শনিবার, মার্চ ২, ২০২৪
Google search engine
Homeশিক্ষাপাঁচ ঘন্টা পর মুক্ত হলেন এমসি অধ্যক্ষ, শিক্ষার্থীদের আন্দোলন স্থগিত

পাঁচ ঘন্টা পর মুক্ত হলেন এমসি অধ্যক্ষ, শিক্ষার্থীদের আন্দোলন স্থগিত


আধুনিক রিপোর্ট:

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে দীর্ঘ পাঁচ ঘন্টা অবরুদ্ধ ছিলেন সিলেটের মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আবুল আনাম মো. রিয়াজ। পরে রাত নয়টার দিকে অধ্যক্ষের কার্যালয়ের তালা খুলে দেন আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

এরআগে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক সংকট, ছাত্রাবাসের বঙ্গবন্ধু হলের পানি সমস্যা ও ছাত্রী নিবাসের নাম বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব নামকরণের দাবিতে অধ্যক্ষকে অফিসে অবরুদ্ধ রেখে বাইরে তালা দেয় শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের স্লোগানে স্লোগানে উত্তপ্ত ছিল এমসি ক্যাম্পাস। শিক্ষার্থীদের দাবি, কলেজের ইতিহাস বিভাগে মাত্র চারজন শিক্ষক ছিলেন। গত কয়েক মাস থেকে একজন শিক্ষকও নেই এ বিভাগে। এছাড়া ছাত্রাবাসে দীর্ঘদিন ধরে পানির সংকট। এসব সমস্যা সমাধানে অধ্যক্ষকে লিখিত আবেদন দেওয়া হলেও তিনি কোনো উদ্যোগ নিচ্ছেন না। বৃহস্পতিবার এসব সমস্যা নিয়ে অধ্যক্ষের কার্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন অধ্যক্ষ আবুল আনাম মো. রিয়াজ। বৈঠকে কোনো সমাধান হয়নি। এতে বিক্ষোব্ধ শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করে আন্দোলন করেন।

দীর্ঘ চার ঘন্টা অবরুদ্ধ থাকার পর সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. নাজমুল ইসলামের মধ্যস্ততায় শিক্ষার্থীদের দাবি আদায়ে কলেজ প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে রাজি হন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
পরে রাত সাড়ে আটটার দিকে সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. নাজমুল ইসলামের মধ্যস্ততায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রুহেল আহমদসহ কলেজ প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন।
দীর্ঘ বৈঠকের পর অধ্যক্ষ অধ্যাপক আবুল আনাম মো. রিয়াজের আহবানে আন্দোলন স্থগিত করেন শিক্ষার্থীরা। পরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আন্দোলন স্থগিতের বিষয়টি ঘোষণা করা হয়।

এছাড়া অবরুদ্ধ থাকাকালীন অধ্যক্ষ আবুল আনাম মো.রিয়াজ জানান, শিক্ষক ও ছাত্রাবাসে পানি সংকট নিয়ে শিক্ষার্থীরা আমাদের সঙ্গে বসেছিল। তাদের দাবি মেনে নিতে কিছু সময় চাওয়া হয়েছে। কিন্তু তারা তাতে রাজি না।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবি-আজকের মধ্যে ডিপটিউবওয়েল বসাতে হবে। কিন্তু একটি টিউবওয়েল বসাতে কমপক্ষে ২ লাখ টাকা লাগবে। একদিনের মধ্যে এটা চাইলেই সম্ভব না। একটা প্রক্রিয়া আছে, সময় লাগবে। তাছাড়া শিক্ষক সংকট সমাধান করতে হলে মন্ত্রণালয় থেকে শিক্ষকদের পদায়ন করতে হবে। এটা আমার হাতে নেই। তাই শিক্ষার্থীরা আমাকে তালাবদ্ধ করে রেখেছে। আমি এখন কার্যালয়ের ভেতরে অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছি।

প্রাসঙ্গিক সংবাদ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

জনপ্রিয়

Recent Comments