মহল বলছে, দ্রুত অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ এবং আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যার পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে রূপ নেবে এবং এটি উপজেলার স্বাস্থ্যসেবায় একটি নতুন মাইলফলক হয়ে উঠবে।
এদিকে গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১০১ শয্যায় অনুমোদন করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রী কে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী।


