আধুনিক ডেস্ক ::
পর্যটন কেন্দ্র ভোলাগঞ্জের সাদাপাথর ও ধলাই সেতু রক্ষায় সোচ্চার হওয়ায় ফাঁসানো হয়েছে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর আলমকে। শনিবার (১৬ আগস্ট) সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে এমন দাবি করেছেন তার ছেলে রায়হান আলম।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, সিলেট বিভাগের দ্বিতীয় দীর্ঘতম সেতু এম সাইফুর রহমান সেতু অবৈধ বালুখেকোদের কারণে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বিভিন্ন পত্র পত্রিকা ও ইলেকট্রনিকস্ মিডিয়ায় এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়। ব্রিজের ৫০/১০০ ফুট কাছে থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে দিনে রাতে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এটি বন্ধে আলমগীর আলম স্থানীয় প্রশাসনের কাছে প্রতিকার চাইলেও কোনো কাজ হয়নি। পরবর্তীতে সঠিকভাবে বালু উত্তোলন ও এম সাইফুর রহমান সেতু রক্ষায় এ বছরের ১৯ মার্চ সিলেটের জেলা প্রশাসক ও একই বছরের ২৭ জুলাই সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর স্মারকলিপি দেন। স্মারকলিপিতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধের জোরালো প্রতিবাদের কারণে অনেকেই তার প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠে। তার বাবা।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত ১৩ আগস্ট গ্রেপ্তারের আগের দিন সাদা পাথর ও ধলাই সেতু রক্ষায় এলাকাবাসী আয়োজিত অনুষ্ঠানে লুটপাটের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন সাদা পাথর ও ধলাই সেতু রক্ষায় গঠিত কমিটির আহবায়ক আলমগীর আলম। তার ওই বক্তব্যের পুরোটাই ছিল সাদা পাথর ও ধলাই সেতু রক্ষার আবেদন। এছাড়া গেল বছর ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সাদাপাথর সহ সরকারের বিভিন্ন খনিজ সম্পদে চোখ পড়ে লুটেরা চক্রের। ওই সময় রাষ্টের সম্পদ রক্ষায় সেনাবাহিনীর সদস্যদের নিয়ে এলাকায় গিয়ে পাথর লুটপাটকারীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন তিনি।
সংভাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে অনেকের বিরাগভাজন হয়ে ওঠেন তার তিনি। লুটেরাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় একটি মিথ্যা মামলায় ফাসিয়ে দেওয়া হয় আলমগীর আলমকে। গেল বছর দায়ের হওয়া ওই মামলায় গত ১৪ আগস্ট ভোর রাতে গ্রেপ্তার করা হয় আলমগীর আলমকে। মামলায় লিস্টার মেশিন মালামালসহ চুরির অভিযোগ করা হয়। আলমগীর আলমের পরিবার বলছে, বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত মেশিনগুলো কে বা কারা চুরি করে নিয়ে যায়। অথচ মিথ্যা ওই মামলায় আসামী করে আলমগীর আলমকে হয়রানি করা হচ্ছে।


