আধুনিক ডেস্ক ::
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী ও নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের আহ্বায়ক বেগম সেলিমা রহমান বলেছেন, আমরা কোনো আশঙ্কা প্রকাশ করিনি। আমরা চাই, বর্তমান পরিস্থিতির প্রভাব নির্বাচনে না পড়ে। আমরা একটি নির্বাচনমুখী দল। তবে বিভিন্ন বিষয়ে যে ষড়যন্ত্র চলছে, সেটি আমরা জনগণের সামনে তুলে ধরছি। আগামীর নির্বাচনকে ঘিরে কিছু মহল ঝামেলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে-তাতে নিশ্চয়ই সমস্যা হতে পারে। আমাদের মনে হয় নির্বাচন হবে, তবে নির্বাচনের আগে সংস্কার ও গণভোট ইস্যুতে কিছুটা ঝামেলা সৃষ্টি হতে পারে। শনিবার (৮ নভেম্বর) সমাজে নারী ও শিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠা বিএনপির নির্বাচনী অগ্রাধিকার শীর্ষক আলোচনা সভায় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
গুম হওয়া বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীসহ অন্যান্য নেতাকর্মীর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘গুম কমিশনের কাজ সঠিকভাবে হচ্ছে না। যেসব পরিবারের সদস্যরা গুম হয়েছেন, তারা সবাই অভিযোগ দিয়েছেন। যদি কমিশন সঠিকভাবে কাজ করত, তবে আমাদের নেতাকর্মীদের গুমের বিষয়ে কোনো না কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যেত।’
ঐক্যমত প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে বেগম সেলিমা রহমান বলেন, ‘যারা ঐক্যমতের নামে বসেছেন, তারা গুণিজন হলেও এই দেশের কেউ নন। এই দেশের সংবিধান সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণা নেই। ঐক্যমতের বিষয়টি নিয়ে সরকার পুরো জাতির সঙ্গে খেলা করছে।’
আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী বাছাই বা আসন বণ্টন নিয়ে কোনো পরিকল্পনা আছে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,‘আমাদের বেশ কিছু আসন এখনো শূন্য রয়েছে। ওই আসনগুলো চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত আমরা কোনো সিদ্ধান্ত জানাতে পারছি না।’
আলোচনা সভাটি পরিচালনা করেন নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী। এসময় উপস্থিত ছিলেন- সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, অ্যাডভোকেট হাদিয়া চৌধুরী মুন্নী, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেটআব্দুল হক, নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সদস্য নইমা খন্দকার।
অনুষ্ঠানে বর্তমান ও সাবেক জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- মুসলিমা আক্তার চৌধুরী, সুফিয়া আক্তার হেলেন, খোদেজা রহিম কলি, স্বপ্না বেগম, সুফিয়া সোলেমান কলি, নাসিমা আক্তার খান, নুরুন্নাহার, মো. মদিনা আক্তার, হেলেনা চৌধুরী, মোছা. রেহানা বেগম, মনোয়ারা বেগম, দিবা রানী দে বাবলী, শাহেনা আক্তার, সৈয়দা লাভলি সুলতানা, নাদিরা বেগম প্রমূখ।
