কোম্পানিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রতন শেখ ধারাবাহিক কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে সিলেট রেঞ্জের পাশাপাশি সিলেট জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) সিলেট রেঞ্জ কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সেপ্টেম্বর–২০২৫ মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মুশফেকুর রহমান তার হাতে রেঞ্জ পর্যায়ের সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।কোম্পানীগঞ্জ থানা-পুলিশের সফল অভিযানে বিপুলসংখ্যক মাদকদ্রব্য উদ্ধার হওয়ায় তাকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
এর আগে রোববার (৯ নভেম্বর) সিলেট জেলা পুলিশ কল্যাণ সভায় অক্টোবর মাসে মাদক উদ্ধার, গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল, মামলা নিষ্পত্তি এবং আইন–শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি সিলেট জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হন। ওইদিন সিলেটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত প্রত্যয়নপত্র ও শ্রেষ্ঠত্বের সনদ গ্রহণ করেন তিনি।
দুই পর্যায়ের এই অর্জনের বিষয়ে ওসি মো. রতন শেখ পিপিএম বলেন, “সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মহোদয় ও জেলা পুলিশ আমাকে যোগ্য মনে করে এই স্বীকৃতি দিয়েছেন। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স। আমরা ২৪ ঘণ্টা কোম্পানীগঞ্জবাসীর সুবিধা–অসুবিধায় পাশে থাকার চেষ্টা করেছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব। জনগণের যে কোনো সমস্যায় দ্রুত সাড়া দিয়ে সমাধানে সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।”
তার এই সাফল্যে কোম্পানীগঞ্জবাসী ও থানার পুলিশ সদস্যদের সম্মান ও মর্যাদা আরও সুদৃঢ় হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় সুধীজন।
ওসি রতন শেখ, চলতি বছরের (২ সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার কোম্পানীগঞ্জ থানায় এসে যোগদান করেন। রতন শেখ ১৯৭৩ সালের ৫ নভেম্বর বাগেরহাট সদর থানার হরিণখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন রতন শেখ। তিনি ১৯৯৪ সালে সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) পদে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে মাগুরা, ঢাকা মেট্রোপলিটন, কুষ্টিয়া, সাতক্ষীরাসহ দেশের বিভিন্ন থানায় দায়িত্ব পালন করেন।
২০১০ সালে ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেয়ে সাতক্ষীরায় প্রথমবারের মতো ওসি (তদন্ত) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি গোয়াইনঘাট ট্যুরিস্ট পুলিশ জোন এবং মাদারীপুর জেলার শিবচর থানার অফিসার ইনচার্জ ছিলেন। জাফলং ট্যুরিস্ট পুলিশের ওসি থাকাকালীন সময়ে দায়িত্বশীল ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি একাধিক সম্মাননা অর্জন করেন। এর মধ্যে রয়েছে, রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম-সেবা), আইজিপি এক্সেমপ্ল্যারি গুড সার্ভিসেস ব্যাজ, শুদ্ধাচার পুরস্কার (২০২২) এবং জাতিসংঘ শান্তি মিশন (সুদান) পদক (২০১৪)
