ধর্মপাশা – মধ্যনগর প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বলরামপুর জামিয়া হাতিমিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহ-সুপার নাজিম উদ্দিনের গাফিলতির কারনে দীপালি আক্তার নামে এক শিক্ষার্থী অস্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি বলে অভিযোগ ওঠেছে। দীপালির অভিযোগ সে নাজিম উদ্দিনের কাছে বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ফরম পূরণের টাকা জমা দিয়েছিল। কিন্তু রোববার পার্শ্ববর্তী ধর্মপাশা উপজেলার খয়েরদিরচর দাখিল মাদ্রাসা পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে দীপালি জানতে পারে তার প্রবেশপত্র আসেনি। ফলে দীপালি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি।
এই মাদ্রাসায় অস্টম শ্রেণির ৪৩ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানায় তারা বৃত্তি পরীক্ষার জন্য ১০ জন শিক্ষার্থীর ফরম পূরণ করে। পরীক্ষার দিন সকালে পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের মাঝে প্রবেশপত্র সরবরাহ করা হয়। এ সময় দীপালিকে প্রবেশপত্র সরবরাহ করা হয়নি। প্রবেশপত্র না পেয়ে দীপালি কান্নায় ভেঙে পড়ে এবং সে পরীক্ষা দিতে পারেনি।
অভিযুক্ত সহ-সুপার নাজিম উদ্দিন বলেন, দীপালি আক্তার পরীক্ষার ফি জমা দেয়নি। ১০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে আগ্রহ প্রকাশ করায় তাদের ফি জমা নেওয়া হয়েছিল। সে অনুযায়ী প্রবেশপত্র এসেছে। পরীক্ষার ফি না দিয়ে দীপালি পরীক্ষা কেন্দ্রে কেন আসলো তা আমি জানিনা।
সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা সুপার শামছুল হক সিদ্দিকী বলেন, বৃত্তি পরীক্ষার দায়িত্ব নাজিম উদ্দিনকে দেওয়া হয়েছিল। তিনি ১০ জন শিক্ষার্থীর তালিকা ও টাকা জমা দিয়েছিলেন। সে অনুযায়ীই সংশ্লিষ্ট দপ্তরে তালিকা পাঠানো হয় এবং প্রবেশপত্র আসে। পরীক্ষার দিন প্রবেশপত্র বিতরণ কেন?- এমন প্রশ্নের জবাবে সুপার বলেন, প্রবেশপত্র দুইদিন আগে এসেছে। কিন্তু শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার দিন কেন্দ্রে আসায় তাদেরকে প্রবেশপত্র দেওয়া হয়েছে।
মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উজ্জ্বল রায় বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে বিধি মোতাবেধ ব্যবস্থা গ্রহহণ করা হবে।


