আধুনিক স্পোর্টস ::
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান অ্যাডহক কমিটির চলমান প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং ২০২৬ সালের পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন নিয়ে দায়ের করা একটি রিট পিটিশন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। উচ্চ আদালতের এই আদেশের ফলে বিসিবির বর্তমান কার্যপরিচালনা এবং আসন্ন নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে আর কোনো আইনি প্রতিবন্ধকতা রইল না। ফলে বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন ৭ জুন যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন বিসিবির আইনজীবী মাহিন এম রহমান। বুধবার বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশনের ওপর পুনরায় শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে মঙ্গলবার (২ জুন) মামলাটির আংশিক শুনানি শেষে আদালত পরবর্তী শুনানির জন্য ৩ জুন তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন।
বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বিভাগের দ্বৈত বেঞ্চে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে রিট পিটিশনটি খারিজ করা হয়। আদালতের এ সিদ্ধান্তের ফলে সংশ্লিষ্ট রিটের কারণে বিসিবির চলমান প্রশাসনিক কার্যক্রম কিংবা ২০২৬ সালের পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে আর কোনো আইনগত প্রতিবন্ধকতা রইল না। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল। অন্যদিকে বিসিবির পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন ব্যারিস্টার মাহিন এম. রহমান।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, বিসিবির বর্তমান অ্যাডহক কমিটি এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এর আগেও আরও তিনটি পৃথক রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছিল। পূর্ববর্তী সেসব মামলাতেও উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর হাইকোর্ট বিসিবির কার্যক্রমে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করেননি।
এর আগে গত ১৮ মে বিসিবি নির্বাচনের জন্য কাউন্সিলর মনোনয়ন চেয়ে বিভিন্ন ক্লাবের কাছে পাঠানো নোটিশ প্রত্যাহারের দাবিতে ছয়জন কাউন্সিলর হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। রিটে বিবাদী করা হয় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের চেয়ারম্যান, বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি, বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং বান্দরবান, খুলনা, লক্ষ্মীপুর, ফরিদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসকদের।
